.কল্পলোকের কল্পবাজ একজন ভাল লেখককে সহজেই ভাল মানুষ ভেবে নেয়াটা বোকামী। যেমন একজন ভাল ডাক্তার ভাল মানুষ নাও হতে পারে। বাংলাদেশে যত জন ডাক্তার আছে এরা সবাই যদি ভাল মানুষ হত, যদি প্রত্যেকটা ডাক্তার দিনে তিনটা করে রোগী বিনা পয়সায় দেখত তাহলে আর এদেশে কেউ বিনা চিকিৎসায় মারা যেতনা।
Saturday, July 20, 2019
কিছু মানুষ তাদের কষ্টগুলো তাদের মনের মধ্যেই পুষে রাখে। আর রাতের বেলা ঐ চাদটাকে তার দুঃখের কথাগুলো বলে যায়। বড় একাকী এই মানুষগুলো।কিন্ত দেখে বোঝার উপায় নেই। সূক্ষ্ম হাসির আরালে লুকিয়ে রাখে কষ্টগুলো। দেখে যাই তাদের আর শুধু ভাবি কি বিচিএ এ জগৎ সংসার। একই রাত তবু কেউ কাদে কেউ হাসে কেউ করে হাহাকার । #সাইকো
Kolpobazz https://ift.tt/2ld6xMf
প্রেমে পড়াটা ভাল । তবে ভুল মানুষের প্রেমে পড়টা ভাল নয়। আমরা অনেক সময় ভুল করে ভুল মানুষের প্রেমে পড়ে যাই। আর যখন বুঝতে পারি ভুল করেছি তখনো ভুলটাকে শোধরাইনা। মানূষটাকে আরো বেশি ভালবেসে ফেলি। তাকে পাবনা জেনেও তাকে আরো কাছে টানতে চাই।আসলে একটা অন্ধ মোহ আকরে ধরে তখন।চারপাশের কিছুই তখন খেয়ালে আসেনা। মরীচিকার পেছনে ছূটে যখন কপালে জোটে শুন্য। তখন আর কিছুঈ করার থাকেনা । শুধু আফসোস করা ছাড়া।
Kolpobazz https://ift.tt/2ld6xMf
Friday, July 19, 2019
একটা প্রস্ন মাথায় কেবলই ঘুরছে... সমস্ত লেখা ই তো বানোয়াট মিথ্যে... তাহলে কবিরাও কি জাহান্নামি হবে?
Kolpobazz https://ift.tt/2ld6xMf
Thursday, July 18, 2019
Wednesday, July 17, 2019
বিঃ দ্রঃ নতুন একটা বেষ্ট ফ্রেন্ড লাগবে।😣😣 পুরনো গুলায় ফোন ধরে না এখন আর।😫😫
Kolpobazz https://ift.tt/2ld6xMf
'আই হেইট লাভ' বলা ছেলেটাও একদিন প্রেমে পড়ে। ভুলে গেছি বলার পরও হুট করেই কারো জন্য হৃদয় পোড়ে। #সাইকো
Kolpobazz https://ift.tt/2ld6xMf
Tuesday, July 16, 2019
সারাদিন হাশি খুশি থাকা মানুষটাও দিন শেষে চুপচাপ হয়ে যায়। কেউ জানেনা কোন মায়াতে কুরে কুরে তারে খায়। #সাইকো
Kolpobazz https://ift.tt/2ld6xMf
আঘাত, তাও প্রিয়.. তোমার দেওয়া তাই। কান্না গুলি হাসির মাঝে এভাবেই লুকাই। #সাইকো
Kolpobazz https://ift.tt/2ld6xMf
Monday, July 15, 2019
বালের ফেস এপ,,, বাঙালি বাল একটা পাইলে হইসে। লাফালাফি শুরু করে দেয়। ছাগলামি যতসব,,,
Kolpobazz https://ift.tt/2ld6xMf
Tuesday, June 4, 2019
Wednesday, May 29, 2019
Attention: Don't read this .... পর্ন স্টার [গল্প - ০৪ (স্লেভারি)] [সাইকো] নিজেকে আরেকবার আয়নায় দেখলো আফিয়া । প্রতিবার দেখে নিজের কাছেই তার অন্য রকম রাগছে । বুকের ভেতরে একটা আলাদা উত্তেজনা কাজ করছে । মাঝে মাঝে আফিয়ার নিজের কাছেই সব কিছু কেমন লাগছে । মনে হচ্ছে সব কিছুই যেন একটা ভ্রম । একটু পরেই সব কেটে যাবে । কিন্তু জানে এই ভ্রমটা কাটবে না । গত দিন থেকে শুরু হয়েছে । আফিয়া এরকম ভাবে কোন দিন পোশাক পরে নি । টাইট পোশাক পছন্দ করে না । কিন্তু আজকে সে টাইট পোশাকই পরেছে । তবে এই টাইট পোশাকের কোন তুলনা নেই । অন্তত কোন দিন যে এমন পোশাক যে পরবে সেটাও ভাবে নি । আফিয়া পায়ে পরেছে লম্বা লেটাক্সের সক্স । একেবারে শরীরের সাথে সেটা লেগে আছে । তার উপর চাপিয়েছে হাই বুট । হাতেও পরেছে কালো লেটাক্সের গ্লোভস । ওর শরীরে আর কিছুই পরা নেই । তবে এর জন্য ও মোটেই এসবই নীল র পছন্দের । আফিয়া সত্যিই ভাবতে পারছে না এসব সে করছে । এই নীল কে সে এইভাবে চিনতে পারে নি । নীল বন্ডেজ পছন্দ করে । এটা সে অনেক আগে থেকেই জানে । তবে একদিন যে নীল ওর নিজের স্লেভ হিসাবে আবির্ভুত হবে সেটা ও কোন ভাবেই আশা করে নি । তাও আবার কন্ট্রাক্ট সাইন করে । কন্ট্রাক্টের কাগজটা এখনও টেবিলের উপর রাখা আছে । সেখানে নীল সাক্ষর দেওয়া । যদিও সেটা লোক লিগ্যাল ডোকুম্যান্ট না তবুও স্লেভারি কন্ট্রাক্টটার ভেতরে একটা অন্য রকম কিছু আছে । কাগজটা নীল র উপর কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করেছে । গতকালকে যে কাজটা ও নীল কে করতে বলেছে সেটাই করেছে । ওর এখন নিজের কোন ইচ্ছে নেই । আফিয়া ওকে যা বলবে সেটাই ও করবে । যখন এই বাসায় প্রথম এসে হাজির হল তখন কেবল পরীক্ষা করার জন্যই আফিয়া নীল কে ওর পায়ে চুমু খেতে বলেছিল । খুব নিশ্চিত হয়ে বলেনি । বেশ কয়েকটা ভিডিও দেখেছিলো যেখানে মিস্ট্রেসের পায়ে তাদের স্লেভরা চুমু খায় । সেটা থেকেই বলেছিলো । ভাবতেও পারে নি নীল ওটা করে ফেলবে । তারপর নীল কেবল তাকে বলেছিলো যে আগামী দুই দিন সে একেবারেই আফিয়ার স্লেভ । এই দুই দিনে নীল আর নিজের ভেতরে নেই । এই দুই দিনে নীল র নিজের কোন অস্তিত্ব নেই । তার কেবল একটা পরিচয় যে সে হচ্ছে আফিয়ার একান্ত স্লেভ । এবং এই ব্যাপারে সে কতখানি সিরিয়াস সেটা আফিয়ার বুঝতে কষ্ট হল না । তারপরই সেও নিজেকে তৈরি করে নিল । নীল যা চায় তাই ওকে দেওয়া হবে । তারপরই নীল কে নিয়ে যাওয়া হয় ব্যাজমেন্টে । গত দিন থেকে সে সেখানেই আছে । আজকে তার পানিশমেন্ট শুরু হবে। স্লেভারি কন্ট্রাক্ট টা যখন আফিয়া পড়ছিলো তখনই ওর শরীরের লোম খাড়া হয়ে যাচ্ছিলো । সেখানে স্পষ্ট করেই বলে দেওয়া আছে সে আসলে কি কি করতে পারবে নীল র সাথে । এক কথায় সব কিছু করা অধিকার দিয়ে দিয়েছে । এমন কি যে সেফওয়ার্ড থাকে সেটাও ব্যবহার করা হয় নি । এটা ব্যবহার করার উপায় থাকলে নাকি মজা কমে যায় অনেক । তারপরই সে নির্দেশ দিল নীল যেন তার শরীরের সব জামাকাপড় খুলে ফেলে । কন্ট্রাক্টে লেখাই ছিল যে একজন স্লেভ কখনই কোন পোশাক পরে থাকতে পারবে না । নীল কোন কথা না বলে সাথে সাথেই নিজের শরীরের সব জামা কাপড় খুলে ফেলল । তারপর হাটু গেড়ে বসলো আফিয়ার সামনে বসলো । আফিয়া টেবিলের উপর থেকে একটা স্টিলের কলার নিয়ে এসে নীল র গলাতে লাগিয়ে দিল । এই কলার এখন নির্দেশ করছে যে নীল হচ্ছে একজন স্লেভ । অন্যের অধীন । ওর নিজের সত্ত্বা বলে কিছু নেই । তারপরই আফিয়া ভাবছিলো ওকে নিয়ে কি করা যায় । কিছু সময় চিন্তা করতেই বুঝে গেল ওকে এখন কি করতে হবে । বন্ডেজের সব উপকরন ওরা সাথে করেই নিয়ে এসেছিলো । সেখান থেকে একটা হ্যান্ডকাফ বের করলো । তারপর সেটা দিয়ে নীল র হাত দুটো পেছন দিক দিয়ে আটকে দিল । তারপর গলার কলারের সাথে আরেকটা চেইন লাগিয়ে নীল কে টানতে টানতে নিয়ে এল বাসার বাইরে । বাইরের আলোতে আফিয়ার মনে একটা দুষ্টু বুদ্ধি এল । নীল কে খোলা আকাশের নিচে হাটিয়ে নিয়ে গিয়ে একটা জায়গাতে দাড় করিয়ে রাখলো । তারপর নিজের মোবাইল বের করে অনেক গুলো ছবি তুলল । এভাবেই সারা বাড়ির বাউন্ডারীতে ওকে দিকে কাজ করালো । বলল যেন সব শুকনো পাতা সে পরিস্কার করে । নীল ঠিক তাই করতে লাগলো । পেছনে হাত বাধা অবস্থায় নীল কে অন্য রকম লাগছিলো । সেই সাথে ওর নগ্ন দেহেটা রোডে কেমন চকচক করছিলো । আফিয়া কেবল এক ভাবে তাকিয়ে ছিলো সেদিকে । বিশেষ ঐ অঙ্গের দিকেও চোখ যাচ্ছিলো বারবার । ওর মনে হচ্ছিলো এমন অবস্থায় নীল এমন শান্ত কেমন করে আছে ! তারপরই ওকে নিয়ে এসে বেজমেন্টে বেঁধে রেখেছিলো । সারা রাতে আসে নি ওকে । থাকুক বন্ধ একটু ! আফিয়া সমস্ত বাড়ির দরজা বন্ধ করে দিয়ে নিচে ব্যাজমেন্টে নেমে এল । আসার আগে ব্যাজমেন্টের দরজাটা ভাল করে বন্ধ করে দিল । যতই চিৎকার করে কেউ এখন আর শোনা যাবে না বাইরে থেকে । অবশ্য এই বাসার আশে পাশে খুব একটা বাসা নেইও । গাজীপুরের একটা বাগান বাড়ি এটা । কেয়ার টেকারকে আগেই বাইরে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে । বেজমেন্ট টা অন্ধকার হয়ে আছে । আফিয়া একটা সুইচ টিপ দিল । সাথে সাথে ঘোরের এক কোনে একটা একটা ৬০ পাওয়ারের লাইট জ্বলে উঠলো । ঘরটা খুব বেশি বড় নয় । কোন জানালা নেই । ঘরের মাঝ খানে সিলিং থেকে থেকে একটা দড়ি নিচে নেমে এসেছে । সেই সিলিংয়ে দুই হাত উপর দিক দিয়ে বাঁধা একটা মানুষকে দেখা যাচ্ছে । মানুষটার হাত দুটো শক্ত করে বাঁধা রয়েছে । পা দুটোও শক্ত করে বাঁধা রয়েছে । এই মানুষ টা আর কেউ নয় সেটা হচ্ছে নীল । গতকাল রাতে নিজ হাতে এভাবে বেঁধে রেখে গেছে সে । তারপর নিজের মোবাইল দিয়ে অনেক গুলো ছবিও তুলেছে । এই ছবি গুলো চাইলেই সবার সামনে প্রকাশ করতে পারে । এমন কি ফেসবুকে ওকে ট্যাগ দিয়েও পোস্ট করতে পারে । কন্ট্রাক্টে এমন কিছুই লেখা আছে । এই তিন দিনে ও যা ইচ্ছে করতে পারবে । কোন প্রকার বাঁধা দিতে পারবে না । কোন কিছু বলারও নেই ও । আফিয়া আবার তাকালো নীল র দিকে । নীল র মুখে একটা বল গ্যাগ পরানো রয়েছে। ওর চোখ বাঁধা । আফিয়া ঘরের ভেতরে আসায় নীল জেগে উঠলো । ... কন্ট্রাক্টে এমন কিছুই লেখা আছে । এই তিন দিনে ও যা ইচ্ছে করতে পারবে । কোন প্রকার বাঁধা দিতে পারবে না । কোন কিছু বলারও নেই ও । আফিয়া আবার তাকালো নীল র দিকে । নীল র মুখে একটা বল গ্যাগ পরানো রয়েছে। ওর চোখ বাঁধা । আফিয়া ঘরের ভেতরে আসায় নীল জেগে উঠলো । এতোক্ষন ঘুমিয়েই ছিল । পুরোটা দিন এই ভাবেই এখানে বাঁধা রয়েছে । তাকে কিছু খেতে দেওয়া হয় নি বরং সারা দিন শাস্তি দেওয়া হয়েছে । আজকেও দেওয়া হবে । আফিয়া নীল শরীরের চারিপাশ দেখতে লাগলো । ওর পুরো দেহে তেল চটচট করছে । শরীরে তার কিছু নেই । নীল র বুকের কাছে এবং ওর উরুসন্ধিতে একটা তার লাগানো রয়েছে । গত কালকে ইলেকট্রিক শক দেওয়া হয়েছে । প্রতিবার শক দেওয়ার সাথে সাথে সাথে নীল চিৎকার করে উঠছিল কিন্তু ওর চিৎকার বের হচ্ছিলো না । মুখে গ্যাগ থাকার কারনে চিৎকার শোনা যাচ্ছিলো না । নীল র এই চিৎকার আফিয়া কেমন যেন উপভোগ করছিলো । কেন করছিলো সেটা ও নিজেও বলতে পারবে না, তবে মজাই লাগছিলো ওর কাছে । নীল নিজেও এটা পছন্দ করে । আজকে আফিয়া নিয়ে এসেছে চাবুক । সে কোন কথা না বলেই নীল কে চাবুক দিয়ে মারতে শুরু করলো । সপাং সপাং আওয়াজ হতে শুরু করলো । আওয়াজটার ভেতরে একটা আলাদা মাদকাতা আছে । আফিয়া সেটা বুঝতে পারলো । নীল র সারা শরীরে লাল দাগ হয়ে গেল । প্রতিটি চাবুকের আঘারের সাথে সাথে ওর শরীর কেঁপে কেঁপে উঠছিল । নীল নিজেকে ছাড়ানোর চেষ্টা করছিল কিন্তু ওর কিছুই করার ছিল না । আফিয়া যখন চাবুক মারা বন্ধ করলো তখন নীল আর নিজের ভেতরে নেই । অন্য জগতে চলে গেছে যেন ।। ওর সারা শরীরে লাল দাগ গেছে । পুরো ব্যাপারটা ভিডিও করে করা হয়েছে । এটা পরে নীল কে দেখানো হবে । সেটা দেখেও নিশ্চয়ই নীল তখন মজা পাবে । আফিয়া আস্তে আস্তে নীল কাছে গেল । ওর সারা শরীরে হাত দিতে লাগলো । ওর হাতে ল্যাটাক্সের গ্লোভস তবুও সে ভাল ভাবেই নীল শরীর বুঝতে পারছিল । হাত দিতে দিতে ওর হাত টা ওর উরুসন্ধির কাছে এসে থামলো । আস্তে আস্তে নাড়তে লাগলো । অফিয়ার নিজের কাছে কেমন অবাক লাগছে । ও একটা মানুষের গোপনাঙ্গ নিয়ে খেলছে । হাত দিয়ে নাড়ছে । আস্তে সেটা শক্ত হয়ে আসছে । এমনটা হবে স্বাভাবিক । আফিয়া অনেক ভিডিও তে দেখেছে মেয়েরা এটা মুখে নেয় । ও কোন নেয় নি । কিছুটা সময় সেটার দিকে তাকিয়ে রইলো এক ভাবে । আজকে সে নাড়তে নাড়তে মুখে নিয়ে ফেলল । তারপর সেটা চুসতে লাগলো ! নীল তখন চরম উত্তেজনায় পৌছে গেছে । আর আফিয়া নিজেও যেন আরও মজা পেয়ে গেছে । কত সময় পার হয়ে গেল কেউ বলতে পারবে । একটা সময় আফিয়া উঠে দাড়ালো । তারপর সিড়ির দিকে পা বাড়াতে লাগলো । নীল কিছু বলতে চাইছিলো কিন্তু আফিয়া সেটা শুনতে পেল না । বলগ্যাগের কারনে কোন কথাই ঠিক মত বের হল না । ব্যাজমেন্টের দরজা খুলে, লাইট অফ করে উপরে চলে এল । তারপর দরজা বন্ধ করে দিল । আজকের মত শেষ কাজ । আবার কালকে । এই দিনেও নীল কে কোন কিছু খেতে দেওয়া হবে না । আজকে রাতের পর ওর মুক্ত হয়ে যাবে । ওর কন্ট্রাক্ট শেষ হয়ে যাবে । তখন আর এই কাজ গুলো আর করানো যাবে না । কিন্তু আজকেই যা হল তা যে কোন দিন হবে আফিয়া কোনদিন ভাবতেও পারে নি । এটা ভেবে ভেবে সারা রাত কেটে যাবে আজ । ঘরে এসে শুয়ে পড়লো ।
By kolpobazz
Tuesday, May 28, 2019
Attention: Don't read this .... স্বইচ্ছায় পড়লে আমায় দোষ দিতে পারবেন না। পর্ন স্টার [গল্প - ০৩] [সাইকো] রিয়া কান্না আটকানোর চেষ্টা করছে। খুব চেষ্টা করছে যেন ওর চোখ দিয়ে পানি বের না হতে পারে। কিন্তু সেটা সে কত সময় পারবে রিয়া জানে না। জীবনে ওকে কেউ এভাবে মারে নি যেভাবে সামনের মানুষটা ওকে আঘাত করছে। যদিও সামনের মানুষটাকে ও দেখতে পাচ্ছে না। কারন ওর চোখ কালো কাপড় দিয়ে বাঁধা। সেই সাথে ওর হাত দুটোও দুদিকে শক্ত করে গ্রীলের সাথে বেঁধে রাখা হয়েছে। ও চাইলেও সামনের মানুষটাকে বাঁধা দিতে পারবে না। বলতেও পারবে না কোন কথা কারন ওর মুখের ভেতরে এক গুচ্ছ কাপড় গুজে দিয়ে তারপর কালো টেপ দিয়ে শক্ত করে পেঁচিয়ে রাখা হয়েছে। প্রতিটি আঘাতের সাথে ওর গোঙ্গানীর আওয়াজ ছাড়া আর কিছুই বের হচ্ছে না। পায়ের গোড়ালী দুইটো শক্ত করে এক সাথে করে বাঁধা হয়েছে। নিজের এই অবস্থার জন্য ও নিজেই দায়ী। আজকে রিয়া যে এমন হেল্পলেস অবস্থায় রয়েছে সেটা হয়েছে ওর নিজের ইচ্ছেতেই। হঠাৎ রিয়া বুঝতে পারলো সামনের মানুষটা ওর মুখের চেপ খুলতে শুরু করেছে। রিয়ার মনে হল ও কি কোন ভুল করে ফেলেছে। ওর যে কান্না আসছে সেটা কি সামনের মানুষটা বুঝে ফেলেছে। মুখ খুলে ফেলতেও শুনতে পেল -তোমার আম্মু ফোন দিয়েছে। কন্ঠ স্বাভাবিক করে কথা বল। আমি লাউড স্পিকারে দিয়ে দিচ্ছি। রিয়া বুঝতে পারলো যে অন্য কোন কারনে ওর মুখটা খোলা হয় নি। হাতও খোলা হবে না। রিয়া একটা বিপ আওয়াজ শুনলো। তারপরই মায়ের কণ্ঠস্বর শুনতে পেল। -রিও, তুই ঠিক আছিস? রিয়া নিজেকে যথা সম্ভব স্বাভাবিক রেখে বলল -আম্মু আমি ঠিক থাকবো না কেন? আজিব তো? আমি বাসা থেকে পালিয়ে যাই নি। আদিবার বাসায় এসেছি। আম্মু বলল -আরে এমন রাগ করিস কেন? -তুমি এমন প্রশ্ন কেন কর? -আচ্ছা আর করবো না। রাতের খাবার হয়েছে? -হুম। -ভাল ভাবে থাকিস। আর দরকার হলেই ফোন দিস। ফোন রাখার আগে রিয়ার খুব করে ইচ্ছে হল মাকে চিৎকার করে বলে যে ওকে এখান থেকে নিয়ে যায় কিন্তু সেটা বলল না। ইচ্ছেটাকে শক্ত করে দমন করলো। অনেক দিন পর এমন একটা সুযোগ এসেছে আর হয়তো আসবে না কোন দিন। ফোন রাখার আওয়াজ হল। তারপর আবার রিয়ার আবার সেই কান্না আসতে লাগলো। রিয়া শুনতে পেল -পানি খাবে? রিয়া কিছু বলল না কেবল মাথা ঝাঁকালো। কিছু সময় পরে ওর মুখে একটা বোতলের স্পর্শ পেল। বেশ কিছুটা পানি পান করে নিল ও। তারপর আবারও ওর মুখের ভেতরে সেই কাপড়ের দলাটা গুজে দেওয়া হল। এবং তারপর কালো টেপ দিয়ে শক্ত করেই পেঁচানো হল মুখটা যেন কোন আওয়াজ না বের হতে পারে। রিয়া কেমন করে এসবের ভেতরে পরলো ও বলতে পারবে না। ওর শুধু মনে আছে তিন মাস আগে ওর ওয়াটপ্যাডে একটা গল্প খুজে পায় যেখানে একটা মেয়েকে শক্ত করে দড়ি দিয়ে বেঁধে অত্যাচার করা হয়। এবং সেটা করা হয় মেয়েটার ইচ্ছেতেই। প্রথম প্রথম ব্যাপারটা জানতে পেরে ও অবাকই হয়েছিল। এমনও মানুষও হয় নাকি। তারপর সেই গল্পের লেখকের সাথেই কথা হয়। একটু সংকোচ হচ্ছিলো তবে সব সংকোচ দূর করে কথা গুলো জিজ্ঞেস করেই ফেলল। তখনই সব জানতে পারলো। সেই দিন অনেক কথা হল দুজনের মাঝেই। সেদিনই সে বিডিএসএম, স্যাডিস্ট, বন্ডেজ সম্পর্কে জানতে পারলো। তার আগ্রহ যেন আরও দ্বিগুন বেড়ে গেল তারপর থেকেই রিয়ার মাথার ভেতরে অন্য কিছু ছিল না। গল্প গুলো বারবার পড়তে লাগলো। নিজেকে ঐ গল্পের মেয়ে গুলো হিসাবে কল্পনা করতে লাগলো। রাতে ঘুমানোর সময় নিজের পা শক্ত করে বেঁধে নিয়ে ঘুমাতে লাগলো। চোখ মুখও বেঁধে নিত কিন্তু ঠিক হাত বাঁধতে পারতো না বলে শান্তি পেত না। তারপরই সে ঐ লেখককে আবার নক দিল। তাকে বলল যে সে তার স্লেভ হতে চায়। তার লেখা গুলো তার মাথায় এমন ভাবে ঢুকে গেছে যে সেটা যতক্ষণ না ট্রাই করছে ততক্ষণ তার শান্তি নেই। কিন্তু সেই লেখক কিছুতেই রাজি হচ্ছিলো না। কারন রিয়া সবে মাত্র এসএসসি পরীক্ষা দিয়েছে। এসব কিছু আঠারো বছর না হলে কিছুতেই ট্রাই করা যাবে না। কিন্তু নাছোড়বান্দা। সে শুনবেই না। তাকে তার স্লেভ বানাতেই হবে। শেষ এক পর্যায়ে সে রাজি হয়। তবে বলে যে এখন কেবল অনলাইনেই তার মাস্টার হবে সে। তারপর ১৮ পার হওয়ার পরে সরাসরি যোগাযোগ করবে। তারপর থেকেই রিয়ার জীবনটা অন্য রকম হয়ে যায়। আগে একটা সময় ও বুঝতে পারতো যে ওর জীবনে যেন কি এক টা জিনিস মিসিং। কিন্তু সেটা কি সেটা রিয়া বুঝতে পারতো না। এই জীবনট। বেঁছে নেওয়ার পরপরই সে বুঝতে পারে যে এটাই তার জীবনে দরকার ছিল। কিন্তু সেটাতেও যেন মন ভরছিল না ওর। সত্যি কারের বিডিএসএম এক্সপিরিয়েন্স নেওয়ার জন্য ও মুখিয়ে ছিল। ঠিক সেটা বাস্তবে পরিনত করতেই যেন সুযোগ টা চলে এল। ওর কাছের এক বান্ধবীর বাবা মা হঠাৎ করেই ঢাকার বাইরে যাওয়ার দরকার হল। তাই রিয়া কে বলল যেন রাতে গিয়ে থাকে ওর বাসায়। রিয়া সুযোগ পেয়ে গেল। রিয়া বাসা থেকে বের হল কিন্তু গেল তার ডমিনেন্ট লেখকের বাসায় আর আদিবা তার বয়ফ্রেন্ডকে নিয়ে এল বাসায়। সবাই খুশি। যদি রিয়ার বাবা মা আদিয়ার বাসাতে ফোনও দেয় তাহলে আদিবা বলবে সে ও সেখানেই আছে। প্রথম প্রথম রিয়ার একটু ভয়ই করছিল। কারন মানুষটার সাথে এর আগে মাত্র একবার দেখা হয়েছে। তবে রিয়া তাকে ১০০ ভাগ বিশ্বাস করে। কারন মাঝে মাঝেই তাদের ভিডিও চ্যাট হত। সেখানে রিয়াকে আসতে হত কোন প্রকার কাপড় ছাড়াই। কারন একজন স্লেভের কোন কাপড় পড়ার অনুমুতি ছিল না। কিন্তু তার পরেও সেগুলো ছিল দূর থেকে। আজকে যা হতে চলেছে তা হবে সরাসরি। তার বাসায় এসে রিয়ার ভয়টা যেন আরও একটু বেড়ে গেল। বারপবার ইচ্ছে করছিলো দৌড়ে চলে যেতে। কিন্তু সেই সাথে সে খুন উত্তেজিত ছিল। কিভাবে তার স্বপ্ন পূরন হতে চলেছে। স্বাভাবিক ভাবেই কথা বার্তা বলছিল সে। রিয়ার মনের ভয় দূর করার চেষ্টা করছিল। যখন সময় আসলো সে বলল -আরেক বার ভেবে দেখ। রিয়ার কিছু সময় চুপ করে থেকে বলল -আমি ভেবেছি। -তোমার যদি কিছু হয়ে যায় আমার কিন্তু খবর আছে। কতদিন জেল খাটবো নিজেও জানি না। রিয়া হাসলো। তারপর বলল -এই জন্য জানি আপনি আমালে দেখে রাখবেন। সে আবার বলল -তাহলে সেফ ওয়ার্ড নিতে চাও না? -না। ওটা নিলে আমি পরিপূর্ণ ভাবে উপভোগ করতে পারবো না। কেবল দেখবেন যে এমন কোন জায়গায় কোন দাগ না পড়ে যেটা পোশাক দিয়ে ঢেকে রাখা না যায়। ঠিক আছে? -তুমি কিন্তু তোমার জীবনটাই আমার হাতে তুলে দিচ্ছো! -আমি জানি। তারপরেই কাজ শুরু হয়। রিয়াকে অন্য একটা ঘরে নিয়ে গেল সে। রিয়া পোশাক বদলে একটা টিশার্ট আর লেগিংস পরেছিল। ও বলেছিল ওর পক্ষে নিজেকে নগ্ন করা সম্ভব হবে না। তাই যখন ওকে বাঁধা হবে তখন কাজটা সেই করে। সে রাজি হয়েছিল। রিয়াকে যে ঘরে নিয়ে এল সে, সেটার ভেতরে কোন আসবার পত্র নেই। নেই কোন ফ্যান। ফ্যান ঝুলানোর স্থান থেকে একটা দড়ি ঝুলছে। রিয়া সেই দড়ির দিকে ভয়ে ভয়ে তাকালো। তারপএ রিয়াকে জানালার গ্রিলের কাছে নিয়ে যাওয়া হল। ওর হাতটা দুদিকে নিয়ে শক্ত করে টানটান করে বেঁধে ফেলা হল। তারপর পা দুটো শক্ত করে এক সাথে বাঁধা হল। চোখে বাঁধা হল কালো কাপড় এবং মুখে কাপড় গুজে টেপ দিয়ে শক্ত করে পেঁচিয়ে বাঁধা হল। বাঁধা শেষ রিয়াকে কিছু সময় ওভাবেই রেখে দেওয়া হল। তারপরই রিয়া অনুভব করলো একটা কেঁচি দিয়ে ওর শরীরের পোশাকটা কেটে ফেলা হচ্ছে। সম্পূর্ন কাজটা করতে মিনিট খানেক লাগলো। এই সময়ে রিয়ার পুরো শরীর যেন আন্দোলত লাগলো। যখন ওকে পুরো নগ্ন করে ফেলা হল রিয়ার অনুভূতিটা ছিল অন্য রকম। কিছু পরে ওর শরীরে কিছু একটা ঢেলে দিল সে। রিয়া জানে এট। একটা বন্ডেজ ওয়েল। এর ফলে খুব একটা দাগ পরেনা শরীরে তবে ব্যাথা ঠিকউ লাগে। তারপরই সেই সময় এল। ও বেতের আওয়াজ পেল। যেন সেটা বাতাস কেটে আওয়াজটা করছে। জানে এখনই ওর শরীরে আঘাত করবে। ও জানে এখনই আসবে কিন্তু কখন সেটা জানে না। তারপর আঘাত টা এল। ওর পায়ের উপর। তীব্র একটা যন্ত্রনা পুরো শরীরে নয়ে গেল। নিজেকে ছাড়ানোর জন্য চেষ্ট। করলো কিন্তু কোন কাজ হল না। এরপর বেতের আঘাত একের পর এল আসতেই লাগলো। রিয়ার একটা সময় মনে হল ও আর সহ্য করতে পারবে না। কিন্তু জানে যত সময় না সে সন্তুষ্ট হবে তত সময় এটা চলবেই। একটা সময় বেতের আঘাত শেষ হল। তারপর রিয়াকে আঘাত শুরু জক ফ্লোগার দিয়ে। বুকের স্তন দুটো লাল হয়ে গেল ফ্লোগারের আঘাতে। নিজেকে চরম।পর্যায়ে নিয়ে গেল। নিজেকে ছাড়ানোর চেষ্টা করলো তারপর চিৎকার করতে চাইলো কিন্তু কিছুই করতে পারলো না। তারপর রিয়ার হাত দুটো খুলে দেওয়া হল। এবং তাকে দেওয়ালের দিকে মুখ করে বাঁধা হল। ফলে রিয়া পিঠ আর নিতম্ব উন্মুক্ত। রিয়া এবার জোরে জোরে দম দিতে লাগলো। ওর সহ্যের সীমায় পৌছে গেছে। আর কত সময় সে সহ্য করতে পারবে সে জানে না। তারপরেই আবারও আঘাত শুরু হল। রিয়া এবার সত্যি সত্যি চাইলো যে সব থামে কিন্তু সেটা আর হল। আঘাতের পর আঘাত চলতেই লাগলো। কয়েক স্থানে কেটে গেল। রক্ত বের হয়ে গেল তবুও থামলো চাবুক। যখন থামলো তখন রিয়া চেতনা হারিয়ে ফেলেছে। সকালে যখন রিয়ার ঘুম ভাঙ্গল তখন বেশ বেলা হয়ে গেছে। রিয়া চোখ মেলে বুঝতে পারলো ও তখনও বেঁচে আছে। একটু নড়তে গিয়েই টের পেল ওর পুরো শরীরে প্রচণ্ড ব্যাথা। পাশ ফিরতেই দেখলো পাশের টেবিলে গরম কফির কাপ থেকে ধোয়া উড়ছে। আর নাস্তা ঢাকা রয়েছে। সেখানে একটা নোট রাখা। রিয়া যত সময় ইচ্ছা থাকতে পারে এখানে সে অফিস যাচ্ছে। আর সবার শেষে লেখা গতকাল সে ছিল আনেইজিং। সে নিজেও আশা করে নি যে রিয়া এতো দূর পর্যন্ত যেতে পারবে। রিয়া সত্যি নিজের আসল সত্ত্বা কে যেন খুজে পেয়েছে। গত কাল রাতের কথা মনে হওয়ার সাথে সাথে বারবার কেঁপে উঠছে। সেই সাথে একটা অন্য রকম অনুভূতি হচ্ছে, যে অনুভূতির কোন তুলনা নেই।
By kolpobazz
Subscribe to:
Posts (Atom)