.কল্পলোকের কল্পবাজ একজন ভাল লেখককে সহজেই ভাল মানুষ ভেবে নেয়াটা বোকামী। যেমন একজন ভাল ডাক্তার ভাল মানুষ নাও হতে পারে। বাংলাদেশে যত জন ডাক্তার আছে এরা সবাই যদি ভাল মানুষ হত, যদি প্রত্যেকটা ডাক্তার দিনে তিনটা করে রোগী বিনা পয়সায় দেখত তাহলে আর এদেশে কেউ বিনা চিকিৎসায় মারা যেতনা।
Tuesday, February 26, 2019
Sunday, February 24, 2019
পৃথিবীর অন্যতম দুর্লভ জিনিস হলো ভালোবাসা … আর যাই হোক, ওটা অত সহজে পাওয়া যায় না … হাজার হাজার মানুষের ভীড়েও তোমাকে কেউ একজন ভালোবাসে, ব্যাপারটা মোটেও সস্তা না … কিন্তু সেই মানুষটার প্রতি তোমার কোন অনুভূতি কাজ না করলে, নিশ্চিতভাবেই তার ভালোবাসাকে তোমার কাছে মূল্যহীন মনে হবে !! একমুখী ভালোবাসা বড্ড নিষ্ঠুর … একটা মানুষ দিনের পর দিন্ রাতের পর রাত কাঁদতে থাকে, কিন্তু সেই চোখের পানি অন্য মানুষটাকে একদমই স্পর্শ করে না … একটা মানুষ প্রতিদিন দাঁতে দাঁত চেপে অপেক্ষা করে যায় অন্য মানুষটার জন্য, অন্য মানুষটার কাছে সেই অপেক্ষার কোনই মূল্য থাকে না !! পরিণতি জেনেও কেউ কেউ ভুলতে পারে না, সরতে পারে না, আশা ছাড়তে পারে না … বুকের ভেতর জন্ম নেয়া ভালোবাসাটা একটা নিষ্পাপ শিশুর মত … যত যাই হোক, একবার জন্মে গেলে, তাকে কিছুতেই ফেলে দেয়া যায় না … ফেরত যেতে হবে জেনেও সে তাই বারবার ভালোবাসার মানুষটার দুয়ারে কড়া নাড়তে থাকে !! বড্ড স্বার্থপর মানুষ … সে অন্যের ভালোবাসা ফিরিয়ে দিতে ভালোবাসে … কিন্তু নিজে ভালোবাসা নিয়ে ফেরত যেতে একদমই ভালোবাসে না !! #kolpobazz
By kolpobazz
Saturday, February 23, 2019
Thursday, February 14, 2019
এই শুনো? _হ্যাঁ বলো- _না, কিছু না। _কিছু বলবা? _সাবধানে যাবে কেমন। _আচ্ছা ঠিক আছে। _এই শুনো? _বলো- _বাহিরে অনেক রোদ, প্লিজ ছাতাটা নিয়ে যাও। _আচ্ছা ছাতা নিয়ে আসো। _ওয়েট . একমিনিট পর- _এই নাও ছাতা। _আচ্ছা তাহলে এখন যাই, অফিসের টাইম হয়ে গেছে। _আচ্ছা যাও, কিন্তু? _কিন্তু কি? _আমার হাতে বানানো রুমাল’টা নিয়ে যাও প্লিজ। ক্লান্ত হয়ে ঘামিয়ে গেলে ঘাম গুলো মুছে নিবা। _আচ্ছা দাও। . আবার একমিনিট পর। _এই নাও। _তাহলে যাই আল্লাহ হাফেজ। _আল্লাহ হাফেজ, সাবধানে যাও। _আচ্ছা- _দুপুরে ঠিক টাইমে খাবার খেয়ে নিবা। _আচ্ছা- _বাহিরে একদম কিছু খাবা না। _আচ্ছা ঠিক আছে। _সন্ধ্যা একটু তাড়াতাড়ি আসার চেষ্টা করো প্লিজ। _আচ্ছা ঠিক আছে কাজ শেষ করে চলে আসবো। _যাও তাহলে, _ওকে, _ছাতাটা খুলে মাথার উপরে ধরো না। _আচ্ছা খুলে নিলাম। _যাও তাহলে। _ঠিক আছে, বাই। _একবার ও জড়িয়ে ধরবে না হুমম। _আচ্ছা এ দেখো জড়িয়ে ধরলাম, এখন হ্যাপি তো? _হ্যাঁ অনেক হ্যাপি, যাও তাড়াতাড়ি অফিসে না হয় গাড়ি পাবে না। _অাল্লাহ হাফেজ। . দুপুর ঠিক ১.৩০ মিনিট এর পর- _হ্যালো – _হ্যাঁ হ্যালো – _আসসালামুআলাইকুম। _ওয়ালাইকুমসালাম। _তুমি আমাকে একটু ও ভালোবাসো না হু। _হঠাৎ এ কথা কেন? সত্যি আমি তোমাকে অনেক ভালোবাসি। _যদি ভালোবাসতা তাহলে সকালে অফিসে গিয়ে মেসেজ করতা। _সরি, আসলে সকালে আসার সাথে সাথে অনেক কাজ করতে হয়েছে। _সত্যি তাই? _হুম- _জোহরের নামাজ অাদায় করছো। _না- _কেন, অাজান’তো দিয়ে দিছে। _হুম, এখন পড়তে যাবো। _তাড়াতাড়ি নামাজ পড়ে নাও, পরে অামার হাতে বানানো রান্না গুলো খাবা কেমন? _আচ্ছা ঠিক আছে। _আল্লাহ হাফেজ, নামাজ পড়ে নাও। _ওকে। . সত্যি বলতে কি মেয়েরা যাকে মন থেকে ভালোবাসে থাকে এমন করে তার খেয়াল রাখে। ছেলেরা হয়ত মেয়েদের মত এমন করে বলে না, তবে তার প্রিয়তমকে অনেক ভালোবাসে।হয়ত ফোনে বলে না – __আচ্ছা তোমার জন্য আসার সময় কি নিয়ে আসতাম? যদিও এটা বলে না তবে ঠিকে তার প্রিয়তমা বউয়ের জন্য কিছু না কিছু নিয়ে আসে।আর সেগুলো হচ্ছে সে মেয়েটার ফেভারিট জিনিস। ফেভারিট জিনিস গুলোর কথাতো একজনে জানবে আর সে মানুষটি হচ্ছে- →তার সবচেয়ে কাছের মানুষ সবার থেকে প্রিয় তার স্বামী। . সব মেয়েরা কিন্তু চায় তার স্বামী বাহিরে কোথাও যাওয়ার সময় এমন করে বলতে। কিন্তু কেউ কেউ বলে না যদি তার স্বামী বিরক্তবোধ করে, তাই বলে না। তবে আমার মতে এমন করে যখন মেয়েরা বলে, ছেলেরা শুধু উওরে যদি বলে- *আচ্ছা ঠিক আছে। *হুম মনে থাকবে। *না একদম ভুলে যাবো না, ইত্যাদি ইত্যাদি। . তখন কিন্তু মেয়েরা এ কথাগুলো শুনলে সবচেয়ে বেশি খুশি হয় যা কোনো কিছুর সাথে তুলনা করা যাবে না। স্বামী চায় নিজে রাজা না হলেও তার স্ত্রীকে রাণী করে রাখতে তবে সব স্ত্রী রাণী হয়ে থাকতে চায় না। আবার সব স্ত্রী চায় তার স্বামীর কাছে রাণী হয়ে থাকতে তবে সব স্বামী রাণীর মতো রাখতে চায় না। . ছুটির দিনে স্ত্রী আবাদার এই না যে – → আজকে তুমি ফ্রি আছো চলো পার্কে ঘুরাফেরা করবো এরপর বড় কোনো রেস্টুরেন্ট এ খাবো। . ছুটির দিনে স্ত্রী অাবদার হচ্ছে- →আজকে তুমি ফ্রি আছো ফজরের নামাজ পড়ে নিভো নিভো অন্ধকারে তোমার হাত ধরে হাঁটবো। এরপরে দুইজন মিলে সকালের নাস্তা ও দুপুরের খাবার বানাবো। এমন আবাদার যে মেয়ে করে তারা সত্যি খুব ভাগ্যবতী। আর সে মেয়েগুলোর আবদার ও স্বামীরা রাখে।
By kolpobazz
Wednesday, February 13, 2019
কোন নতুন অভ্যাস গড়ে ঊঠতে নাকি একুশ দিন সময় লাগে। আবার কাউকে ভুলে যেতেও নাকি লাগে একুশ দিন। এটা নাকি প্রমানিত। কিন্ত আমি বুঝতে পারছিনা আমার ক্ষেত্রে এমন কেন হল না। আজ একুশ দিন হল মেয়েটির থেকে দূরে আছি। বলতে গেলে সব কিছুই বন্ধ ছিল। ফেবুতেও আসা হয়নি। বন্ধ মেসেঞ্জারটাও। কিন্ত এখনও তাকে ভুলে যাওয়া তো ভাল,তার চিন্তাই মাথা থেকে নামাতে পারছি না। যদিও মেয়েটাকে আমি ভালবাসিনা। দেখিনিও কোনদিন। তারপর ও কেমন একটা অদ্ভুত মায়া যেন তার কথা ভুলতে দিচ্ছে না। আচ্ছা সে কি মানবি।নাকি? মাথা গুলিয়ে যাচ্ছে। জানিনা এই পোস্ট টা সে দেখতে পাবে কিনা তবে,,, *সত্যি বলছি, জানি হয়ত কোনদিন আমাদের আর দেখা হবে না কথা হবে না, তবে আমি কোনদিন ভুলতে ও তোমায় পারব না। * ভাল থেক আমার (#কেউ না) #ddctd
By kolpobazz
আজ নাকি ভালবাসা দিবস। সেদিন একটি দোকানের সামনে দাঁড়িয়ে আছি। হঠাৎ চোখে পড়ে দোকানের সামনে একটি ব্যানার টাঙ্গানো। দু’টি ছেলে মেয়ে একে অপরকে গভীরভাবে আলিঙ্গন করে কিস করছে। আমি দৃশ্যটা ভালো করে দেখতে পারি না। কেন পারি না। তা জানি না। আমার কেমন জঘন্য লাগে। ব্যানারে নিচের দিকে সারিবদ্ধভাবে কয়েকটি লাইন লিপিবদ্ধ আছে। প্রতিটি লাইনে ফেব্রুয়ারী মাসের কয়েকটি তারিখ আর এই তারিখে কী দিবস তা লেখা। আমি লেখাগুলো হালকা নজরে পড়তে থাকি। এখন পুরোপুরি পড়ছে না। যেটুকু মনে পড়ছে তা অগোছালো। কোন ডে’তে কী তা মনে নেই, তবে নামটুকু মনে আছে। যেমন, হাগ ডে, কিস ডে, প্রপোজ ডে, চকোলেট ডে, রোজ ডে, সর্বোপরি ভ্যালেন্টাইনস ডে এইসব। আমি আপন মনে হাসতে থাকি। দুনিয়ায় কত ধান্ধা বিরাজমান। কেউ রাজনীতির ধান্ধা করছে। কেউ ধার্মিকতার লেবাসে ধান্ধা করছে। কেউ সমাজের উন্নতি, অগ্রগতির জন্য ধান্ধা করছে। তাদেরকে কথাবার্তা শুনলে মনে হবে মানব হয়ে জন্ম গ্রহণ করে মহান সৃষ্টিকর্তার সকল অসম্পূর্ণ কাজ সম্পূর্ণ করে ফেলছে। আমার প্রায় পুরোপুরি বিশ্বাস, এই ধান্ধাবাজরা সবচেয়ে সুখে আছে। কারণ, তার যখন যেটা দরকার, ধান্ধায় মশগুল হয়ে যায়। ভালবাসা নিয়ে সবচেয়ে গভীরভাবে গবেষণা করেছে যারা তারা হলো, কবি-সাহিত্যিকরা। এটা আমার ধারণা। আমি টুকটাক সাহিত্য সাধনা করি। এই জন্য কবিতা-উপন্যাস পড়তে হয়। কবিতা-উপন্যাস আমাকে অনেক কিছু শিখিয়েছে। আমি পড়াশুনা শিখেছি, মানুষের সাথে আচার-আচরণের ভঙ্গিমা শিখেছি, কিছুটা হলেও মনের আবেগ প্রকাশ করতে শিখেছি। সবচেয়ে বেশি যে জিনিসটি শিখেছি, প্রেম-ভালবাসার স্বরূপতা। ভালবাসা আসলেই একটি অপার্থিব বিষয়। যেটা হৃদয়ে ধারণ করে। আমরা ভালবাসাকে ঘোলাটে করে ফেলেছি। একটা নোংরা বস্তুতে পরিণত করেছি। যেটা কাম্য নয়। আমি আমার মাকে ভালবাসি। আমার শ্রদ্ধেয় পিতাকে ভালবাসি। ভাই-বোনকে ভালবাসি। সর্বোপরি একটি সঙ্গীকে ভালবাসি, যার সাথে সারাজীবন সুখে-দুঃখে কাটাব। ভালবসার আসল স্বরূপতা এখানেই নিহিত আছে। এটা সম্পূর্ণ আমার মত। বলা যায়, এই অনুভূতিটা সাহিত্য আমাকে শিখিয়েছে। সোশ্যাল সাইটগুলোতে অনেকে অনেক কিছু লেখে। কেউ ভালবাসা দিবসকে একটি সুন্দর, আনন্দঘন দিন হিসেবে বিবেচিত করে। কেউ এটাকে অত্যন্ত খারাপ, জঘন্য একটি দিন হিসাবে প্রচার করে। আমি কোনটাকে ভাল-মন্দ বলতে পারব না। কেউ যদি খারাপ কাজ করে, সে যেমন পার্কে, কলেজ-ভার্সিটির কোনায় কানায় দিব্যি সবার চোখকে মোটেই পাত্তা না দিয়ে আরামসে করতে পারে তেমনি মসজিদে কিংবা মাদরাসায় বসে নেহায়ত কাবিলিয়্যতের সাথে কাজটা আঞ্জাম করতে পারে। নোংরা মন-মানসিকতাকে স্থান-কাল-ভেদ কেউ কখনো ঠেকাতে পারে নি। হররোজ এইসব কাজ চলছে। ভালবাসা দিবস আলাদা কিছু না। ওরাই করে। হয়তো একটু রঙ-চঙ থাকবে। এই যা। একটি ধর্মের দু’চারজন অনুসারী নিন্দনীয় কাজ করলে ধর্ম খারাপ হয় না। এভাবেও বলা যায়, কোন রাজনৈতিক দলের কিছু সংখ্যক মন্দ কর্মীর জঘন্য কাজকে দলের কাজ হিসেবে বিবেচ্য হয় না। ঠিক তেমনি মানব সমাজের কিছু অসভ্য লোকের অসভ্যতামীর দ্বারা একটি অপার্থিব আনন্দময় বিষয়কে অসভ্যতামী বলা যায় না। ভালবাসা আসলেই একটি মহান বিষয়। যেটা সবার হৃদয়ে ধারণ করে না। সবাইকে মোহিত করে না। যাদেরকে করে শুধু তারাই বুঝতে পারে এটার গভীরতম উচ্ছাস। ভালবাসা বলতে আমরা বুঝি, একটি ছেলে একটি মেয়েকে প্রপোজ করে, ফেসবুক ম্যাসেঞ্জারে কিংবা ইমু-হোয়াটসঅ্যাপে ঘন্টার পর ঘন্টা চ্যাট করা। নির্ধারিত দিনে পার্কে ঘোরা, রিক্সার হুড তোলে কাছাকাছি বসা। আরেকটু অ্যাডভান্স হলে কিস করা। এভাবে হয়তো অ্যাডভান্সের ধাপটা আরো উপরের দিকে উঠতে থাকে। এটাকে কখনো ভালবাসা বলা যায় না। জগতে সবচেয়ে রহস্যময় জিনিষ হলো, মানুষের মন। বছরের পর বছর একসঙ্গে পাশাপাশি থাকার পরও একজন আরেকজনের মনের গতিবিধি বুঝতে পারে না। এই অসম্ভব কাজটা যে দু’জনের মাঝে সম্ভব হবে তাদেরকে প্রেমিক-প্রেমিকা বলা যায়। আরেকভাবে বলা যায়, তাদের মধ্যখানে যে কারবারটা হয় বা হচ্ছে তা-ই ভালবাসা। বর্তমানে পুরো বিশ্বে যে হারে দিবস প্রবর্তন হচ্ছে। আমার পুরোপুরি বিশ্বাস আরো দু’চার বছর পর দেখা যাবে, প্রতিদিন একটি করে দিবস উদযাপন হচ্ছে। হয়তো এখনই চালু আছে। আমি জানি না। এই দিবসগুলো মানব সমাজকে কতটুকু উপকৃত করছে তা আমার মত অদম মাথা চুলকে চুলকে সব চুল বিনাশ সাধন করলেও মাথা টাক হবে কিন্তু অনুধাবন করতে পারব বলে সাহস করতে পারছি না। #rpst 2017
By kolpobazz
Friday, January 25, 2019
Thursday, January 24, 2019
ভাবতেই অবাক লাগে .........। সবাই শুধু জান্নাতের কথাই ভাবে [মা]। তাকে নিয়ে হাজার হাজার পোস্ট /কবিতা রচনা করে থাকে । কিন্ত মাথার উপর ছায়া দেয়া বট গাছটার কথা অনেকেই ভাবে না [বাবা] । তাকে নিয়ে পোস্ট তো ভাল কাউকে সচরাচর ভাবতে ও দেখা যায়না । অথচ এই মানুষটাই সারাজিবন খেটে ... নিজে না খেয়ে , একটা লুঙ্গি আর গেঞ্জি পরে সারাজিবন পার করে সন্তানদের বড় করে থাকে । দেখেছি মা মামনি বলে আলহাদে মেয়েদের তাদের মায়ের সাথে জন্মদিন পালন করে পিক আপলোড দিতে । কিন্ত আজ ও দেখিনি কেউ তার বাবার জন্মদিন পালন করে ফেবুতে পোস্ট করেছে । অথচ এই মানুষটাই নাকি তার লাইফের সুপার হিরো । আর এমন কোন ছেলে পাওয়া জা বে না যে বাপের পকেট কাটেনি , কিন্ত সেই বাবা সব জেনে ও কিচ্ছু বলে নি । হয়ত যে টাকা ছেলেটা মেরে দিয়ে তার গফ কে খাওয়াচ্ছে সেই টাকাটা কারেন্ট বিল এর ছিল হয়তবা ছিল আজ বাজারের অথবা অসুধ কেনার । আরে ভাই মা শুধু জন্মই দেয় , কিন্ত তোমাকে বড় করে তোলে অই বাবাই । কি করে তাকে বৃদ্ধাশ্রমে রেখে আসো তোমরা । কলিজায় কি এক্টুও লাগে না । মহানবি [সা.] বলেছেন, পিতার সন্তুষ্টিতে আল্লাহর সন্তুষ্টি, তার অসন্তুষ্টিতে আল্লাহর অসন্তুষ্টি। তাহলে কি করে তুমি পিতাকে কষ্টে রেখে জান্নাতের আসা কর। মা দিবসে দেখি সব জায়গায় ঘটা করে আয়োজন করা হয়। টিভি তে ঘটা করে অনুষ্ঠান কত কি করা হয়। কিন্ত বাবা দিবসে তার কানাকড়ি ও দেখা যায়না। খোজ নিয়ে দেখবেন অনেকে বলতেই পারবেনা বাবা দিবস কবে । আর হ্যা এই মানুষটা কিন্ত বেশি কিছু চায়না আপনার কাছে । পারলে দিনে মাত্র একবার তাকে হাশিমুখে জিজ্ঞেস করুন বাবা তুমি চিন্তা করনা ,দেখ একদিন আর তোমাকে কাজ করতে হবে না আমি ই তোমাকে খাওয়াব । বিশ্বাস করুন তার চোখ থেকে তখন অস্রু গরিয়ে পরবে । কষ্টে নয় খুসিতে । পরিশেষে বলি "ভাই /আপু প্লিজ পারলে এই কলুর বলদ বাবার প্রতি একটু খেয়াল রেখ। বৃদ্ধাশ্রমে না রেখে তারে একটু পাশে রেখ " #kolpobazz
By kolpobazz
Subscribe to:
Posts (Atom)
Popular Posts
-
Kolpobazz https://ift.tt/2ld6xMf