Main Menu

Wednesday, May 29, 2019

Attention: Don't read this .... পর্ন স্টার [গল্প - ০৪ (স্লেভারি)] [সাইকো] নিজেকে আরেকবার আয়নায় দেখলো আফিয়া । প্রতিবার দেখে নিজের কাছেই তার অন্য রকম রাগছে । বুকের ভেতরে একটা আলাদা উত্তেজনা কাজ করছে । মাঝে মাঝে আফিয়ার নিজের কাছেই সব কিছু কেমন লাগছে । মনে হচ্ছে সব কিছুই যেন একটা ভ্রম । একটু পরেই সব কেটে যাবে । কিন্তু জানে এই ভ্রমটা কাটবে না । গত দিন থেকে শুরু হয়েছে । আফিয়া এরকম ভাবে কোন দিন পোশাক পরে নি । টাইট পোশাক পছন্দ করে না । কিন্তু আজকে সে টাইট পোশাকই পরেছে । তবে এই টাইট পোশাকের কোন তুলনা নেই । অন্তত কোন দিন যে এমন পোশাক যে পরবে সেটাও ভাবে নি । আফিয়া পায়ে পরেছে লম্বা লেটাক্সের সক্স । একেবারে শরীরের সাথে সেটা লেগে আছে । তার উপর চাপিয়েছে হাই বুট । হাতেও পরেছে কালো লেটাক্সের গ্লোভস । ওর শরীরে আর কিছুই পরা নেই । তবে এর জন্য ও মোটেই এসবই নীল র পছন্দের । আফিয়া সত্যিই ভাবতে পারছে না এসব সে করছে । এই নীল কে সে এইভাবে চিনতে পারে নি । নীল বন্ডেজ পছন্দ করে । এটা সে অনেক আগে থেকেই জানে । তবে একদিন যে নীল ওর নিজের স্লেভ হিসাবে আবির্ভুত হবে সেটা ও কোন ভাবেই আশা করে নি । তাও আবার কন্ট্রাক্ট সাইন করে । কন্ট্রাক্টের কাগজটা এখনও টেবিলের উপর রাখা আছে । সেখানে নীল সাক্ষর দেওয়া । যদিও সেটা লোক লিগ্যাল ডোকুম্যান্ট না তবুও স্লেভারি কন্ট্রাক্টটার ভেতরে একটা অন্য রকম কিছু আছে । কাগজটা নীল র উপর কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করেছে । গতকালকে যে কাজটা ও নীল কে করতে বলেছে সেটাই করেছে । ওর এখন নিজের কোন ইচ্ছে নেই । আফিয়া ওকে যা বলবে সেটাই ও করবে । যখন এই বাসায় প্রথম এসে হাজির হল তখন কেবল পরীক্ষা করার জন্যই আফিয়া নীল কে ওর পায়ে চুমু খেতে বলেছিল । খুব নিশ্চিত হয়ে বলেনি । বেশ কয়েকটা ভিডিও দেখেছিলো যেখানে মিস্ট্রেসের পায়ে তাদের স্লেভরা চুমু খায় । সেটা থেকেই বলেছিলো । ভাবতেও পারে নি নীল ওটা করে ফেলবে । তারপর নীল কেবল তাকে বলেছিলো যে আগামী দুই দিন সে একেবারেই আফিয়ার স্লেভ । এই দুই দিনে নীল আর নিজের ভেতরে নেই । এই দুই দিনে নীল র নিজের কোন অস্তিত্ব নেই । তার কেবল একটা পরিচয় যে সে হচ্ছে আফিয়ার একান্ত স্লেভ । এবং এই ব্যাপারে সে কতখানি সিরিয়াস সেটা আফিয়ার বুঝতে কষ্ট হল না । তারপরই সেও নিজেকে তৈরি করে নিল । নীল যা চায় তাই ওকে দেওয়া হবে । তারপরই নীল কে নিয়ে যাওয়া হয় ব্যাজমেন্টে । গত দিন থেকে সে সেখানেই আছে । আজকে তার পানিশমেন্ট শুরু হবে। স্লেভারি কন্ট্রাক্ট টা যখন আফিয়া পড়ছিলো তখনই ওর শরীরের লোম খাড়া হয়ে যাচ্ছিলো । সেখানে স্পষ্ট করেই বলে দেওয়া আছে সে আসলে কি কি করতে পারবে নীল র সাথে । এক কথায় সব কিছু করা অধিকার দিয়ে দিয়েছে । এমন কি যে সেফওয়ার্ড থাকে সেটাও ব্যবহার করা হয় নি । এটা ব্যবহার করার উপায় থাকলে নাকি মজা কমে যায় অনেক । তারপরই সে নির্দেশ দিল নীল যেন তার শরীরের সব জামাকাপড় খুলে ফেলে । কন্ট্রাক্টে লেখাই ছিল যে একজন স্লেভ কখনই কোন পোশাক পরে থাকতে পারবে না । নীল কোন কথা না বলে সাথে সাথেই নিজের শরীরের সব জামা কাপড় খুলে ফেলল । তারপর হাটু গেড়ে বসলো আফিয়ার সামনে বসলো । আফিয়া টেবিলের উপর থেকে একটা স্টিলের কলার নিয়ে এসে নীল র গলাতে লাগিয়ে দিল । এই কলার এখন নির্দেশ করছে যে নীল হচ্ছে একজন স্লেভ । অন্যের অধীন । ওর নিজের সত্ত্বা বলে কিছু নেই । তারপরই আফিয়া ভাবছিলো ওকে নিয়ে কি করা যায় । কিছু সময় চিন্তা করতেই বুঝে গেল ওকে এখন কি করতে হবে । বন্ডেজের সব উপকরন ওরা সাথে করেই নিয়ে এসেছিলো । সেখান থেকে একটা হ্যান্ডকাফ বের করলো । তারপর সেটা দিয়ে নীল র হাত দুটো পেছন দিক দিয়ে আটকে দিল । তারপর গলার কলারের সাথে আরেকটা চেইন লাগিয়ে নীল কে টানতে টানতে নিয়ে এল বাসার বাইরে । বাইরের আলোতে আফিয়ার মনে একটা দুষ্টু বুদ্ধি এল । নীল কে খোলা আকাশের নিচে হাটিয়ে নিয়ে গিয়ে একটা জায়গাতে দাড় করিয়ে রাখলো । তারপর নিজের মোবাইল বের করে অনেক গুলো ছবি তুলল । এভাবেই সারা বাড়ির বাউন্ডারীতে ওকে দিকে কাজ করালো । বলল যেন সব শুকনো পাতা সে পরিস্কার করে । নীল ঠিক তাই করতে লাগলো । পেছনে হাত বাধা অবস্থায় নীল কে অন্য রকম লাগছিলো । সেই সাথে ওর নগ্ন দেহেটা রোডে কেমন চকচক করছিলো । আফিয়া কেবল এক ভাবে তাকিয়ে ছিলো সেদিকে । বিশেষ ঐ অঙ্গের দিকেও চোখ যাচ্ছিলো বারবার । ওর মনে হচ্ছিলো এমন অবস্থায় নীল এমন শান্ত কেমন করে আছে ! তারপরই ওকে নিয়ে এসে বেজমেন্টে বেঁধে রেখেছিলো । সারা রাতে আসে নি ওকে । থাকুক বন্ধ একটু ! আফিয়া সমস্ত বাড়ির দরজা বন্ধ করে দিয়ে নিচে ব্যাজমেন্টে নেমে এল । আসার আগে ব্যাজমেন্টের দরজাটা ভাল করে বন্ধ করে দিল । যতই চিৎকার করে কেউ এখন আর শোনা যাবে না বাইরে থেকে । অবশ্য এই বাসার আশে পাশে খুব একটা বাসা নেইও । গাজীপুরের একটা বাগান বাড়ি এটা । কেয়ার টেকারকে আগেই বাইরে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে । বেজমেন্ট টা অন্ধকার হয়ে আছে । আফিয়া একটা সুইচ টিপ দিল । সাথে সাথে ঘোরের এক কোনে একটা একটা ৬০ পাওয়ারের লাইট জ্বলে উঠলো । ঘরটা খুব বেশি বড় নয় । কোন জানালা নেই । ঘরের মাঝ খানে সিলিং থেকে থেকে একটা দড়ি নিচে নেমে এসেছে । সেই সিলিংয়ে দুই হাত উপর দিক দিয়ে বাঁধা একটা মানুষকে দেখা যাচ্ছে । মানুষটার হাত দুটো শক্ত করে বাঁধা রয়েছে । পা দুটোও শক্ত করে বাঁধা রয়েছে । এই মানুষ টা আর কেউ নয় সেটা হচ্ছে নীল । গতকাল রাতে নিজ হাতে এভাবে বেঁধে রেখে গেছে সে । তারপর নিজের মোবাইল দিয়ে অনেক গুলো ছবিও তুলেছে । এই ছবি গুলো চাইলেই সবার সামনে প্রকাশ করতে পারে । এমন কি ফেসবুকে ওকে ট্যাগ দিয়েও পোস্ট করতে পারে । কন্ট্রাক্টে এমন কিছুই লেখা আছে । এই তিন দিনে ও যা ইচ্ছে করতে পারবে । কোন প্রকার বাঁধা দিতে পারবে না । কোন কিছু বলারও নেই ও । আফিয়া আবার তাকালো নীল র দিকে । নীল র মুখে একটা বল গ্যাগ পরানো রয়েছে। ওর চোখ বাঁধা । আফিয়া ঘরের ভেতরে আসায় নীল জেগে উঠলো । ... কন্ট্রাক্টে এমন কিছুই লেখা আছে । এই তিন দিনে ও যা ইচ্ছে করতে পারবে । কোন প্রকার বাঁধা দিতে পারবে না । কোন কিছু বলারও নেই ও । আফিয়া আবার তাকালো নীল র দিকে । নীল র মুখে একটা বল গ্যাগ পরানো রয়েছে। ওর চোখ বাঁধা । আফিয়া ঘরের ভেতরে আসায় নীল জেগে উঠলো । এতোক্ষন ঘুমিয়েই ছিল । পুরোটা দিন এই ভাবেই এখানে বাঁধা রয়েছে । তাকে কিছু খেতে দেওয়া হয় নি বরং সারা দিন শাস্তি দেওয়া হয়েছে । আজকেও দেওয়া হবে । আফিয়া নীল শরীরের চারিপাশ দেখতে লাগলো । ওর পুরো দেহে তেল চটচট করছে । শরীরে তার কিছু নেই । নীল র বুকের কাছে এবং ওর উরুসন্ধিতে একটা তার লাগানো রয়েছে । গত কালকে ইলেকট্রিক শক দেওয়া হয়েছে । প্রতিবার শক দেওয়ার সাথে সাথে সাথে নীল চিৎকার করে উঠছিল কিন্তু ওর চিৎকার বের হচ্ছিলো না । মুখে গ্যাগ থাকার কারনে চিৎকার শোনা যাচ্ছিলো না । নীল র এই চিৎকার আফিয়া কেমন যেন উপভোগ করছিলো । কেন করছিলো সেটা ও নিজেও বলতে পারবে না, তবে মজাই লাগছিলো ওর কাছে । নীল নিজেও এটা পছন্দ করে । আজকে আফিয়া নিয়ে এসেছে চাবুক । সে কোন কথা না বলেই নীল কে চাবুক দিয়ে মারতে শুরু করলো । সপাং সপাং আওয়াজ হতে শুরু করলো । আওয়াজটার ভেতরে একটা আলাদা মাদকাতা আছে । আফিয়া সেটা বুঝতে পারলো । নীল র সারা শরীরে লাল দাগ হয়ে গেল । প্রতিটি চাবুকের আঘারের সাথে সাথে ওর শরীর কেঁপে কেঁপে উঠছিল । নীল নিজেকে ছাড়ানোর চেষ্টা করছিল কিন্তু ওর কিছুই করার ছিল না । আফিয়া যখন চাবুক মারা বন্ধ করলো তখন নীল আর নিজের ভেতরে নেই । অন্য জগতে চলে গেছে যেন ।। ওর সারা শরীরে লাল দাগ গেছে । পুরো ব্যাপারটা ভিডিও করে করা হয়েছে । এটা পরে নীল কে দেখানো হবে । সেটা দেখেও নিশ্চয়ই নীল তখন মজা পাবে । আফিয়া আস্তে আস্তে নীল কাছে গেল । ওর সারা শরীরে হাত দিতে লাগলো । ওর হাতে ল্যাটাক্সের গ্লোভস তবুও সে ভাল ভাবেই নীল শরীর বুঝতে পারছিল । হাত দিতে দিতে ওর হাত টা ওর উরুসন্ধির কাছে এসে থামলো । আস্তে আস্তে নাড়তে লাগলো । অফিয়ার নিজের কাছে কেমন অবাক লাগছে । ও একটা মানুষের গোপনাঙ্গ নিয়ে খেলছে । হাত দিয়ে নাড়ছে । আস্তে সেটা শক্ত হয়ে আসছে । এমনটা হবে স্বাভাবিক । আফিয়া অনেক ভিডিও তে দেখেছে মেয়েরা এটা মুখে নেয় । ও কোন নেয় নি । কিছুটা সময় সেটার দিকে তাকিয়ে রইলো এক ভাবে । আজকে সে নাড়তে নাড়তে মুখে নিয়ে ফেলল । তারপর সেটা চুসতে লাগলো ! নীল তখন চরম উত্তেজনায় পৌছে গেছে । আর আফিয়া নিজেও যেন আরও মজা পেয়ে গেছে । কত সময় পার হয়ে গেল কেউ বলতে পারবে । একটা সময় আফিয়া উঠে দাড়ালো । তারপর সিড়ির দিকে পা বাড়াতে লাগলো । নীল কিছু বলতে চাইছিলো কিন্তু আফিয়া সেটা শুনতে পেল না । বলগ্যাগের কারনে কোন কথাই ঠিক মত বের হল না । ব্যাজমেন্টের দরজা খুলে, লাইট অফ করে উপরে চলে এল । তারপর দরজা বন্ধ করে দিল । আজকের মত শেষ কাজ । আবার কালকে । এই দিনেও নীল কে কোন কিছু খেতে দেওয়া হবে না । আজকে রাতের পর ওর মুক্ত হয়ে যাবে । ওর কন্ট্রাক্ট শেষ হয়ে যাবে । তখন আর এই কাজ গুলো আর করানো যাবে না । কিন্তু আজকেই যা হল তা যে কোন দিন হবে আফিয়া কোনদিন ভাবতেও পারে নি । এটা ভেবে ভেবে সারা রাত কেটে যাবে আজ । ঘরে এসে শুয়ে পড়লো ।

By kolpobazz

Tuesday, May 28, 2019

Attention: Don't read this .... স্বইচ্ছায় পড়লে আমায় দোষ দিতে পারবেন না। পর্ন স্টার [গল্প - ০৩] [সাইকো] রিয়া কান্না আটকানোর চেষ্টা করছে। খুব চেষ্টা করছে যেন ওর চোখ দিয়ে পানি বের না হতে পারে। কিন্তু সেটা সে কত সময় পারবে রিয়া জানে না। জীবনে ওকে কেউ এভাবে মারে নি যেভাবে সামনের মানুষটা ওকে আঘাত করছে। যদিও সামনের মানুষটাকে ও দেখতে পাচ্ছে না। কারন ওর চোখ কালো কাপড় দিয়ে বাঁধা। সেই সাথে ওর হাত দুটোও দুদিকে শক্ত করে গ্রীলের সাথে বেঁধে রাখা হয়েছে। ও চাইলেও সামনের মানুষটাকে বাঁধা দিতে পারবে না। বলতেও পারবে না কোন কথা কারন ওর মুখের ভেতরে এক গুচ্ছ কাপড় গুজে দিয়ে তারপর কালো টেপ দিয়ে শক্ত করে পেঁচিয়ে রাখা হয়েছে। প্রতিটি আঘাতের সাথে ওর গোঙ্গানীর আওয়াজ ছাড়া আর কিছুই বের হচ্ছে না। পায়ের গোড়ালী দুইটো শক্ত করে এক সাথে করে বাঁধা হয়েছে। নিজের এই অবস্থার জন্য ও নিজেই দায়ী। আজকে রিয়া যে এমন হেল্পলেস অবস্থায় রয়েছে সেটা হয়েছে ওর নিজের ইচ্ছেতেই। হঠাৎ রিয়া বুঝতে পারলো সামনের মানুষটা ওর মুখের চেপ খুলতে শুরু করেছে। রিয়ার মনে হল ও কি কোন ভুল করে ফেলেছে। ওর যে কান্না আসছে সেটা কি সামনের মানুষটা বুঝে ফেলেছে। মুখ খুলে ফেলতেও শুনতে পেল -তোমার আম্মু ফোন দিয়েছে। কন্ঠ স্বাভাবিক করে কথা বল। আমি লাউড স্পিকারে দিয়ে দিচ্ছি। রিয়া বুঝতে পারলো যে অন্য কোন কারনে ওর মুখটা খোলা হয় নি। হাতও খোলা হবে না। রিয়া একটা বিপ আওয়াজ শুনলো। তারপরই মায়ের কণ্ঠস্বর শুনতে পেল। -রিও, তুই ঠিক আছিস? রিয়া নিজেকে যথা সম্ভব স্বাভাবিক রেখে বলল -আম্মু আমি ঠিক থাকবো না কেন? আজিব তো? আমি বাসা থেকে পালিয়ে যাই নি। আদিবার বাসায় এসেছি। আম্মু বলল -আরে এমন রাগ করিস কেন? -তুমি এমন প্রশ্ন কেন কর? -আচ্ছা আর করবো না। রাতের খাবার হয়েছে? -হুম। -ভাল ভাবে থাকিস। আর দরকার হলেই ফোন দিস। ফোন রাখার আগে রিয়ার খুব করে ইচ্ছে হল মাকে চিৎকার করে বলে যে ওকে এখান থেকে নিয়ে যায় কিন্তু সেটা বলল না। ইচ্ছেটাকে শক্ত করে দমন করলো। অনেক দিন পর এমন একটা সুযোগ এসেছে আর হয়তো আসবে না কোন দিন। ফোন রাখার আওয়াজ হল। তারপর আবার রিয়ার আবার সেই কান্না আসতে লাগলো। রিয়া শুনতে পেল -পানি খাবে? রিয়া কিছু বলল না কেবল মাথা ঝাঁকালো। কিছু সময় পরে ওর মুখে একটা বোতলের স্পর্শ পেল। বেশ কিছুটা পানি পান করে নিল ও। তারপর আবারও ওর মুখের ভেতরে সেই কাপড়ের দলাটা গুজে দেওয়া হল। এবং তারপর কালো টেপ দিয়ে শক্ত করেই পেঁচানো হল মুখটা যেন কোন আওয়াজ না বের হতে পারে। রিয়া কেমন করে এসবের ভেতরে পরলো ও বলতে পারবে না। ওর শুধু মনে আছে তিন মাস আগে ওর ওয়াটপ্যাডে একটা গল্প খুজে পায় যেখানে একটা মেয়েকে শক্ত করে দড়ি দিয়ে বেঁধে অত্যাচার করা হয়। এবং সেটা করা হয় মেয়েটার ইচ্ছেতেই। প্রথম প্রথম ব্যাপারটা জানতে পেরে ও অবাকই হয়েছিল। এমনও মানুষও হয় নাকি। তারপর সেই গল্পের লেখকের সাথেই কথা হয়। একটু সংকোচ হচ্ছিলো তবে সব সংকোচ দূর করে কথা গুলো জিজ্ঞেস করেই ফেলল। তখনই সব জানতে পারলো। সেই দিন অনেক কথা হল দুজনের মাঝেই। সেদিনই সে বিডিএসএম, স্যাডিস্ট, বন্ডেজ সম্পর্কে জানতে পারলো। তার আগ্রহ যেন আরও দ্বিগুন বেড়ে গেল তারপর থেকেই রিয়ার মাথার ভেতরে অন্য কিছু ছিল না। গল্প গুলো বারবার পড়তে লাগলো। নিজেকে ঐ গল্পের মেয়ে গুলো হিসাবে কল্পনা করতে লাগলো। রাতে ঘুমানোর সময় নিজের পা শক্ত করে বেঁধে নিয়ে ঘুমাতে লাগলো। চোখ মুখও বেঁধে নিত কিন্তু ঠিক হাত বাঁধতে পারতো না বলে শান্তি পেত না। তারপরই সে ঐ লেখককে আবার নক দিল। তাকে বলল যে সে তার স্লেভ হতে চায়। তার লেখা গুলো তার মাথায় এমন ভাবে ঢুকে গেছে যে সেটা যতক্ষণ না ট্রাই করছে ততক্ষণ তার শান্তি নেই। কিন্তু সেই লেখক কিছুতেই রাজি হচ্ছিলো না। কারন রিয়া সবে মাত্র এসএসসি পরীক্ষা দিয়েছে। এসব কিছু আঠারো বছর না হলে কিছুতেই ট্রাই করা যাবে না। কিন্তু নাছোড়বান্দা। সে শুনবেই না। তাকে তার স্লেভ বানাতেই হবে। শেষ এক পর্যায়ে সে রাজি হয়। তবে বলে যে এখন কেবল অনলাইনেই তার মাস্টার হবে সে। তারপর ১৮ পার হওয়ার পরে সরাসরি যোগাযোগ করবে। তারপর থেকেই রিয়ার জীবনটা অন্য রকম হয়ে যায়। আগে একটা সময় ও বুঝতে পারতো যে ওর জীবনে যেন কি এক টা জিনিস মিসিং। কিন্তু সেটা কি সেটা রিয়া বুঝতে পারতো না। এই জীবনট। বেঁছে নেওয়ার পরপরই সে বুঝতে পারে যে এটাই তার জীবনে দরকার ছিল। কিন্তু সেটাতেও যেন মন ভরছিল না ওর। সত্যি কারের বিডিএসএম এক্সপিরিয়েন্স নেওয়ার জন্য ও মুখিয়ে ছিল। ঠিক সেটা বাস্তবে পরিনত করতেই যেন সুযোগ টা চলে এল। ওর কাছের এক বান্ধবীর বাবা মা হঠাৎ করেই ঢাকার বাইরে যাওয়ার দরকার হল। তাই রিয়া কে বলল যেন রাতে গিয়ে থাকে ওর বাসায়। রিয়া সুযোগ পেয়ে গেল। রিয়া বাসা থেকে বের হল কিন্তু গেল তার ডমিনেন্ট লেখকের বাসায় আর আদিবা তার বয়ফ্রেন্ডকে নিয়ে এল বাসায়। সবাই খুশি। যদি রিয়ার বাবা মা আদিয়ার বাসাতে ফোনও দেয় তাহলে আদিবা বলবে সে ও সেখানেই আছে। প্রথম প্রথম রিয়ার একটু ভয়ই করছিল। কারন মানুষটার সাথে এর আগে মাত্র একবার দেখা হয়েছে। তবে রিয়া তাকে ১০০ ভাগ বিশ্বাস করে। কারন মাঝে মাঝেই তাদের ভিডিও চ্যাট হত। সেখানে রিয়াকে আসতে হত কোন প্রকার কাপড় ছাড়াই। কারন একজন স্লেভের কোন কাপড় পড়ার অনুমুতি ছিল না। কিন্তু তার পরেও সেগুলো ছিল দূর থেকে। আজকে যা হতে চলেছে তা হবে সরাসরি। তার বাসায় এসে রিয়ার ভয়টা যেন আরও একটু বেড়ে গেল। বারপবার ইচ্ছে করছিলো দৌড়ে চলে যেতে। কিন্তু সেই সাথে সে খুন উত্তেজিত ছিল। কিভাবে তার স্বপ্ন পূরন হতে চলেছে। স্বাভাবিক ভাবেই কথা বার্তা বলছিল সে। রিয়ার মনের ভয় দূর করার চেষ্টা করছিল। যখন সময় আসলো সে বলল -আরেক বার ভেবে দেখ। রিয়ার কিছু সময় চুপ করে থেকে বলল -আমি ভেবেছি। -তোমার যদি কিছু হয়ে যায় আমার কিন্তু খবর আছে। কতদিন জেল খাটবো নিজেও জানি না। রিয়া হাসলো। তারপর বলল -এই জন্য জানি আপনি আমালে দেখে রাখবেন। সে আবার বলল -তাহলে সেফ ওয়ার্ড নিতে চাও না? -না। ওটা নিলে আমি পরিপূর্ণ ভাবে উপভোগ করতে পারবো না। কেবল দেখবেন যে এমন কোন জায়গায় কোন দাগ না পড়ে যেটা পোশাক দিয়ে ঢেকে রাখা না যায়। ঠিক আছে? -তুমি কিন্তু তোমার জীবনটাই আমার হাতে তুলে দিচ্ছো! -আমি জানি। তারপরেই কাজ শুরু হয়। রিয়াকে অন্য একটা ঘরে নিয়ে গেল সে। রিয়া পোশাক বদলে একটা টিশার্ট আর লেগিংস পরেছিল। ও বলেছিল ওর পক্ষে নিজেকে নগ্ন করা সম্ভব হবে না। তাই যখন ওকে বাঁধা হবে তখন কাজটা সেই করে। সে রাজি হয়েছিল। রিয়াকে যে ঘরে নিয়ে এল সে, সেটার ভেতরে কোন আসবার পত্র নেই। নেই কোন ফ্যান। ফ্যান ঝুলানোর স্থান থেকে একটা দড়ি ঝুলছে। রিয়া সেই দড়ির দিকে ভয়ে ভয়ে তাকালো। তারপএ রিয়াকে জানালার গ্রিলের কাছে নিয়ে যাওয়া হল। ওর হাতটা দুদিকে নিয়ে শক্ত করে টানটান করে বেঁধে ফেলা হল। তারপর পা দুটো শক্ত করে এক সাথে বাঁধা হল। চোখে বাঁধা হল কালো কাপড় এবং মুখে কাপড় গুজে টেপ দিয়ে শক্ত করে পেঁচিয়ে বাঁধা হল। বাঁধা শেষ রিয়াকে কিছু সময় ওভাবেই রেখে দেওয়া হল। তারপরই রিয়া অনুভব করলো একটা কেঁচি দিয়ে ওর শরীরের পোশাকটা কেটে ফেলা হচ্ছে। সম্পূর্ন কাজটা করতে মিনিট খানেক লাগলো। এই সময়ে রিয়ার পুরো শরীর যেন আন্দোলত লাগলো। যখন ওকে পুরো নগ্ন করে ফেলা হল রিয়ার অনুভূতিটা ছিল অন্য রকম। কিছু পরে ওর শরীরে কিছু একটা ঢেলে দিল সে। রিয়া জানে এট। একটা বন্ডেজ ওয়েল। এর ফলে খুব একটা দাগ পরেনা শরীরে তবে ব্যাথা ঠিকউ লাগে। তারপরই সেই সময় এল। ও বেতের আওয়াজ পেল। যেন সেটা বাতাস কেটে আওয়াজটা করছে। জানে এখনই ওর শরীরে আঘাত করবে। ও জানে এখনই আসবে কিন্তু কখন সেটা জানে না। তারপর আঘাত টা এল। ওর পায়ের উপর। তীব্র একটা যন্ত্রনা পুরো শরীরে নয়ে গেল। নিজেকে ছাড়ানোর জন্য চেষ্ট। করলো কিন্তু কোন কাজ হল না। এরপর বেতের আঘাত একের পর এল আসতেই লাগলো। রিয়ার একটা সময় মনে হল ও আর সহ্য করতে পারবে না। কিন্তু জানে যত সময় না সে সন্তুষ্ট হবে তত সময় এটা চলবেই। একটা সময় বেতের আঘাত শেষ হল। তারপর রিয়াকে আঘাত শুরু জক ফ্লোগার দিয়ে। বুকের স্তন দুটো লাল হয়ে গেল ফ্লোগারের আঘাতে। নিজেকে চরম।পর্যায়ে নিয়ে গেল। নিজেকে ছাড়ানোর চেষ্টা করলো তারপর চিৎকার করতে চাইলো কিন্তু কিছুই করতে পারলো না। তারপর রিয়ার হাত দুটো খুলে দেওয়া হল। এবং তাকে দেওয়ালের দিকে মুখ করে বাঁধা হল। ফলে রিয়া পিঠ আর নিতম্ব উন্মুক্ত। রিয়া এবার জোরে জোরে দম দিতে লাগলো। ওর সহ্যের সীমায় পৌছে গেছে। আর কত সময় সে সহ্য করতে পারবে সে জানে না। তারপরেই আবারও আঘাত শুরু হল। রিয়া এবার সত্যি সত্যি চাইলো যে সব থামে কিন্তু সেটা আর হল। আঘাতের পর আঘাত চলতেই লাগলো। কয়েক স্থানে কেটে গেল। রক্ত বের হয়ে গেল তবুও থামলো চাবুক। যখন থামলো তখন রিয়া চেতনা হারিয়ে ফেলেছে। সকালে যখন রিয়ার ঘুম ভাঙ্গল তখন বেশ বেলা হয়ে গেছে। রিয়া চোখ মেলে বুঝতে পারলো ও তখনও বেঁচে আছে। একটু নড়তে গিয়েই টের পেল ওর পুরো শরীরে প্রচণ্ড ব্যাথা। পাশ ফিরতেই দেখলো পাশের টেবিলে গরম কফির কাপ থেকে ধোয়া উড়ছে। আর নাস্তা ঢাকা রয়েছে। সেখানে একটা নোট রাখা। রিয়া যত সময় ইচ্ছা থাকতে পারে এখানে সে অফিস যাচ্ছে। আর সবার শেষে লেখা গতকাল সে ছিল আনেইজিং। সে নিজেও আশা করে নি যে রিয়া এতো দূর পর্যন্ত যেতে পারবে। রিয়া সত্যি নিজের আসল সত্ত্বা কে যেন খুজে পেয়েছে। গত কাল রাতের কথা মনে হওয়ার সাথে সাথে বারবার কেঁপে উঠছে। সেই সাথে একটা অন্য রকম অনুভূতি হচ্ছে, যে অনুভূতির কোন তুলনা নেই।

By kolpobazz

Monday, May 27, 2019

স্বপ্নে দেখলাম আমার বেস্টু আমারে Eid sopping এর জন্য টাকা দিছে♥ তাই নিয়া আমি লাফাইতাছি,, কিন্ত লাফালাফির ফলে ঘুম ভাঙার পর মনে হইল আমার কোন বেস্টু ই নাই।😭😭😭😭 বালের কফাল,,,

By kolpobazz

Attention: Don't read this .... স্বইচ্ছায় পড়লে আমায় দোষ দিতে পারবেন না। পর্ন স্টার [গল্প - ০২] [সাইকো] ঘরের মাঝে আর কোন আসবার পত্র নেই। কেবল ঘরের মাঝে একটা মেডিক্যাল বেড রাখা। তার উপরে নিশাত শুয়ে আছে। আরও ভাল করে বললে ওকে শুইয়ে রাখা হয়েছে। মেডিক্যাল বেডের সামনের দুই স্টান্ড থেকে দুটো দড়ির সাথে নিশাতের দুই হাতের কব্জির সাথে বাঁধা এবং এটাতে নিশাতের দুটো হাত দুই দিকে টান টান করে রয়েছে। ও কেবল নিজের কব্জিটা নড়াতে পারছে। দুপায়ের গোড়ালি দুটোও ঠিক একই ভাবে বাঁধা। নিশাত বেডের উপর শুয়ে আছে খানিকটা ইংরেজি এক্স অক্ষরের মত করে। এবার নিশাতের দিকে আরও ভাল করে নজর দেওয়া যাক। নিশাত চোখে কিছু দেখতে পারছে না। কালো টেপ দিয়ে ওর চোখের উপর দিয়ে কয়েক লেভেল প্যাঁচানো হয়েছে। ওর মুখে একটা কালো বল গ্যাগ দিয়ে আটকে দেওয়া হয়েছে। গ্যাগটা খানিকটা রাবার দিয়ে তৈরি। ওর মুখের সাথে শক্ত করে আটকে আছে। এছাড়া নিশাতের শরীরে বাড়তি কিছু নেই। পুরোপুরি নগ্ন হয়ে শুয়ে আছে ও বেডের উপর। জোড়ে জোড়ে নিঃশ্বাস নিচ্ছে। হাঁপাচ্ছে। একটু আগে ওর যে ঝড় বয়ে গেছে তাতে শান্ত হতে ওর আরও কিছু সময় লাগবে। নিশাত কোনদিন ভাবে নি ও জীবনে এমন কিছু এক্সপিরিয়েন্স করবে। বাউন্ড গ্যাংব্যাং ওর সাথে একটু আগে ঘটে গেছে। এতোদিন সে এসব দেখেছে ফোন এবং ল্যাপ্টপের স্ক্রিনে আজকে সেটা ঘটেছে তার সাথেই । ওরা মোট চারজন ছিল। একে একে চারজন এসেছে আর গেছে। দুজনের পরেই নিশাতের দম বন্ধ হয়ে আসছিলো। চিৎকার করে থামতে বলতে চাইছিল কিন্তু মুখ আর চোখ বাঁধা থাকার কারনে কিছুই বলতে পারে নি। সহ্য করে গেছে কেবল। চারজনের একজনকে সে খুব ভাল করেই চিনে। আদিব। ওর খুব কাছের বন্ধু। একই সাথে পড়াশুনা করে। যে ফ্ল্যাটে ও এখন আছে এটা আদিবেরই ফ্ল্যাট। কিন্তু বাকি তিনজন যে কে সেটা ও বলতে পারবে না। আদিবের কয়েকজন বন্ধুর সাথে ওর দেখা হয়েছে তবে বাকি তিনজন যে তাদের ভেতরের কেউ সেটা ও জানে না। নিশাতের এই সব কিছু করার কথা না। মধ্যবিত্ত ঘরের মেয়ে সে। এসব কিছু করার কথা চিন্তাও করতে পারার কথা না। কিন্তু ও শুরু থেকেই একটু অন্য রকম। অন্য সব মেয়ের মত করে সে চিন্তা করে না । এসবের শুরু হয়েছিলো যখন ওর হাতে নতুন ফোন আসে। তখন সবে মাত্র এসএসসি পরীক্ষা দিয়েছে। নতুন একটা মোবাইল ফোন এসেছে হাতে। সেটাতেই ব্রাউজ করতে করতে একদিন একটা ছবি দেখতে পেল। ছবিতে একটা মেয়ের হাত পা বেঁধে সেক্স করা হচ্ছে। মুখে একটা গ্যাগ পরানো ছিল। ছবিটার দিকে এক ভাবে তাকিয়ে রইলো কেবল। পুরো শরীর জুড়ে একটা শিহরণ অনুভব করলো। সেই থেকে শুরু এই ব্যাপারটার উপর আগ্রহ। ইন্টারনেতে এই বিডিএসএম, বন্ডেজ সম্পর্কে যা যা পেত সব পড়ে ফেলতো, আস্তে আস্তে এই ব্যাপারে সব কিছু জানতে শুরু করে। ঢাকায় আসার পরে সেই পরিধিটা আরও যেন বেড়ে গেল কিন্তু তখন তার মাঝে একটা সংকোচ কাজ করতো সব সময় । আশে পাশের মানুষ গুলোকে সে দেখতো আর জানতো যে সে যা পছন্দ করে তারা এই দেশের মানুষ পছন্দ করবে না । তাই নিজের ভেতরে সব কিছু লুকিয়ে রেখেছিলো । তবে অনলাইনেই তার কাজ কর্ম চলতো । সে একটা ফেইক আইডি খুলেছিলো তার মনের এই সব কথা লেখার জন্য । সেখানে অনেকেই তার সাথে কথা বলতে চাইতো দেখা করতে চাইতো কিন্তু নিশাত জানতো যে এরা আসলে তার কাছে কি চায় । তাই খুব একটা পাত্তা দিতো না । তখনই তার জীবনে আদিব এল । খুব অল্প দিনেই আদিবের সাথে ওর ভাব হয়ে গেল । ভালবাসা না কারন আদিবের আগে থেকেই একটা গার্লফ্রেন্ড ছিল তবে আদিব ওকে খুব পছন্দ করতো বন্ধু হিসাবে । ও নিজেও আদিবকে পছন্দ করতো । সেইদিনটার কথা ওর পরিস্কার মনে আছে । সেদিন ওর জন্মদিন ছিল । আদিব ওকে ডেকে নিয়ে যায় ওর ফ্ল্যাটে । ঢাকাতে নিজের একটা ফ্ল্যাটেই থাকতো সে একা । ওর বাবা মা দুইজনেই দেশের বাইরে থাকে । সেও কদিন পরে চলে যাবে সেখানে । সেদিন নিশাত পরেছিলো একটা সাদা রঙের লেগিংস আর শর্ট কামিজ । সাথে লাল ওড়না । আদিবের বাসায় গিয়ে দেখে সেখানে সে ছাড়া আর কেউ নেই । ওর জন্য কেকের ব্যবস্থা করা হয়েছে । দুজন মিলে কেক কাটলো । তারপর আদিব ওর জন্য একটা গিফট প্যাকেট বের করে দিলো । সেটা খুলতেই নিশাতের পুরো শরীর কেঁপে উঠলো । সেখানে ছিল একটা লাল রঙের বল গ্যাগ একটা স্লেভ কলার আর একটা হ্যান্ডকাফ । ও কেবল অবাক হয়ে তাকালো আদিবের দিকে । আদিব তখন মিটমিট করে হাসছে ওর দিকে তাকিয়ে । নিশাত কোন দিন আদিবকে ওর এই গোপন পছন্দের কথা বলে নি লজ্জায় । তাহলে ও কিভাবে জানলো ? যেন ওর মুখের কথাই বুঝতে পারলো । বলল, জানি তুমি আমাকে কিছুই বল নি তবুও আমি কিভাবে জানলাম ? একদিন তোমার ফোনে দেখেছিলাম । একটা গ্যালারি ভর্তি কেবল এই সব ছবি । তখনই বুঝতে পেরেছিলাম । ভাবছিলাম তোমাকে একটা সারপ্রাইজ দেব ! নিশাত কি বলবে বুঝতে পারলো না । খুব সংকোচ নিয়ে বলল, সো তুমি মনে কর না যে আমি অদ্ভুদ কিংবা উইয়ার্ড ? আদিব বলল, কেন ? তুমি এই বন্ডেজ পছন্দ কর বলে ? মোটেই না । আমাদের সবারই নিজেস্ব পছন্দ আছে আর সেটা আমাদের শ্রদ্ধা করা উচিৎ । নিশার কি বলবে ঠিক বুঝতে পারলো না । হঠাৎ করেই আদিবকে জড়িয়ে ধরলো । আদিব হাসলো তারপর বলল, কি ট্রাই করতে চাও না ? নিশাত বলল, আমার লজ্জা লাগবে ! আরে রাখো তোমার লজ্জা । দেখি আমি পরিয়ে দেই । এই বলে প্রথমেই গলাতে পরালো স্লেভ কলারটা । তারপর হাতটা পেছন দিক দিয়ে হাতে হ্যান্ডকাফ দিয়ে আটকে দিলো । এর পর ওর মুখে বলগ্যাগ দিয়ে আটকে দিলো । তারপর ওকে নিয়ে গেল আয়নার সামনে । টান দিয়ে ওর ওড়ণাটা সরিয়ে ওকে দাড় কড়াল আয়নার সামনে । নিশাত কি করবে ঠিক বুঝতে পারছিল না । ওর পুরো শরীর জুড়ে একটা তীব্র উতলা ভাব কাজ করছে । প্রথম বারের মত এসব পরেছে । নিজকে ঠিক রাখতে পারছে না । তীব্র একটা লজ্জাও লাগছে আদিবের সামনে । মুখ লাল হয়ে গেছে । তাকাতে পারছে না আদিবের দিকে । আদিব বলল, এতো লজ্জা পাচ্ছো কেন শুনি ? আজকে তোমাকে আমি মজা দেখাবো । নিশাত কিছু বলতে গেল কিন্তু সেটা পারলো না বলগ্যাগ মুখে থাকার কারনে । আদিব বলল, শুনো আমি এখন একটা বাইরে যাবো । তোমাক এখানে এভাবেই রেখে যাবো । একা একা থাকো কিছু সময় । তাহলে নিজের ভেতরে কিছুটা শান্ত হয়ে যাবে । তবে আজকে তোমাকে আর ছাড়বো না । সারা রাতই তোমাকে এইভাবে থাকতে হবে । বুঝেছো । আর আজকে তুমি হচ্ছো আমার স্লেভ । আমি যা বলবো তাই করতে হবে । নিশাত কেবল তাকিয়ে রইলো । আদিব নিজের মোবাইল বের করে বেশ কিছু ছবি তুললও ওর । তারপর ওকে রেখে বের হয়ে গেল । দরজাতে তালা দেওয়ার আওয়াজ পেল ও । আদিব যাওয়ার পরেই নিশাত বুঝতে পারলো এতোদিন ও যা চেয়েছে তাই হচ্ছে ওর সাথে । ও এখন একটা ঘরে বন্দি ওর হাত বাঁধা, মুখে বলগ্যাগ দেওয়া এবং ওর গলাতে কলার পরানো । মুখের বলল গ্যাগটা একটা টাইট করে পরানো হয়েছে । একটু ব্যাথা করছে । তবে সেটার থেকেও অনুভূতিটা ওর কাছে বেশি বড় । ফ্ল্যাটের মাঝে কিছু সময় ও হাটাহাটি করলো । কি করবে বুঝতে পারছে না । আয়নায় নিজেকে আরও ঘুরিয়ে ফিরিয়ে দেখলো আরও কিছু সময় । তখনই ওর মনে হল এখন যদি ওর শরীরে কিছু না থাকতো তাহলে হয়তো ব্যাপারটা অন্য রকম হত ! চিন্তা মনে হতেই নিজের শরীরের ভেতরে আরও একটা তীব্র একটা শিহরণ বয়ে গেল । নিশাত এইবার ঐ অবস্থায় খুব ধীরে বারান্দার দিকে গেল । একটু গিয়েই আবার ফিরে এল সাথে সাথে । যদি কেউ দেখে ফেলে ওকে এইভাবে তাহলে । এই দেখে ফেলার অনুভূতিটা আরও বেশি তীব্র । মানুষের নগ্ন হওয়ার থেকেও কেউ তাকে নগ্ন অবস্থায় দেখে ফেলবে এই ভাবনা বেশি দোলা দেয় । নিশাতকেও দিলো তাই । আদিব এলো আরও ঘন্টা দুয়েক পরে । -কেমন কাটলো ? নিশাত বলতে গেল কিছু কিন্তু বলতে পারলো না । মুখে বলগ্যাগ দেওয়া রয়েছে । আদিব খুলতে গিয়েও খুললো না । তারপর বলল, আজকে তোমার জন্মদিন যেহেতু আজকে তোমার জন্য আলাদা ট্রিটমেন্ট ! নিশাত বলতে চাইলো, মানে ? কিন্তু বলতে পারলো না । আদিব ওকে ধরে বিছায় বসিয়ে দিল তারপর ওর ঠিক পা দুটো ধরে ওকে বিছানায় শুইয়ে দিল । নিশাত বুঝতে পারলো ওর সাথে এখন কি হতে চলেছে । একবার মনে হল ও প্রোটেস্ট করবে কিন্তু বুঝতে পারলো যে ওর প্রোটেস্ট করার কোন উপায় নেই। ওর হাত পেছন দিয়ে আটকানো, চাইলেও পারবে না । মুখে গ্যাগ আছে কিন্তু চিৎকার করতে পারবে না । লেগিংসটা খুলে ফেলল । নিশাত জোরে জোরে নিঃশ্বাস নিতে লাগলো । তারপর আসল কাজটা করলো । নিশারের জামাটা খুলে ফেলল । নিশাত চুপ করে রইলো চোখ বন্ধ করে । ও কি করবে বুঝতে পারলো না । আদিব তখন ওর কানের কাছে এসে বলল, এখন কি চাও আমি আগে যাই, যদি না চাও সব থেমে যাবে এখন । চাও ? নিশাত কি বলবে বুঝতে পারলো না । কিন্তু আপনাআপনিই ওর মাথাটা ডানে বাঁয়ে চলে কয়েকবার । ও থামতে চায় না। জীবনে প্রথম বারের মত সেক্স করলো আদিবের সাথে । হাত বাঁধা অবস্থায় এবং মুখে গ্যাগ থাকা অবস্থায় । এটা যেন ওর স্বপ্ন সত্যি হয়ে গেল । সকালে যখন নিশাতের ঘুম ভাঙ্গলো দেখতে পেল ও ঠিক একই ভাবেই রয়েছে। রাতের পরে ওকে আর খুলে দেয় নি। ওভাবেই ছিল। সকালে উঠে প্রথমে নিজেকে আয়নাতে ঘুরিয়ে ফিরিয়ে দেখতে লাগলো। ওর নিজের কাছে অদ্ভুদ লাগছে। ও কোনদিন ভাবে নি এরকম ওর কাছে কোনদিন কিছু হবে। কিন্তু হয়েছে। তারপর থেকেই আদিবের বাসায় নিয়মিত আসা যাওয়া শুরু হল ওর। সপ্তাহে অন্তত একদিন নয়তো সে আসতোই। আর যতই দিন যেতে লাগলো নিশাতের সাহস ততই বেড়ে চলল। একটা সময় ও আদিবের বাসায় এসে আর কোন কাপড় গায়ে রাখতো না। একই ভাবে হাতে হ্যান্ডকাফ আর পায়ে লেগ কাগ পরতো। গলায় কলার আর বল গ্যাগ। একদিন আদিব ওকে বারান্দায় নিয়ে গিয়ে বেঁধে রাখলো। ঐদিন ওর খুব বেশি ভয় লাগছিলো যদি কেউ ওকে দেখে ফেলে। সেদিনও ওর মনে আলাদা একটা অনুভূতি হয়েছিলো। উত্তেজনাকর অনুভূতি। তারপরই একদিন আদিবকে বলল যে আরও ভয়ংকর কিছু করতে চায়। তারপরই ওকে আজকে এখানে এই কাজটা করলো। ওকে বেডের সাথে বেঁধে রাখার পর আদিবরা মোট চার জন একে একে এসে ওর সাথে সেক্স করেছে। নিশাত এসবই ভাবছিল। এতো সময়ে ওর মন একটু শান্ত হয়ে এসেছে। ঠিক এমন সময় দরজা খুলার আওয়াজ হল। আবারও শুরু করবে নাকি? নিশাত কিছু বলতে চাইলো কিন্তু ওর কিছু বলার উপায় নেই। একটু নড়াচড়া করলো বটে কিন্তু তাতেও খুব একটা লাভ হল না। নিশাত অনুভব করলো কেউ ওর শরীরের উপরে উঠে বসেছে। ওর চোখ আগে থেকেই বাঁধা সে কিছুই দেখতে পারছে না। তবে এটা বুঝতে পারলো যে ওর উপরে নতুন করে উঠেছে সে একজন মেয়ে। মেয়েটি কে নিশাত জানে না। তবে নিশ্চয়ই আদিবের পরিচিত। নিশাত অনুভূব করলো মেয়েটির হাত ওর পুরো শরীরের উপর ঘুরে বেড়াচ্ছে। তবে হাতের অনুভূতি টা ঠিক চামড়ার মত নয়। নিশাত বুঝতে পারলো মেয়েটা লেটাক্সের গ্লোভস পরে আছে। পায়ের দিক থেকেও একই অনুভূতি হচ্ছে। তার মানে মেয়েটি পায়েও লেটাক্সের লম্বা লেটাক্সের সকস পরে আছে। একেবারে মুভিতে দেখা মিস্ট্রেসদের মত। মেয়েটি এবার নিশাতের মুখের বলগ্যাগ খুলে দিল। তবে মুখে হাত দিয়ে কিছু বলতে নিষেধ করলো। নিশাত কিছুই বললো না। কেবল জোরে জোরে নিঃশ্বাস নিতে লাগলো। নিশাত অনুভব করলো এরপর মেয়েটি ওর উপর শুয়ে পরলো। পায়ের উপরে পা, শরীরের উপরে শরীর, ওর ব্রেস্টের উপর মেয়েটির ব্রেস্ট এসে পরেছে। তারপর ওর হাত দুটোর উপর মেয়েটির হাত দুটো রাখলো। আঙ্গুলের ভেতরে আঙ্গুল দিয়ে মেয়েটি ওর হাত চেপে ধরলো। তারপর নিশাতকে চুমু খেতে লাগলো। নিশাত নিজের মেয়েটির হাত শক্ত করে ধরেছে। কাঁপছে। সে নিজেও মেয়েটিকে চুমু খেতে শুরু করেছে। নিজের উত্তেজনার সর্বোচ্চ পৌছে গেছে সে। পরিশিষ্ট ঘন্টা দুয়েক পরে। নিশাতকে আনা হয়েছে ড্রয়িং রুমে। নিশাত এখন অনেকটাই শান্ত। তবে এখন ওর খুব বেশি লজ্জা লাগছে। কারন এখনও ওর শরীর কোন কাপড় নেই। ঘরে ও ছাড়াও আরও পাঁচ জন মানুষ আছে। সবাই আড্ডা দিচ্ছে, হাসি ঠাট্টা করছে। ওর অস্বস্তি লাগছে। ওর হাতটা এখন পেছন দিক দিয়ে হ্যান্ডকাফ দিয়ে আটকানো। গলাতে কলারটা লাগানো আছে। -নিশাত কেমন লাগছে? কথাটা বলল আশিরা। আদিবের বন্ধু। মেয়েটাকে দেখে নিশাত অবাকই হয়েছে। এখনো মেয়েটা লম্বা লেটাক্সের গ্লোভস পরে আছে। টপস আর স্কার্ট পরে আছে। নিশাত বলল, আমি কোন দিন ভাবি নি এইকাজটা আমি করতে পারবো। কিন্তু তুমি পেরেছো আর খুব ভাল ভাবেই। আদিব বলল, শুনো তোমার পুরো ভিডিওটা আমরা এখন নেটে ছেড়ে দিব। নিশাত অবাক হয়ে বলল, কি বলছ? না না না। আশিরা বলল, আরে চিন্তা কর না, তোমার চোখে কালো টেপ দিয়ে আটকানো ছিল, মুখে গ্যাগ, কেউ চিনবে না। আর যখন ভিডিও করা হয় তখন এমন ভাবেই করা হয়েছে যাতে চেনা না যায়। সো টেনশন নিও না। নিশাত একটু অবাক হল। তার মানে সব সময়ই ঐ রুমে কেউ ছিল। নিশাত বলল -কিন্তু তোমাদেরকে চেনা যাবে যে। -না। ওরা সবাই মাস্ক পরেছিল তাই সমস্যা হবে না। শুনো তোমাকে নিয়ে আমাদের আরও প্লান আছে। এরপর তোমাকে নিয়ে গাজিপুরে যাবো। খোলা স্থানে কিছু স্যুট করবো। বুঝেছো? নিশাত মাথা নাড়ালো। ও যে এমন কিছু করবে জীবনে কি ভেবেছিলো। যেদিন প্রথম এই বন্ডেজের উপর আগ্রহ জন্মেছিল সেদিন কি ঘুরাক্ষণেও টের পেয়েছিল এমন কিছু তার জীবনে ঘটবে! এমন ভাবে কল্পনা বাস্তব হয়ে যাবে ভাবতে পেরেছিলো কি! জীবনে এমন অনেক কিছুই ঘটে যা কল্পনাকেও হার মানায়। নিশাতের জীবনেও তেমন কিছু হয়েছে, সামনে আরও হতে চলেছে। তবে সেটা অন্য কোন গল্প।

By kolpobazz

Attention: Don't read this .... স্বইচ্ছায় পড়লে আমায় দোষ দিতে পারবেন না। পর্ন স্টার [গল্প - ০২] [সাইকো] ঘরের মাঝে আর কোন আসবার পত্র নেই। কেবল ঘরের মাঝে একটা মেডিক্যাল বেড রাখা। তার উপরে নিশাত শুয়ে আছে। আরও ভাল করে বললে ওকে শুইয়ে রাখা হয়েছে। মেডিক্যাল বেডের সামনের দুই স্টান্ড থেকে দুটো দড়ির সাথে নিশাতের দুই হাতের কব্জির সাথে বাঁধা এবং এটাতে নিশাতের দুটো হাত দুই দিকে টান টান করে রয়েছে। ও কেবল নিজের কব্জিটা নড়াতে পারছে। দুপায়ের গোড়ালি দুটোও ঠিক একই ভাবে বাঁধা। নিশাত বেডের উপর শুয়ে আছে খানিকটা ইংরেজি এক্স অক্ষরের মত করে। এবার নিশাতের দিকে আরও ভাল করে নজর দেওয়া যাক। নিশাত চোখে কিছু দেখতে পারছে না। কালো টেপ দিয়ে ওর চোখের উপর দিয়ে কয়েক লেভেল প্যাঁচানো হয়েছে। ওর মুখে একটা কালো বল গ্যাগ দিয়ে আটকে দেওয়া হয়েছে। গ্যাগটা খানিকটা রাবার দিয়ে তৈরি। ওর মুখের সাথে শক্ত করে আটকে আছে। এছাড়া নিশাতের শরীরে বাড়তি কিছু নেই। পুরোপুরি নগ্ন হয়ে শুয়ে আছে ও বেডের উপর। জোড়ে জোড়ে নিঃশ্বাস নিচ্ছে। হাঁপাচ্ছে। একটু আগে ওর যে ঝড় বয়ে গেছে তাতে শান্ত হতে ওর আরও কিছু সময় লাগবে। নিশাত কোনদিন ভাবে নি ও জীবনে এমন কিছু এক্সপিরিয়েন্স করবে। বাউন্ড গ্যাংব্যাং ওর সাথে একটু আগে ঘটে গেছে। এতোদিন সে এসব দেখেছে ফোন এবং ল্যাপ্টপের স্ক্রিনে আজকে সেটা ঘটেছে তার সাথেই । ওরা মোট চারজন ছিল। একে একে চারজন এসেছে আর গেছে। দুজনের পরেই নিশাতের দম বন্ধ হয়ে আসছিলো। চিৎকার করে থামতে বলতে চাইছিল কিন্তু মুখ আর চোখ বাঁধা থাকার কারনে কিছুই বলতে পারে নি। সহ্য করে গেছে কেবল। চারজনের একজনকে সে খুব ভাল করেই চিনে। আদিব। ওর খুব কাছের বন্ধু। একই সাথে পড়াশুনা করে। যে ফ্ল্যাটে ও এখন আছে এটা আদিবেরই ফ্ল্যাট। কিন্তু বাকি তিনজন যে কে সেটা ও বলতে পারবে না। আদিবের কয়েকজন বন্ধুর সাথে ওর দেখা হয়েছে তবে বাকি তিনজন যে তাদের ভেতরের কেউ সেটা ও জানে না। নিশাতের এই সব কিছু করার কথা না। মধ্যবিত্ত ঘরের মেয়ে সে। এসব কিছু করার কথা চিন্তাও করতে পারার কথা না। কিন্তু ও শুরু থেকেই একটু অন্য রকম। অন্য সব মেয়ের মত করে সে চিন্তা করে না । এসবের শুরু হয়েছিলো যখন ওর হাতে নতুন ফোন আসে। তখন সবে মাত্র এসএসসি পরীক্ষা দিয়েছে। নতুন একটা মোবাইল ফোন এসেছে হাতে। সেটাতেই ব্রাউজ করতে করতে একদিন একটা ছবি দেখতে পেল। ছবিতে একটা মেয়ের হাত পা বেঁধে সেক্স করা হচ্ছে। মুখে একটা গ্যাগ পরানো ছিল। ছবিটার দিকে এক ভাবে তাকিয়ে রইলো কেবল। পুরো শরীর জুড়ে একটা শিহরণ অনুভব করলো। সেই থেকে শুরু এই ব্যাপারটার উপর আগ্রহ। ইন্টারনেতে এই বিডিএসএম, বন্ডেজ সম্পর্কে যা যা পেত সব পড়ে ফেলতো, আস্তে আস্তে এই ব্যাপারে সব কিছু জানতে শুরু করে। ঢাকায় আসার পরে সেই পরিধিটা আরও যেন বেড়ে গেল কিন্তু তখন তার মাঝে একটা সংকোচ কাজ করতো সব সময় । আশে পাশের মানুষ গুলোকে সে দেখতো আর জানতো যে সে যা পছন্দ করে তারা এই দেশের মানুষ পছন্দ করবে না । তাই নিজের ভেতরে সব কিছু লুকিয়ে রেখেছিলো । তবে অনলাইনেই তার কাজ কর্ম চলতো । সে একটা ফেইক আইডি খুলেছিলো তার মনের এই সব কথা লেখার জন্য । সেখানে অনেকেই তার সাথে কথা বলতে চাইতো দেখা করতে চাইতো কিন্তু নিশাত জানতো যে এরা আসলে তার কাছে কি চায় । তাই খুব একটা পাত্তা দিতো না । তখনই তার জীবনে আদিব এল । খুব অল্প দিনেই আদিবের সাথে ওর ভাব হয়ে গেল । ভালবাসা না কারন আদিবের আগে থেকেই একটা গার্লফ্রেন্ড ছিল তবে আদিব ওকে খুব পছন্দ করতো বন্ধু হিসাবে । ও নিজেও আদিবকে পছন্দ করতো । সেইদিনটার কথা ওর পরিস্কার মনে আছে । সেদিন ওর জন্মদিন ছিল । আদিব ওকে ডেকে নিয়ে যায় ওর ফ্ল্যাটে । ঢাকাতে নিজের একটা ফ্ল্যাটেই থাকতো সে একা । ওর বাবা মা দুইজনেই দেশের বাইরে থাকে । সেও কদিন পরে চলে যাবে সেখানে । সেদিন নিশাত পরেছিলো একটা সাদা রঙের লেগিংস আর শর্ট কামিজ । সাথে লাল ওড়না । আদিবের বাসায় গিয়ে দেখে সেখানে সে ছাড়া আর কেউ নেই । ওর জন্য কেকের ব্যবস্থা করা হয়েছে । দুজন মিলে কেক কাটলো । তারপর আদিব ওর জন্য একটা গিফট প্যাকেট বের করে দিলো । সেটা খুলতেই নিশাতের পুরো শরীর কেঁপে উঠলো । সেখানে ছিল একটা লাল রঙের বল গ্যাগ একটা স্লেভ কলার আর একটা হ্যান্ডকাফ । ও কেবল অবাক হয়ে তাকালো আদিবের দিকে । আদিব তখন মিটমিট করে হাসছে ওর দিকে তাকিয়ে । নিশাত কোন দিন আদিবকে ওর এই গোপন পছন্দের কথা বলে নি লজ্জায় । তাহলে ও কিভাবে জানলো ? যেন ওর মুখের কথাই বুঝতে পারলো । বলল, জানি তুমি আমাকে কিছুই বল নি তবুও আমি কিভাবে জানলাম ? একদিন তোমার ফোনে দেখেছিলাম । একটা গ্যালারি ভর্তি কেবল এই সব ছবি । তখনই বুঝতে পেরেছিলাম । ভাবছিলাম তোমাকে একটা সারপ্রাইজ দেব ! নিশাত কি বলবে বুঝতে পারলো না । খুব সংকোচ নিয়ে বলল, সো তুমি মনে কর না যে আমি অদ্ভুদ কিংবা উইয়ার্ড ? আদিব বলল, কেন ? তুমি এই বন্ডেজ পছন্দ কর বলে ? মোটেই না । আমাদের সবারই নিজেস্ব পছন্দ আছে আর সেটা আমাদের শ্রদ্ধা করা উচিৎ । নিশার কি বলবে ঠিক বুঝতে পারলো না । হঠাৎ করেই আদিবকে জড়িয়ে ধরলো । আদিব হাসলো তারপর বলল, কি ট্রাই করতে চাও না ? নিশাত বলল, আমার লজ্জা লাগবে ! আরে রাখো তোমার লজ্জা । দেখি আমি পরিয়ে দেই । এই বলে প্রথমেই গলাতে পরালো স্লেভ কলারটা । তারপর হাতটা পেছন দিক দিয়ে হাতে হ্যান্ডকাফ দিয়ে আটকে দিলো । এর পর ওর মুখে বলগ্যাগ দিয়ে আটকে দিলো । তারপর ওকে নিয়ে গেল আয়নার সামনে । টান দিয়ে ওর ওড়ণাটা সরিয়ে ওকে দাড় কড়াল আয়নার সামনে । নিশাত কি করবে ঠিক বুঝতে পারছিল না । ওর পুরো শরীর জুড়ে একটা তীব্র উতলা ভাব কাজ করছে । প্রথম বারের মত এসব পরেছে । নিজকে ঠিক রাখতে পারছে না । তীব্র একটা লজ্জাও লাগছে আদিবের সামনে । মুখ লাল হয়ে গেছে । তাকাতে পারছে না আদিবের দিকে । আদিব বলল, এতো লজ্জা পাচ্ছো কেন শুনি ? আজকে তোমাকে আমি মজা দেখাবো । নিশাত কিছু বলতে গেল কিন্তু সেটা পারলো না বলগ্যাগ মুখে থাকার কারনে । আদিব বলল, শুনো আমি এখন একটা বাইরে যাবো । তোমাক এখানে এভাবেই রেখে যাবো । একা একা থাকো কিছু সময় । তাহলে নিজের ভেতরে কিছুটা শান্ত হয়ে যাবে । তবে আজকে তোমাকে আর ছাড়বো না । সারা রাতই তোমাকে এইভাবে থাকতে হবে । বুঝেছো । আর আজকে তুমি হচ্ছো আমার স্লেভ । আমি যা বলবো তাই করতে হবে । নিশাত কেবল তাকিয়ে রইলো । আদিব নিজের মোবাইল বের করে বেশ কিছু ছবি তুললও ওর । তারপর ওকে রেখে বের হয়ে গেল । দরজাতে তালা দেওয়ার আওয়াজ পেল ও । আদিব যাওয়ার পরেই নিশাত বুঝতে পারলো এতোদিন ও যা চেয়েছে তাই হচ্ছে ওর সাথে । ও এখন একটা ঘরে বন্দি ওর হাত বাঁধা, মুখে বলগ্যাগ দেওয়া এবং ওর গলাতে কলার পরানো । মুখের বলল গ্যাগটা একটা টাইট করে পরানো হয়েছে । একটু ব্যাথা করছে । তবে সেটার থেকেও অনুভূতিটা ওর কাছে বেশি বড় । ফ্ল্যাটের মাঝে কিছু সময় ও হাটাহাটি করলো । কি করবে বুঝতে পারছে না । আয়নায় নিজেকে আরও ঘুরিয়ে ফিরিয়ে দেখলো আরও কিছু সময় । তখনই ওর মনে হল এখন যদি ওর শরীরে কিছু না থাকতো তাহলে হয়তো ব্যাপারটা অন্য রকম হত ! চিন্তা মনে হতেই নিজের শরীরের ভেতরে আরও একটা তীব্র একটা শিহরণ বয়ে গেল । নিশাত এইবার ঐ অবস্থায় খুব ধীরে বারান্দার দিকে গেল । একটু গিয়েই আবার ফিরে এল সাথে সাথে । যদি কেউ দেখে ফেলে ওকে এইভাবে তাহলে । এই দেখে ফেলার অনুভূতিটা আরও বেশি তীব্র । মানুষের নগ্ন হওয়ার থেকেও কেউ তাকে নগ্ন অবস্থায় দেখে ফেলবে এই ভাবনা বেশি দোলা দেয় । নিশাতকেও দিলো তাই । আদিব এলো আরও ঘন্টা দুয়েক পরে । -কেমন কাটলো ? নিশাত বলতে গেল কিছু কিন্তু বলতে পারলো না । মুখে বলগ্যাগ দেওয়া রয়েছে । আদিব খুলতে গিয়েও খুললো না । তারপর বলল, আজকে তোমার জন্মদিন যেহেতু আজকে তোমার জন্য আলাদা ট্রিটমেন্ট ! নিশাত বলতে চাইলো, মানে ? কিন্তু বলতে পারলো না । আদিব ওকে ধরে বিছায় বসিয়ে দিল তারপর ওর ঠিক পা দুটো ধরে ওকে বিছানায় শুইয়ে দিল । নিশাত বুঝতে পারলো ওর সাথে এখন কি হতে চলেছে । একবার মনে হল ও প্রোটেস্ট করবে কিন্তু বুঝতে পারলো যে ওর প্রোটেস্ট করার কোন উপায় নেই। ওর হাত পেছন দিয়ে আটকানো, চাইলেও পারবে না । মুখে গ্যাগ আছে কিন্তু চিৎকার করতে পারবে না । লেগিংসটা খুলে ফেলল । নিশাত জোরে জোরে নিঃশ্বাস নিতে লাগলো । তারপর আসল কাজটা করলো । নিশারের জামাটা খুলে ফেলল । নিশাত চুপ করে রইলো চোখ বন্ধ করে । ও কি করবে বুঝতে পারলো না । আদিব তখন ওর কানের কাছে এসে বলল, এখন কি চাও আমি আগে যাই, যদি না চাও সব থেমে যাবে এখন । চাও ? নিশাত কি বলবে বুঝতে পারলো না । কিন্তু আপনাআপনিই ওর মাথাটা ডানে বাঁয়ে চলে কয়েকবার । ও থামতে চায় না। জীবনে প্রথম বারের মত সেক্স করলো আদিবের সাথে । হাত বাঁধা অবস্থায় এবং মুখে গ্যাগ থাকা অবস্থায় । এটা যেন ওর স্বপ্ন সত্যি হয়ে গেল । সকালে যখন নিশাতের ঘুম ভাঙ্গলো দেখতে পেল ও ঠিক একই ভাবেই রয়েছে। রাতের পরে ওকে আর খুলে দেয় নি। ওভাবেই ছিল। সকালে উঠে প্রথমে নিজেকে আয়নাতে ঘুরিয়ে ফিরিয়ে দেখতে লাগলো। ওর নিজের কাছে অদ্ভুদ লাগছে। ও কোনদিন ভাবে নি এরকম ওর কাছে কোনদিন কিছু হবে। কিন্তু হয়েছে। তারপর থেকেই আদিবের বাসায় নিয়মিত আসা যাওয়া শুরু হল ওর। সপ্তাহে অন্তত একদিন নয়তো সে আসতোই। আর যতই দিন যেতে লাগলো নিশাতের সাহস ততই বেড়ে চলল। একটা সময় ও আদিবের বাসায় এসে আর কোন কাপড় গায়ে রাখতো না। একই ভাবে হাতে হ্যান্ডকাফ আর পায়ে লেগ কাগ পরতো। গলায় কলার আর বল গ্যাগ। একদিন আদিব ওকে বারান্দায় নিয়ে গিয়ে বেঁধে রাখলো। ঐদিন ওর খুব বেশি ভয় লাগছিলো যদি কেউ ওকে দেখে ফেলে। সেদিনও ওর মনে আলাদা একটা অনুভূতি হয়েছিলো। উত্তেজনাকর অনুভূতি। তারপরই একদিন আদিবকে বলল যে আরও ভয়ংকর কিছু করতে চায়। তারপরই ওকে আজকে এখানে এই কাজটা করলো। ওকে বেডের সাথে বেঁধে রাখার পর আদিবরা মোট চার জন একে একে এসে ওর সাথে সেক্স করেছে। নিশাত এসবই ভাবছিল। এতো সময়ে ওর মন একটু শান্ত হয়ে এসেছে। ঠিক এমন সময় দরজা খুলার আওয়াজ হল। আবারও শুরু করবে নাকি? নিশাত কিছু বলতে চাইলো কিন্তু ওর কিছু বলার উপায় নেই। একটু নড়াচড়া করলো বটে কিন্তু তাতেও খুব একটা লাভ হল না। নিশাত অনুভব করলো কেউ ওর শরীরের উপরে উঠে বসেছে। ওর চোখ আগে থেকেই বাঁধা সে কিছুই দেখতে পারছে না। তবে এটা বুঝতে পারলো যে ওর উপরে নতুন করে উঠেছে সে একজন মেয়ে। মেয়েটি কে নিশাত জানে না। তবে নিশ্চয়ই আদিবের পরিচিত। নিশাত অনুভূব করলো মেয়েটির হাত ওর পুরো শরীরের উপর ঘুরে বেড়াচ্ছে। তবে হাতের অনুভূতি টা ঠিক চামড়ার মত নয়। নিশাত বুঝতে পারলো মেয়েটা লেটাক্সের গ্লোভস পরে আছে। পায়ের দিক থেকেও একই অনুভূতি হচ্ছে। তার মানে মেয়েটি পায়েও লেটাক্সের লম্বা লেটাক্সের সকস পরে আছে। একেবারে মুভিতে দেখা মিস্ট্রেসদের মত। মেয়েটি এবার নিশাতের মুখের বলগ্যাগ খুলে দিল। তবে মুখে হাত দিয়ে কিছু বলতে নিষেধ করলো। নিশাত কিছুই বললো না। কেবল জোরে জোরে নিঃশ্বাস নিতে লাগলো। নিশাত অনুভব করলো এরপর মেয়েটি ওর উপর শুয়ে পরলো। পায়ের উপরে পা, শরীরের উপরে শরীর, ওর ব্রেস্টের উপর মেয়েটির ব্রেস্ট এসে পরেছে। তারপর ওর হাত দুটোর উপর মেয়েটির হাত দুটো রাখলো। আঙ্গুলের ভেতরে আঙ্গুল দিয়ে মেয়েটি ওর হাত চেপে ধরলো। তারপর নিশাতকে চুমু খেতে লাগলো। নিশাত নিজের মেয়েটির হাত শক্ত করে ধরেছে। কাঁপছে। সে নিজেও মেয়েটিকে চুমু খেতে শুরু করেছে। নিজের উত্তেজনার সর্বোচ্চ পৌছে গেছে সে। পরিশিষ্ট ঘন্টা দুয়েক পরে। নিশাতকে আনা হয়েছে ড্রয়িং রুমে। নিশাত এখন অনেকটাই শান্ত। তবে এখন ওর খুব বেশি লজ্জা লাগছে। কারন এখনও ওর শরীর কোন কাপড় নেই। ঘরে ও ছাড়াও আরও পাঁচ জন মানুষ আছে। সবাই আড্ডা দিচ্ছে, হাসি ঠাট্টা করছে। ওর অস্বস্তি লাগছে। ওর হাতটা এখন পেছন দিক দিয়ে হ্যান্ডকাফ দিয়ে আটকানো। গলাতে কলারটা লাগানো আছে। -নিশাত কেমন লাগছে? কথাটা বলল আশিরা। আদিবের বন্ধু। মেয়েটাকে দেখে নিশাত অবাকই হয়েছে। এখনো মেয়েটা লম্বা লেটাক্সের গ্লোভস পরে আছে। টপস আর স্কার্ট পরে আছে। নিশাত বলল, আমি কোন দিন ভাবি নি এইকাজটা আমি করতে পারবো। কিন্তু তুমি পেরেছো আর খুব ভাল ভাবেই। আদিব বলল, শুনো তোমার পুরো ভিডিওটা আমরা এখন নেটে ছেড়ে দিব। নিশাত অবাক হয়ে বলল, কি বলছ? না না না। আশিরা বলল, আরে চিন্তা কর না, তোমার চোখে কালো টেপ দিয়ে আটকানো ছিল, মুখে গ্যাগ, কেউ চিনবে না। আর যখন ভিডিও করা হয় তখন এমন ভাবেই করা হয়েছে যাতে চেনা না যায়। সো টেনশন নিও না। নিশাত একটু অবাক হল। তার মানে সব সময়ই ঐ রুমে কেউ ছিল। নিশাত বলল -কিন্তু তোমাদেরকে চেনা যাবে যে। -না। ওরা সবাই মাস্ক পরেছিল তাই সমস্যা হবে না। শুনো তোমাকে নিয়ে আমাদের আরও প্লান আছে। এরপর তোমাকে নিয়ে গাজিপুরে যাবো। খোলা স্থানে কিছু স্যুট করবো। বুঝেছো? নিশাত মাথা নাড়ালো। ও যে এমন কিছু করবে জীবনে কি ভেবেছিলো। যেদিন প্রথম এই বন্ডেজের উপর আগ্রহ জন্মেছিল সেদিন কি ঘুরাক্ষণেও টের পেয়েছিল এমন কিছু তার জীবনে ঘটবে! এমন ভাবে কল্পনা বাস্তব হয়ে যাবে ভাবতে পেরেছিলো কি! জীবনে এমন অনেক কিছুই ঘটে যা কল্পনাকেও হার মানায়। নিশাতের জীবনেও তেমন কিছু হয়েছে, সামনে আরও হতে চলেছে। তবে সেটা অন্য কোন গল্প।

By kolpobazz

এই শহরের সস্তা আবেগে ভেসে গেছি আজ আমি পথে পরে থাকা টিস্যু ও আজ আমার থেকে দামি।

By kolpobazz

আমি অশ্লিল,,,আর খারাপ জিনিসটা আমার রক্তে মিশে আছে। এ নিয়ে রাজনীতি করার কিছু নেই। আমার টাইমলাইনে আমি যা ইচ্ছে পোস্ট করব। ভাল না লাগ্লে নিজ দায়িত্বে বিদায় হবেন। প্রতিদিন পনের বিশটা ব্লক খাওয়া আমার নেশা হয়ে গেছে। আপনার মত দু একজন সুশিল চলে গেলে আমার বাল ও বাকা হবে না। আর শুনেন কে কোন চ্যটের বাল তা রাত বারোটার পর পর্ন সাইটের ট্রাফিক রেট দেখলেই বোঝা যায়। মাইন্ড ইট আমি,,, আমিই। আপনি না☺☺☺

By kolpobazz

Sunday, May 26, 2019

পর্ন স্টার [সাইকো] under 18 not allow মিমি চৌধুরী অনেক টা নিজের গ্রিন রুমের ভেতরে বসে আছে । আজকে সে একটা ভ্যংকর কাজ করতে যাচ্ছে । কাজটা সে কেন করতে যাচ্ছে তার কাছে সেটা এখনও পরিস্কার না তবে এটা না করলে তার মনে হচ্ছে সে কিছুতেই শান্তি পাবে না । যখন থেকে সে নিজের চোখের নিজের স্বামীর কাজ কর্ম দেখেছে তখন থেকে মনে হয়েছে তার কিছু করা উচিৎ । সে কেবল চেয়েছে তার স্বামী তার সাথে ঠিক যে কাজটা করেছে সেও সেটাই করবে । কি করবে সে কিছুতেই বুঝতে পারছিলো না । তখনই সে গেম অব থ্রোনের আরিয়া স্টার্ককে দেখতে পেল । এতোদিন ধরে সে সবার ছোট্ট মেয়েটি হিসাবে পরিচিত ছিল কিন্তু শেষ সিজনের দ্বিতীয় পর্বেই এক লাফে বড় হয়ে গেল । দৃশ্যটা ওর চোখে এখনো লেগে আছে । তখনই মিমির মনে কথাটা এল । সাথে সাথেই রিয়াদকে ফোন দিল সে । মিমি নিজেকে শান্ত করে গ্রিন রুম থেকে বেরিয়ে এল । মুভি সেট আজকে অন্য রকম লাগছে মিমির কাছে। খুব বেশি মানুষ আজকে রাখা হয় নি। কেন রাখা হয় নি সেটাও মিমি জানে । সবাইকেই মিমি ভাল করে চেনে । তার সাথেই কাজ করে । এর আগেও মিমি তেমন কোন সাহসী দৃশ্যে অভিনয় করে নি। তাকে সবাই শান্ত আর লজ্জাবতী নায়িকা হিসাবে চেনে । আরিয়াকে দেখে সে সাহস পেয়েছে । আজকের দৃশ্যটা অতীতের সব রেকর্ড ভেঙ্গে দিবে। পরিচালক রিয়াদ বলেছে মানুষ কেবল এটা দেখার জন্যই হলে আসবে। মিমি নিজেও জানে এমনই আসলে হবে। পরিচালক রিয়াদ ওর অনেক দিনের বন্ধু । তার সাথে সে অনেক কিছু বলতে পারে নিশ্চিন্তে । তার মুভিতে অনেক কিছুই সে করতে পারে । রিয়াদ যখন প্রথম দৃশ্যটার কথা মিমিকে বলেছিলো তখন দৃশ্যটা খানিকটা অন্য রকম ছিল। দৃশ্যটা ছিল যে মিমি নিজের স্বামীর কাছ থেকে প্রতারিত হওয়ার পর ঠিক করলো সেও আর ভাল থাকবে না। নিজে দুজন স্কোট বয় খুজে নিয়ে সেক্স করবে। তবে এই সেক্সের দৃশ্যে মিমির চোখ থাকবে বাঁধা। এই ছিল দৃশ্যের মূল থিম। এই মুভির দৃশ্যই যেন তার বাস্তব জীবনের প্রতিচ্ছবি । সেও ঠিক করেছে সে একই কাজ করবে । মিমি দৃশ্যটা শুনে সেটার সাথে আরেকটু কিছু সংযোজন করলো। রিয়াদকে বলল যে চোখ বাঁধার সাথে সাথে ওর হাত দুটোও যেন বাঁধা হয় শক্ত করে। এমন একটা দৃশ্য কদিন আগেই সে একটা মুভিতে দেখেছিল। তখন মনে ইচ্ছে হল এমন কিছু যদি করা যেত কিন্তু তখন সেই পরিস্থিতি ছিল না । কিন্তু এখন মিমির মনের অবস্থা এমন হয়েছে যে সে এখন আর কিছুই কেয়ার করে না । যা হবার হবে । তার মনের ইচ্ছে অনুযায়ী যা ইচ্ছে তাই করবে না । পরিচালক রিয়াদ প্রথমে অবাক হলেও পরে খুবই খুশি হল। কারন এই রকম একটা দৃশ্য যদি মুভিতে থাকে তাহলে সেটা দেখার জন্য দর্শক হুমড়ি খেয়ে পড়বে। সেট সব তৈরি। মিমির মেকাপ নেওয়া শেষে ওর হাত বাধা হচ্ছে। তার আগে ওর শরীর থেকে সব পোশাক খুলে নেওয়া হয়েছে। একটা পাতলা তোয়ালে কোন রকমে পেঁচিয়ে রাখা হিতেছে। হাত দুটো একটু হালকা করে বাঁধা হতেই মিমি বলল -কি ব্যাপার এতো কম টাইট করে কেন বাঁধছো? যে বাঁধছিল সে বলল -আরও টাইট করবো? -হ্যা। যখন মিমির হাত আর পা বাঁধা শেষ হল তখন ও বুঝতে পারলো আসলেই বাঁধন গুলো বেশ শক্ত হয়েছে। তারপর থেকেই ওর বুকের ভেতরে একটা আলাদা অনভুতি হতে লাগলো । ওর শরীরের কোন কাপড় পরা নেই । কেবল একটা তোয়ালে পেঁচানো আছে । সেটাও কিছু সময় পরে খুলে নেওয়া হবে । অদ্ভুদ একটা অনুভূতি হচ্ছে পুরো শরীর জুড়ে । একটু পরেই দুটো ছেলে এসে হাজির হল। দুই জনেরই বডি সিক্স প্যাক। পরনে কেবল টাইট আন্ডারওয়্যার৷ আর পুরো শরীর দেখা যাচ্ছে। এদের সাথে দৃশ্যটা স্যুট করা হবে। দুজনেই এগিয়ে এল। তারপর মিমির দিকে তাকিয়ে একজন বলল -ম্যাম আপনার বড় ফ্যান আমরা দুজনেই। আসলে আমরা ভাবতেও পারি নি এই সুযোগ আসবে। মিম হাসলো। তারপর বলল, ভাল করে অভিনয় করবে । একজন বলল, আমরা কি শুধুই অভিনয় করবো ? মানে ...... মিমি বলল, না । আসলে আমার কিছুই করার থাকবে না । আমার হাত এবং পা অলরেডি বাঁধা হয়ে গেছে । একটু পরে চোখও বাঁধা হবে । আমি তোমাদের বাঁধা দিতে পারবো না । আমি কিছু দেখতেও পারবো না । সব কিছু তোমাদের উপরে । এবং আমি বলেছি যে তোমাদের কোন বাঁধা দেওয়া হবে না । মোটামুটি এক ঘন্টার একটা স্যুট । কেটে কুটে হয়তো মিনিট পাঁচ সাত রাখা হবে তবে কোন টুক রাখবে সেটা পরিচালক বুঝবে । তোমাদের কাজ হবে আমাকে পরিপূর্ণ ভাবে ব্যবহার করা । ওকে ? ছেলে দুটো হাসলো । এবার মিমির চোখ বাঁধা হল । "এন্ড একশান" রিয়াদের কন্ঠস্বরটা শুনতে পেল মিমি । মিমিকে শোয়ানো হয়েছে একটা প্রস্বস্ত বেঞ্চের উপর । মিমি উপুর হয়ে শুয়ে আছে । ওর হাত পেছন দিক দিয়ে বাঁধা । পায়ের গোড়ালীর কাছে এক সাথে শক্ত করে বাঁধা । চোখটা বাঁধা এবং সেই সাথে মুখে একটা বলগ্যাগ পরানো আছে । ওর শরীরে কোন কাপড় নেই । ওর পুরো শরীরের উপর একবার ক্যামেরা চলে গেল । সব কিছু দেখানো হল । তবে কিছু সরাসরি দেখানো হল না । মুভিতে এসব সরাসরি দেখানোর কোন উপায় নেই । তবে সব কিছু ঘটছে বাস্তবেই । মিমি সেটা সরাসরি এক্সপিরিয়েন্স করছে । মিমির কাছে মনে হল ও যেন কত সময় ধরে অপেক্ষা করে যাচ্ছে । তারপর দুইজন রুমে ঢুকলো । মিমি তাদের পায়ের আওয়াজটা শুনতে পারলো । ছেলে দুজনের একজন মিমির সামনে গিয়ে দাড়াল তারপর একজন গিয়ে দাড়াল পেছনে । মিমির মুখ থেকে বলগ্যাগ টা খুলে নিল অন্য দিকে একজন মিমির বাঁধা হাতটা একটু উপর তুলে ওর নিতম্বের ভেতরে হাত ঢুকিয়ে দিল একই সাথে মিমির মুখে ভেতরে সামনে ছেলেটা তার যৌনাঙ্গ ঢুকিয়ে দিলো । মিমির পুরো শরীর যেন কেঁপে উঠলো । এর আগে ও এমন কাজ করে নি । ও কেন কেউই করেনি । ও এইকাজ টা করে একেবারে পুরো পুরী নিজেকে পর্নস্টার পর্যায়ে নামিয়ে এনেছে । কোন ভাবে যদি এই র ভিডিও বাইরে লিক হয়ে যায় তাহলে তখন কি হবে সেটা ভাবতেই ওর পুরো শরীর কেপে উঠলো । তবে এখন এই সব চিন্তা করার কথা না । এখনকার বর্তমান পরিস্থির দিকে নজর দিলো ও । পেছনের জন ওর শরীরের উপরে উঠে পড়েছে । তারপর নিজের নিজেকে ওর কাছে অদ্ভুদ মনে হল । এসব কেন করছে ও ? কেবল মাত্র ওর হাজব্যান্ড ওর সাথে বিট্রে করেছে বলে ? এসব ভাবার সময় নেই এখন মিমির কাছে । এখন অন্য কিছু করার সময় । এর আগে মিমি এই কাজ আর করে নি। মিমি অনুভব করছে দুইটা মানুষের দন্ডই সময়ের সাথে যেন আরও শক্তই হচ্ছে। একই সাথে ব্লোজব এবং একই সাথে এনাল সেক্স। মিমির মাথাটা ছেলেটা দুই হাত দিয়ে ধরে রেখেছে। আর বারবার নিজের অঙ্গটা মিমির মুখের ভেতর দিচ্ছে এবং বের করছে। ঠিক একই ভাবে মিমির শরীরের উপর যে ছেলেটা বসে আছে সেও একই কাজ করছে। একটা সময় ছেলে দুটো স্থান পরিবর্তন করলো। মিমির নিজের অসহায়ত্বটা ঠিক ঠিক বুঝতে পারছে। কিন্তু এটাই যেন ওর উত্তেজনা কে আরও বহুগুণে বাড়িয়ে দিচ্ছে। প্রতিটা মুহুর্তে সে যেন দৃশ্যের আরও ভেতরে চলে যাচ্ছে। এরপর মিমিকে উপুর করা হল। একজন মিমির স্তনের উপর বেশ কয়েকটা থাপ্পড় দিলো। মিমি ব্যাথায় চিৎকার করে উঠতে যাওয়ার আগেই ছেলেটা আবার মিমির মুখে নিজের অঙ্গটা ঢুকিয়ে দিল। অন্যদিকে পেছনের জন একই কাজ শুরু করে দিয়েছে ওর দুই পায়ের মাঝের ছিদ্র দিয়ে। একটা সময়ে দুইজনই মিমিকে ছেড়ে দিল। তখন মিমির অবস্থা দেখার মত। হাত পা আর চোখ বাঁধা অবস্থায় মিমি কোন মতে বেঞ্চের উপর পড়ে আছে। ওর পুরো শরীর ঘামে ভিজে গেছে। জোরে জোরে নিঃশ্বাস নিচ্ছে। মিমি ভেবেছিল সুটিং বুঝি এখানেই শেষ। কিন্তু ওর জন্য আরও কিছু অপেক্ষা করছিলো। মিমির পায়ের বাঁধন খুলে দেওয়া হল। তারপর পরই ওর মুখে আবারও বল গ্যাগটা দিয়ে আটকে দেওয়া হল। মিমি বুঝতে পারলো না আবার ওর মুখে কেন বল গ্যাগটা পরানো হল। কিন্তু কিছু যে জিজ্ঞেস করবে বলগ্যাগটা মুখে থাকার কারনে পারলো না। কিন্তু কারন টা বুঝতে পারলো কিছু পরেই। এবার একজন বেঞ্চের উপর শুয়ে পড়লো চিত হয়ে। মিমিকে তোলা হল তার উপর। তার এক ছিদ্রের ভেতরে ছেলেটার তার যৌনাঙ্গ ঢুকিয়ে দিল। তারপরপরই মিমির বুঝতে পারলো আসলে ওরা কি করতে চলেছে। বাউন্ড বিপি। দুইজন একজন সাথে ওর সাথে সেক্স করবে, দুই পায়ের দুই ছিদ্র দুটো একসাথে ব্যস্থ থাকবে। মিমি এটার জন্য মোটেই প্রস্তুত ছিল না। একবার মনে করলো ও প্রটেস্ট করবে কিন্তু সেটা করার কোন উপায় ওর নেই। হাত আর চোখ আগে থেকেই বাঁধা, মুখ খোলা ছিল কিন্তু সেটার ভেতরেও এখন গ্যাগ ঢুকানো। দুটো অঙ্গ যখন দুদিক থেকে মিমির ভেতরে প্রবেশ করলো, মিমির মনে হল এখনই বুঝি উত্তেজনায় ও বিস্ফোরিত হবে। আরেকটু চেষ্টা করলো ও নিজেকে ছাড়ানোর জন্য কিন্তু কোন লাভ হল না। এভাবে বেশ কিছু সময় ছেলে দুটো ইচ্ছে মত মিলির সাথে খেললো। তারপর ওর শান্ত হল। মিমিকে ধরে বসিয়ে দিল মেঝেতে। তারপর মিমির চুলের ঝুটি চেপে ধরে ধরলো একজন। বলল, হা কর মিমির মনে হল একবার বলে যে কে কিছু করবে না । এখনই তাকে ছেড়ে দেওয়া হোক । তাই হয়তো করা হবে কিন্তু সেটা সে করলো না । হা করলো কথা মত । তারপর ওর পুরো মুখ জুড়ে গরম কামজুস ছড়িয়ে পড়ল । মিমি প্রথম কিছু সময় কেবল চুপ করে বসে রইলো । তার বুকটা এখনও জোড়ে জোড়ে ওঠানামা করছে । এমন সময় রিয়াদের কন্ঠস্বর শোনা গেল । সে বলল "কাট' । মিমি চুপ করে বসে আছে বেঞ্চের উপরে । নিজেকে এখন অনেকটা শান্ত লাগছে । একটা শান্তি চলে এসেছে ওর মাঝে । এতোদিন যে অশান্তির কাজ করছিলো সেটা এখন অনেকটাই শান্ত । ওর চোখের বাঁধন খুলে নেওয়া হয়েছে । মুখের কামসট মুছে ফেলা হয়েছে । কেবল মাত্র মিমির হাতের বাঁধন এখনও খুলা হয় নি । রিয়াদ বলছিল যে কিছু ছবি তুলতে হবে এই জন্য বাঁধন টা থাকুক আরও কিছু সময়ের জন্য । রিয়াদ এসে বসলো ওর পাশে । বলল, আর ইউ ওকে ? মিমি বলল, হ্যা ভাল আছি । ইনফ্যাক্ট ভাল লাগছে । -তুমি যা আজকে দেখালে, আমি কোন দিন ভাবতেও পারি নি এমন কিছু কোন দিন করতে পারবে ! -আমি নিজেও জানতাম না যে আমি পারবো । কিন্তু এখন মনে হচ্ছে শান্তি লাগছে । -যাই হোক তোমার সাথে সবাই ছবি তুলতে চাইছে । কিন্তু ভয়ে আসতে পারছে না । ডাক দিবো ? মিমি হাসলো । তারপর বলল, সবাইকে ডাক দাও আজকে সবার সাথে ছবি তুলবো । সত্যি সত্যি সেট এ যারা যারা ছিল সবার সাথে ছবি তুললো ও । ওর হাত পেছন দিক দিয়ে বাঁধা, শরীরে কোন কাপড় নেই । তারপর সবাইকে বলল তারা এই ছবি যেভাবে ইচ্ছে সেভাবেই ব্যবহার করতে পারে । কোন কার্টেসী নেই । কোন সমস্যা নেই । ঐদিন রাতেই পুরো ইন্টারেন্টে মিমি চৌধুরীর ঐ বন্ডেজ নগ্ন ছবি ছড়িয়ে পড়ল । মিমি কেবল হাসল মনে মনে । মিমির হাজব্যন্ড একজন রেপুটেড বিজনেসম্যান । এই ছবির কারনেই তার এই রেপুটেশন একেবারে শেষ হয়ে যাবে । ভাল প্রতিশোধ নেওয়া হয়েছে । মুভি মুক্তির সাথে সাথে দর্শক সেটা দেখার জন্য হুমড়ি খেয়ে পড়লো । আর এই বিশেষ দৃশ্যের জন্য যেন সবাই মুকিয়ে ছিল । সবাই কেবল হা হয়ে গেল এই ভেবে যে মিমি চৌধুরীর মত একজন এই রকম দৃশ্য অভিনয় করতে পারলো কিভাবে । কেউ কেউ তাকে পর্ণ তারকা আখ্যা দিল । তাতে অবশ্য মিমি কিছুই মনে করলো না । কেবল মনে মনে হাসলো । দেখার বেলাতে তো খুব দেখছো আবার সেটা নিয়ে কথাও বলছো । দেখো না তোমাদের তো কেউ দেখতে বলছে না । রিয়াদ বলেছে আরও একটা ভাল থিমের মুভি ওর মাথায় এসেছে । এই মুভিতে এই রকম বেশ কিছু দৃশ্য রাখা হবে । মিমির চোখটা চক চক করে উঠলো । সাথে সাথেই রাজি হয়ে গেল । তবে সেটা অন্য কোন গল্প । মিমির এডভেঞ্চারের গল্প এখানেই শেষ । repost

By kolpobazz

এই শহরের সস্তা আবেগে ভেসে গেছি আজ আমি পথে পরে থাকা টিস্যু ও আজ আমার থেকে দামি

By kolpobazz

চার বছর আগে বলেছিল সে ভালোবাসেনা আমাকে । অথচ তার মেয়েকে এখন সে আমার দেয়া নামেই ডাকে । #সাইকো

By kolpobazz

প্রিয়,, তুমি কি বলতে পারো? কতটা অশ্রু ঝড়লে পরে তাকে কান্না বলে? বল

By kolpobazz

Saturday, May 25, 2019

আর ও একটি ক্লান্ত রাত জেগে জেগে অস্থির ডিপ্রেশনে জেগে আছে একটি ছেলে হাতে থাকা ব্লেড কাপছে থরোথরো দূর থেকে ভেসে আসা আজানের ধ্বনি যেন আঘাত করছে হৃদয় ঠেলে । উঠে দাড়াল ছেলেটা গিয়ে অযু করে আসলো ধুলো পরা সেই যায়নামাজটা বিছালো আরালে। নামাজ শেষ হল তবুও ছেলেটা যায়ানামাজে

By kolpobazz

দিনরাত ডিপ্রেশনে ভুগতে থাকা মানুষগুলো আসলে আত্মহত্যা করেনা, এদের খুন করা হয়। আপনি করেন। আপনার মতো কিছু অমানুষ করে। হুম, এপারে বন্ধুর স্বরণে একটা লম্বা পোষ্ট লিখে পার পেয়ে যাবেন, কিন্তু ওপারে খুনের দায়ে আপনারও যে ফাঁসির রায় হয়ে গেছে তা জানেন কি?

By kolpobazz

সেঃ কাউকে ভালোবাসো? - হুম সেঃ ভুলেও তা প্রকাশ করবে না। -কেন ? সেঃতাহলে অবহেলা বেড়ে যাবে - আর না প্রকাশ করলে , একদিন সে অন্যের হয়ে যাবে । সেঃ😶😶😶😶 #সাইকো

By kolpobazz

Friday, May 24, 2019

অতঃপর প্রতিরাতেই ইচ্ছেগুলোর সাথে ঝগড়া হয়, আক্ষেপে অনুশোচনা হয়, পাওয়া না পাওয়ার হিসেব হয়। প্রতিরাতেই নিজের অনুভুতির মৃত্যু হয়, বাস্তবতার সাথে স্বপ্নগুলোর যুদ্ধ হয়, যুদ্ধ শেষে স্বপ্নগুলো হেরে যায় অনুভুতিগুলোর জানাজা ছাড়া দাফন হয়। প্রতিরাতেই আত্মউপলদ্ধির ঝড় হয়, ঝড়ের সাথে আকাশ জুড়ে বৃষ্টি হয় বৃষ্টি শেষে নতুন শুরুর প্রতিজ্ঞা হয়, প্রতিরাতেই আত্মাটার নির্বাক সৎকার হয় খানিক বাদে দুরের মিনারে আজান হয় ফযর শেষে সৃষ্টিকর্তার শুকরিয়া হয়, অতঃপর প্রশান্তির ঘুম হয়।

By kolpobazz

আলহামদুলিল্লাহ,,,,, সব গ্রুপ থেকে লিভ ডান,,,,, ☺☺☺

By kolpobazz

Thursday, May 23, 2019

সবার দিন শুরু হয়, জানু সোনা ভালোবাসা দিয়া আর আমার,,,,,,ব্লক!!!!!! বালের কপাল🙄🙄

By kolpobazz

অতঃপর প্রতিরাতেই নিজের ইচ্ছেগুলোর সাথে ঝগড়া হয়, আক্ষেপে অনুশোচনা হয়, পাওয়া না পাওয়ার হিসেব হয়। প্রতিরাতেই নিজের অনুভুতির মৃত্যু হয়, বাস্তবতার সাথে অনুভুতির যুদ্ধ হয়, অনুভুতিগুলোর জানাজা ছাড়া দাফন হয়। প্রতিরাতেই আত্মউপলদ্ধির ঝড় হয়, নতুন শুরুর প্রতিজ্ঞা হয়, সৃষ্টিকর্তার শুকরিয়া হয়, অতঃপর প্রশান্তির ঘুম হয়।

By kolpobazz

কেউ জানেনা, "হাতের উপর হাত রাখা সহজ কিন্ত , সারাজীবন বইতে পারা সহজ নয়!

By kolpobazz

কয়েক ফোটা রক্ত দেখে ভয় পেলে বুঝি? ভয় নেই অরদ্ধি। রক্ত নয় সব ভালোবাসা! গুলিবিদ্ধ ছিদ্র বুকের লাশ দেখে ভয় পেলে বুঝি! ভয় নেই অরু এ এক তুফানে ভেসে আসা মিছিলের শেষ দৃশ্য, এগুলো ভালোবাসার আন্দোলন মিছিল। তোমাকে নিয়ে কবিতা লিখতে শব্দ ছিনিয়ে আনার আন্দোলন, এতো ভাবছো কি? ক্ষুদ্র পাতা নড়ার শব্দ এ নয় সব না না ধ্বনির মিশ্রিত প্রতিরোধ । ক্ষুদ্র পাখির কিচির মিচির নয় এগুলো প্রেমিক জাতির এক হয়ে জোটবদ্ধ, প্রেমিকাকে নিয়ে কবিতা লিখতে পারার তীব্র আকাঙ্খা। . সব বিকৃত মস্তিষ্কের পোশাকি মানুষের টনক নাড়িয়ে দেবার জন্য জোটবদ্ধ প্রেমিকদের অমর যুদ্ধ ছিল। আর আমরা ছিনিয়ে এনেছি অসংখ্য শব্দমালা যার প্রতি বর্ণই প্রতিরোধ , আর একটি বাক্য আমরণ ভালোবাসার প্রকাশ। অরদ্ধি আবার ভয় পেলে বুঝি? শুদ্ধরা মরে গেছে কি না ? না অরু না একটি শুদ্ধও মারা যাইনি, শুধু তোমার ভালোবাসার একগুচ্ছ ফুল পাবার আশায়, শ্যামলীর এখানে ওখানে হৃদয় মন্দিরে চির অমর হয়ে দাড়িয়ে আছে।

By kolpobazz

Popular Posts