Main Menu

Saturday, March 23, 2019

প্রিয় রাত, তুই অপ্রিয় হয়ে থাক। বারবার কেনো মায়ায় জড়িয়ে, সাদাকালোতে বিলিন হয়ে , পুড়ে করছিস আমায় খাক। বিষাদ মাখা আধার মাখিয়ে অন্তর থেকে দৃষ্টি সরিয়ে একাই কেন অন্তপুরে, হচ্ছিস হতবাক। ভালবাসা করে বিলিন, এই শহরকে করছিস রঙিন! আমার জন্য না হয় তোর অই ঘৃণাটুকুই রাখ। প্রিয় রাত তোকে আবার বলি অপ্রিয় তুই আগে ও ছিল । এখন না হয় নতুন করে আবার অপ্রিয়ই হয়ে থাক । #সাইকো

By kolpobazz

নীল ডায়েরি থেকে > "লিস্ট" নংঃ ৪১ প্রতিশোধ (শেষ পর্ব ) আজ নীল শারি পরে এসেছে রিতু। তাই না চাইতেও বার বার তার দিকে তাকাচ্ছি। বিষয়টা ও বুঝতে পেরে বলল কি হচ্ছে শুনি , ওমন করে হ্যংলার মত তাকআচ্ছ যে । আমি ঃ কই না ত হুম তা তো দেখতেই পাচ্ছি। তা এমন করে লুকিয়ে লুকিয়ে জাতে না তাকাতে হয় সেই ব্যবস্থা করলেই পারেন। কথাটা বলেই মুখ নিচু করে ফেল্ল রিতু। হয়ত লজা পেয়েছে। শুনেছি লজ্জা পেলে নাকি মেয়েরা কারো চোখের দিকে তাকাতে পারে না । নিচের দিকে তাকিয়ে কথা বলে। সারাদিন অনেক ঘুরেছি আজ ওকে নিয়ে। আসলে বলতে গেলে আমার কোন ইচ্ছে ছিল না। কিন্ত আমি চাইছিলাম মেয়েটার শেষ দিনটা যেন ভাল ভাবে কাটে। তাই তো আজ সে যা চেয়েছে তাই পুরন করেছি। তবে মেয়েটা এখন ও বাচ্চা টাইপের । মনেই হয়না এর একটা ছেলে ও আছে। ওর দুরন্তপনা দেখে কেন যেন বার বার ওর মায়ায় পরে যাচ্ছিলাম। কিন্ত অই যে , আমাদের মত মানুষদের আবার মায়া থাকতে নেই । তাই চাইলেও সব ......। ........................... সন্ধ্যে হয়ে আসছে। নাহ আর বেশি ওয়েট করা ঠিক হবে না। রিতু ঘুমিয়ে পরেছে আমার কোলে । তাই তাকে আর জাগালাম না । আলতো করে কোলে তুলে নিয়ে গারিতে শোয়ালাম । এখন যেন আর ও মায়াবি লাগছে মেয়েটাকে। ঘুমালে হয়ত মেয়েদের রুপ আর ও বেড়ে যায়। বিষয়টা নিয়ে ভাবা হয়নি , তবে ভেবে লাভ নেই , তাহলে হয়ত মায়ায় পরে জেতে হবে। আর একবার কার ও মায়ায় পরে যাওয়া মানে...। না না না ্‌, তা তো হতে দেয়া যাবে যাবে না। মনে মনে এসব যখন ভাবছি্‌,ততক্ষণে গারি এসে বুরিঙ্গঙ্গার কাছাকাছি থামল। রিতু এখহন ও ঘুমিয়ে । আমি আসতে করে নিচে নাম্লাম । এইত সাম্নেই ঘরটা দেখা জাচ্ছে । এই খানটায় আস্লেই কেমন যেন চোখ ভিজে আসে । নিজেকে সাম্লাতে কষ্ট হয়। অইত গাছটা দেখা জাচ্ছে । অই যে অই ডালটায় ঝুলন্ত অবস্থায় ওকে লাস্ট দেখেছিলাম। কতইনা কষ্ট পেয়েছে বন্ধুটা আমার । নাহ আর ভাবতে পারছিনা । যা করার এখন ই করতে হবে । রিতু এখন ও ঘুমিয়ে । ওর কাছে গেলাম। আলতো করে কোলে তুলে নিয়ে আসলাম জারুল গাছটার নিচে। রশি দিয়ে শক্ত করে হাত পা বাধলাম । কোন বেগ পেতে হয়নি। মেয়েটা এখন ও ঘুমুচ্ছে । যাক ঘুমাক। জিবনের শেষ ঘুমটা একটু আরাম করেই ঘুমিয়ে নিক। যদিও এমন করে ঘুমানোর কথা না। আমি শুধু বুদ্ধি করে ওর দাব বেচা আঙ্কেল্কে বলে দিয়েছিলাম যেন ওকে দেয়া ডাবের পানির মধ্যে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে দেয়। যদিও ব্যটা রাজি হতে চাইছিল না তবে যখন হাতে পাচশ টাকা গুজে দিলাম। তখন তার কাজটাও ডাবের পানির মত সরল হয়ে গেল। বাধা শেষ । এখন মেয়েটাকে জাগাতে হবে। তাই তার ওরনাটা নিয় গঙ্গার পানি দিয়ে ভিজিয়ে আনলাম। সালি পানিতে না উঠলেও দুর্গন্ধের ফলে ঠিক ই উঠতে বাধ্য হবে । আহা কেমন যেন একটা অন্য অনুভুতি কাজ করছে । ঠিক লাস্টবারের ভিক্টিম টাকে খুন করার সময় যেমন মনে হয়েছিল। হাত নিসপিস করছে, পকেট থেকে ছুরিটা বের করলাম। লাল হয়ে আছে ছুরিটা , যদিও প্রথম যখন কিনেছিলাম তখন দেখতে সাদা ছিল। ব্যটা রক্ত খেতে খেতে লাল হয়ে গেছে। আজ পূর্ণিমা । যদিও আমার বন্ধুটার মৃত্যুর দিনটায় অমাবস্যা ছিল। পূর্ণিমার আলোয় মেয়েটার চেহারাটা থেকে যেন দ্যুতি বের হচ্ছে। হয়ত কোন কবি তাকে এই মুহূর্তে দেখলে কবিতা রচনা করে ফেলত। কিন্ত আমার আবার ওসবের ধারে কাছে জেতেও মানা। জানেন ই তো খুনিদের আবার আবেগ থাকতে নেই । ওহ ভুলেই গিয়েছিলাম মেয়েটাকে জাগাতে হবে। ওরনাটা ভিজিয়ে নিয়ে মেয়েটার কাছে গেলাম । হালকা পানির ঝাপটা দিতেই রিতু জেগে উঠল। হঠাত ঘুম ভেঙ্গে যাওয়ায় মেয়েটা এদিক অদিক করছে। হয়ত বুঝতে পারছে না কোথায় আছে । অবাক চোখে আমার দিকে তাকাচ্ছে যেন আমাকে চিনতে পারছে না। হাতের দিকে তাকাতেই চিৎকার দিয়ে উঠল এই তিয়াস তুমি আমাকে এভাবে বেধে রেখেছ কেন। কি হল বল। আর আমি এখানে কেন। কি হচ্ছে এসব কথা বলছ না কেন। আমি একটু হাস্লাম। আমার হাসি দেখে মেয়েটা চুপ হয়ে আছে। হয়ত ভয় পেয়েছে। হয়ত এমন পৈশাচিক হাসি সে তার জিবনে ও দেখেনি। খানিক বাদে নরম সুরে রিতু বলল । দেখ তিয়াস ভাল হচ্ছে না কিন্ত । আমার খুব ভয় করছে। প্লিজ আমায় ছেরে দাও , এমন ফান কিন্ত ঠিক না। আমি বললাম ছেরে দেব হা হা হা। তুমি কি ছেরে দিয়েছিলে জুবায়ের কে। দিয়েছিলে তাকে বাচতে । দাওনি ... জানো কতটা কষ্ট পেয়ে ও আত্মহত্যা বেছে নিয়েছিল । এই যে এই... এই জারুল গাছটার সাথেই গলায় দরি দিয়েছিল সে। তোমায় কি করে ছেরে দেই বল ???? রিতু অবাক দৃষ্টিতে চেয়ে আছে আমার দিকে ...। - তুমি । তুমি জুবায়েরের কে? - আর তুমি জানলে কি করে । - দেখ আমার বিয়ে ঠিক হয়ে গিয়েছিল । আমি কি করতাম আর তাকে ছেরে না দিয়ে। কি করতে মানে।তুমি তাকে সব কিছু বুঝিয়ে বলতে পারতে ।কিন্ত তুমি তা করনি । কি মনে করেছ , আমি জানি কি করে । সে তার ডাইরিতে সব লিখে গিয়েছিল, লিখে গিয়েছিল তোমার সব পাপের কথা। তোমাকে তো ছেরে দিতে পারিনা আমি । রিতু আমতা আমতা করছে। এখন আর ওর কথা শুনতে ইচ্ছে করছে না। ওর কাছে গিয়ে হাতের বাধন্টা আর ও টাইট করে নিলাম। ওরনা দিয়ে মুখটা বেধে নিলাম। না হলে ভেজাল করতে পারে । এরপর আস্তে করে হাতের ঠিক মাঝখান দিয়ে একটা ফুটো করলাম। অমনি গল গল করে রক্ত বের হতে শুরু করল। চাদের আলোয় স্পস্ট দেখতে পাচ্ছি । মেয়েটা কাদছে । ০৬ কাদুক তাতে কি। আমার এতে মায়া লাগে না বরং মনের মধ্যে প্রশান্তি অনুভব করছি। যাক অবশেষে আমার বন্ধুর আত্মাটা শান্তি পাবে । নাহ এত অল্প কষ্ট দিয়ে তাকে মারা যাবে না। তাই গারির কাছে গেলাম । ডেক থেকে প্লাস আর রডটা নিএ আসলাম। এখন মজা হবে হা হ হা। প্লাস দিয়ে এক একটা নখ তুলছি আর মেয়েটার শরির ঝাকুনি দিয়ে উঠছে । চোখের পানি আস্তে আস্তে এসে বুকের কাপর ভিজিয়ে দিচ্ছে। বাহ কি দারুন সিনারি । এটা কিন্ত হলিউড ছবিকেও হার মানাবে রিতু । তুমি কি বল। রিতু কিছু বলছে না। ওহ বলবে কি করে তার তো মুখ বাধা হা হা হা। মেয়েটা হাপাচ্ছে ,কারন তার হারটবিট আমি দূর থেকেই শুনতে পাচ্ছি। হয়ত কিছু বলতে চাচ্ছে মেয়েটা তাই তার মুখ খুলে দিলাম। ভেবেছিলাম হয়ত গালি দিবে কিন্ত নাহ মেয়েটা কিছুই বলছে না। চারদিকে পিনপতন নিরাবতা । সে নিরবতা ভেঙ্গে হঠাত ই বলে উঠল জানো আমি কিন্ত তোমাকে সত্যি ই ভাল বেশেছিলাম। তোমাকে নিয়ে সারাজিবন ঘর করার স্বপ্ন দেখেছিলাম কিন্ত্‌, কিন্ত্‌্‌ তু.....................। আর কিছু বলতে পারছে না মেয়েটা কাদছে । তবে একটু পরে আবার বলল একটু পানি হবে তোমার কাছে। প্লিজ ্‌্‌ আমিও এমন কিছুর জন্যই অপেক্ষা করছিলাম। যাক কাজটা সহজেই হয়ে গেল। গারি থেকে পানির বোতলটা নিয়ে আসলাম। পকেট থেকে আমার সবথেকে প্রিয় জিনিসটা বের করে তা থেকে কিছু পরিমান বোতলের পানির সাথে মিসালাম। এসে দেখি মেয়েটা এখন ও কাদছে । বুঝতে পারছিনা কেন কাদছে । যন্ত্রণায় নাকি অনুশোচনায় । থাক অত ভেবে কি হবে। পানির বোতল হাতে নিয়ে তাকে বললাম নাও পানি খাও। সে কোন কথা না বলে পানি খেল।এরপর হঠাত বলে উঠল জানো আমার কোন কষ্ট হচ্ছে না । কারন আমি যাকে ভালবাসি তার হাতেই মরতে পারছি এর থেকে সুখের আর কি হতে পারে। মনে মনে ভাব্লাম কি অদ্ভুত মেয়েজাতি। কেউ একজন তাকে ভালবেসে মারা গেল তার জন্য তার কোন ভাবনাই ছিল না। আর যে কিনা তাকে মারার জন্য প্রস্তুত তাকেই ভালবেসে বসে আছে। মেয়েটার হাত পা থেকে বের হওয়া লাল রক্ত আস্তে আস্তে নীল রঙ ধারন করছে। আহ আমার প্রিয় রঙ । দেখতেই ভাল লাগছে । নাহ রাত বেশি হয়ে জাচ্ছে , একাহ্নে বেশি ক্ষণ থাকা ঠিক হবে না। তাই গারিতে গিয়ে তারাতারি রশিটা নিয়ে আসলাম এরপর এক প্রান্ত গাছের সাথে বেধে অপ্র প্রান্ত দিয়ে ফাসির গিট্টু দিলাম। বাহ তৈরি হয়ে গেল একটা মিনি ফাসির মঞ্চ। যেখানে আজ সাজা পেতে জাচ্ছে এক মন ভাঙ্গার দায়ে অভিজুক্ত কয়েদি। ভাবতেই কেমন যেন নেশা লাগছে। ওহ আমার আবার মাদকে নেশা হয়না। নেশা হয় কিছু অদ্ভুত ঘটনা দেখে। হয় সেতা আমার তৈরি না হয় অন্য কারো । মঞ্চ বানানো শেষ । এবার রিতুর সাজা গ্রহনের পালা। শেষ বারের মত রিতুকে জিজ্ঞেস করলাম কিছু বলার আছে শেষবারের মত তোমার। সে শুধু অস্পস্ট একটা কথাই বলল “ ভাল থেক” কি অদ্ভুত মেয়ে । যে তাকে মারতে চলেছে তাকেই কিনা বলে ভাল থেক হা হা হা। রশিটা রিতুর গলায় পেচিয়ে টান দিলাম। চেয়ার সহ দোল খেতে খেতে রিতু উপরে উঠে গেল । একটু ও নরাচরা বা শব্দ করল না। করবেই বা কি করে হয়ত বিসের প্রভাবে আগেই তার সব পেশি অচল হয়ে গেছে। নাহ এখন প্রচুর শান্তি লাগছে। আমার বন্ধুর জন্য প্রতিশোধ নেয়া হয়ে গেছে। নাহ যাবার আগে আর একটি কাজ করে জেতে হবে। আমি চাইনা আমার বন্ধুর খুনির কোন চিনহ থাক এই পৃথিবীতে । তাই লাইটারটা বের করে ঝুলন্ত চেয়ারটাতে আগুন ধরিয়ে দিলাম । গারি ছুটে চলেছে ঢাকার দিকে । পেছন দিকে দাউ দাউ করে জলছে আগুন। লুকিং গ্লাসে দেখছি কিছু মানুষ দৌরে জাচ্ছে আগুন নিভাতে । আর আমি স্পস্ট দেখতে পাচ্ছি আমার বন্ধু উপরে বসে হাসছে .. #সাইকো

By kolpobazz

নীল ডায়েরি থেকে > "লিস্ট" নংঃ ৪১ প্রতিশোধ (শেষ পর্ব ) আজ নীল শারি পরে এসেছে রিতু। তাই না চাইতেও বার বার তার দিকে তাকাচ্ছি। বিষয়টা ও বুঝতে পেরে বলল কি হচ্ছে শুনি , ওমন করে হ্যংলার মত তাকআচ্ছ যে । আমি ঃ কই না ত হুম তা তো দেখতেই পাচ্ছি। তা এমন করে লুকিয়ে লুকিয়ে জাতে না তাকাতে হয় সেই ব্যবস্থা করলেই পারেন। কথাটা বলেই মুখ নিচু করে ফেল্ল রিতু। হয়ত লজা পেয়েছে। শুনেছি লজ্জা পেলে নাকি মেয়েরা কারো চোখের দিকে তাকাতে পারে না । নিচের দিকে তাকিয়ে কথা বলে। সারাদিন অনেক ঘুরেছি আজ ওকে নিয়ে। আসলে বলতে গেলে আমার কোন ইচ্ছে ছিল না। কিন্ত আমি চাইছিলাম মেয়েটার শেষ দিনটা যেন ভাল ভাবে কাটে। তাই তো আজ সে যা চেয়েছে তাই পুরন করেছি। তবে মেয়েটা এখন ও বাচ্চা টাইপের । মনেই হয়না এর একটা ছেলে ও আছে। ওর দুরন্তপনা দেখে কেন যেন বার বার ওর মায়ায় পরে যাচ্ছিলাম। কিন্ত অই যে , আমাদের মত মানুষদের আবার মায়া থাকতে নেই । তাই চাইলেও সব ......। ........................... সন্ধ্যে হয়ে আসছে। নাহ আর বেশি ওয়েট করা ঠিক হবে না। রিতু ঘুমিয়ে পরেছে আমার কোলে । তাই তাকে আর জাগালাম না । আলতো করে কোলে তুলে নিয়ে গারিতে শোয়ালাম । এখন যেন আর ও মায়াবি লাগছে মেয়েটাকে। ঘুমালে হয়ত মেয়েদের রুপ আর ও বেড়ে যায়। বিষয়টা নিয়ে ভাবা হয়নি , তবে ভেবে লাভ নেই , তাহলে হয়ত মায়ায় পরে জেতে হবে। আর একবার কার ও মায়ায় পরে যাওয়া মানে...। না না না ্‌, তা তো হতে দেয়া যাবে যাবে না। মনে মনে এসব যখন ভাবছি্‌,ততক্ষণে গারি এসে বুরিঙ্গঙ্গার কাছাকাছি থামল। রিতু এখহন ও ঘুমিয়ে । আমি আসতে করে নিচে নাম্লাম । এইত সাম্নেই ঘরটা দেখা জাচ্ছে । এই খানটায় আস্লেই কেমন যেন চোখ ভিজে আসে । নিজেকে সাম্লাতে কষ্ট হয়। অইত গাছটা দেখা জাচ্ছে । অই যে অই ডালটায় ঝুলন্ত অবস্থায় ওকে লাস্ট দেখেছিলাম। কতইনা কষ্ট পেয়েছে বন্ধুটা আমার । নাহ আর ভাবতে পারছিনা । যা করার এখন ই করতে হবে । রিতু এখন ও ঘুমিয়ে । ওর কাছে গেলাম। আলতো করে কোলে তুলে নিয়ে আসলাম জারুল গাছটার নিচে। রশি দিয়ে শক্ত করে হাত পা বাধলাম । কোন বেগ পেতে হয়নি। মেয়েটা এখন ও ঘুমুচ্ছে । যাক ঘুমাক। জিবনের শেষ ঘুমটা একটু আরাম করেই ঘুমিয়ে নিক। যদিও এমন করে ঘুমানোর কথা না। আমি শুধু বুদ্ধি করে ওর দাব বেচা আঙ্কেল্কে বলে দিয়েছিলাম যেন ওকে দেয়া ডাবের পানির মধ্যে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে দেয়। যদিও ব্যটা রাজি হতে চাইছিল না তবে যখন হাতে পাচশ টাকা গুজে দিলাম। তখন তার কাজটাও ডাবের পানির মত সরল হয়ে গেল। বাধা শেষ । এখন মেয়েটাকে জাগাতে হবে। তাই তার ওরনাটা নিয় গঙ্গার পানি দিয়ে ভিজিয়ে আনলাম। সালি পানিতে না উঠলেও দুর্গন্ধের ফলে ঠিক ই উঠতে বাধ্য হবে । আহা কেমন যেন একটা অন্য অনুভুতি কাজ করছে । ঠিক লাস্টবারের ভিক্টিম টাকে খুন করার সময় যেমন মনে হয়েছিল। হাত নিসপিস করছে, পকেট থেকে ছুরিটা বের করলাম। লাল হয়ে আছে ছুরিটা , যদিও প্রথম যখন কিনেছিলাম তখন দেখতে সাদা ছিল। ব্যটা রক্ত খেতে খেতে লাল হয়ে গেছে। আজ পূর্ণিমা । যদিও আমার বন্ধুটার মৃত্যুর দিনটায় অমাবস্যা ছিল। পূর্ণিমার আলোয় মেয়েটার চেহারাটা থেকে যেন দ্যুতি বের হচ্ছে। হয়ত কোন কবি তাকে এই মুহূর্তে দেখলে কবিতা রচনা করে ফেলত। কিন্ত আমার আবার ওসবের ধারে কাছে জেতেও মানা। জানেন ই তো খুনিদের আবার আবেগ থাকতে নেই । ওহ ভুলেই গিয়েছিলাম মেয়েটাকে জাগাতে হবে। ওরনাটা ভিজিয়ে নিয়ে মেয়েটার কাছে গেলাম । হালকা পানির ঝাপটা দিতেই রিতু জেগে উঠল। হঠাত ঘুম ভেঙ্গে যাওয়ায় মেয়েটা এদিক অদিক করছে। হয়ত বুঝতে পারছে না কোথায় আছে । অবাক চোখে আমার দিকে তাকাচ্ছে যেন আমাকে চিনতে পারছে না। হাতের দিকে তাকাতেই চিৎকার দিয়ে উঠল এই তিয়াস তুমি আমাকে এভাবে বেধে রেখেছ কেন। কি হল বল। আর আমি এখানে কেন। কি হচ্ছে এসব কথা বলছ না কেন। আমি একটু হাস্লাম। আমার হাসি দেখে মেয়েটা চুপ হয়ে আছে। হয়ত ভয় পেয়েছে। হয়ত এমন পৈশাচিক হাসি সে তার জিবনে ও দেখেনি। খানিক বাদে নরম সুরে রিতু বলল । দেখ তিয়াস ভাল হচ্ছে না কিন্ত । আমার খুব ভয় করছে। প্লিজ আমায় ছেরে দাও , এমন ফান কিন্ত ঠিক না। আমি বললাম ছেরে দেব হা হা হা। তুমি কি ছেরে দিয়েছিলে জুবায়ের কে। দিয়েছিলে তাকে বাচতে । দাওনি ... জানো কতটা কষ্ট পেয়ে ও আত্মহত্যা বেছে নিয়েছিল । এই যে এই... এই জারুল গাছটার সাথেই গলায় দরি দিয়েছিল সে। তোমায় কি করে ছেরে দেই বল ???? রিতু অবাক দৃষ্টিতে চেয়ে আছে আমার দিকে ...। - তুমি । তুমি জুবায়েরের কে? - আর তুমি জানলে কি করে । - দেখ আমার বিয়ে ঠিক হয়ে গিয়েছিল । আমি কি করতাম আর তাকে ছেরে না দিয়ে। কি করতে মানে।তুমি তাকে সব কিছু বুঝিয়ে বলতে পারতে ।কিন্ত তুমি তা করনি । কি মনে করেছ , আমি জানি কি করে । সে তার ডাইরিতে সব লিখে গিয়েছিল, লিখে গিয়েছিল তোমার সব পাপের কথা। তোমাকে তো ছেরে দিতে পারিনা আমি । রিতু আমতা আমতা করছে। এখন আর ওর কথা শুনতে ইচ্ছে করছে না। ওর কাছে গিয়ে হাতের বাধন্টা আর ও টাইট করে নিলাম। ওরনা দিয়ে মুখটা বেধে নিলাম। না হলে ভেজাল করতে পারে । এরপর আস্তে করে হাতের ঠিক মাঝখান দিয়ে একটা ফুটো করলাম। অমনি গল গল করে রক্ত বের হতে শুরু করল। চাদের আলোয় স্পস্ট দেখতে পাচ্ছি । মেয়েটা কাদছে । ০৬ কাদুক তাতে কি। আমার এতে মায়া লাগে না বরং মনের মধ্যে প্রশান্তি অনুভব করছি। যাক অবশেষে আমার বন্ধুর আত্মাটা শান্তি পাবে । নাহ এত অল্প কষ্ট দিয়ে তাকে মারা যাবে না। তাই গারির কাছে গেলাম । ডেক থেকে প্লাস আর রডটা নিএ আসলাম। এখন মজা হবে হা হ হা। প্লাস দিয়ে এক একটা নখ তুলছি আর মেয়েটার শরির ঝাকুনি দিয়ে উঠছে । চোখের পানি আস্তে আস্তে এসে বুকের কাপর ভিজিয়ে দিচ্ছে। বাহ কি দারুন সিনারি । এটা কিন্ত হলিউড ছবিকেও হার মানাবে রিতু । তুমি কি বল। রিতু কিছু বলছে না। ওহ বলবে কি করে তার তো মুখ বাধা হা হা হা। মেয়েটা হাপাচ্ছে ,কারন তার হারটবিট আমি দূর থেকেই শুনতে পাচ্ছি। হয়ত কিছু বলতে চাচ্ছে মেয়েটা তাই তার মুখ খুলে দিলাম। ভেবেছিলাম হয়ত গালি দিবে কিন্ত নাহ মেয়েটা কিছুই বলছে না। চারদিকে পিনপতন নিরাবতা । সে নিরবতা ভেঙ্গে হঠাত ই বলে উঠল জানো আমি কিন্ত তোমাকে সত্যি ই ভাল বেশেছিলাম। তোমাকে নিয়ে সারাজিবন ঘর করার স্বপ্ন দেখেছিলাম কিন্ত্‌, কিন্ত্‌্‌ তু.....................। আর কিছু বলতে পারছে না মেয়েটা কাদছে । তবে একটু পরে আবার বলল একটু পানি হবে তোমার কাছে। প্লিজ ্‌্‌ আমিও এমন কিছুর জন্যই অপেক্ষা করছিলাম। যাক কাজটা সহজেই হয়ে গেল। গারি থেকে পানির বোতলটা নিয়ে আসলাম। পকেট থেকে আমার সবথেকে প্রিয় জিনিসটা বের করে তা থেকে কিছু পরিমান বোতলের পানির সাথে মিসালাম। এসে দেখি মেয়েটা এখন ও কাদছে । বুঝতে পারছিনা কেন কাদছে । যন্ত্রণায় নাকি অনুশোচনায় । থাক অত ভেবে কি হবে। পানির বোতল হাতে নিয়ে তাকে বললাম নাও পানি খাও। সে কোন কথা না বলে পানি খেল।এরপর হঠাত বলে উঠল জানো আমার কোন কষ্ট হচ্ছে না । কারন আমি যাকে ভালবাসি তার হাতেই মরতে পারছি এর থেকে সুখের আর কি হতে পারে। মনে মনে ভাব্লাম কি অদ্ভুত মেয়েজাতি। কেউ একজন তাকে ভালবেসে মারা গেল তার জন্য তার কোন ভাবনাই ছিল না। আর যে কিনা তাকে মারার জন্য প্রস্তুত তাকেই ভালবেসে বসে আছে। মেয়েটার হাত পা থেকে বের হওয়া লাল রক্ত আস্তে আস্তে নীল রঙ ধারন করছে। আহ আমার প্রিয় রঙ । দেখতেই ভাল লাগছে । নাহ রাত বেশি হয়ে জাচ্ছে , একাহ্নে বেশি ক্ষণ থাকা ঠিক হবে না। তাই গারিতে গিয়ে তারাতারি রশিটা নিয়ে আসলাম এরপর এক প্রান্ত গাছের সাথে বেধে অপ্র প্রান্ত দিয়ে ফাসির গিট্টু দিলাম। বাহ তৈরি হয়ে গেল একটা মিনি ফাসির মঞ্চ। যেখানে আজ সাজা পেতে জাচ্ছে এক মন ভাঙ্গার দায়ে অভিজুক্ত কয়েদি। ভাবতেই কেমন যেন নেশা লাগছে। ওহ আমার আবার মাদকে নেশা হয়না। নেশা হয় কিছু অদ্ভুত ঘটনা দেখে। হয় সেতা আমার তৈরি না হয় অন্য কারো । মঞ্চ বানানো শেষ । এবার রিতুর সাজা গ্রহনের পালা। শেষ বারের মত রিতুকে জিজ্ঞেস করলাম কিছু বলার আছে শেষবারের মত তোমার। সে শুধু অস্পস্ট একটা কথাই বলল “ ভাল থেক” কি অদ্ভুত মেয়ে । যে তাকে মারতে চলেছে তাকেই কিনা বলে ভাল থেক হা হা হা। রশিটা রিতুর গলায় পেচিয়ে টান দিলাম। চেয়ার সহ দোল খেতে খেতে রিতু উপরে উঠে গেল । একটু ও নরাচরা বা শব্দ করল না। করবেই বা কি করে হয়ত বিসের প্রভাবে আগেই তার সব পেশি অচল হয়ে গেছে। নাহ এখন প্রচুর শান্তি লাগছে। আমার বন্ধুর জন্য প্রতিশোধ নেয়া হয়ে গেছে। নাহ যাবার আগে আর একটি কাজ করে জেতে হবে। আমি চাইনা আমার বন্ধুর খুনির কোন চিনহ থাক এই পৃথিবীতে । তাই লাইটারটা বের করে ঝুলন্ত চেয়ারটাতে আগুন ধরিয়ে দিলাম । গারি ছুটে চলেছে ঢাকার দিকে । পেছন দিকে দাউ দাউ করে জলছে আগুন। লুকিং গ্লাসে দেখছি কিছু মানুষ দৌরে জাচ্ছে আগুন নিভাতে । আর আমি স্পস্ট দেখতে পাচ্ছি আমার বন্ধু উপরে বসে হাসছে .. #সাইকো

By kolpobazz

আব্বাজানের ঠেলাঠেলিতে পইরা... এক সফটওয়্যার কম্পানিতে আজ গেছিলাম ইন্টার্ভিউ দিতে। তো সেখানে স্যর মহাদয় আমাকে বললেন মনে কর তুমি এখানে বোর্ড প্রধান আর আমি ইন্টার্ভিউ দিতে আসছি । এখন তুমি আমাকে এমন একটি প্রস্ন কর যার উত্তর আমার জানা নেই। যদি পারো তাহলে চাকরি পাবে। যেহেতু চাকরি করার ইচ্ছা নাই তাই মাথায় একটা শয়তানি বুদ্ধি এসে গেল । তাই তাকে প্রস্ন করলাম আচ্ছা বলুন তো HTML এর Elaborate কি ? তিনি বললেন আরেহ এ তো খুব ই সোজা HTML হল Hypertext Markup Language। আমি বললাম নাহ হয়নি HTML মানে হল How To Meet Ladies । আমার উত্তর শুনে তিনি বেহুশ হয়ে গেলেন । আর হুস আসার পর তিনি বললেন ভাই আজ থেকে এই কম্পানি তোমার। আমি এখন গিয়ে টিএসসিতে বাদাম বেচব। :) #সাইকো

By kolpobazz

Friday, March 22, 2019

আচ্ছা সপ্তর্ষি ...। জানো আমার কাছে তোমার কোন জিনিসটা সবথেকে বেশি ভাল লাগে। -কি? 🙄 তোমার চোখ☺️☺️ -কেন ?🙄 কারন একমাত্র তোমার চোখের দিকে তাকালে আমি আমাকে দেখতে পাই । #সাইকো

By kolpobazz

অনুগল্প[০৫] দোস্ত চল নামাজটা পরে আসি। -নারেহ দোস্ত , কাপর খারাপ । তা ছাড়া এখন একটা ইম্পরট্যান্ট কাজ আছে রে। কাল থেকে পরব। :: এই কথাগুলি বলা ছেলেটাকেই পাশে থাকা বন্ধুটি বলল ... চল দোস্ত হোলি খেলে আসি , খাসা মাল আছে কয়েকটা । আর হোলি শেষে পার্টি ওরেখেছি । - আরেহ কি বলিস সালা , আগে বলবি না। উফ না বললে তো মিস ই করতাম চান্সটা। নে চল তারাতারি । #সাইকো

By kolpobazz

Thursday, March 21, 2019

অনুগল্প[৪] মেয়েটি ছেলেটিকে সিগারেট অথবা তাকে ছেড়ে দিতে বলেছিল। ছেলেটি সিগারেট ছেড়ে দিয়েছিল। ফলাফল অপরটি এমনিইতেই তাকে ছেড়ে গেছে। ছেলেটি সিগারেট হাতে নিয়ে এখন ভাবে তার সিদ্ধান্ত ভুল ছিল। #সাইকো

By kolpobazz

-কি করছ? -কলিজা ভুনা খাচ্ছি । ☺️☺️ -কার ? -কলিজায় যে আঘাত দিয়েছে তার 😊😊 #সাইকো

By kolpobazz

প্রিয়... তুমি যখন সুশীলদের তেল মাখাতে ব্যস্ত । আমি ব্যস্ত অশ্লীল হতে। কারন জগত সুশীল খোজে না্‌, অশ্লীলতা খোঁজে । #সাইকো

By kolpobazz

অথচ তুমি হয়ত জানতেই পারবে না,,,,, যে এইডসের চেয়েও মারাত্নক রোগ এর নাম হল। . . . . আমার মন ভাল না। #সাইকো

By kolpobazz

Tuesday, March 19, 2019

অনুগল্প[৩] রেলস্টেশনের কুলি বালকটি বিশ্বাস করে সে জীবনকে যততটুকু দেখে, তার জন্ম তার থেকেও দুরে কোথাও যাবার জন্য। বিশ্বাসটা প্রতি সকালে ঘুম থেকে উঠেই থেমে যায় ঐ রেলস্টেশনেই। কুলিটা থাকে পাশের একটি বস্তীতে, যেখান থেকে রেলস্টেশন দেখা যায়না কিন্তু ট্রেনের বাশি শোনা যায়।

By kolpobazz

আবার ও ছ্যকা[০৬] আমার তিনি আমাকে মেসেজ করে বললেন আচ্ছা বাবু তোমার মেসেঞ্জারে কি ডার্ক মুড অন করেছ ।😋😋 আমিঃ নাহ 😞 সেঃকেন 😡 আমিঃআসলে কেন জানি আমার ফোনে ডার্ক মুড অন হচ্ছে না।😔😔 সেঃ যা সালা তোর সাথে ব্রেকাপ । 🤬🤬 যে ছেলে ফোনে সামান্য ডার্ক মুড আনতে পারে না তার আমার সাথে কোন সম্পর্ক থাকতে পারে না। #সাইকো

By kolpobazz

নীল ডায়েরি থেকে > "লিস্ট" নংঃ ৪১ প্রতিশোধ (০৪) #সাইকো আমার সামনে বসে আছে রিতু । বাদাম খাচ্ছে , এই মুহুরতে আমি তাকিয়ে আছি তার দিকে মনে হচ্ছে তার থেকে নিস্পাপ মেয়ে আর দ্বিতীয়টি নেই । কে বলবে এই মেয়ের জন্যই মারা গেছে একটি সহজ সরল ছেলে। কে বলবে এই মেয়েটি ই হয়ত প্লান করে বসে আছে আ,মাকেও ঠকানোর। ওহ বলা হয়নি ্‌, রিতু নামের এই মেয়েটি এখন আমার গার্লফ্রেন্ড। আমাদের সম্পর্কের বয়স মাত্র ছয় মাস। এর মদ্ধেই নাকি আমি ওর পৃথিবী হয়ে গেছি । যদিও ঘড়ে তার জামাই ও আর এক ছেলে আছে । হয়ত তার জামাই ও তাকে ত্তার [পৃথিবী ভেবে বসে আছে । এই মুহুরতে অই লোকটার জন্য আমার মায়া হচ্ছে । সে হয়ত জানেও না এই মেয়েটা তাকে তিন বছর ধরে ধোঁকা দিয়ে আসছে। জগতের নিওম ই এইটা , তুমি যাকে তোমার সব ভেবে বসে আছ , দেখবে তার কাছে হয়ত তুমি হয়ত কেউ ই না। যা বলছিলাম, রিতুকে লাইনে আনতে যদিও আমার একটু বেগ পেতে হইছে, কারন যেহেতু তার বিয়ে হয়ে গেছে, তাই তাকে পটানোর জন্য তার সম্পর্কে । তার দুর্বলতা সম্পর্কে তার পছন্দ অপছন্দ সব কিছু জেনে তারপর তার পিছনে নামতে হয়েছে। আর তারপরও বাধা ছিল তার দুরন্তপনা। টানা দুইমাস ঘুরিয়েছে নাকে দরি দিয়ে সে আমায় । এমন গেছে চার পাচ রাত ঘুমাতেও পারিনি । তাতে কি ,আমার কলিজার বন্ধুর জন্য এমন সেক্রিফাইস কোন ব্যাপারই না আমার কাছে। আর সে সেক্রিফাইস বিফলে জায়নি । এখন রিতু আমার প্রেমে অন্ধ প্রায়। এইত কাল ফোন দিয়ে বললাম জানুটা আমার তোমাকে খুব দেখতে ইচ্ছে করছে কিছু পিক দাও তো । সে পিক দিল , আমি বললাম এমন করে দেখব না সোনা , তাহলে কি ভাবে দেখবে । অই যে অইভাবে । অইভাবে মানে। আরে বুঝনা কেন হুম বুঝছি কি বুঝছ অনেক দুস্ট হইছ তুমি, হুম শুধু তোমার জন্য আমি দুশ্তু কেন ,আর কিছু থাকলে তা ও হতে পারি। হইছে হইছে এখন ঘুমাও ও আসার সময় হয়ে গেছে। তাহলে তুমি দিবা না । নাহ , দুস্টুদের সব কথা শুনতে নেই । দেখ তুমি যদি না দেও তাহলে কিন্ত আমি আজ থেকে আর কিছু খাব না, এই বলে ফোন অফ করে দিলাম। রাত তিন্টায় ফোন খুলে দেখি তার ৪৩ টা মেসেজ । আর ইমতে পঞ্চাশের অধিক নুড পিক। সাথে লেখা দেখ প্লিজ রাগ করনা । আমি তো ফান করছিলাম। প্লিজ তোমার জেভাবে মনে হয় সেভাবে দেখ তবুও রাগ করে থেক না, মনে মনে হেসে নিলাম কিছুখন , যাক ইমোশনাল ব্লাক্মেইলটা তাহলে ভালই কাজে লেগেছে। সকালেই ফোন দিয়ে বললাম দেখ সোনা তুমি ছাড়া কে আছে আমার । তোমার সাথে কি রাগ করতে পারি। বিকালে দেখা করো । আজ আমি অনেক খুশি তুমি যা খাইতে চাইবে তাই খাওয়াব। রিতুকে নিয়ে আজ একটা অনেক বড় প্লান করেছি । প্লান মোতাবেক ই আগাতে হবে । না হলে তো .........

By kolpobazz

Sunday, March 17, 2019

অনুগল্প [০১] যেই হাত আজ সকালে বাসের ভিড়ে পাশে দাড়ানো রুপসীর স্তনে কাঙ্খিত অনাকাঙ্খার দংসন বারংবার বসাচ্ছিল, সেই হাতই রাতে রুমে ফিরে স্ত্রীকে পরম মমতায় কাছে টেনে নিল। #সাইকো

By kolpobazz

নীল ডায়েরি থেকে > "লিস্ট" নংঃ ৪১ প্রতিশোধ (০৩) #সাইকো এভাবে শান্ত আর রিতুর বন্ধুত্বের সূচনা। ধীরে ধীরে তাদের বন্ধুত্ব গভীর হতে লাগল। দিন হতে মাস, মাস হতে বছর। দুইজন একসাথে সবসময় চলে, একে অপরের পারস্পরিকতায় তাদের বন্ধুত্ব। আর রিতুর স্বভাবের সাথে শান্তর অনেক মিল আছে। দুইজনই ঠান্ডা স্বভাবের আর সাদামাটা জীবন যাপন পছন্দ করে। তাই তারা একে অপরকে খুব পছন্দ করে। দুষ্টুমি, হাসি-ঠাট্টা, রাগ, ভালবাসা এই মিলিয়ে তাদের বন্ধুত্ব...... . প্রায় এক বছর কেটে গেল শান্ত আর রিতুর বন্ধুত্বের... ঠিক এমন সময় একদিন হঠাৎ খুব সকালে রিতু শান্তকে ফোন দেয়...... - কি ব্যাপার রিতু এত সকালে ফোন দিলি যে? - শান্ত তুই এখনি ঐ জায়গায়টায় আয় যেখানে আমরা প্রথম বন্ধুত্ব করি। - এত সকালে?? এত সকালে?? কেন? ৮টা বাজে মাত্র। - (উত্তেজিত সুরে) তুই আসবি কিনা বল! - আচ্ছা আসছি ওয়েট। - হুম জলদি আয়... এই বলে ফোন রেখে দেয় রিতু।শান্ত চিন্তায় পরে গেল। কি হল মেয়েটার! মনে হচ্ছে বেশ চিন্তায় আছে আর বিরাট বড় সমস্যায় পড়েছে। যাক দেরি না করে বেরিয়ে পড়ল। . সকাল ৮টা ১৫ বেজে গেল ঐদিকে রিতু অপেক্ষা করতে করতে অস্থির। হঠাৎ দূর থেকে দেখে শান্ত দৌড়ে আসছে। আর এসেই হাঁপাতে হাঁপাতে বলল... - কিহ! বল... - শান্ত আমায় নিয়ে চল! (রিতু শান্তর হাত ধরে বলল)[যদিও এটা ছিল রিতুর বানানো মিত্থা গল্প ] - কোথায়?? - যেথায় ইচ্ছা। বাবা আমার বিয়ে ঠিক করেছে। কিন্তু আমি তোকে ভালবাসি। - কি বলছিস এসব? - আমি ঠিকই বলছি। তুই প্লিজ আমাকে কোথাও নিয়ে চল। আমাকে বিয়ে কর। - পাগলামি করিস না। (রিতুর হাত ছেড়ে দিয়ে।) - বিশ্বাস কর আমি তোকে ভালবাসি। আই লাভ ইউ শান্ত। আমি থাকতে পারব না তোকে ছাড়া। - তুই বাড়ি যা। - না যাবনা। - তবে আমিই যাচ্ছি। আমি তোকে ভালবাসিনা। সো ইম্পসিবল। এই বলে শান্ত পিছনে ফিরে সজোরে হাটা দিল। রিতু অনেক জোরে চিৎকার করে ডাকছে তাও শুনলো না। হতাশ মনে রিতু বাড়ি গেল। শান্তর নাম্বারে ফোন দিলে রিসিভ করেনা। এরকম বারবার কল দিয়ে যায় রিতু। হঠাৎ রিতুর নাম্বারে একটা ম্যাসেজ আসে। আর সেটা শান্তর দেয়া। তাতে লেখা..... "পাগলি আমিও তোকে অনেক আগে থেকেই ভালোবাসি। তবে বলতে পারি নাই বন্ধুত্বটা যেন না হারিয়ে যায়। আই লাভ ইউ রিতু....... . তখন রিতু যে কত খুশি হয়ছে তা বলা অসম্ভব। শুরু হলো তাদের বন্ধু থেকে প্রেম। মাস খানিক হওয়ার পর রিতু শান্তকে বলল সেই বট গাছটার নিচে আসতে। শান্ত এসে দেখল যে রিতু অন্য একটি ছেলের সাথে হাত ধরে বসে আছে। কাছে যেতেই রিতু বলে উঠল দেখ শান্ত এই আমার হবু বর। বাবা তার সাথেই আমার বিয়ে ঠিক করেছে । শান্ত তখন কি বলবে বুঝে উঠতে পারছিল না। আসলে তার মনে কোন কুটিলতা ছিল না । সরল মনে সে ভাল বেসেছিল রিতুকে। কিন্ত রিতু এমন করবে সে কল্পনাতে ও ভাবতে পারে নি / বাসায় গিয়েই শান্ত ফোন করে রিতুকে “এই সত্যি বলতো ছেলেটা কে তুমি ফান করছ তাই না। -ফান করতে যাব কেন । অইটাই আমার জামাই হবে ।কাল আমার বিয়ে। -তাহলে আমার সাথে যে এতদিন… -হা হা ওটা ছিল টাইম্পাস তা ও বুঝনা বকা ছেলে তোমাকে বিয়ে করলে তো আমার না খেয়ে থাকতে হবে । তোমার কি আছে হুম। শান্ত কিছু বলতে পারছে না । তার দম বন্ধ হয়ে আসছে । মানুষ এত খারাপ হয় কি করে বির বির করতে লাগল সে । এর পরের দিন ই শান্তর লাশ পাওয়া যায় তার ঘরে ফ্যনের সাথে ঝুলানো । ডাইরিটা শেষ করে সেইদিন ই প্রতিজ্ঞা করেছিলাম যে আমার বন্ধুর মৃত্যুর জন্য দায়ি তাকে ছার দেয়া যাবে না । ওহ বলা হয়নি …। শান্ত আমার এক্মাত্র বন্দু ছিল। ওর সব কিছু আমার সাথে শেয়ার করত । কিন্ত এই প্রেমের কথাটা সে কখনোই বলে নি । তবে তার ডাইরি লেখার সখ ছিল। তাই সব কিছু তার ডাইরিতে লিখে রাখত । ও মারা যাবার প্পর ওর রুমে ওর ডাইরিটা পাই , সেখান থেকেই সব কিছু জানতে পারলাম ।

By kolpobazz

Popular Posts