Main Menu

Saturday, March 23, 2019

আব্বাজানের ঠেলাঠেলিতে পইরা... এক সফটওয়্যার কম্পানিতে আজ গেছিলাম ইন্টার্ভিউ দিতে। তো সেখানে স্যর মহাদয় আমাকে বললেন মনে কর তুমি এখানে বোর্ড প্রধান আর আমি ইন্টার্ভিউ দিতে আসছি । এখন তুমি আমাকে এমন একটি প্রস্ন কর যার উত্তর আমার জানা নেই। যদি পারো তাহলে চাকরি পাবে। যেহেতু চাকরি করার ইচ্ছা নাই তাই মাথায় একটা শয়তানি বুদ্ধি এসে গেল । তাই তাকে প্রস্ন করলাম আচ্ছা বলুন তো HTML এর Elaborate কি ? তিনি বললেন আরেহ এ তো খুব ই সোজা HTML হল Hypertext Markup Language। আমি বললাম নাহ হয়নি HTML মানে হল How To Meet Ladies । আমার উত্তর শুনে তিনি বেহুশ হয়ে গেলেন । আর হুস আসার পর তিনি বললেন ভাই আজ থেকে এই কম্পানি তোমার। আমি এখন গিয়ে টিএসসিতে বাদাম বেচব। :) #সাইকো

By kolpobazz

Friday, March 22, 2019

আচ্ছা সপ্তর্ষি ...। জানো আমার কাছে তোমার কোন জিনিসটা সবথেকে বেশি ভাল লাগে। -কি? 🙄 তোমার চোখ☺️☺️ -কেন ?🙄 কারন একমাত্র তোমার চোখের দিকে তাকালে আমি আমাকে দেখতে পাই । #সাইকো

By kolpobazz

অনুগল্প[০৫] দোস্ত চল নামাজটা পরে আসি। -নারেহ দোস্ত , কাপর খারাপ । তা ছাড়া এখন একটা ইম্পরট্যান্ট কাজ আছে রে। কাল থেকে পরব। :: এই কথাগুলি বলা ছেলেটাকেই পাশে থাকা বন্ধুটি বলল ... চল দোস্ত হোলি খেলে আসি , খাসা মাল আছে কয়েকটা । আর হোলি শেষে পার্টি ওরেখেছি । - আরেহ কি বলিস সালা , আগে বলবি না। উফ না বললে তো মিস ই করতাম চান্সটা। নে চল তারাতারি । #সাইকো

By kolpobazz

Thursday, March 21, 2019

অনুগল্প[৪] মেয়েটি ছেলেটিকে সিগারেট অথবা তাকে ছেড়ে দিতে বলেছিল। ছেলেটি সিগারেট ছেড়ে দিয়েছিল। ফলাফল অপরটি এমনিইতেই তাকে ছেড়ে গেছে। ছেলেটি সিগারেট হাতে নিয়ে এখন ভাবে তার সিদ্ধান্ত ভুল ছিল। #সাইকো

By kolpobazz

-কি করছ? -কলিজা ভুনা খাচ্ছি । ☺️☺️ -কার ? -কলিজায় যে আঘাত দিয়েছে তার 😊😊 #সাইকো

By kolpobazz

প্রিয়... তুমি যখন সুশীলদের তেল মাখাতে ব্যস্ত । আমি ব্যস্ত অশ্লীল হতে। কারন জগত সুশীল খোজে না্‌, অশ্লীলতা খোঁজে । #সাইকো

By kolpobazz

অথচ তুমি হয়ত জানতেই পারবে না,,,,, যে এইডসের চেয়েও মারাত্নক রোগ এর নাম হল। . . . . আমার মন ভাল না। #সাইকো

By kolpobazz

Tuesday, March 19, 2019

অনুগল্প[৩] রেলস্টেশনের কুলি বালকটি বিশ্বাস করে সে জীবনকে যততটুকু দেখে, তার জন্ম তার থেকেও দুরে কোথাও যাবার জন্য। বিশ্বাসটা প্রতি সকালে ঘুম থেকে উঠেই থেমে যায় ঐ রেলস্টেশনেই। কুলিটা থাকে পাশের একটি বস্তীতে, যেখান থেকে রেলস্টেশন দেখা যায়না কিন্তু ট্রেনের বাশি শোনা যায়।

By kolpobazz

আবার ও ছ্যকা[০৬] আমার তিনি আমাকে মেসেজ করে বললেন আচ্ছা বাবু তোমার মেসেঞ্জারে কি ডার্ক মুড অন করেছ ।😋😋 আমিঃ নাহ 😞 সেঃকেন 😡 আমিঃআসলে কেন জানি আমার ফোনে ডার্ক মুড অন হচ্ছে না।😔😔 সেঃ যা সালা তোর সাথে ব্রেকাপ । 🤬🤬 যে ছেলে ফোনে সামান্য ডার্ক মুড আনতে পারে না তার আমার সাথে কোন সম্পর্ক থাকতে পারে না। #সাইকো

By kolpobazz

নীল ডায়েরি থেকে > "লিস্ট" নংঃ ৪১ প্রতিশোধ (০৪) #সাইকো আমার সামনে বসে আছে রিতু । বাদাম খাচ্ছে , এই মুহুরতে আমি তাকিয়ে আছি তার দিকে মনে হচ্ছে তার থেকে নিস্পাপ মেয়ে আর দ্বিতীয়টি নেই । কে বলবে এই মেয়ের জন্যই মারা গেছে একটি সহজ সরল ছেলে। কে বলবে এই মেয়েটি ই হয়ত প্লান করে বসে আছে আ,মাকেও ঠকানোর। ওহ বলা হয়নি ্‌, রিতু নামের এই মেয়েটি এখন আমার গার্লফ্রেন্ড। আমাদের সম্পর্কের বয়স মাত্র ছয় মাস। এর মদ্ধেই নাকি আমি ওর পৃথিবী হয়ে গেছি । যদিও ঘড়ে তার জামাই ও আর এক ছেলে আছে । হয়ত তার জামাই ও তাকে ত্তার [পৃথিবী ভেবে বসে আছে । এই মুহুরতে অই লোকটার জন্য আমার মায়া হচ্ছে । সে হয়ত জানেও না এই মেয়েটা তাকে তিন বছর ধরে ধোঁকা দিয়ে আসছে। জগতের নিওম ই এইটা , তুমি যাকে তোমার সব ভেবে বসে আছ , দেখবে তার কাছে হয়ত তুমি হয়ত কেউ ই না। যা বলছিলাম, রিতুকে লাইনে আনতে যদিও আমার একটু বেগ পেতে হইছে, কারন যেহেতু তার বিয়ে হয়ে গেছে, তাই তাকে পটানোর জন্য তার সম্পর্কে । তার দুর্বলতা সম্পর্কে তার পছন্দ অপছন্দ সব কিছু জেনে তারপর তার পিছনে নামতে হয়েছে। আর তারপরও বাধা ছিল তার দুরন্তপনা। টানা দুইমাস ঘুরিয়েছে নাকে দরি দিয়ে সে আমায় । এমন গেছে চার পাচ রাত ঘুমাতেও পারিনি । তাতে কি ,আমার কলিজার বন্ধুর জন্য এমন সেক্রিফাইস কোন ব্যাপারই না আমার কাছে। আর সে সেক্রিফাইস বিফলে জায়নি । এখন রিতু আমার প্রেমে অন্ধ প্রায়। এইত কাল ফোন দিয়ে বললাম জানুটা আমার তোমাকে খুব দেখতে ইচ্ছে করছে কিছু পিক দাও তো । সে পিক দিল , আমি বললাম এমন করে দেখব না সোনা , তাহলে কি ভাবে দেখবে । অই যে অইভাবে । অইভাবে মানে। আরে বুঝনা কেন হুম বুঝছি কি বুঝছ অনেক দুস্ট হইছ তুমি, হুম শুধু তোমার জন্য আমি দুশ্তু কেন ,আর কিছু থাকলে তা ও হতে পারি। হইছে হইছে এখন ঘুমাও ও আসার সময় হয়ে গেছে। তাহলে তুমি দিবা না । নাহ , দুস্টুদের সব কথা শুনতে নেই । দেখ তুমি যদি না দেও তাহলে কিন্ত আমি আজ থেকে আর কিছু খাব না, এই বলে ফোন অফ করে দিলাম। রাত তিন্টায় ফোন খুলে দেখি তার ৪৩ টা মেসেজ । আর ইমতে পঞ্চাশের অধিক নুড পিক। সাথে লেখা দেখ প্লিজ রাগ করনা । আমি তো ফান করছিলাম। প্লিজ তোমার জেভাবে মনে হয় সেভাবে দেখ তবুও রাগ করে থেক না, মনে মনে হেসে নিলাম কিছুখন , যাক ইমোশনাল ব্লাক্মেইলটা তাহলে ভালই কাজে লেগেছে। সকালেই ফোন দিয়ে বললাম দেখ সোনা তুমি ছাড়া কে আছে আমার । তোমার সাথে কি রাগ করতে পারি। বিকালে দেখা করো । আজ আমি অনেক খুশি তুমি যা খাইতে চাইবে তাই খাওয়াব। রিতুকে নিয়ে আজ একটা অনেক বড় প্লান করেছি । প্লান মোতাবেক ই আগাতে হবে । না হলে তো .........

By kolpobazz

Sunday, March 17, 2019

অনুগল্প [০১] যেই হাত আজ সকালে বাসের ভিড়ে পাশে দাড়ানো রুপসীর স্তনে কাঙ্খিত অনাকাঙ্খার দংসন বারংবার বসাচ্ছিল, সেই হাতই রাতে রুমে ফিরে স্ত্রীকে পরম মমতায় কাছে টেনে নিল। #সাইকো

By kolpobazz

নীল ডায়েরি থেকে > "লিস্ট" নংঃ ৪১ প্রতিশোধ (০৩) #সাইকো এভাবে শান্ত আর রিতুর বন্ধুত্বের সূচনা। ধীরে ধীরে তাদের বন্ধুত্ব গভীর হতে লাগল। দিন হতে মাস, মাস হতে বছর। দুইজন একসাথে সবসময় চলে, একে অপরের পারস্পরিকতায় তাদের বন্ধুত্ব। আর রিতুর স্বভাবের সাথে শান্তর অনেক মিল আছে। দুইজনই ঠান্ডা স্বভাবের আর সাদামাটা জীবন যাপন পছন্দ করে। তাই তারা একে অপরকে খুব পছন্দ করে। দুষ্টুমি, হাসি-ঠাট্টা, রাগ, ভালবাসা এই মিলিয়ে তাদের বন্ধুত্ব...... . প্রায় এক বছর কেটে গেল শান্ত আর রিতুর বন্ধুত্বের... ঠিক এমন সময় একদিন হঠাৎ খুব সকালে রিতু শান্তকে ফোন দেয়...... - কি ব্যাপার রিতু এত সকালে ফোন দিলি যে? - শান্ত তুই এখনি ঐ জায়গায়টায় আয় যেখানে আমরা প্রথম বন্ধুত্ব করি। - এত সকালে?? এত সকালে?? কেন? ৮টা বাজে মাত্র। - (উত্তেজিত সুরে) তুই আসবি কিনা বল! - আচ্ছা আসছি ওয়েট। - হুম জলদি আয়... এই বলে ফোন রেখে দেয় রিতু।শান্ত চিন্তায় পরে গেল। কি হল মেয়েটার! মনে হচ্ছে বেশ চিন্তায় আছে আর বিরাট বড় সমস্যায় পড়েছে। যাক দেরি না করে বেরিয়ে পড়ল। . সকাল ৮টা ১৫ বেজে গেল ঐদিকে রিতু অপেক্ষা করতে করতে অস্থির। হঠাৎ দূর থেকে দেখে শান্ত দৌড়ে আসছে। আর এসেই হাঁপাতে হাঁপাতে বলল... - কিহ! বল... - শান্ত আমায় নিয়ে চল! (রিতু শান্তর হাত ধরে বলল)[যদিও এটা ছিল রিতুর বানানো মিত্থা গল্প ] - কোথায়?? - যেথায় ইচ্ছা। বাবা আমার বিয়ে ঠিক করেছে। কিন্তু আমি তোকে ভালবাসি। - কি বলছিস এসব? - আমি ঠিকই বলছি। তুই প্লিজ আমাকে কোথাও নিয়ে চল। আমাকে বিয়ে কর। - পাগলামি করিস না। (রিতুর হাত ছেড়ে দিয়ে।) - বিশ্বাস কর আমি তোকে ভালবাসি। আই লাভ ইউ শান্ত। আমি থাকতে পারব না তোকে ছাড়া। - তুই বাড়ি যা। - না যাবনা। - তবে আমিই যাচ্ছি। আমি তোকে ভালবাসিনা। সো ইম্পসিবল। এই বলে শান্ত পিছনে ফিরে সজোরে হাটা দিল। রিতু অনেক জোরে চিৎকার করে ডাকছে তাও শুনলো না। হতাশ মনে রিতু বাড়ি গেল। শান্তর নাম্বারে ফোন দিলে রিসিভ করেনা। এরকম বারবার কল দিয়ে যায় রিতু। হঠাৎ রিতুর নাম্বারে একটা ম্যাসেজ আসে। আর সেটা শান্তর দেয়া। তাতে লেখা..... "পাগলি আমিও তোকে অনেক আগে থেকেই ভালোবাসি। তবে বলতে পারি নাই বন্ধুত্বটা যেন না হারিয়ে যায়। আই লাভ ইউ রিতু....... . তখন রিতু যে কত খুশি হয়ছে তা বলা অসম্ভব। শুরু হলো তাদের বন্ধু থেকে প্রেম। মাস খানিক হওয়ার পর রিতু শান্তকে বলল সেই বট গাছটার নিচে আসতে। শান্ত এসে দেখল যে রিতু অন্য একটি ছেলের সাথে হাত ধরে বসে আছে। কাছে যেতেই রিতু বলে উঠল দেখ শান্ত এই আমার হবু বর। বাবা তার সাথেই আমার বিয়ে ঠিক করেছে । শান্ত তখন কি বলবে বুঝে উঠতে পারছিল না। আসলে তার মনে কোন কুটিলতা ছিল না । সরল মনে সে ভাল বেসেছিল রিতুকে। কিন্ত রিতু এমন করবে সে কল্পনাতে ও ভাবতে পারে নি / বাসায় গিয়েই শান্ত ফোন করে রিতুকে “এই সত্যি বলতো ছেলেটা কে তুমি ফান করছ তাই না। -ফান করতে যাব কেন । অইটাই আমার জামাই হবে ।কাল আমার বিয়ে। -তাহলে আমার সাথে যে এতদিন… -হা হা ওটা ছিল টাইম্পাস তা ও বুঝনা বকা ছেলে তোমাকে বিয়ে করলে তো আমার না খেয়ে থাকতে হবে । তোমার কি আছে হুম। শান্ত কিছু বলতে পারছে না । তার দম বন্ধ হয়ে আসছে । মানুষ এত খারাপ হয় কি করে বির বির করতে লাগল সে । এর পরের দিন ই শান্তর লাশ পাওয়া যায় তার ঘরে ফ্যনের সাথে ঝুলানো । ডাইরিটা শেষ করে সেইদিন ই প্রতিজ্ঞা করেছিলাম যে আমার বন্ধুর মৃত্যুর জন্য দায়ি তাকে ছার দেয়া যাবে না । ওহ বলা হয়নি …। শান্ত আমার এক্মাত্র বন্দু ছিল। ওর সব কিছু আমার সাথে শেয়ার করত । কিন্ত এই প্রেমের কথাটা সে কখনোই বলে নি । তবে তার ডাইরি লেখার সখ ছিল। তাই সব কিছু তার ডাইরিতে লিখে রাখত । ও মারা যাবার প্পর ওর রুমে ওর ডাইরিটা পাই , সেখান থেকেই সব কিছু জানতে পারলাম ।

By kolpobazz

Saturday, March 16, 2019

নীল ডায়েরি থেকে > "লিস্ট" নংঃ ৪১ প্রতিশোধ (০২) #সাইকো পরেরদিন ক্লাস শেষে বাড়ি যাবার পথে শান্তর সাথে রিতুর দেখা হয়। দেখামাত্রই শান্তকে ডাক দেয়...... - এইযে শুনুন...(রিতু) - (হঠাৎ থেমে পিছনে তাকিয়ে) আমাকে বলছেন? (শান্ত) - হ্যাঁ। গতকাল তো হুট করে চলে গেলেন। আজও যাচ্ছেন। ব্যাপার কি? - না মানে...এমনি আর কি। - তাড়া আছে? - নাহ! কিছু বলবেন? - চলেন এক জায়গায় যাব। - কোথায়? - আহ চলুন না! - আচ্ছা চলুন। এক বট গাছের সামনে রিতু শান্তকে নিয়ে গেল। তারা দুইজন সেখানে বসল। চারদিকে হালকা শীতল হাওয়া এসে বইছে। বেশ নিরিবিলি আর সুন্দর একটা জায়গা। ফ্রি টাইমে রিতু প্রায়ই এখানে আসে। আজ সে শান্তকে নিয়ে বসল। শান্তর একটু নার্ভাস ফিল হচ্ছে কারন সে সহজে মেয়েদের সাথে কথা বলেনা। ভয় পায়। এই প্রথম একটা মেয়ে তার সাথে এমন ভাবে হেসে খেলে কথা বলছে যেন মেয়েটি তার অনেক দিনের চেনা। সত্যিই রিতু মেয়েটা বড় অদ্ভুত মনে মনে ভাবছে শান্ত । - নার্ভাস লাগছে? (রিতু) - কই নাতো! (শান্ত) - ভয়ের কিছু নাই। আমি ফ্রেন্ডলি সবার সাথে। - না না তেমন কিছুনা। - তারপর আপনার বন্ধু আছে কে কে? - আছে বর্তমানে দুইজন মেসের রুমমেট। - আর কেউনা! (অবাক হয়ে রিতু) - আমার বাবাই বড় বন্ধু। - হুমম... আরেকটা যে নতুন বন্ধু যোগ হতে যাচ্ছে। তাকে কি এক্সেপ্ট করা যাবে? - বলেন কি? কে সে? - আমি... কি বন্ধু হিসেবে কি নেয়া যায় এই হতভাগীকে! - কি যে বলেন! আমার মত ছেলের সাথে বন্ধুত্ব! - দেখুন এটা ঠিক না! (রাগান্বিত সুরে) - আচ্ছা আচ্ছা। আপনার বন্ধুত্ব গ্রহন করলাম। - তবে এখন হতে আর আপনি নয়। তুই করে বলতে হবে। আমিও বলব। - আচ্ছা ম্যাডাম তাই হবে। (দুষ্টুমির সুরে বলে উঠে শান্ত) - হাহাহা... .

By kolpobazz

এক বাক্যে যদি হাজারটা অনুভুতি প্রকাশ করতে বলা হয় আমার কাছে শুধু একটা জবাব ই আছে.....। ____ভাল থেক____ #সাইকো

By kolpobazz

I wish .... আমিও ঠিক একদিন তাহাকে অই জঙ্গিটার মত গুলি করে মারব । বুকের ঠিক ওইখানটায় গুলি করব যেখানটায় ছলনারা বাস করে। একটা নয় দুইটা নয় হাজারটা গুলি ভেদ করে যাবে অই হৃদপিণ্ড । হয়ত তখন তুমিও বুঝতে পারবে ...। কলিজার ভেতর পুষে রাখা ভালোবাসাটা হারিয়ে গেলে । মানুষ কতটা পাষাণ হতে পারে। #সাইকো

By kolpobazz

Popular Posts