.কল্পলোকের কল্পবাজ একজন ভাল লেখককে সহজেই ভাল মানুষ ভেবে নেয়াটা বোকামী। যেমন একজন ভাল ডাক্তার ভাল মানুষ নাও হতে পারে। বাংলাদেশে যত জন ডাক্তার আছে এরা সবাই যদি ভাল মানুষ হত, যদি প্রত্যেকটা ডাক্তার দিনে তিনটা করে রোগী বিনা পয়সায় দেখত তাহলে আর এদেশে কেউ বিনা চিকিৎসায় মারা যেতনা।
Saturday, January 5, 2019
ভালোবাসার মানুষটি সত্যিই সবার থেকে আলাদা..
ভালোবাসার মানুষটি সত্যিই সবার থেকে আলাদা.....
সে যেন সবার মাঝে থেকেও সবার ওপরে.....
চোখ বন্ধ করলেও তার অস্তিত্ব ভেসে ওঠে চোখের সামনে.....♥ :)
তাকে জড়িয়ে ধরার মূহুর্ত.....
উফ্ !
সে এক অসাধারণ ফিলিংস.....♥ :D
তার কপালে আলতো করে kiss করে তাকে " i love you " বলার পর যখন প্রতিউত্তরে তার মুখ থেকে " i love u too " শুনি তখন মনে হয় এটাই পৃথিবীর সেরা বাক্য.....♥ :p
তার হাতটি ধরে বহুধুর চলার পরও মনে হয় যেন এইমাত্রই তো হাঁটা শুরু করলাম, আরো অনেক পথ পেরোলেও তখন ক্লান্তি গ্রাস করবে না.....♥ :)
তার ছোট ছোট কথায় রাগ-অভিমান করা, নাক ফুলে লাল হয়ে যাওয়ার পর যেন তাকে আরও বেশি সুন্দর লাগে তখন মনে হয় তাকে এই বুকের মাঝেই সারাটি জীবন জড়িয়ে রাখি.....♥ ^_^
আমি ভূল করলে তাকে sorry বলতেও খারাপ লাগে না.....
কারণ sorry বলা মানে তার কাছে ছোট হওয়া নয় বরং সর্ম্পকটাকেই সবকিছুর উর্ধ্বে দেখা.....♥ :)
মাঝে মাঝে গলা ফাটিয়ে চিত্কার করে বলতে ইচ্ছা করে " অননেক
বেশি ভালোবাসি তোমাকে, অননেক বেশি "......♥
সে যেন সবার মাঝে থেকেও সবার ওপরে.....
চোখ বন্ধ করলেও তার অস্তিত্ব ভেসে ওঠে চোখের সামনে.....♥ :)
তাকে জড়িয়ে ধরার মূহুর্ত.....
উফ্ !
সে এক অসাধারণ ফিলিংস.....♥ :D
তার কপালে আলতো করে kiss করে তাকে " i love you " বলার পর যখন প্রতিউত্তরে তার মুখ থেকে " i love u too " শুনি তখন মনে হয় এটাই পৃথিবীর সেরা বাক্য.....♥ :p
তার হাতটি ধরে বহুধুর চলার পরও মনে হয় যেন এইমাত্রই তো হাঁটা শুরু করলাম, আরো অনেক পথ পেরোলেও তখন ক্লান্তি গ্রাস করবে না.....♥ :)
তার ছোট ছোট কথায় রাগ-অভিমান করা, নাক ফুলে লাল হয়ে যাওয়ার পর যেন তাকে আরও বেশি সুন্দর লাগে তখন মনে হয় তাকে এই বুকের মাঝেই সারাটি জীবন জড়িয়ে রাখি.....♥ ^_^
আমি ভূল করলে তাকে sorry বলতেও খারাপ লাগে না.....
কারণ sorry বলা মানে তার কাছে ছোট হওয়া নয় বরং সর্ম্পকটাকেই সবকিছুর উর্ধ্বে দেখা.....♥ :)
মাঝে মাঝে গলা ফাটিয়ে চিত্কার করে বলতে ইচ্ছা করে " অননেক
বেশি ভালোবাসি তোমাকে, অননেক বেশি "......♥
আবোলতাবোল
আবোলতাবোল
::
ঘুণ ধরা খয়েরী বেঞ্চ,
আমাদের কত চুপচাপ বিকেল।
আমার ক্ষ্যাপা ছেলেমানুষি;
পকেটে আধ খাওয়া কিট ক্যাট।
কপট শাসনে তুমি,
মুখ ভ্যাংচানো আমি।
আমার অগোছালো চুল,
তোমার আঙুলের চিরুনী।
আগের মতই আছি আমি,
ক্ষ্যাপা,পাগলাটে।
দেখো চুলটাও পাখির বাসা,
আজও পকেটে একটা আধ খাওয়া কিট ক্যাট তোমার জন্য রাখা।
:
কিন্ত তুমি নেই :(
#kolpobazz
::
ঘুণ ধরা খয়েরী বেঞ্চ,
আমাদের কত চুপচাপ বিকেল।
আমার ক্ষ্যাপা ছেলেমানুষি;
পকেটে আধ খাওয়া কিট ক্যাট।
কপট শাসনে তুমি,
মুখ ভ্যাংচানো আমি।
আমার অগোছালো চুল,
তোমার আঙুলের চিরুনী।
আগের মতই আছি আমি,
ক্ষ্যাপা,পাগলাটে।
দেখো চুলটাও পাখির বাসা,
আজও পকেটে একটা আধ খাওয়া কিট ক্যাট তোমার জন্য রাখা।
:
কিন্ত তুমি নেই :(
#kolpobazz
এই যে,,,, ঘুমন্তপুরির রাজকুমারী ...
এই যে,,,,
ঘুমন্তপুরির রাজকুমারী ...
আজ লিখেই ফেলছি চিঠি তোমায় ।
জানি হচ্ছে একটু বাড়াবাড়ি ।
কীভাবে শুরু করব বুঝতে পাড়ছি না।
হয়ত তোমায় নিয়ে লিখতে গেলে শেষ হবে না।
তোমার এই কাজল কালো চোখ আর ঘন কালো চুলএর মায়া হয়ত কাটাতে পারবনা।
সত্যি বলতে কি তোমার অই অদ্ভুত হাসি আমাকে পাগল করে দিয়েছে।
কেউ কেউ আমায় দেখে বলে , মনে হয় ছেলেটাকে ভুতে ধরেছে।
কিভাবে বলি তাদের ভুত নয় এক পেত্নির প্রেমে পরেছি।
সব কিছু বাদ দিয়ে আজ দেবদাস হয়েছি।
জানো তোমকে আমি প্রত্যেক দিন দেখি আর নতুন করে তোমার প্রেমে পড়ি।
মনে হয় যেন প্রতিদিন আমি নতুন রুপে তোমায় আবিস্কার করি ।
জানোকি তোমকে শাড়িতে অনেক বেশি সুন্দর লাগে 😍
প্রতিবার ই নতুন করে তোমার প্রেমে পড়তে ইচ্ছে জাগে।
তোমকে দেখার জন্য সেই সকাল ৬ টায় ঘুম থেকে উঠি
মা বলে কিরে শান্ত সূর্য আজ পশ্চিম দিকে উঠল নাকি ।
রোজ রাতে ভাবি আগামি কাল সকালে তোমার সামনে গিয়ে একটি লাল গোলাপ দিয়ে বলব
"তুমি আমার রাজ্যের রানী হবে কী "
কিন্তু আমার সাহস করতে পাড়ি না যদি তুমি ফিরিয় দেও আমায়।
আবার তোমার কাছে গেলে হাত পা কাপে ,
কলিজাটা একেবারে শুকিয়ে যায় :(
আর হ্যা আর একটা কথা ছাত্র-ছাত্রীদের এত যত্ন নেন নিজের একটু যত্ন নিও।
আর কত কাল অন্যের বাচ্চাকে খাওয়াবে, নিজের কথাও একটু ভাবিও।
দিন দিন শুকিয়ে কাঠ হয়ে যাচ্ছ আল্লাহ জানে কোন দিন আমার বদলে বাতাস নিয়ে যায় 😃
চাইনা আমি আমার রাজকুমারি অন্য কারো হয়।
পরিশেষে .........
" তোমার মুখের হাসি,
আমার বাগানে তোমাকে ভালোবাসি,
আসো একবার কাছে
হাতটা ধরে পাশে,
তোমায় নিয়ে যাব আমার স্বপ্নপুরিতে।
ভাল থেক রাজকুমারি ......... ।
নিজের জন্য না হলেও তোমার অপেক্ষায় থাকা এই রাজকুমার জন্য
একটুখানি .........।
""প্লিজ নিজের খেয়াল রেখ ""
ইতি ,,,
অপেক্ষায় থাকা ঘুমন্তপুরির রাজকুমার ।
#kolpobazz
ঘুমন্তপুরির রাজকুমারী ...
আজ লিখেই ফেলছি চিঠি তোমায় ।
জানি হচ্ছে একটু বাড়াবাড়ি ।
কীভাবে শুরু করব বুঝতে পাড়ছি না।
হয়ত তোমায় নিয়ে লিখতে গেলে শেষ হবে না।
তোমার এই কাজল কালো চোখ আর ঘন কালো চুলএর মায়া হয়ত কাটাতে পারবনা।
সত্যি বলতে কি তোমার অই অদ্ভুত হাসি আমাকে পাগল করে দিয়েছে।
কেউ কেউ আমায় দেখে বলে , মনে হয় ছেলেটাকে ভুতে ধরেছে।
কিভাবে বলি তাদের ভুত নয় এক পেত্নির প্রেমে পরেছি।
সব কিছু বাদ দিয়ে আজ দেবদাস হয়েছি।
জানো তোমকে আমি প্রত্যেক দিন দেখি আর নতুন করে তোমার প্রেমে পড়ি।
মনে হয় যেন প্রতিদিন আমি নতুন রুপে তোমায় আবিস্কার করি ।
জানোকি তোমকে শাড়িতে অনেক বেশি সুন্দর লাগে 😍
প্রতিবার ই নতুন করে তোমার প্রেমে পড়তে ইচ্ছে জাগে।
তোমকে দেখার জন্য সেই সকাল ৬ টায় ঘুম থেকে উঠি
মা বলে কিরে শান্ত সূর্য আজ পশ্চিম দিকে উঠল নাকি ।
রোজ রাতে ভাবি আগামি কাল সকালে তোমার সামনে গিয়ে একটি লাল গোলাপ দিয়ে বলব
"তুমি আমার রাজ্যের রানী হবে কী "
কিন্তু আমার সাহস করতে পাড়ি না যদি তুমি ফিরিয় দেও আমায়।
আবার তোমার কাছে গেলে হাত পা কাপে ,
কলিজাটা একেবারে শুকিয়ে যায় :(
আর হ্যা আর একটা কথা ছাত্র-ছাত্রীদের এত যত্ন নেন নিজের একটু যত্ন নিও।
আর কত কাল অন্যের বাচ্চাকে খাওয়াবে, নিজের কথাও একটু ভাবিও।
দিন দিন শুকিয়ে কাঠ হয়ে যাচ্ছ আল্লাহ জানে কোন দিন আমার বদলে বাতাস নিয়ে যায় 😃
চাইনা আমি আমার রাজকুমারি অন্য কারো হয়।
পরিশেষে .........
" তোমার মুখের হাসি,
আমার বাগানে তোমাকে ভালোবাসি,
আসো একবার কাছে
হাতটা ধরে পাশে,
তোমায় নিয়ে যাব আমার স্বপ্নপুরিতে।
ভাল থেক রাজকুমারি ......... ।
নিজের জন্য না হলেও তোমার অপেক্ষায় থাকা এই রাজকুমার জন্য
একটুখানি .........।
""প্লিজ নিজের খেয়াল রেখ ""
ইতি ,,,
অপেক্ষায় থাকা ঘুমন্তপুরির রাজকুমার ।
#kolpobazz
আকাশ ভেঙ্গে বৃষ্টি নামে।
সপ্তর্ষি
::
আকাশ ভেঙ্গে বৃষ্টি নামে।
তবু শুকনো আমার মনের উঠান।
আমার সজীবতা আজ নিষ্প্রাণ,
বিষণ্ণতার পরিমাণ মেপে,
আমার মনের স্কেলটা আজ সন্দিহান…..
নিকোটিনে কষ্ট পোড়াই .........
রাতের অন্ধকারে ।
আমার মনটা আজ না পাওয়ার বেদনায় কুরে কুরে মরে…..
নিষ্প্রাণ এই শীতের ভোরে ।
কেনো আমি ভুলবো তোমায় মিছেমিছি?
ভালোবাসবো তোমায় আমি আগের চেয়েও বেশি!
সপ্তর্ষি , সপ্তর্ষি , সপ্তর্ষি ।
আমার সপ্তর্ষি ।
#kolpobazz
::
আকাশ ভেঙ্গে বৃষ্টি নামে।
তবু শুকনো আমার মনের উঠান।
আমার সজীবতা আজ নিষ্প্রাণ,
বিষণ্ণতার পরিমাণ মেপে,
আমার মনের স্কেলটা আজ সন্দিহান…..
নিকোটিনে কষ্ট পোড়াই .........
রাতের অন্ধকারে ।
আমার মনটা আজ না পাওয়ার বেদনায় কুরে কুরে মরে…..
নিষ্প্রাণ এই শীতের ভোরে ।
কেনো আমি ভুলবো তোমায় মিছেমিছি?
ভালোবাসবো তোমায় আমি আগের চেয়েও বেশি!
সপ্তর্ষি , সপ্তর্ষি , সপ্তর্ষি ।
আমার সপ্তর্ষি ।
#kolpobazz
বর্ষার কদম ফুল নিয়ে একটা মিথ আছে যে,
বর্ষার কদম ফুল নিয়ে একটা মিথ আছে যে,
যদি কোনো প্রেমিক যুগল বর্ষার প্রথম কদম ফুল দেওয়া-নেওয়া করে তাতে নাকি প্রেমিক যুগলের সম্পর্কটা বিষাদময় হয়ে যায়।
কিন্তু আমি চাই সে কোনো এক বর্ষার দিনে আমার সামনে আসুক।
আমার হাত থেকে একটা কদম ফুল নিক।
হোক সেটা বর্ষার প্রথম কিংবা শেষ কদম ফুল।
সেদিন তার মাথায় ছাতা না থাকুক।
নীল শাড়ি না পড়ে কালো বসনে আসুক।
সে যদি কাকভেজা হয়ে আমার সামনে আসে
আমিও তার সংগে ভিজে কাকভেজা হব।
শুধু এই সময়টার জন্য ......
আমি মৃত্যুর আগ মুহূর্ত পর্যন্ত অপেক্ষা করবো।
#kolpobazz
যদি কোনো প্রেমিক যুগল বর্ষার প্রথম কদম ফুল দেওয়া-নেওয়া করে তাতে নাকি প্রেমিক যুগলের সম্পর্কটা বিষাদময় হয়ে যায়।
কিন্তু আমি চাই সে কোনো এক বর্ষার দিনে আমার সামনে আসুক।
আমার হাত থেকে একটা কদম ফুল নিক।
হোক সেটা বর্ষার প্রথম কিংবা শেষ কদম ফুল।
সেদিন তার মাথায় ছাতা না থাকুক।
নীল শাড়ি না পড়ে কালো বসনে আসুক।
সে যদি কাকভেজা হয়ে আমার সামনে আসে
আমিও তার সংগে ভিজে কাকভেজা হব।
শুধু এই সময়টার জন্য ......
আমি মৃত্যুর আগ মুহূর্ত পর্যন্ত অপেক্ষা করবো।
#kolpobazz
যেদিন থেকে আমি তোমার অপ্রিয় হলাম
"যেদিন থেকে আমি
তোমার অপ্রিয় হলাম,সেদিন থেকেই ঘুম আমার প্রিয়।
জানি,ঘুম তোমার খুব অপছন্দ।কিন্তু কী করবো বলো।তোমার পেছনে ছুটতে ছুটতে এতোটাই বদ অভ্যাস হয়েছে যে,এখন আর তোমাকে ছাড়া ভালো থাকা হয়না।একটা কথা জানো?আমি আজও তোমাকে ভালোবাসি।নির্দ্বিধায়,নি:সঙ্কোচে,নিশ্চুপে,
অভিমানে।তোমার অস্তিত্ব আজও আমার শিরায় শিরায় বয়ে বেড়ায়।তোমার সেই ঘ্রাণ আজও আমায়…নাহ্!আর বলতে পারছিনা।তোমাকে ভুল করে ভুলে যেতে চেষ্টা করতে যতটা কষ্ট হয়েছে,ঘুম কে আপন করতে ততটা কষ্ট হয়নি।কারণ ঘুম এখন দোকানে কিনতে পাওয়া যায়।রোজ ঘুম কিনে আনি আর রোজ রাতে আমি আকাশের তারাগুলোতে তোমাকে খোঁজার চেষ্টা করি।রোজই আমি তোমাকে খুজে পেতে ব্যর্থ হই।
আচ্ছা,তুমিও কি তারা হয়েছো?নাকি তুমি কখনও ছিলেই না?আমি জানিনা।সত্যি আমি জানিনা।ক’দিন ধরে মনে মনে কথা বলা শিখেছি।নির্ঘুম রাতে যখন মরে যাবার মতোন করে কষ্ট হতো… ঠিক তখন এর সাথে অভ্যস্ততা নিয়ে আসলাম।মনে মনে কথা বলে একটি কেন হাজারটি রাত পার করে দেয়া অসম্ভব কিছু নয় এখন আর আমার জন্য।আমার এতোটা মন খারাপ কেন হয়,যেটা আমি সহ্য করতে পারিনা!
একটা কথা জানো ইদানিং না আমি কাঁদতে পারিনা।আমার কান্নার যে মৃত্যু হয়েছে।চোখের যেখানটায় কান্না করব,ঠিক সেখানটায় মরুভুমি জন্মেছে।মরুভুমির বালিগুলো হতাশার রোদে শুকিয়ে প্রচন্ড লাল হয়ে থাকে।বড্ড জ্বলে।আমার খুব কষ্ট হয়।সেই কষ্ট তুমি ছাড়া কেউ বোঝেনি।
কেউ কোনোদিন বোঝার চেষ্টাও করেনা।আর তুমি ছাড়া কেউ বুঝবেও না।ক’দিন ধরে আমি কষ্ট লুকাতে হাসি।হাসতে হাসতে নিজেকে মাতাল করে ফেলি।বুক-পেট সব ব্যাথা হয়ে যায়।
তবু…তবু কষ্ট লুকাতে পারিনা।
জানো,আজকাল ঘুমও তার কর্ম ভুলে গেছে।আমার ঘুম কে আপন করে পাবার প্রচেষ্টা দেখে শিরায় শিরায় লোহিত কণিকারা আফসোসে ডুকরে ওঠে।কষ্টরা মুখ চেপে হাসে।আমি বোবা হয়ে রই।চিন্তা করি তোমার মত যদি ঘুম টাও আমাকে ছেড়ে চলে যায় তবে কি হবে আমার।আরও ভাবি,আমার মতো একটা মানুষ ঘুমের সাথে হারিয়ে গেলে কতটুকুই বা ক্ষতি হবে পৃথিবীর।কতটুকুই বা শূন্যতা তৈরি হবে।কিছুই হবেনা।
সময় নাকি কারো জন্য অপেক্ষা করে না।আমার জন্যও করবে না।সময় বড্ড স্বার্থপর।যেমন স্বার্থপর তুমি।শুনো,কাউকে কেউ কোনোদিন মনে রাখে না।ইতিহাস শুধু সফলদের জন্যই।
ব্যর্থ,পরাজিতদের জন্য না।আমাকেও কেউ মনে রাখবেনা।এক সেকেন্ডও মনে রাখবে না।কারো মনে রাখার দরকারও নেই।তবে তোমার কাছে অনুরোধ তুমি আমাকে ভুলে যেও।আমি তো তোমাকে কবেই ভুলে গেছি।
শুধু মনে আছে সেই কবিতাটা
যেটা শুনে প্রথম দেখার দিন তুমি বলেছিলে আমি পাগল।
আমার কিছু ভালো লাগুক আর না লাগুক অন্তত আমাকে কষ্ট দিতে তো তোমার ভালো লাগে।আমাকে কষ্ট দিয়ে তোমার ভাল লাগে এটাই তো আমার সবচেয়ে বড় সার্থকতা।তবে মাঝে মাঝে ভয় লাগে এই ভেবে যে,
একটা সময় কষ্ট পেতে পেতে হয়তো আমি একদিন প্রানহীন হয়ে পড়বো।তখন এই প্রাণহীন বস্তু টাকে কষ্ট দিতে তোমার আগের মতো ভাল লাগবে তো?তুমি হাজার অপরাধ করো।হাজার বার আমার মন ভাঙো।
কিন্তু তোমার মিথ্যা ভাবে দেওয়া হাসিতেও আমার মন জোড়া লেগে যায়।
তুমি আমার জীবনের দেখা সুন্দর স্বপ্নগুলোর মধ্যে একটি।যেটা তোমার কাছে শুধু দুঃস্বপ্ন।তোমার পাগল করা ঘ্রাণ আজও আমায় রাত জাগায়।যে মায়ের সাথে আমি মিথ্যা বলি না,সে মায়ের সাথে মিথ্যা বলেছি শুধু তোমার জন্য।আমি কেন এত খারাপ হয়ে যাচ্ছি?জানি না।তুমি চলে যেতে পারবে,কিন্তু তোমার সাথে জড়িয়ে থাকা স্মৃতিগুলোকে নিয়ে যেতে পারবে না।জানি না কেন আজও আমি নিজের অজান্তেই নিজেকে হারিয়ে ফেলি।
হাজারো কোলাহল থেকে কেন নিজেকে লুকিয়ে রাখি।আমি নিজেকে বোঝাতে পারিনা চাওয়া পাওয়ার আরেক নাম কষ্ট।সব কিছুর পর হার মেনে নেই নিজের কাছে।বার বার পরাজিত আমার আমি কে কাঁদতে দেই।স্বপ্ন ভাঙ্গার কষ্ট ,অবহেলা,প্রতারণা অপরিচিত এই শব্দ গুলোই যেন হৃদয়ের মাঝে অপ্রত্যাশিত এক যন্ত্রণা এখন।
পৃথিবীর কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন আমাকে কষ্ট দেয়নি।কিন্তু তোমার অনাকাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন আমাকে কষ্ট দিয়েছে।আজও কেন জানি মানতে কষ্ট হয় তুমি আমার পাশে নেই।আমি চাইনা আমাকে কেউ ভালোবাসুক।
আমি শুধু চাই তোমার জন্য অপেক্ষা করতে।
শুধুই অপেক্ষা,শুধুই অপেক্ষা,শুধুই….."
তোমার অপ্রিয় হলাম,সেদিন থেকেই ঘুম আমার প্রিয়।
জানি,ঘুম তোমার খুব অপছন্দ।কিন্তু কী করবো বলো।তোমার পেছনে ছুটতে ছুটতে এতোটাই বদ অভ্যাস হয়েছে যে,এখন আর তোমাকে ছাড়া ভালো থাকা হয়না।একটা কথা জানো?আমি আজও তোমাকে ভালোবাসি।নির্দ্বিধায়,নি:সঙ্কোচে,নিশ্চুপে,
অভিমানে।তোমার অস্তিত্ব আজও আমার শিরায় শিরায় বয়ে বেড়ায়।তোমার সেই ঘ্রাণ আজও আমায়…নাহ্!আর বলতে পারছিনা।তোমাকে ভুল করে ভুলে যেতে চেষ্টা করতে যতটা কষ্ট হয়েছে,ঘুম কে আপন করতে ততটা কষ্ট হয়নি।কারণ ঘুম এখন দোকানে কিনতে পাওয়া যায়।রোজ ঘুম কিনে আনি আর রোজ রাতে আমি আকাশের তারাগুলোতে তোমাকে খোঁজার চেষ্টা করি।রোজই আমি তোমাকে খুজে পেতে ব্যর্থ হই।
আচ্ছা,তুমিও কি তারা হয়েছো?নাকি তুমি কখনও ছিলেই না?আমি জানিনা।সত্যি আমি জানিনা।ক’দিন ধরে মনে মনে কথা বলা শিখেছি।নির্ঘুম রাতে যখন মরে যাবার মতোন করে কষ্ট হতো… ঠিক তখন এর সাথে অভ্যস্ততা নিয়ে আসলাম।মনে মনে কথা বলে একটি কেন হাজারটি রাত পার করে দেয়া অসম্ভব কিছু নয় এখন আর আমার জন্য।আমার এতোটা মন খারাপ কেন হয়,যেটা আমি সহ্য করতে পারিনা!
একটা কথা জানো ইদানিং না আমি কাঁদতে পারিনা।আমার কান্নার যে মৃত্যু হয়েছে।চোখের যেখানটায় কান্না করব,ঠিক সেখানটায় মরুভুমি জন্মেছে।মরুভুমির বালিগুলো হতাশার রোদে শুকিয়ে প্রচন্ড লাল হয়ে থাকে।বড্ড জ্বলে।আমার খুব কষ্ট হয়।সেই কষ্ট তুমি ছাড়া কেউ বোঝেনি।
কেউ কোনোদিন বোঝার চেষ্টাও করেনা।আর তুমি ছাড়া কেউ বুঝবেও না।ক’দিন ধরে আমি কষ্ট লুকাতে হাসি।হাসতে হাসতে নিজেকে মাতাল করে ফেলি।বুক-পেট সব ব্যাথা হয়ে যায়।
তবু…তবু কষ্ট লুকাতে পারিনা।
জানো,আজকাল ঘুমও তার কর্ম ভুলে গেছে।আমার ঘুম কে আপন করে পাবার প্রচেষ্টা দেখে শিরায় শিরায় লোহিত কণিকারা আফসোসে ডুকরে ওঠে।কষ্টরা মুখ চেপে হাসে।আমি বোবা হয়ে রই।চিন্তা করি তোমার মত যদি ঘুম টাও আমাকে ছেড়ে চলে যায় তবে কি হবে আমার।আরও ভাবি,আমার মতো একটা মানুষ ঘুমের সাথে হারিয়ে গেলে কতটুকুই বা ক্ষতি হবে পৃথিবীর।কতটুকুই বা শূন্যতা তৈরি হবে।কিছুই হবেনা।
সময় নাকি কারো জন্য অপেক্ষা করে না।আমার জন্যও করবে না।সময় বড্ড স্বার্থপর।যেমন স্বার্থপর তুমি।শুনো,কাউকে কেউ কোনোদিন মনে রাখে না।ইতিহাস শুধু সফলদের জন্যই।
ব্যর্থ,পরাজিতদের জন্য না।আমাকেও কেউ মনে রাখবেনা।এক সেকেন্ডও মনে রাখবে না।কারো মনে রাখার দরকারও নেই।তবে তোমার কাছে অনুরোধ তুমি আমাকে ভুলে যেও।আমি তো তোমাকে কবেই ভুলে গেছি।
শুধু মনে আছে সেই কবিতাটা
যেটা শুনে প্রথম দেখার দিন তুমি বলেছিলে আমি পাগল।
আমার কিছু ভালো লাগুক আর না লাগুক অন্তত আমাকে কষ্ট দিতে তো তোমার ভালো লাগে।আমাকে কষ্ট দিয়ে তোমার ভাল লাগে এটাই তো আমার সবচেয়ে বড় সার্থকতা।তবে মাঝে মাঝে ভয় লাগে এই ভেবে যে,
একটা সময় কষ্ট পেতে পেতে হয়তো আমি একদিন প্রানহীন হয়ে পড়বো।তখন এই প্রাণহীন বস্তু টাকে কষ্ট দিতে তোমার আগের মতো ভাল লাগবে তো?তুমি হাজার অপরাধ করো।হাজার বার আমার মন ভাঙো।
কিন্তু তোমার মিথ্যা ভাবে দেওয়া হাসিতেও আমার মন জোড়া লেগে যায়।
তুমি আমার জীবনের দেখা সুন্দর স্বপ্নগুলোর মধ্যে একটি।যেটা তোমার কাছে শুধু দুঃস্বপ্ন।তোমার পাগল করা ঘ্রাণ আজও আমায় রাত জাগায়।যে মায়ের সাথে আমি মিথ্যা বলি না,সে মায়ের সাথে মিথ্যা বলেছি শুধু তোমার জন্য।আমি কেন এত খারাপ হয়ে যাচ্ছি?জানি না।তুমি চলে যেতে পারবে,কিন্তু তোমার সাথে জড়িয়ে থাকা স্মৃতিগুলোকে নিয়ে যেতে পারবে না।জানি না কেন আজও আমি নিজের অজান্তেই নিজেকে হারিয়ে ফেলি।
হাজারো কোলাহল থেকে কেন নিজেকে লুকিয়ে রাখি।আমি নিজেকে বোঝাতে পারিনা চাওয়া পাওয়ার আরেক নাম কষ্ট।সব কিছুর পর হার মেনে নেই নিজের কাছে।বার বার পরাজিত আমার আমি কে কাঁদতে দেই।স্বপ্ন ভাঙ্গার কষ্ট ,অবহেলা,প্রতারণা অপরিচিত এই শব্দ গুলোই যেন হৃদয়ের মাঝে অপ্রত্যাশিত এক যন্ত্রণা এখন।
পৃথিবীর কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন আমাকে কষ্ট দেয়নি।কিন্তু তোমার অনাকাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন আমাকে কষ্ট দিয়েছে।আজও কেন জানি মানতে কষ্ট হয় তুমি আমার পাশে নেই।আমি চাইনা আমাকে কেউ ভালোবাসুক।
আমি শুধু চাই তোমার জন্য অপেক্ষা করতে।
শুধুই অপেক্ষা,শুধুই অপেক্ষা,শুধুই….."
হরিণী আমার না ভীষণ অবাক লাগে,
হরিণী আমার না ভীষণ অবাক লাগে,
ভীইইইইষণণণণণ!
কি করে এতটা কাল আমি তুমিহীন আছি?
হরিণীহীন প্রতিটিক্ষণের,প্রতিটি মুহুর্তের,প্রতিটি সেকেন্ডের হিসেব আমি জানি।প্রতিটি সেকেন্ডের অনুভূতি আমার কাছে স্পষ্ট!এতটাই বেশি স্পষ্ট যে,মাঝে মাঝে ভাবি তুমিও আমার কাছে এতটা স্পষ্ট নও।
তুমিহীন আমার দুঃখবোধগুলো এতটাই স্পষ্ট যে তোমাকে বড় আবছা লাগে।তখন তোমার মুখখানি হাজার চেষ্টা করেও মনে করতে পারিনা।
তোমাকে নিয়ে একটি সুখের স্মৃতি মনে করার জন্য আমি স্মৃতিভ্রষ্টের মত আমার মগজের নিউরনগুলো হাতরাতে থাকি।
প্রতিটিক্ষণ আমি রাত নামার জন্য অপেক্ষা করি।কারণ এই সময়টাতে আমি আমার কল্পনায়, আমার অনুভবে নিজের মত করে তোমাকে সুক্ষ্মরূপে পেতে পারি।আমাকে তখন নিউরোনের অলিতে গলিতে তোমাকে খুঁজতে হয়না।তুমি এমনিতেই এসে ধরা দাও।
তোমার স্পষ্ট অবয়ব আমি চোখ বন্ধ করেও দেখতে পাই,তোমার ঘ্রাণ আমি নাক বন্ধ করেও শুঁকতে পাই!রাত্রিগুলো পাড়ি দেয়া আমার জন্য খুব কঠিন কিছু না।তোমার দেয়া আঘাত কিংবা ভালোবাসার এক টুকরা স্মৃতিকে নিয়ে কয়েক হাজার রাত কাটানো কি কঠিন কিছু?
আচ্ছা,হরিণী
শাদা কাশফুলের ভেতর দিয়ে কখনো কি আমরা হাত ধরাধরি করে হেঁটেছিলাম?
তোমাকে খুউব মনে পড়ছে।সারাটি রাত ধরে আমি যে কেবল তোমাকেই ডেকেছি।তুমি কি একবারও শুনেছো?জীবনটা এত জটিল হবে কখনো বুঝিনি।কখনো বুঝিনি কোন এক ছোট্ট চাওয়া এতটা ভোগাবে।প্রচন্ড অস্থিরতায় কেবল তোমার মুখটিই সামনে ভাসে।
কেবল ভাবি একবার যদি তুমি আমার সামনে এসে দাঁড়িয়ে হাতটি ধরতে তবেই বোধহয় সকল অস্থিরতা আর কষ্টের অবসান হত।তুমি জানো তুমিহীন প্রতিটি সেকেন্ড আমি উপলব্ধি করতে পারি।একটি সেকেন্ডের পরে আরেকটি সেকেন্ড আসতে ঠিক কতগুলো
মুহুর্ত লাগে আমার চেয়ে’ ভালো কে জানে?সেকেন্ডের অন্তর্বতী মুহুর্তগুলোতেও আমি তোমাকে ডাকতে থাকি আর কেবল ভাবি “তুমি কি শুনছো?”তুমি কি শুনতে পাও?তোমার বুকের ভেতরটাও কি এমন করে কখনোই কেঁপে ওঠেনা?কখনোই কি তোমার হৃদয়ের কোন এক গলিতে কিছুটা রক্তক্ষরণ হয়না?তুমি একটিবারের জন্যও কি বুঝোনা?
তুমিহীন আমি কিছু ছাড়া ছাড়া আত্মা কাঁপানো দুঃস্বপ্ন ছাড়া র্যাপিড আই মুভমেন্টে কোন স্বপ্নও দেখিনা।এইতো সেইদিন দেখলাম আমি সিএনজির মধ্যে বাসের চাপায় পৃষ্ট হয়ে পড়ে আছি।তোমাকে ভেবে ভেবে কষ্ট পাওয়া ছাড়া আমি কিছুই পাই না।
তোমাকে ভাববো না ভাববো না ভেবেও তোমাকে ভেবেই আমার প্রহর শেষ হয়।আমি পাগলের মত করে তোমায় ভালোবেসে মরে যেতে থাকি।এ এক বিষাদময় অনুভূতি।ভীষণ একলা লাগে।
নির্জনতার ভিড়ে আমি আরো বেশি নির্জন হতে থাকি।কোন এক জটিল রোগের যন্ত্রণায় আমি কাতরাতে থাকি।মাঝেমাঝে এটা সেটা কত কিছু নিয়েই না তোমার সাথে গল্পে মেতে উঠি আমি।
এই যেমন ভরদুপুরে স্নান সেরে এসে টাওয়ালটা বারান্দায় রাখতে গিয়েই দৃষ্টি আঁটকে যায় একটা দোয়েল পাখির দিকে।আমি খুব করেই জানি এই দোয়েল পাখিটা তুমি!আমি কেমন আছি দেখতে চলে এসেছো!
এই সময়টায় আমি তোমাকে “তুই” বলে সম্বোধন করি।তোমাকে আমার বেশ আপন লাগে তখন!কি রে? কেমন আছিস? ভালো তো?এমন শুকিয়ে গেছিস কেন রে?দুপুরে এখনও খাওয়া হয়নি বুঝি?
তুই এমন ক্যান বলতো?আমাকে আর কত জ্বালাবি?কি ভেবেছিস?দোয়েল পাখি হয়ে এসেছিস বলে আমি তোকে চিনতে পারবো না?তোর গন্ধ আমি চিনতে পারবো না, না?”
এমন শত সহস্র ছেলেমানুষী কথায় আমার এক একটি প্রহর শেষ হয়।আমি তোমাকে ফোন করি না।আমি জানতেও চাইনা তুমি খেয়েছো কি না?শুধু বিড়বিড়িয়ে দোয়েল পাখিটাকে বলি “খেয়ে নিস, অনিয়ম করিস না।
অসুখ বাঁধালে কে দেখবে তোকে?” দোয়েল পাখিটা উড়ে চলে যায়।আমি তোমাকে জানতেও দেই না আমি মরে যাচ্ছি তোমাকে ছাড়া!
নাইবা জানলে তুমি!
ভালোবাসার মানে তো তুমি আমার চাইতে ঢের বেশি জানো!আমি বেশ আছি তোমাকে নিয়ে!!!
পৃথিবীর বুকে আমার চাইতে ভালো বোধ করি আর কেউ নেই।তুমি যেমন করে আমার সাথে আছো,পাশে থাকলেও এমন করে থাকা হতো না তোমার!এরচেয়ে তুমি দূরেই থাকো,অনেক দূরে!যেখানে আমার স্পর্শ পৌঁছায় না,
আমার দৃষ্টি পৌঁছায় না, আমার অশ্রু পৌঁছায় না!
শুধু ভালো থেকো!আগের মত এখন আর জানতে ইচ্ছে হয় না “তোমার আকাশেও কি আমার চাঁদটা উঠে কিনা?”
আমি এখন আর কিছুই জানতে চাই না।
আমি জানি আমার চাঁদটিই তোমার আকাশে এখনো ভাসমান।আমি এও জানি সেই চাঁদ দেখার সময় তোমার নেই।সময় নেই শুকতারাটিকে খুঁজার।তবু আমি রাতের পর রাত;দিনের পর দিন সীমাহীন অপেক্ষা করি।
আমার অপেক্ষার যে কোন বিরামচিহ্ন নেই।
ভীইইইইষণণণণণ!
কি করে এতটা কাল আমি তুমিহীন আছি?
হরিণীহীন প্রতিটিক্ষণের,প্রতিটি মুহুর্তের,প্রতিটি সেকেন্ডের হিসেব আমি জানি।প্রতিটি সেকেন্ডের অনুভূতি আমার কাছে স্পষ্ট!এতটাই বেশি স্পষ্ট যে,মাঝে মাঝে ভাবি তুমিও আমার কাছে এতটা স্পষ্ট নও।
তুমিহীন আমার দুঃখবোধগুলো এতটাই স্পষ্ট যে তোমাকে বড় আবছা লাগে।তখন তোমার মুখখানি হাজার চেষ্টা করেও মনে করতে পারিনা।
তোমাকে নিয়ে একটি সুখের স্মৃতি মনে করার জন্য আমি স্মৃতিভ্রষ্টের মত আমার মগজের নিউরনগুলো হাতরাতে থাকি।
প্রতিটিক্ষণ আমি রাত নামার জন্য অপেক্ষা করি।কারণ এই সময়টাতে আমি আমার কল্পনায়, আমার অনুভবে নিজের মত করে তোমাকে সুক্ষ্মরূপে পেতে পারি।আমাকে তখন নিউরোনের অলিতে গলিতে তোমাকে খুঁজতে হয়না।তুমি এমনিতেই এসে ধরা দাও।
তোমার স্পষ্ট অবয়ব আমি চোখ বন্ধ করেও দেখতে পাই,তোমার ঘ্রাণ আমি নাক বন্ধ করেও শুঁকতে পাই!রাত্রিগুলো পাড়ি দেয়া আমার জন্য খুব কঠিন কিছু না।তোমার দেয়া আঘাত কিংবা ভালোবাসার এক টুকরা স্মৃতিকে নিয়ে কয়েক হাজার রাত কাটানো কি কঠিন কিছু?
আচ্ছা,হরিণী
শাদা কাশফুলের ভেতর দিয়ে কখনো কি আমরা হাত ধরাধরি করে হেঁটেছিলাম?
তোমাকে খুউব মনে পড়ছে।সারাটি রাত ধরে আমি যে কেবল তোমাকেই ডেকেছি।তুমি কি একবারও শুনেছো?জীবনটা এত জটিল হবে কখনো বুঝিনি।কখনো বুঝিনি কোন এক ছোট্ট চাওয়া এতটা ভোগাবে।প্রচন্ড অস্থিরতায় কেবল তোমার মুখটিই সামনে ভাসে।
কেবল ভাবি একবার যদি তুমি আমার সামনে এসে দাঁড়িয়ে হাতটি ধরতে তবেই বোধহয় সকল অস্থিরতা আর কষ্টের অবসান হত।তুমি জানো তুমিহীন প্রতিটি সেকেন্ড আমি উপলব্ধি করতে পারি।একটি সেকেন্ডের পরে আরেকটি সেকেন্ড আসতে ঠিক কতগুলো
মুহুর্ত লাগে আমার চেয়ে’ ভালো কে জানে?সেকেন্ডের অন্তর্বতী মুহুর্তগুলোতেও আমি তোমাকে ডাকতে থাকি আর কেবল ভাবি “তুমি কি শুনছো?”তুমি কি শুনতে পাও?তোমার বুকের ভেতরটাও কি এমন করে কখনোই কেঁপে ওঠেনা?কখনোই কি তোমার হৃদয়ের কোন এক গলিতে কিছুটা রক্তক্ষরণ হয়না?তুমি একটিবারের জন্যও কি বুঝোনা?
তুমিহীন আমি কিছু ছাড়া ছাড়া আত্মা কাঁপানো দুঃস্বপ্ন ছাড়া র্যাপিড আই মুভমেন্টে কোন স্বপ্নও দেখিনা।এইতো সেইদিন দেখলাম আমি সিএনজির মধ্যে বাসের চাপায় পৃষ্ট হয়ে পড়ে আছি।তোমাকে ভেবে ভেবে কষ্ট পাওয়া ছাড়া আমি কিছুই পাই না।
তোমাকে ভাববো না ভাববো না ভেবেও তোমাকে ভেবেই আমার প্রহর শেষ হয়।আমি পাগলের মত করে তোমায় ভালোবেসে মরে যেতে থাকি।এ এক বিষাদময় অনুভূতি।ভীষণ একলা লাগে।
নির্জনতার ভিড়ে আমি আরো বেশি নির্জন হতে থাকি।কোন এক জটিল রোগের যন্ত্রণায় আমি কাতরাতে থাকি।মাঝেমাঝে এটা সেটা কত কিছু নিয়েই না তোমার সাথে গল্পে মেতে উঠি আমি।
এই যেমন ভরদুপুরে স্নান সেরে এসে টাওয়ালটা বারান্দায় রাখতে গিয়েই দৃষ্টি আঁটকে যায় একটা দোয়েল পাখির দিকে।আমি খুব করেই জানি এই দোয়েল পাখিটা তুমি!আমি কেমন আছি দেখতে চলে এসেছো!
এই সময়টায় আমি তোমাকে “তুই” বলে সম্বোধন করি।তোমাকে আমার বেশ আপন লাগে তখন!কি রে? কেমন আছিস? ভালো তো?এমন শুকিয়ে গেছিস কেন রে?দুপুরে এখনও খাওয়া হয়নি বুঝি?
তুই এমন ক্যান বলতো?আমাকে আর কত জ্বালাবি?কি ভেবেছিস?দোয়েল পাখি হয়ে এসেছিস বলে আমি তোকে চিনতে পারবো না?তোর গন্ধ আমি চিনতে পারবো না, না?”
এমন শত সহস্র ছেলেমানুষী কথায় আমার এক একটি প্রহর শেষ হয়।আমি তোমাকে ফোন করি না।আমি জানতেও চাইনা তুমি খেয়েছো কি না?শুধু বিড়বিড়িয়ে দোয়েল পাখিটাকে বলি “খেয়ে নিস, অনিয়ম করিস না।
অসুখ বাঁধালে কে দেখবে তোকে?” দোয়েল পাখিটা উড়ে চলে যায়।আমি তোমাকে জানতেও দেই না আমি মরে যাচ্ছি তোমাকে ছাড়া!
নাইবা জানলে তুমি!
ভালোবাসার মানে তো তুমি আমার চাইতে ঢের বেশি জানো!আমি বেশ আছি তোমাকে নিয়ে!!!
পৃথিবীর বুকে আমার চাইতে ভালো বোধ করি আর কেউ নেই।তুমি যেমন করে আমার সাথে আছো,পাশে থাকলেও এমন করে থাকা হতো না তোমার!এরচেয়ে তুমি দূরেই থাকো,অনেক দূরে!যেখানে আমার স্পর্শ পৌঁছায় না,
আমার দৃষ্টি পৌঁছায় না, আমার অশ্রু পৌঁছায় না!
শুধু ভালো থেকো!আগের মত এখন আর জানতে ইচ্ছে হয় না “তোমার আকাশেও কি আমার চাঁদটা উঠে কিনা?”
আমি এখন আর কিছুই জানতে চাই না।
আমি জানি আমার চাঁদটিই তোমার আকাশে এখনো ভাসমান।আমি এও জানি সেই চাঁদ দেখার সময় তোমার নেই।সময় নেই শুকতারাটিকে খুঁজার।তবু আমি রাতের পর রাত;দিনের পর দিন সীমাহীন অপেক্ষা করি।
আমার অপেক্ষার যে কোন বিরামচিহ্ন নেই।
কারো প্রায়োরিটি লিস্টে আপনি যত তাড়াতাড়ি উঠবেন
কারো প্রায়োরিটি লিস্টে আপনি যত তাড়াতাড়ি উঠবেন। ঠিক তত তাড়াতাড়ি সে আপনাকে ব্লক লিস্টে দিয়ে দেবে। এটাই তিক্ত সত্যি যে আমরা দ্রুত মানুষের খুব আপন হয়ে যাই। খুব কাছে চলে যাই।
কিন্তু দেখবেন সে মানুষটি আসলে আপনাকে কোন গুরুত্ব ই দেয় না। হোক আপনার প্রিয় মানুষ, কাছের বন্ধু, বেস্টি, কিংবা কাজিন।
yeah, he/she doesn't care about you. সে একটা সময় নিজেকে নিজেই ব্যস্ত হয়ে যাবে। like u mean nothing to that person.. but once you people call each other besti!! right?
আমাদের সমস্যাটা কি জানেন? আমরা যার কাছে যতটুক এক্সপেক্ট করা উচিত ততটুক এক্সপেক্ট করতে পারি না। আমরা আরো বেশি এক্সপেক্ট করে বসি।
মানুষটা যতটুক কাছের না, তার অনেক গুন কাছের ভেবে বসি। কিন্তু বাস্তবতা ভাবনা চিন্তা দিয়ে চলে না।
আপনার খারাপ সময়ে যে মানুষটা আপনার সামান্যতম কাছেও ছিলো, আপনি কি সত্যি সেই মানুষটার প্রায়োরিটি লিস্টে ছিলেন?
নাকি শুধুই u guys call each other besti?
কিন্তু দেখবেন সে মানুষটি আসলে আপনাকে কোন গুরুত্ব ই দেয় না। হোক আপনার প্রিয় মানুষ, কাছের বন্ধু, বেস্টি, কিংবা কাজিন।
yeah, he/she doesn't care about you. সে একটা সময় নিজেকে নিজেই ব্যস্ত হয়ে যাবে। like u mean nothing to that person.. but once you people call each other besti!! right?
আমাদের সমস্যাটা কি জানেন? আমরা যার কাছে যতটুক এক্সপেক্ট করা উচিত ততটুক এক্সপেক্ট করতে পারি না। আমরা আরো বেশি এক্সপেক্ট করে বসি।
মানুষটা যতটুক কাছের না, তার অনেক গুন কাছের ভেবে বসি। কিন্তু বাস্তবতা ভাবনা চিন্তা দিয়ে চলে না।
আপনার খারাপ সময়ে যে মানুষটা আপনার সামান্যতম কাছেও ছিলো, আপনি কি সত্যি সেই মানুষটার প্রায়োরিটি লিস্টে ছিলেন?
নাকি শুধুই u guys call each other besti?
বলেছিলে
বলেছিলে ...
পৃথিবী বদলে গেলেও বদলাবে না তুমি।
হুম ... ঠিক ই বলেছিলে।
তুমি সত্যি ই বদলাওনি শুধুমাত্র তোমার মনটা বদলে গেছে।
পৃথিবী বদলে গেলেও বদলাবে না তুমি।
হুম ... ঠিক ই বলেছিলে।
তুমি সত্যি ই বদলাওনি শুধুমাত্র তোমার মনটা বদলে গেছে।
তাহার নামের পাশের সবুজ বাতিটা এখনও জ্বলে।
তাহার নামের পাশের সবুজ বাতিটা এখনও জ্বলে।
তবে তা আমি দেখতে না পেলেও ।
অন্য কেউ ঠিকই দেখতে পায়।
ভালবাসাটা এমনই.........।
কেউ পায় , কেউবা হারায়। :)
তবে তা আমি দেখতে না পেলেও ।
অন্য কেউ ঠিকই দেখতে পায়।
ভালবাসাটা এমনই.........।
কেউ পায় , কেউবা হারায়। :)
তুমি যদি কিছুকে ভালোবাস,
ক’দিন যাবত
আমার নিজেকে ভীষণ বোকা বোকা লাগে।
আর মনে হয় আমি বোধহয় সাইকো হয়ে গেছি।
:
তুমি যদি কিছুকে ভালোবাস,
তবে তাকে মুক্ত করে দাও;যদি তা তোমার কাছে আসে তবে তা তোমার আর যদি না আসে তবে তা কোনদিন তোমার ছিল না।”
কথাটি শেক্সপিয়রের।আচ্ছা এই কথাটির মানে কী?জানি না।আমি এই কথাটির মানে জানি না।তবে কথাটিকে আমি অদ্ভূতভাবে বিশ্বাস করি।মাঝেমাঝে জীবনের ফেলে আসা দিনগুলোকে নিয়ে ভাবলে আপনাতেই মনটা ছোট হয়ে আসে। মনে হয় কি পেলাম জীবনে?
তবে ফেলে আসা দিনগুলো আমার সবসময়ই ভালো লাগে।আমার জীবনে ফেলে আসা সময়ের কেবলই পুনরাবৃত্তি হয়।বায়োষ্কোপের মতো।আমি বোধহয় পরিবর্তন সইতে পারিনা।নতুন পরিবেশ,নতুন অনুভূতি,আমাকে ভীত করে তুলে।
সময়ের চক্রের মাঝে ধুঁকে ধুঁকে বড় হওয়া আমার মাঝে মাঝে এক অস্থির অনুভূতি এনে দেয়।মাঝে মাঝে আমার চোখ ভিজে আসে কিছু না পাওয়ার আর্তিতে।আচ্ছা,ক’জন পারে আমার মত নিজের ভেতরের অতৃপ্তিকে ধরে রাখতে?
এই জগতের মাঝে আমি বেঁচে থাকি থাকতে হয় বলে।আমার নিজেকে নদীর স্রোতে ভেসে থাকা এক টুকরা পাতার মতই মনে হয়।জীবনটা অদ্ভূত।অদ্ভূত এই ঘোর।অদ্ভূত এই স্মৃতিকাতরতা।ভালোবাসা যে মানুষকে অসহায়ও করে তুলতে পারে আমার জানা ছিলো না।আমি হয়ত বাস্তববাদীদের মত অনেককিছু করার মতন নই।
আমি সবকিছুতে থেকেও নেই। আমি আসলে কোন মানুষের আপন হবার মতনও নই।অনেক মানুষের ভীড়ে নিজেকে একা আর অবাঞ্চিত মনে হবার অনুভূতিটা বড় হতচ্ছাড়া।
একবার মাথায় এলে আর যেতে চায় না।মাথার ভেতরে পিনপিন করে বাজতেই থাকে,”তুমি একা-তুমি একা!”খালি
মনে হয় কোথাও কিছু একটা গড়মিল আছে।জীবনটা ঠিক ট্র্যাকে নেই।এই যে আমার বেঁচে থেকেও হারিয়ে যাওয়া,এর জন্যে কি আমি দায়ী?কোন এক ভুলভাল চিঠির ফাঁদে পড়েছিলাম একদিন।
সেই ঘোরে আজ আমি সবহারা।আমার গোটা জীবনটা অনিশ্চয়তায় ভরা।আমি নিশ্চয়ই ভীষন বেহায়া।কারণ সারাদিন,ঘন্টায়-ঘন্টায় সেই ভীষন ভীষন স্পেশাল মানুষটার কথাই ভাবি।
স্পেশাল শব্দটার অন্তর্নিহিত অর্থ ব্যাখ্যা করে বোঝানোর সাধ্য আমার নেই।আমি শুধু জানি,এই মানুষটা আমার জন্য ভীষন জরুরী।আমি চাই বা না চাই এই মানুষটার সাথে আমার আগামী প্রতিটা দিন বাঁধা হয়ে গেছে।এই বাঁধা থেকে বের হবার মতো দৃঢ়তা বিধাতা আমায় দেন নি।
সময়ে-অসময়ে বুকের বামপাশটায় আড়াআড়ি পোঁচ দেয়ার তীব্র জ্বালা অনুভব করি।আমিই কেবল জানি প্রতিটা সকাল-রাত কতটা তীব্রভাবে আমি এই জ্বালা অনুভব করছি।হয়ত চুপ করেই হারিয়ে যাবো কোন একদিন।
খোদা আমাকে একটু শান্তি দাও,প্লিজ!
আমি তো আর সহ্য করতে পারি না
আমার নিজেকে ভীষণ বোকা বোকা লাগে।
আর মনে হয় আমি বোধহয় সাইকো হয়ে গেছি।
:
তুমি যদি কিছুকে ভালোবাস,
তবে তাকে মুক্ত করে দাও;যদি তা তোমার কাছে আসে তবে তা তোমার আর যদি না আসে তবে তা কোনদিন তোমার ছিল না।”
কথাটি শেক্সপিয়রের।আচ্ছা এই কথাটির মানে কী?জানি না।আমি এই কথাটির মানে জানি না।তবে কথাটিকে আমি অদ্ভূতভাবে বিশ্বাস করি।মাঝেমাঝে জীবনের ফেলে আসা দিনগুলোকে নিয়ে ভাবলে আপনাতেই মনটা ছোট হয়ে আসে। মনে হয় কি পেলাম জীবনে?
তবে ফেলে আসা দিনগুলো আমার সবসময়ই ভালো লাগে।আমার জীবনে ফেলে আসা সময়ের কেবলই পুনরাবৃত্তি হয়।বায়োষ্কোপের মতো।আমি বোধহয় পরিবর্তন সইতে পারিনা।নতুন পরিবেশ,নতুন অনুভূতি,আমাকে ভীত করে তুলে।
সময়ের চক্রের মাঝে ধুঁকে ধুঁকে বড় হওয়া আমার মাঝে মাঝে এক অস্থির অনুভূতি এনে দেয়।মাঝে মাঝে আমার চোখ ভিজে আসে কিছু না পাওয়ার আর্তিতে।আচ্ছা,ক’জন পারে আমার মত নিজের ভেতরের অতৃপ্তিকে ধরে রাখতে?
এই জগতের মাঝে আমি বেঁচে থাকি থাকতে হয় বলে।আমার নিজেকে নদীর স্রোতে ভেসে থাকা এক টুকরা পাতার মতই মনে হয়।জীবনটা অদ্ভূত।অদ্ভূত এই ঘোর।অদ্ভূত এই স্মৃতিকাতরতা।ভালোবাসা যে মানুষকে অসহায়ও করে তুলতে পারে আমার জানা ছিলো না।আমি হয়ত বাস্তববাদীদের মত অনেককিছু করার মতন নই।
আমি সবকিছুতে থেকেও নেই। আমি আসলে কোন মানুষের আপন হবার মতনও নই।অনেক মানুষের ভীড়ে নিজেকে একা আর অবাঞ্চিত মনে হবার অনুভূতিটা বড় হতচ্ছাড়া।
একবার মাথায় এলে আর যেতে চায় না।মাথার ভেতরে পিনপিন করে বাজতেই থাকে,”তুমি একা-তুমি একা!”খালি
মনে হয় কোথাও কিছু একটা গড়মিল আছে।জীবনটা ঠিক ট্র্যাকে নেই।এই যে আমার বেঁচে থেকেও হারিয়ে যাওয়া,এর জন্যে কি আমি দায়ী?কোন এক ভুলভাল চিঠির ফাঁদে পড়েছিলাম একদিন।
সেই ঘোরে আজ আমি সবহারা।আমার গোটা জীবনটা অনিশ্চয়তায় ভরা।আমি নিশ্চয়ই ভীষন বেহায়া।কারণ সারাদিন,ঘন্টায়-ঘন্টায় সেই ভীষন ভীষন স্পেশাল মানুষটার কথাই ভাবি।
স্পেশাল শব্দটার অন্তর্নিহিত অর্থ ব্যাখ্যা করে বোঝানোর সাধ্য আমার নেই।আমি শুধু জানি,এই মানুষটা আমার জন্য ভীষন জরুরী।আমি চাই বা না চাই এই মানুষটার সাথে আমার আগামী প্রতিটা দিন বাঁধা হয়ে গেছে।এই বাঁধা থেকে বের হবার মতো দৃঢ়তা বিধাতা আমায় দেন নি।
সময়ে-অসময়ে বুকের বামপাশটায় আড়াআড়ি পোঁচ দেয়ার তীব্র জ্বালা অনুভব করি।আমিই কেবল জানি প্রতিটা সকাল-রাত কতটা তীব্রভাবে আমি এই জ্বালা অনুভব করছি।হয়ত চুপ করেই হারিয়ে যাবো কোন একদিন।
খোদা আমাকে একটু শান্তি দাও,প্লিজ!
আমি তো আর সহ্য করতে পারি না
জীবনে যাকে আঁকড়ে ধরে থাকতে চেয়েছি
জীবনে যাকে আঁকড়ে ধরে থাকতে চেয়েছি
তীব্রতম ধাক্কাটা সেখানেই খেয়েছি।
আমার স্মৃতিতে কিছু জিনিস এত গভীরে দাগ কেটে গেছে যে তা কখনই
মুছে যাবে না।
আমি কোনদিন ভাবিনি আমার মন এখনকার মতন হবে।
ইদানিং একটা কথাই মনে হয়,সম্ভবত এই পৃথিবীর কিছুতেই আর আমার আকর্ষণ হবেনা।
আমার আর কিছুই ভালো লাগেনা।
এই জীবনকে নিয়ে আমার কত আয়োজন ছিলো!
অথচ,এখন আমার জীবনজুড়ে এক অদ্ভূত শূণ্যতা।
ফিরে তাকালে এই আমার সাথে মেলাতেই পারিনা!
যোজন-যোজন পার্থক্য এই দুই মানুষে!আমার কাছে আশা করা নির্বোধের কাজ।
পৃথিবীতে সবচাইতে সুখী সেই যার জীবনে আশা বলে কিছু নেই।
কারণ কোন জিনিস আশা করার পর পেলেও পাওয়াটা হয় খুব কালেভদ্রে।আমার অস্তিত্বের ৯৯ ভাগ কাঠামোই কেন যেন ম্লান হয়ে গেছে।
আমি জানি,আমার আত্মা মৃতপ্রায়।আমার ভিতরে সেই ভালোবাসা আর নাড়া দেয়না।
আমি তো অপদার্থ।
বহুদিন আমি জীবনটার কোন মানে খুঁজে পাই না।সময় বয়ে চলে।আমার জীবন কখনো কখনো আর বয়ে চলতে চায়না।
হয়ত চায়,আমি টের পাইনা।আমি হাল ছেড়ে দিতে চাই।আমার সবকিছু থেকে মুক্তি পেতে ইচ্ছে করে।
এই জীবনে আমি অস্থিরতা ছাড়া আর কিছু পাইনা।সবকিছুতে থেকেও না থাকার একটা অনুভূতি।আজকাল আমার বুকের ভেতর কেমন যেন আড়ষ্ট ভয় করে।আমি গুটিয়ে আসছি।
মানুষের সাথে যোগাযোগ কমে আসছে।
রাত বাড়ছে ...।
সব কিছু গোল্লায় যাক তাতে আমার কি ?
রাত্রি জাগা এখন অভ্যাস হয়ে গেছে...
ঘড়ির কাটা ঘুরছে...
কানে হেডফোন ...
প্রিয় মানুষের প্রিয় গানটা বাজছে ...।
:
“তোমার জন্য নীলছে তারার একটুখানি আলো,
ভোরের রঙ রাতে মিশে কালো।
কাঠগোলাপের সাদার মায়ায় মিশিয়ে দিয়ে ভাবি।
আবছা নীল তোমার লাগে ভালো…
ভাবনা আমার শিমুল ডালে লালচে আগুণ জ্বালে,
মহুয়ার বনে মাতাল হাওয়া খেলে…
তীব্রতম ধাক্কাটা সেখানেই খেয়েছি।
আমার স্মৃতিতে কিছু জিনিস এত গভীরে দাগ কেটে গেছে যে তা কখনই
মুছে যাবে না।
আমি কোনদিন ভাবিনি আমার মন এখনকার মতন হবে।
ইদানিং একটা কথাই মনে হয়,সম্ভবত এই পৃথিবীর কিছুতেই আর আমার আকর্ষণ হবেনা।
আমার আর কিছুই ভালো লাগেনা।
এই জীবনকে নিয়ে আমার কত আয়োজন ছিলো!
অথচ,এখন আমার জীবনজুড়ে এক অদ্ভূত শূণ্যতা।
ফিরে তাকালে এই আমার সাথে মেলাতেই পারিনা!
যোজন-যোজন পার্থক্য এই দুই মানুষে!আমার কাছে আশা করা নির্বোধের কাজ।
পৃথিবীতে সবচাইতে সুখী সেই যার জীবনে আশা বলে কিছু নেই।
কারণ কোন জিনিস আশা করার পর পেলেও পাওয়াটা হয় খুব কালেভদ্রে।আমার অস্তিত্বের ৯৯ ভাগ কাঠামোই কেন যেন ম্লান হয়ে গেছে।
আমি জানি,আমার আত্মা মৃতপ্রায়।আমার ভিতরে সেই ভালোবাসা আর নাড়া দেয়না।
আমি তো অপদার্থ।
বহুদিন আমি জীবনটার কোন মানে খুঁজে পাই না।সময় বয়ে চলে।আমার জীবন কখনো কখনো আর বয়ে চলতে চায়না।
হয়ত চায়,আমি টের পাইনা।আমি হাল ছেড়ে দিতে চাই।আমার সবকিছু থেকে মুক্তি পেতে ইচ্ছে করে।
এই জীবনে আমি অস্থিরতা ছাড়া আর কিছু পাইনা।সবকিছুতে থেকেও না থাকার একটা অনুভূতি।আজকাল আমার বুকের ভেতর কেমন যেন আড়ষ্ট ভয় করে।আমি গুটিয়ে আসছি।
মানুষের সাথে যোগাযোগ কমে আসছে।
রাত বাড়ছে ...।
সব কিছু গোল্লায় যাক তাতে আমার কি ?
রাত্রি জাগা এখন অভ্যাস হয়ে গেছে...
ঘড়ির কাটা ঘুরছে...
কানে হেডফোন ...
প্রিয় মানুষের প্রিয় গানটা বাজছে ...।
:
“তোমার জন্য নীলছে তারার একটুখানি আলো,
ভোরের রঙ রাতে মিশে কালো।
কাঠগোলাপের সাদার মায়ায় মিশিয়ে দিয়ে ভাবি।
আবছা নীল তোমার লাগে ভালো…
ভাবনা আমার শিমুল ডালে লালচে আগুণ জ্বালে,
মহুয়ার বনে মাতাল হাওয়া খেলে…
একদিন অনেক অপরিচিত মানুষটাই কিভাবে করে যেনো পরিচিত হয়ে যায় চোখের পলকেই।
একদিন অনেক অপরিচিত মানুষটাই কিভাবে করে যেনো পরিচিত হয়ে যায় চোখের পলকেই। কয়েকদিন কথা বলার পরে মানুষটাকে কেমন যেনো খুব চেনা জানা মনে হয়। মনে হয় এই মানুষটাকেই, ঠিক এই মানুষটাকেই মনে মনে এতোদিন খুজছিলাম। এমন একজন কে এতো দিন কাছে চেয়েছিলাম।
অল্প চেনাজানা মানুষটাই তখন অনেক জানাশোনা একজন হয়ে যায় আমাদের জীবনে। তাকে কিছু না বলে করতেও নিজের মধ্যে একটা সংকোচ কাজ করে। মানুষটাকে কিছু না বললে নিজেকে অপরাধী মনে হয় না। মনে হয়, এতো খুঁজে তাকে পেলাম। তাকে কিভাবে এতো সহজে হারাতে দেই? তাকে কথাটা বলতেই হবে।
অল্প পরিচয়ের সেই মানুষটা আর অপরিচিত থাকে না। আস্তে আস্তে আমাদের জীবনের গল্পের একটা একটা শব্দ হয়ে, একটা লাইন হয়ে উঠে।
প্রথম প্রথম, "আপনাকে বলতে হবে কেনো!!" কথা গুলোই পরে, "এই তুমি আসবে না" হয়ে যায়।
"ছবি চাচ্ছেন কেনো!!" কথাটাই হয়ে যায়, "তোমার একটা ছবি দিবে? অনেক দিন দেখি না তোমাকে"
একেকটা লাইন একেকটা লাইন নয় তখন। একেকটা লাইন পুরো একটা বাক্যের ভালোবাসা তখন। অথচ মুখ ফুটে বলে না কেউ। বলতে গেলেই একটা ভয় কাজ করে। মানুষটা কি আমাকে সেভাবে ভাবে যেভাবে আমি তাকে ভাবি। এই ভয় থেকে পিছিয়ে আসে অনেকেই।
অনেক সাহসী মানুষ ও শুধু একটা বাক্য পুরোপুরি বলতে না পারায় হারিয়ে ফেলে অনেক পরিচিত কাউকে। কি অদ্ভুত তাই না?
জগতে যারাই সাহস করে লাইন গুলোকে বাক্য করতে পেরেছে তারাই অচেনা অজানা অপরিচিত মানুষটাকে একটা গদ্য, কবিতা, উপন্যাস করে গেছে। কিছু গল্প তখন পড়তেই ভালো লাগে। আর মনে চিন্তা আসে,
"আমার ও এমন একজন হবে একদিন" সত্যি কি হবে? হবে ত?
banna vai
অল্প চেনাজানা মানুষটাই তখন অনেক জানাশোনা একজন হয়ে যায় আমাদের জীবনে। তাকে কিছু না বলে করতেও নিজের মধ্যে একটা সংকোচ কাজ করে। মানুষটাকে কিছু না বললে নিজেকে অপরাধী মনে হয় না। মনে হয়, এতো খুঁজে তাকে পেলাম। তাকে কিভাবে এতো সহজে হারাতে দেই? তাকে কথাটা বলতেই হবে।
অল্প পরিচয়ের সেই মানুষটা আর অপরিচিত থাকে না। আস্তে আস্তে আমাদের জীবনের গল্পের একটা একটা শব্দ হয়ে, একটা লাইন হয়ে উঠে।
প্রথম প্রথম, "আপনাকে বলতে হবে কেনো!!" কথা গুলোই পরে, "এই তুমি আসবে না" হয়ে যায়।
"ছবি চাচ্ছেন কেনো!!" কথাটাই হয়ে যায়, "তোমার একটা ছবি দিবে? অনেক দিন দেখি না তোমাকে"
একেকটা লাইন একেকটা লাইন নয় তখন। একেকটা লাইন পুরো একটা বাক্যের ভালোবাসা তখন। অথচ মুখ ফুটে বলে না কেউ। বলতে গেলেই একটা ভয় কাজ করে। মানুষটা কি আমাকে সেভাবে ভাবে যেভাবে আমি তাকে ভাবি। এই ভয় থেকে পিছিয়ে আসে অনেকেই।
অনেক সাহসী মানুষ ও শুধু একটা বাক্য পুরোপুরি বলতে না পারায় হারিয়ে ফেলে অনেক পরিচিত কাউকে। কি অদ্ভুত তাই না?
জগতে যারাই সাহস করে লাইন গুলোকে বাক্য করতে পেরেছে তারাই অচেনা অজানা অপরিচিত মানুষটাকে একটা গদ্য, কবিতা, উপন্যাস করে গেছে। কিছু গল্প তখন পড়তেই ভালো লাগে। আর মনে চিন্তা আসে,
"আমার ও এমন একজন হবে একদিন" সত্যি কি হবে? হবে ত?
banna vai
ফেসবুকের প্রতিটা নর নারীর প্রতিটা পোষ্টই কাউকে না কাউকে ডেডিকেট করেই লেখা হয়
"ফেসবুকের
প্রতিটা নর নারীর প্রতিটা পোষ্টই কাউকে না কাউকে
ডেডিকেট করেই লেখা হয়।তবে
সবথেকে সাংঘাতিক ব্যাপারটা হল।
সেই পোষ্টটা সবাই দেখতে পায়
শুধুমাত্র ডেডিকেটেট মানুষটা ছাড়া।
#kolpobazz"
প্রতিটা নর নারীর প্রতিটা পোষ্টই কাউকে না কাউকে
ডেডিকেট করেই লেখা হয়।তবে
সবথেকে সাংঘাতিক ব্যাপারটা হল।
সেই পোষ্টটা সবাই দেখতে পায়
শুধুমাত্র ডেডিকেটেট মানুষটা ছাড়া।
#kolpobazz"
ডিভোর্সি মেয়েকে বিয়া করা কোন পাপ নয়।এমন কাউকে বিয়ে করা অনেক ভাগ্যের ব্যাপার।
ডিভোর্সি মেয়েকে বিয়া করা কোন পাপ নয়।এমন কাউকে বিয়ে করা অনেক ভাগ্যের ব্যাপার।
এদের কেউ ভালোবসতে বা বিয়ে করতে চায় না কেন জানেন কেননা "ডিভোর্স " হওয়া মেয়েদেরকে আমরা এবং আমাদের সমাজ এ সবাই "এক দৃষ্টি-ভঙ্গী" তে দেখি।আর বলি যে সে কুলক্ষী।কিন্তু তাকে কি বিয়ে করা যাবেনা?সে কি সংসার জীবনটা বুঝে না?তার ছেলে বা মেয়ে আছে বলে তাকে বিয়ে করা যাবে না?আরে ভাই হউক সন্তান অন্য কারো উপায়ে হইছে তাই বলে কি সে বাবা শব্দটা উচ্চারণ করতে পারবে না?মেয়েটি কি আর স্বামীর ভালোবাসা পাবে না?
★সবার ত সে একটাই কথা:-
"মেয়েটা কুমারী নয়"!!
আজিব কথা কুমারী হওয়াটাকি খুব প্রয়োজন?
সে কি আপনাকে অন্য মেয়ের মত সুখে রাখতে পারবে না?
যারা কষ্ট পায় আমার মনে হয় তাদের মত সুখে আপনাকে কেউ রাখতে পারবে না।তারা অভিশাপ নয়।তাদের ও আমাদের মত ভালোবাসা পাওয়ার ইচ্ছে আছে।আমাদের প্রয়োজন কুমারীত্ব না খুজে ভালোবাসা খুঁজা।বাবা হওয়ার আগে বাবা ডাক শুনা খারাপ কিছু না এর মত ভাগ্য সবার হয় না।
★বেশির ভাগ মেয়ের ডিভোর্স ' হয় কেন জানেন?
বিয়ে হওয়ার পর বিভিন কারণে শ্বশুর বাড়ির লোকেরা মেয়েটিকে পছন্দ করে না,ছেলে বাচ্চার জন্য চাপ দেয়,বাড়ী থেকে টাকা আনার জন্য চাপ দেয়।ঠিক এরপর থেকে ''মেয়েটা একটু এমন" "একটু তেমন" "এইটা করে" "ওইটা করে'' হ্যান-ত্যান নানা রকম বাক্যে "মেয়েটাকে বিশ্লেষণ" করা হয় প্রতিনিয়িত!আর সমাজের কাছে সত্যি খারাপ হয়ে যায়।
★"ডিভোর্স '' দিয়ে ছেলেটা আরেকটা বিয়ে করে নিলো, আর মেয়েটা হয়ে গেলো খারাপ।কেননা সবাই বলে হয়ত মেয়েটা ভালো ছিল না তাই হয়ত ছেলেটা বিয়ে করছে।কিন্তু এটা জানার চেষ্টা করে না যে হয়ত পরিবারের ইচ্ছাগুলো মানতে গিয়ে মেয়েটার এই উপাধি পেতে হল।
★"সদ্য বিধবা মেয়েটার স্বামী মারা" গেছে, আর "মেয়েটা হয়ে গেলো খারাপ"!! কেননা মেয়েটা হয়ত কুলক্ষী ছিল তাই স্বামী মারা গেছে।কিন্তু আমরা এটা বুঝি না যে বাচা মরা সব আল্লাহর হাতে।এতে কারো হাত নেয়।তাহলে সে কুলক্ষী হয় কেমনে??
★এই কাজগুলো কি সে নিজ থেকে করছে?একি হাতে তালি বাজে না।সে এমন হয়ত এমন কষ্টে ছিল যে তার এটা ছাড়া উপায় ছিল না।কেউ নিজ থেকে এই অভিশাপ বয়ে বেড়াতে চায় না।
এখানে তার পরিবার এবং ছেলের পরিবার জড়িত ছিলো!
★একই কাজ করে শুধু মেয়েদের বদনাম হয়, আর কি এমন কাজ করলে ছেলেদের নামেও বদনাম হবে বলতে পারেন কি?
বিঃদ্রঃ- অনেকেই হয়তো বলবেন এগুলো গল্পে বলা যায় এবং লিখা যায়, আমি বলবো না এমন কিছু সত্যিকারের সচ্ছ,সৎ,ত্যাগী,নির্লোভী মানুষ এখনো সমাজে আছে, তাই এই সমাজ এখনো টিকে রয়েছে।আমারো ইচ্ছে আছে এতিম/অসহায়/ডিভোর্সি অথবা ভালবেসে যে তার সর্বশ বিলিয়ে দিয়েছে এবং যে খুব ডিপ্রেশন নিয়ে থাকে তাদের মধ্যে কাউকে বিয়ে করার। ধন্যবাদ।
post: Collected
এদের কেউ ভালোবসতে বা বিয়ে করতে চায় না কেন জানেন কেননা "ডিভোর্স " হওয়া মেয়েদেরকে আমরা এবং আমাদের সমাজ এ সবাই "এক দৃষ্টি-ভঙ্গী" তে দেখি।আর বলি যে সে কুলক্ষী।কিন্তু তাকে কি বিয়ে করা যাবেনা?সে কি সংসার জীবনটা বুঝে না?তার ছেলে বা মেয়ে আছে বলে তাকে বিয়ে করা যাবে না?আরে ভাই হউক সন্তান অন্য কারো উপায়ে হইছে তাই বলে কি সে বাবা শব্দটা উচ্চারণ করতে পারবে না?মেয়েটি কি আর স্বামীর ভালোবাসা পাবে না?
★সবার ত সে একটাই কথা:-
"মেয়েটা কুমারী নয়"!!
আজিব কথা কুমারী হওয়াটাকি খুব প্রয়োজন?
সে কি আপনাকে অন্য মেয়ের মত সুখে রাখতে পারবে না?
যারা কষ্ট পায় আমার মনে হয় তাদের মত সুখে আপনাকে কেউ রাখতে পারবে না।তারা অভিশাপ নয়।তাদের ও আমাদের মত ভালোবাসা পাওয়ার ইচ্ছে আছে।আমাদের প্রয়োজন কুমারীত্ব না খুজে ভালোবাসা খুঁজা।বাবা হওয়ার আগে বাবা ডাক শুনা খারাপ কিছু না এর মত ভাগ্য সবার হয় না।
★বেশির ভাগ মেয়ের ডিভোর্স ' হয় কেন জানেন?
বিয়ে হওয়ার পর বিভিন কারণে শ্বশুর বাড়ির লোকেরা মেয়েটিকে পছন্দ করে না,ছেলে বাচ্চার জন্য চাপ দেয়,বাড়ী থেকে টাকা আনার জন্য চাপ দেয়।ঠিক এরপর থেকে ''মেয়েটা একটু এমন" "একটু তেমন" "এইটা করে" "ওইটা করে'' হ্যান-ত্যান নানা রকম বাক্যে "মেয়েটাকে বিশ্লেষণ" করা হয় প্রতিনিয়িত!আর সমাজের কাছে সত্যি খারাপ হয়ে যায়।
★"ডিভোর্স '' দিয়ে ছেলেটা আরেকটা বিয়ে করে নিলো, আর মেয়েটা হয়ে গেলো খারাপ।কেননা সবাই বলে হয়ত মেয়েটা ভালো ছিল না তাই হয়ত ছেলেটা বিয়ে করছে।কিন্তু এটা জানার চেষ্টা করে না যে হয়ত পরিবারের ইচ্ছাগুলো মানতে গিয়ে মেয়েটার এই উপাধি পেতে হল।
★"সদ্য বিধবা মেয়েটার স্বামী মারা" গেছে, আর "মেয়েটা হয়ে গেলো খারাপ"!! কেননা মেয়েটা হয়ত কুলক্ষী ছিল তাই স্বামী মারা গেছে।কিন্তু আমরা এটা বুঝি না যে বাচা মরা সব আল্লাহর হাতে।এতে কারো হাত নেয়।তাহলে সে কুলক্ষী হয় কেমনে??
★এই কাজগুলো কি সে নিজ থেকে করছে?একি হাতে তালি বাজে না।সে এমন হয়ত এমন কষ্টে ছিল যে তার এটা ছাড়া উপায় ছিল না।কেউ নিজ থেকে এই অভিশাপ বয়ে বেড়াতে চায় না।
এখানে তার পরিবার এবং ছেলের পরিবার জড়িত ছিলো!
★একই কাজ করে শুধু মেয়েদের বদনাম হয়, আর কি এমন কাজ করলে ছেলেদের নামেও বদনাম হবে বলতে পারেন কি?
বিঃদ্রঃ- অনেকেই হয়তো বলবেন এগুলো গল্পে বলা যায় এবং লিখা যায়, আমি বলবো না এমন কিছু সত্যিকারের সচ্ছ,সৎ,ত্যাগী,নির্লোভী মানুষ এখনো সমাজে আছে, তাই এই সমাজ এখনো টিকে রয়েছে।আমারো ইচ্ছে আছে এতিম/অসহায়/ডিভোর্সি অথবা ভালবেসে যে তার সর্বশ বিলিয়ে দিয়েছে এবং যে খুব ডিপ্রেশন নিয়ে থাকে তাদের মধ্যে কাউকে বিয়ে করার। ধন্যবাদ।
post: Collected
মাঝে মাঝে বেশি এক্সপেক্টেশান আমার কাছে পেইনফুল মনে হয়।
মাঝে মাঝে বেশি এক্সপেক্টেশান
আমার কাছে পেইনফুল মনে হয়।ইদানিং নিজের ভিতর কি রকম একটা অতৃপ্তি বিরাজ করে।
অতৃপ্ত অনুভূতি।এই অতৃপ্ত অনুভূতি আমার পিছু ছাড়ে না।
নিজের ভিতর সব উলট পালট করে দেয়।দম বন্ধ হয়ে আসতে চায়।এক ধরনের চাপা কষ্ট কাজ করে।
অদ্ভুত অদৃশ্য এক যন্ত্রণা আমাকে গ্রাস করে।নিজেকে আড়াল করার চেষ্টা চালাই।নিশ্চুপ ভাবে এই ধকল সহ্য করে নিই।
কাউকে বলা যায় না সে অতৃপ্ত রহস্যময় অনুভূতির কথা।কাউকে সেটা বলে বুঝানো যায় না।এই সব অমীমাংসিত বিষয়ে নিজেকে জড়িয়ে নিজেই বিলীন হওয়ার উপক্রম।ভালো লাগছে না কিছুই…
খুব বাজে একটা সময় যাচ্ছে আমার…
সব কিছুতেই নিজেকে ব্যর্থ মনে হয়…
মাঝে মাঝে আকাশ কুসুম ভাবি।অসম্ভব কে সম্ভবপর ভেবে একধরনের রহস্যময় অসম্পূর্ণ ভালো লাগা বোধ অনুভব করি।
আবার পরক্ষনে খুব খারাপ লাগে কারণ তা অসম্পূর্ণ ও অবাস্তব।এই সব ভাবনা গুলো এত বেশী আবেগ তাড়িত যা আমাকে সব নিয়মনীতির ঊর্ধ্বে নিয়ে যায়।সে আমার সমস্ত শিরা উপশিরাকে ভালবাসার আত্মিক বাধনে বেঁধে রেখেছিল।
তার দূরে সরে যাওয়াটা আমার কাছে অনেকটা শিরা ধমনী ছিড়ে যাওয়ার মতই হয়েছে।জানি অর্থহীন আমার জীবন,অর্থহীন আমার দীর্ঘশ্বাস।
আজকাল কোন স্বপ্নই আমায় আর স্পর্শ করেনা!চোখ বন্ধ করে কিছু পেতে ইচ্ছে করেনা!
আচ্ছা,শুধু কি আমিই এত অসহায়?
হয়ত একদিন মানুষ হবো,একজন সত্যিকার মানুষ।
আমার কাছে পেইনফুল মনে হয়।ইদানিং নিজের ভিতর কি রকম একটা অতৃপ্তি বিরাজ করে।
অতৃপ্ত অনুভূতি।এই অতৃপ্ত অনুভূতি আমার পিছু ছাড়ে না।
নিজের ভিতর সব উলট পালট করে দেয়।দম বন্ধ হয়ে আসতে চায়।এক ধরনের চাপা কষ্ট কাজ করে।
অদ্ভুত অদৃশ্য এক যন্ত্রণা আমাকে গ্রাস করে।নিজেকে আড়াল করার চেষ্টা চালাই।নিশ্চুপ ভাবে এই ধকল সহ্য করে নিই।
কাউকে বলা যায় না সে অতৃপ্ত রহস্যময় অনুভূতির কথা।কাউকে সেটা বলে বুঝানো যায় না।এই সব অমীমাংসিত বিষয়ে নিজেকে জড়িয়ে নিজেই বিলীন হওয়ার উপক্রম।ভালো লাগছে না কিছুই…
খুব বাজে একটা সময় যাচ্ছে আমার…
সব কিছুতেই নিজেকে ব্যর্থ মনে হয়…
মাঝে মাঝে আকাশ কুসুম ভাবি।অসম্ভব কে সম্ভবপর ভেবে একধরনের রহস্যময় অসম্পূর্ণ ভালো লাগা বোধ অনুভব করি।
আবার পরক্ষনে খুব খারাপ লাগে কারণ তা অসম্পূর্ণ ও অবাস্তব।এই সব ভাবনা গুলো এত বেশী আবেগ তাড়িত যা আমাকে সব নিয়মনীতির ঊর্ধ্বে নিয়ে যায়।সে আমার সমস্ত শিরা উপশিরাকে ভালবাসার আত্মিক বাধনে বেঁধে রেখেছিল।
তার দূরে সরে যাওয়াটা আমার কাছে অনেকটা শিরা ধমনী ছিড়ে যাওয়ার মতই হয়েছে।জানি অর্থহীন আমার জীবন,অর্থহীন আমার দীর্ঘশ্বাস।
আজকাল কোন স্বপ্নই আমায় আর স্পর্শ করেনা!চোখ বন্ধ করে কিছু পেতে ইচ্ছে করেনা!
আচ্ছা,শুধু কি আমিই এত অসহায়?
হয়ত একদিন মানুষ হবো,একজন সত্যিকার মানুষ।
ফেসবুকে কিছু কিছু স্ট্যাটাস
ফেসবুকে কিছু কিছু স্ট্যাটাস
শুধু একজনকে" দেখানোর জন্যে দেওয়া হয় !
ফেসবুকে কিছু কিছু মানুষ আসে
শুধু একজনের" স্ট্যাটাস আপডেট পড়ার জন্যে !
ফেসবুকে কিছু কিছু মানুষ আসে,
শুধু "একজনের" সাথে চ্যাটিং করার জন্যে !
ফেসবুকে কিছু কিছু মানুষ
শুধু "একজনকে" উদ্দেশ্য করেই ছবি আপলোড দেয় !! .
ফেসবুকে কিছু কিছু মানুষ
শুধু "একজনের" পোস্টেই লাইক কমেন্ট দেয় !
কেউ কেউ "একজনের" একটা "ম্যাসেজের" জন্যে
ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করে ।
ফেসবুকে কেউ কেউ "একজন" কে ম্যাসেজ করতে
হাজারবার চেষ্টা করে,,
আবার হাজার বার ট্যাব কেটে দেয়,,
মনের দোলাচালে আর লেখা হয় না,
আবার কেউ কেউ ফেসবুকে আসে শুধু ঐ "একজন"কে খোঁজার জন্যেই !! "
আজব মানুষ । আজব আমি ।।আজব তুমি ।। আজব দুনিয়া ।
#rpst
শুধু একজনকে" দেখানোর জন্যে দেওয়া হয় !
ফেসবুকে কিছু কিছু মানুষ আসে
শুধু একজনের" স্ট্যাটাস আপডেট পড়ার জন্যে !
ফেসবুকে কিছু কিছু মানুষ আসে,
শুধু "একজনের" সাথে চ্যাটিং করার জন্যে !
ফেসবুকে কিছু কিছু মানুষ
শুধু "একজনকে" উদ্দেশ্য করেই ছবি আপলোড দেয় !! .
ফেসবুকে কিছু কিছু মানুষ
শুধু "একজনের" পোস্টেই লাইক কমেন্ট দেয় !
কেউ কেউ "একজনের" একটা "ম্যাসেজের" জন্যে
ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করে ।
ফেসবুকে কেউ কেউ "একজন" কে ম্যাসেজ করতে
হাজারবার চেষ্টা করে,,
আবার হাজার বার ট্যাব কেটে দেয়,,
মনের দোলাচালে আর লেখা হয় না,
আবার কেউ কেউ ফেসবুকে আসে শুধু ঐ "একজন"কে খোঁজার জন্যেই !! "
আজব মানুষ । আজব আমি ।।আজব তুমি ।। আজব দুনিয়া ।
#rpst
আমার জীবনে কোন বিশেষ দিন নেই। আমার কাছে প্রতিটি দিনই সাধারণ।
আমার জীবনে কোন বিশেষ দিন নেই।
আমার কাছে প্রতিটি দিনই সাধারণ।
আমার জন্য প্রতিটি দিন একই বার্তা নিয়ে আসে।সেই একঘেয়ে একাকী জীবন।কখনো কখনো মনে হয় মানুষ না হয়ে ফুল হলে ভালো হতো।
একটা দিন অপূর্ব সুবাস ছড়িয়ে মানুষকে মুগ্ধ করে দেওয়া যেতো।
তারপর আরেকটা
দিনের ভোরের আলো ফোঁটার আগেই হারিয়ে যাওয়া যেতো নীরবে।আমার জীবনে লুকোচুরি খেলতে গিয়ে সময় হারিয়ে যায়, কখনো খুঁজে না পাবার মতো করে।আমার জীবন অভিধানে কোথাও স্বপ্ন নেই।
সেখানে একাকীত্ব আর শূণ্যতা ভরপুর।মাঝে মাঝে মনে হয় এমন একটা জীবন হোক,যে জীবন সব পাওয়ার না হোক অন্তত কিছু না হারাবার হোক।
আমার এটা বুঝতে বাকি নেই যে,আমার জীবনটা সত্যিই দুঃখ,কষ্টে পূর্ণ একটা গল্প।
আমার প্রতিটা মুহূর্ত কাটে দুঃখ,কষ্টে।সত্যিকার অর্থেই আমি আমার জীবণের ভবিষ্যত্ নিয়ে কখনোই ভাবিনা।পৃথিবীর শোক বা আনন্দ কিছুই আমাকে স্পর্শ করে না।আমার মাঝে মাঝে মনে হয়,পৃথিবীটা টুকরো টুকরো হয়ে ফেটে গেছে,যেন যে কোন মুহূর্তে ছাদটা আমার উপর ভেঙে পড়বে।
আমি জানি আমি ভীষণ বিষন্ন হতে পারি।আমি খুব uncontrolled অনেক কিছুর ব্যাপারে।আমি কোন কিছু মেপে মেপে করতে পারি না।
জুতা কিনতে গেলেও এক সাইজ বড় জুতা কিনে খুশি হয়ে বাসায় চলে আসি।আমি ঘুমে ঢলে পড়তে পড়তে আবার জেগে উঠি অন্য আরেকটা দু:স্বপ্নে।
আমি যেমনটা ”যোগ্য” হতে পারতাম কিছুই হইনি।
হয়ত আগামীতেও পারবো না।
ইচ্ছে থাকলেও পারবো না।কীভাবে কী হতে হয় সেই পথ আমার জানা নেই।আমার কল্পনা গুলো মাঝে মাঝে কথা বলে,আমার সাথে গল্প করে।ইদানিং কিছুই যেন ভালো হচ্ছে না আমার সাথে।একদম কিছুই না।আমার ভীষণ একা লাগে।মনে হয় আমি একটা বিশাল মহাশূণ্যে একটা ছোট্ট ছায়াপথ।পৃথিবীতে আমাকে শোনার জন্য কোথাও কেউ নেই।
প্রিয় জিনিসগুলো আর প্রিয় মানুষগুলো সব দূরে সরে যাচ্ছে।এই পৃথিবীর সবার মাঝে একজন হয়ে বেঁচে থাকার খুব ইচ্ছা ছিল আমার।কিন্তু সেই ইচ্ছা হয়ত স্বপ্নই রয়ে যাবে।জীবনে না পাওয়ার তালিকাটা আরও দীর্ঘ হচ্ছে।প্রেমহীন রাতে ভালোবাসাহীন বিছানায় একাকীত্বের গন্ধে পড়ে থাকি অলসতায়।হঠাৎ আমার মনটা আপনাআপনি খারাপ হয়ে যায়।
একটা গান শুনতে শুনতে হঠাৎ করেই মনটা বিষণ্ণ হয়ে উঠে।আমি একটা ছোট্ট বাচ্চার মতো একই ফরমুলা দিয়ে সব বড় বড় সমস্যা সমাধান করার চেষ্টা করি। আর ভুল উত্তরের চোরাবালিতে ডুবতে থাকি একা একা।মাঝে মাঝে নিজের ব্যর্থতার কথা মনে করে নিজের উপর খুব রাগ হয়।
সবসময় মনে হয় আমি কিছু দুঃস্বপ্ন দেখছি।
একদিন ভোরে উঠে দেখবো সবকিছু ঠিকঠাক হয়ে গেছে।
সময়টাকে অনেক বড় মনে হয় আর নিজেকে অনেক ক্ষুদ্র।খুব প্রিয় প্রিয় গানগুলোও হঠাৎ করে কেমন যেন বিষণ্ণ হয়ে উঠে।
পৃথিবীতে কিছু কিছু মানুষ অনেক ঝড়ঝাপটা পাড়ি দিয়ে নিজের স্বপ্ন পূরণ করে, আবার কিছু কিছু মানুষ আছে যারা ব্যস্ত থাকে প্রিয় মানুষটির স্বপ্ন পূরণে,তারপর এমন একদিন আসে যখন তারা নিজেদের জন্যই স্বপ্ন দেখতে ভুলে যায়।আমি কোনো এক অদ্ভূত শক্তিতে ভর করেই বেঁচে আছি।
আমি দিব্যি জানি,বেঁচে থাকতে যেই জীবনীশক্তি,আর স্বপ্ন দরকার,
তার শতভাগের একভাগও আমার নাই।
মাঝে মাঝে আমার চোখদুটো কোনো এক মন্ত্রবলে বন্ধ হয়ে আসতে চায়।আমি কবে এই দুর্বলতাগুলো কাটিয়ে উঠতে পারবো?
এভাবে তো জীবন কাটিয়ে দেয়া যায় না!আমি এখন আমার চোখের সামনে একটা একটা করে স্বপ্ন জ্বলতে দেখি।আমি আজো চিৎকার করে কাঁদি,আমার একাকীত্ব আজো আমাকে তাচ্ছিল্য করে।
নিজেকে অনেক ক্লান্ত মনে হয়।মনে হয় জীবনের কাছে বিধ্বস্ত এক পরাজিত সৈনিক।নিজেকে নিজে মিথ্যে আশ্বাস দেই, “একদিন সব ঠিক হয়ে যাবে।হঠাৎ কোনো একদিন একটা ম্যাজিক হবে।
”কখনো কখনো মনে হয়,যা কিছুকে আমি সুখ ভাবতাম তার সবকিছু ওই সময়টায় দাঁড়িয়ে আছে যেই সময়টায় আমি আর কখনো ফিরে যেতে পারবো না।অনেকদিন প্রিয় শহরটাকে দেখি না।অনেকদিন হয়ে গেছে বাসায় যাই না,অনেকদিন মায়ের হাতে ভাত খেতে পারি না।বন্ধুদের সাথে জমিয়ে আড্ডা দিতে পারি না।
ইদানিং সময়টা অনেক অনেক দীর্ঘ মনে হচ্ছে।আমার মতো হয়ত কেউ নেই যারা অনিচ্ছা সত্ত্বেও নিজেদের প্রিয় শহর আর প্রিয় মানুষদের ছেড়ে অনেক দূরে থাকে।কখনও কখনও মধ্যরাতে যখন পুরা শহর ঘুমিয়ে পড়ে, তখন আমার মনে হয় কেউ একজন আলোটা জ্বালিয়ে দিক।
ঘুমন্ত শহরটা আরেকবার জেগে উঠুক আমার মতো করে।এই ছোট্ট জীবনে নিজের কষ্টের বোঝাগুলো আমি আর বইতে পারছি না।দুঃখ, শোক সব নাকি সময়ের সাথে সাথে মিলিয়ে যায়।
সময় নাকি সব ক্ষত পূরণ করে দেয়।কিন্তু একেবারে কাছের মানুষ হারানোর শোক যে এতটা হতে পারে তা আমি বুঝতে পারিনি।
সত্যি বুঝতে পারিনি।
আমার কাছে প্রতিটি দিনই সাধারণ।
আমার জন্য প্রতিটি দিন একই বার্তা নিয়ে আসে।সেই একঘেয়ে একাকী জীবন।কখনো কখনো মনে হয় মানুষ না হয়ে ফুল হলে ভালো হতো।
একটা দিন অপূর্ব সুবাস ছড়িয়ে মানুষকে মুগ্ধ করে দেওয়া যেতো।
তারপর আরেকটা
দিনের ভোরের আলো ফোঁটার আগেই হারিয়ে যাওয়া যেতো নীরবে।আমার জীবনে লুকোচুরি খেলতে গিয়ে সময় হারিয়ে যায়, কখনো খুঁজে না পাবার মতো করে।আমার জীবন অভিধানে কোথাও স্বপ্ন নেই।
সেখানে একাকীত্ব আর শূণ্যতা ভরপুর।মাঝে মাঝে মনে হয় এমন একটা জীবন হোক,যে জীবন সব পাওয়ার না হোক অন্তত কিছু না হারাবার হোক।
আমার এটা বুঝতে বাকি নেই যে,আমার জীবনটা সত্যিই দুঃখ,কষ্টে পূর্ণ একটা গল্প।
আমার প্রতিটা মুহূর্ত কাটে দুঃখ,কষ্টে।সত্যিকার অর্থেই আমি আমার জীবণের ভবিষ্যত্ নিয়ে কখনোই ভাবিনা।পৃথিবীর শোক বা আনন্দ কিছুই আমাকে স্পর্শ করে না।আমার মাঝে মাঝে মনে হয়,পৃথিবীটা টুকরো টুকরো হয়ে ফেটে গেছে,যেন যে কোন মুহূর্তে ছাদটা আমার উপর ভেঙে পড়বে।
আমি জানি আমি ভীষণ বিষন্ন হতে পারি।আমি খুব uncontrolled অনেক কিছুর ব্যাপারে।আমি কোন কিছু মেপে মেপে করতে পারি না।
জুতা কিনতে গেলেও এক সাইজ বড় জুতা কিনে খুশি হয়ে বাসায় চলে আসি।আমি ঘুমে ঢলে পড়তে পড়তে আবার জেগে উঠি অন্য আরেকটা দু:স্বপ্নে।
আমি যেমনটা ”যোগ্য” হতে পারতাম কিছুই হইনি।
হয়ত আগামীতেও পারবো না।
ইচ্ছে থাকলেও পারবো না।কীভাবে কী হতে হয় সেই পথ আমার জানা নেই।আমার কল্পনা গুলো মাঝে মাঝে কথা বলে,আমার সাথে গল্প করে।ইদানিং কিছুই যেন ভালো হচ্ছে না আমার সাথে।একদম কিছুই না।আমার ভীষণ একা লাগে।মনে হয় আমি একটা বিশাল মহাশূণ্যে একটা ছোট্ট ছায়াপথ।পৃথিবীতে আমাকে শোনার জন্য কোথাও কেউ নেই।
প্রিয় জিনিসগুলো আর প্রিয় মানুষগুলো সব দূরে সরে যাচ্ছে।এই পৃথিবীর সবার মাঝে একজন হয়ে বেঁচে থাকার খুব ইচ্ছা ছিল আমার।কিন্তু সেই ইচ্ছা হয়ত স্বপ্নই রয়ে যাবে।জীবনে না পাওয়ার তালিকাটা আরও দীর্ঘ হচ্ছে।প্রেমহীন রাতে ভালোবাসাহীন বিছানায় একাকীত্বের গন্ধে পড়ে থাকি অলসতায়।হঠাৎ আমার মনটা আপনাআপনি খারাপ হয়ে যায়।
একটা গান শুনতে শুনতে হঠাৎ করেই মনটা বিষণ্ণ হয়ে উঠে।আমি একটা ছোট্ট বাচ্চার মতো একই ফরমুলা দিয়ে সব বড় বড় সমস্যা সমাধান করার চেষ্টা করি। আর ভুল উত্তরের চোরাবালিতে ডুবতে থাকি একা একা।মাঝে মাঝে নিজের ব্যর্থতার কথা মনে করে নিজের উপর খুব রাগ হয়।
সবসময় মনে হয় আমি কিছু দুঃস্বপ্ন দেখছি।
একদিন ভোরে উঠে দেখবো সবকিছু ঠিকঠাক হয়ে গেছে।
সময়টাকে অনেক বড় মনে হয় আর নিজেকে অনেক ক্ষুদ্র।খুব প্রিয় প্রিয় গানগুলোও হঠাৎ করে কেমন যেন বিষণ্ণ হয়ে উঠে।
পৃথিবীতে কিছু কিছু মানুষ অনেক ঝড়ঝাপটা পাড়ি দিয়ে নিজের স্বপ্ন পূরণ করে, আবার কিছু কিছু মানুষ আছে যারা ব্যস্ত থাকে প্রিয় মানুষটির স্বপ্ন পূরণে,তারপর এমন একদিন আসে যখন তারা নিজেদের জন্যই স্বপ্ন দেখতে ভুলে যায়।আমি কোনো এক অদ্ভূত শক্তিতে ভর করেই বেঁচে আছি।
আমি দিব্যি জানি,বেঁচে থাকতে যেই জীবনীশক্তি,আর স্বপ্ন দরকার,
তার শতভাগের একভাগও আমার নাই।
মাঝে মাঝে আমার চোখদুটো কোনো এক মন্ত্রবলে বন্ধ হয়ে আসতে চায়।আমি কবে এই দুর্বলতাগুলো কাটিয়ে উঠতে পারবো?
এভাবে তো জীবন কাটিয়ে দেয়া যায় না!আমি এখন আমার চোখের সামনে একটা একটা করে স্বপ্ন জ্বলতে দেখি।আমি আজো চিৎকার করে কাঁদি,আমার একাকীত্ব আজো আমাকে তাচ্ছিল্য করে।
নিজেকে অনেক ক্লান্ত মনে হয়।মনে হয় জীবনের কাছে বিধ্বস্ত এক পরাজিত সৈনিক।নিজেকে নিজে মিথ্যে আশ্বাস দেই, “একদিন সব ঠিক হয়ে যাবে।হঠাৎ কোনো একদিন একটা ম্যাজিক হবে।
”কখনো কখনো মনে হয়,যা কিছুকে আমি সুখ ভাবতাম তার সবকিছু ওই সময়টায় দাঁড়িয়ে আছে যেই সময়টায় আমি আর কখনো ফিরে যেতে পারবো না।অনেকদিন প্রিয় শহরটাকে দেখি না।অনেকদিন হয়ে গেছে বাসায় যাই না,অনেকদিন মায়ের হাতে ভাত খেতে পারি না।বন্ধুদের সাথে জমিয়ে আড্ডা দিতে পারি না।
ইদানিং সময়টা অনেক অনেক দীর্ঘ মনে হচ্ছে।আমার মতো হয়ত কেউ নেই যারা অনিচ্ছা সত্ত্বেও নিজেদের প্রিয় শহর আর প্রিয় মানুষদের ছেড়ে অনেক দূরে থাকে।কখনও কখনও মধ্যরাতে যখন পুরা শহর ঘুমিয়ে পড়ে, তখন আমার মনে হয় কেউ একজন আলোটা জ্বালিয়ে দিক।
ঘুমন্ত শহরটা আরেকবার জেগে উঠুক আমার মতো করে।এই ছোট্ট জীবনে নিজের কষ্টের বোঝাগুলো আমি আর বইতে পারছি না।দুঃখ, শোক সব নাকি সময়ের সাথে সাথে মিলিয়ে যায়।
সময় নাকি সব ক্ষত পূরণ করে দেয়।কিন্তু একেবারে কাছের মানুষ হারানোর শোক যে এতটা হতে পারে তা আমি বুঝতে পারিনি।
সত্যি বুঝতে পারিনি।
সকালে ঘুম ভাংগার পর থেকেই এই গানটা কানে বাজছে
সকালে ঘুম ভাংগার পর থেকেই এই গানটা কানে বাজছে
“দুটি মন আর নেই দুজনার,
রাত বলে আমি সাথি হব যে…..
তার মানে মন কি বদল আই মিন এক্সচেন্জ হয়ে গেলো।
আমার ক্ষেত্রে মনে হয় এটা প্রযোজ্য না।
কারণ আমার ক্ষেত্রে তো দুটি মন না।একটি মন।শুধু আমার টাই।
হা হা হা।
আসলে রিয়েলিটি ব্যাপারটাই অদ্ভুত!
আমার এখন কোন মান নেই।কোন অভিমান নেই।সুরেলা কোন সুখ নেই।মিহিন কোন কষ্টও নেই।আজকাল যেন সব কিছু এলোমেলো মনে হয়।যেন কিছুই আগের মতো নেই।এখন আর কারো উপর রাগ অভিমান হয়না।এখন যেন ভাল লাগা বলতে কিছুই নেই।
আচ্ছা,পৃথিবীতে কি রক্তের সম্পর্কটাই আসল?আর সব কি ভিত্তিহীন?হয়তোএটাই সত্য।কারন শুধু রক্তের সম্পর্কটাই চাইলে ছিন্ন করা যায় না।আর সব বাধনই খুব ঠুনকো।ইচ্ছেমতন ভাঙ্গা যায়-গড়া যায়।মাঝে মাঝে এত বেশি এলোমেলো ও অস্থির লাগে যে,মনে হয় যদি সেন্ট মার্টিনের মত জনমানবহীন একটা জায়াগায় তাবু নিয়ে অন্তত ক’টা দিন থাকতে পারতাম!ইদানিং কেন জানি ভাললাগা অনুভূতি গুলো বুঝতে পারিনা! খারাপ লাগাটাও মনের মাঝে তেমন করে আর ছুয়ে যায় না!অনুভূতিদের হয়ত আলাদা তরঙ্গ আছে,তারা কেবল তাতেই সঞ্চারিত হয়।
আমি জানিনা।
আমি কিছুই জানিনা।
কিছু কিছু অনুভূতি নাকি জানান দিতে নেই।সময় কত দ্রুত চলে যায়!মনে হয় এইতো সেদিনের কথা।স্মৃতিতে কত তরতাজা এক একটা ঘটনা।হয়ত সম্পূর্ণ অবাস্তব কিছু কল্পনা সবাইকেই তাড়িত করে।জানি জীবন খুবই ক্ষুদ্র।যে যায়,বা যারা যায়,চিরতরেই যায়।তবুও আমার হৃদয়ের কোথায় যেন ‘মন যেন চায় কারে’ ধরনের একটা শূন্যতা এসে ভর করে।যে জিনিসটা আমাকে খুব পীড়া দেয় তা হলো,আমার জীবন কেমন করে এতটা অর্থহীন হতে পারে?জীবনের প্রতিটি বেলা,প্রতিটি ঘটনা সবকিছুই আমার কাছে নিরর্থক মনে হয়।মাঝে মাঝেই মনে হয় আমি এমন কেন?আমি তো এমন হতে চাইনি।এমন জটিল ধাঁধাঁ আমি বুঝিনা।বুঝিনি কখনো।আমি ভেসে যাই।আমি ভেসে যেতে থাকি।কিন্তু কোথায়?আমি জানিনা।কী অদ্ভুত,তাইনা?ক’জন আছে আমার মতন?আমি যেন থেকেও নেই।আমার জীবনের হঠাৎ হঠাৎ কিছু ঘটনাকে নিষ্ঠুর রসিকতার মতন মনে হয়।আমার অসহায় চিতকারে কার কী আসে যায়?জীবনটাই তো Temporary।
প্রতিটি জীবনই মনে হয় একেকটা উপন্যাসের মতন…
শুধু লেখা হয়না,
এই যা!
হয়তো সবার জীবনেই কঠিন সময় থাকে,কষ্ট থাকে।একটা সময় পরে তা আবার কেটেও যায়।আবার হয়তো কাটেও না।আমার মাঝে মাঝে জীবনটাকে,জীবনের বাস্তবতাগুলোকে,জীবনের ইচ্ছেগুলোকে দুমড়ে মুচড়ে ওয়েস্ট পেপার বাস্কেটে ছুঁড়ে ফেলতে ইচ্ছা করে।
মাঝে মাঝে নিজেকে শূণ্য করে দিতে ইচ্ছা করে।মাঝে মাঝে যেন মনে হয় আর কিছুই চাইনা আমি।আমার যন্ত্রণারাই অমন।তারা আমাকে খুবলে খুবলে খায়।তারা আমাকে হত্যা করে।
আমার হাসি,আমার কথা তোর ভাল লাগতো,সেই তুই আজ কোথায়?কোথায় হারিয়ে গেলি?কোথায় লুকালো তোর ভাল লাগা?আমি জানতাম না অন্য কারো হাসির কাছে আমার হাসি হার মানবে।
তাহলে আমি হাসতাম না।
তবে তোর হাসি চিরদিন আমার কাছে চিরসবুজ এবং মিষ্টি ছিল-আছে-থাকবে।তুই হারিয়ে গেলেও আমার স্মৃতিতে তুই চিরকাল থাকবি
তুই আর কখনো ফিরে আসবিনা।
জীবনের এক অপ্রতিরোধ্য স্রোত তোকে ভাসিয়ে নিয়ে গেছে দূরে-অনেক দূরে।
তুই আমার কাছে চলে আয় pls…
তোকে ছাড়া আমার চলেনা।
“দুটি মন আর নেই দুজনার,
রাত বলে আমি সাথি হব যে…..
তার মানে মন কি বদল আই মিন এক্সচেন্জ হয়ে গেলো।
আমার ক্ষেত্রে মনে হয় এটা প্রযোজ্য না।
কারণ আমার ক্ষেত্রে তো দুটি মন না।একটি মন।শুধু আমার টাই।
হা হা হা।
আসলে রিয়েলিটি ব্যাপারটাই অদ্ভুত!
আমার এখন কোন মান নেই।কোন অভিমান নেই।সুরেলা কোন সুখ নেই।মিহিন কোন কষ্টও নেই।আজকাল যেন সব কিছু এলোমেলো মনে হয়।যেন কিছুই আগের মতো নেই।এখন আর কারো উপর রাগ অভিমান হয়না।এখন যেন ভাল লাগা বলতে কিছুই নেই।
আচ্ছা,পৃথিবীতে কি রক্তের সম্পর্কটাই আসল?আর সব কি ভিত্তিহীন?হয়তোএটাই সত্য।কারন শুধু রক্তের সম্পর্কটাই চাইলে ছিন্ন করা যায় না।আর সব বাধনই খুব ঠুনকো।ইচ্ছেমতন ভাঙ্গা যায়-গড়া যায়।মাঝে মাঝে এত বেশি এলোমেলো ও অস্থির লাগে যে,মনে হয় যদি সেন্ট মার্টিনের মত জনমানবহীন একটা জায়াগায় তাবু নিয়ে অন্তত ক’টা দিন থাকতে পারতাম!ইদানিং কেন জানি ভাললাগা অনুভূতি গুলো বুঝতে পারিনা! খারাপ লাগাটাও মনের মাঝে তেমন করে আর ছুয়ে যায় না!অনুভূতিদের হয়ত আলাদা তরঙ্গ আছে,তারা কেবল তাতেই সঞ্চারিত হয়।
আমি জানিনা।
আমি কিছুই জানিনা।
কিছু কিছু অনুভূতি নাকি জানান দিতে নেই।সময় কত দ্রুত চলে যায়!মনে হয় এইতো সেদিনের কথা।স্মৃতিতে কত তরতাজা এক একটা ঘটনা।হয়ত সম্পূর্ণ অবাস্তব কিছু কল্পনা সবাইকেই তাড়িত করে।জানি জীবন খুবই ক্ষুদ্র।যে যায়,বা যারা যায়,চিরতরেই যায়।তবুও আমার হৃদয়ের কোথায় যেন ‘মন যেন চায় কারে’ ধরনের একটা শূন্যতা এসে ভর করে।যে জিনিসটা আমাকে খুব পীড়া দেয় তা হলো,আমার জীবন কেমন করে এতটা অর্থহীন হতে পারে?জীবনের প্রতিটি বেলা,প্রতিটি ঘটনা সবকিছুই আমার কাছে নিরর্থক মনে হয়।মাঝে মাঝেই মনে হয় আমি এমন কেন?আমি তো এমন হতে চাইনি।এমন জটিল ধাঁধাঁ আমি বুঝিনা।বুঝিনি কখনো।আমি ভেসে যাই।আমি ভেসে যেতে থাকি।কিন্তু কোথায়?আমি জানিনা।কী অদ্ভুত,তাইনা?ক’জন আছে আমার মতন?আমি যেন থেকেও নেই।আমার জীবনের হঠাৎ হঠাৎ কিছু ঘটনাকে নিষ্ঠুর রসিকতার মতন মনে হয়।আমার অসহায় চিতকারে কার কী আসে যায়?জীবনটাই তো Temporary।
প্রতিটি জীবনই মনে হয় একেকটা উপন্যাসের মতন…
শুধু লেখা হয়না,
এই যা!
হয়তো সবার জীবনেই কঠিন সময় থাকে,কষ্ট থাকে।একটা সময় পরে তা আবার কেটেও যায়।আবার হয়তো কাটেও না।আমার মাঝে মাঝে জীবনটাকে,জীবনের বাস্তবতাগুলোকে,জীবনের ইচ্ছেগুলোকে দুমড়ে মুচড়ে ওয়েস্ট পেপার বাস্কেটে ছুঁড়ে ফেলতে ইচ্ছা করে।
মাঝে মাঝে নিজেকে শূণ্য করে দিতে ইচ্ছা করে।মাঝে মাঝে যেন মনে হয় আর কিছুই চাইনা আমি।আমার যন্ত্রণারাই অমন।তারা আমাকে খুবলে খুবলে খায়।তারা আমাকে হত্যা করে।
আমার হাসি,আমার কথা তোর ভাল লাগতো,সেই তুই আজ কোথায়?কোথায় হারিয়ে গেলি?কোথায় লুকালো তোর ভাল লাগা?আমি জানতাম না অন্য কারো হাসির কাছে আমার হাসি হার মানবে।
তাহলে আমি হাসতাম না।
তবে তোর হাসি চিরদিন আমার কাছে চিরসবুজ এবং মিষ্টি ছিল-আছে-থাকবে।তুই হারিয়ে গেলেও আমার স্মৃতিতে তুই চিরকাল থাকবি
তুই আর কখনো ফিরে আসবিনা।
জীবনের এক অপ্রতিরোধ্য স্রোত তোকে ভাসিয়ে নিয়ে গেছে দূরে-অনেক দূরে।
তুই আমার কাছে চলে আয় pls…
তোকে ছাড়া আমার চলেনা।
Subscribe to:
Posts (Atom)
Popular Posts
-
Kolpobazz https://ift.tt/2ld6xMf