১ টা্ ...
২ টা...
৩ টা...
রাত যত বাড়ে,,,
হাস্নাহেনার সৌরভ তত ছড়াতে থাকে।
ঘোর লাগা সেই নির্জনতার মাঝে হঠাৎ কোথাও বেজে ওঠে মৃদু পায়েলের আওয়াজ।
ছেলেটি দেখে অন্ধকারে এক জোড়া চোখ জ্বল জ্বল করছে।
একটু ভয় ভয় করে ওর..কিন্তু সে তো শুধু শুধু মেয়েটির কাছে আসেনি,
সে তার স্বপ্নগুলোর সন্ধানে এসেছে।
ওর স্বপ্নের দল ওকে একা ফেলে মেঘদলের সাথে চলে এসেছিল।
মেঘদের সাথে যেদিন আবার দেখা হলো,
ছেলেটি দেখল সব মেঘেরাই ফিরেছে শুধু ওর স্বপ্নগুলো বাদে।
“কী করে তার সন্ধান মিলবে মেঘদল!”
আমি আমার স্বপ্নদের কী করে আবার ফিরে পাবো!
ছেলেটির আর্তস্বরে মেঘদল হতচকিত হয়ে ভিজিয়ে দিল তাকে।
মুখে পিঠে বুলিয়ে দিলো বৃষ্টিপরশ।
কাছে এসে জানাল, করতোয়া নদীর ধারে স্বপ্নরা রয়ে গেছে আগুনচোখো মেয়েটির কাছে।
অমাবস্যার রাতে শুধু তুমি গিয়ে একবার নতজানু হলেই মেয়েটি তোমার স্বপ্ন ফিরিয়ে দেবে।নদীর নাম করতোয়া।
এইটুকু মাথায় রেখে শুরু হয় তার পথচলা।দিনের পর দিন সে পথ হাঁটে তার হারিয়ে যাওয়া স্বপ্নসুখের সন্ধানে।
ক্রমে ক্রমে ক্লান্ত হয়ে আসা শরীরে সে একদিন এসে বসে এক হাস্নাহেনা গাছের পাশে। চোখ ঘুমে জড়িয়ে আসছিল তার।
দুদন্ড জিরিয়ে নিতে ধীরে ধীরে এগিয়ে গিয়ে বসল সে নাম না জানা এক নদীর পাশে। চোখ দুটো সে শূন্যে মেলে দিল।
দেখল পড়ন্ত বেলার তেজ মরে আসা রোদের আঁচে মাথার উপর বৃত্তাকারে উড়ছে কতগুলো শঙ্খচিল।
চক্রাকারে যেন বৃত্তের পর বৃত্তকে রচনা করে চলেছে সেই সব চিল। বৃত্তবন্দী খেলায় নিজেকে জড়িয়ে ফেলে ভারমুক্ত লাগছিল বেশ।
কিন্তু আলো নিভে যেতেই চারদিক অন্ধকারে নিমজ্জিত আর ঠিক তার কিছু পরই হাস্নাহেনা
তাকে সৌরভ দেয়, মাতাল করে।সেই সৌরভ যত বাড়ে রাত তত গভীর হয়।নির্জনতার সৌরভে লীন হতে হতে সে পায়েলের মৃদু আওয়াজ শোনে।
মগ্নতা থেকে জেগে উঠতে উঠতে সে অনুভব করে কারও উপস্থিতি।
ভালো করে সে মেয়েটিকে দেখার চেষ্টা করে আঁধার বেলায়।
নজর করতেই আবছা চোখে পড়ে মালার মতো মেয়েটির গায়ে জড়িয়ে আছে তার স্বপ্নের বিচ্ছুরণ।
অপার্থিব আলোকে মেয়েটির জ্বলে ওঠা চোখ দুটোর দিকে তাকিয়ে থাকতে গিয়ে সে তার স্বপ্নের কথা, নতজানু হবার কথাও ভুলে যায়।
মেয়েটি তার মায়াবী হাত দুটো বাড়িয়ে দেয়।
ছেলেটি এগিয়ে আসে।মেয়েটি পিছিয়ে যায়।
মোহাবিষ্ট ছেলেটি সামনে এগুতে থাকে..
আর তখনি আতশবাজির মত মেয়েটি হঠাৎই মিলিয়ে যায়.........অন্ধকারে।
.কল্পলোকের কল্পবাজ একজন ভাল লেখককে সহজেই ভাল মানুষ ভেবে নেয়াটা বোকামী। যেমন একজন ভাল ডাক্তার ভাল মানুষ নাও হতে পারে। বাংলাদেশে যত জন ডাক্তার আছে এরা সবাই যদি ভাল মানুষ হত, যদি প্রত্যেকটা ডাক্তার দিনে তিনটা করে রোগী বিনা পয়সায় দেখত তাহলে আর এদেশে কেউ বিনা চিকিৎসায় মারা যেতনা।
Saturday, January 5, 2019
তারপরও আমি তোকে নিয়েই ভাবছি
তারপরও আমি তোকে নিয়েই ভাবছি।আমার যে তোকে নিয়েই ভাবতে হবে।আমার সকল ভাবনাতো তোর দখলে।আমি ঠিকই একদিন আমার সকল না বলা কথাগুলি এক দমেই তোকে শুনিয়ে দিব।
তুই কি আমার স্বপ্ন ছিলি?
তুই কী আমার মাঝে একটা কল্পনা?
তোর অস্তিত্বের শেকড়ের মাঝে কী আমারটাও প্রোথিত না?
তুই কি আর ফিরে আসবি না?
নাকি তুই আসলে ছিলিই না কখনো?
“কষ্ট আর একাকিত্ব।
একাকিত্ব আর
কষ্ট।”আমার অসহ্য সঙ্গী।ইদানিং আমার নিজেকে বড্ড অসহায় আর একা মনে হয়।মনে হয় আমার সবকিছু ঘিরে যেন শুধুই কষ্ট আর কষ্ট।এই ব্যাখ্যাহীন,অনন্যসাধারণ কষ্ট আর একাকিত্ব গুলো দেখতে দেখতে আমি ক্লান্ত।দেখতে দেখতে আমি পরিশ্রান্ত।
এই জীবনের কষ্ট আর একাকিত্ব গুলো না পারি আমি ভেঙ্গে ফেলতে,না পারি নতুন কিছু করতে।জীবনটা কি আরেকটু সুন্দর হতে পারতো না?আরেকটু?আমার কাছে জীবনের অপর নাম হল প্রতীক্ষা।
দুঃসহ অন্তহীন প্রতীক্ষা।প্রতিটি সকাল আমার কাছে একটি সীমাহীন কষ্টের শুরু।পথ আমায় হারিয়েছে,নাকি আমি পথ হারিয়েছি।মনে হয় আমি শূন্য।নাকি আমি কখনই ছিলাম না।
আমার জীবনের কোথা থেকে শুরু,কোথা গিয়ে শেষ কিছুই জানিনা আমি।আমার জীবনের সবকিছুই আমার কাছে দুঃস্বপ্নের মতন লাগে।আমার জীবনটাই কি এমন?নাকি মানব জীবনটাই আসলে এমন?
শেষ কবে প্রচন্ড মুগ্ধ হয়েছিলাম তা ভুলে গেছি।হয়ত মানুষের জীবনে একটা সময় আসে,যখন সে আর কোন কিছুতেই মুগ্ধ হয়না।মানুষের জীবনে সব কিছু ভুলা যায় না।তবুও অনেক কিছুই ভুলে থাকার অভিনয় করে যেতে হয়।ছোট্ট এই জীবনে অনেক কিছুই দেখলাম।
দেখলাম মানুষকে ভালবাসার প্রতিদানের বাস্তব চিত্র।
দেখলাম ভালবাসা কি।কী অদ্ভূত একটা জীবন আমার!
হা হা হা!শুধু একটা কথাই বলব,ভালো থাকিস!
আমি আমার মত একলা চলতে চাই।
কেননা সম্পর্ককে আমি ভয় করি এখন ।
#rpst
তুই কি আমার স্বপ্ন ছিলি?
তুই কী আমার মাঝে একটা কল্পনা?
তোর অস্তিত্বের শেকড়ের মাঝে কী আমারটাও প্রোথিত না?
তুই কি আর ফিরে আসবি না?
নাকি তুই আসলে ছিলিই না কখনো?
“কষ্ট আর একাকিত্ব।
একাকিত্ব আর
কষ্ট।”আমার অসহ্য সঙ্গী।ইদানিং আমার নিজেকে বড্ড অসহায় আর একা মনে হয়।মনে হয় আমার সবকিছু ঘিরে যেন শুধুই কষ্ট আর কষ্ট।এই ব্যাখ্যাহীন,অনন্যসাধারণ কষ্ট আর একাকিত্ব গুলো দেখতে দেখতে আমি ক্লান্ত।দেখতে দেখতে আমি পরিশ্রান্ত।
এই জীবনের কষ্ট আর একাকিত্ব গুলো না পারি আমি ভেঙ্গে ফেলতে,না পারি নতুন কিছু করতে।জীবনটা কি আরেকটু সুন্দর হতে পারতো না?আরেকটু?আমার কাছে জীবনের অপর নাম হল প্রতীক্ষা।
দুঃসহ অন্তহীন প্রতীক্ষা।প্রতিটি সকাল আমার কাছে একটি সীমাহীন কষ্টের শুরু।পথ আমায় হারিয়েছে,নাকি আমি পথ হারিয়েছি।মনে হয় আমি শূন্য।নাকি আমি কখনই ছিলাম না।
আমার জীবনের কোথা থেকে শুরু,কোথা গিয়ে শেষ কিছুই জানিনা আমি।আমার জীবনের সবকিছুই আমার কাছে দুঃস্বপ্নের মতন লাগে।আমার জীবনটাই কি এমন?নাকি মানব জীবনটাই আসলে এমন?
শেষ কবে প্রচন্ড মুগ্ধ হয়েছিলাম তা ভুলে গেছি।হয়ত মানুষের জীবনে একটা সময় আসে,যখন সে আর কোন কিছুতেই মুগ্ধ হয়না।মানুষের জীবনে সব কিছু ভুলা যায় না।তবুও অনেক কিছুই ভুলে থাকার অভিনয় করে যেতে হয়।ছোট্ট এই জীবনে অনেক কিছুই দেখলাম।
দেখলাম মানুষকে ভালবাসার প্রতিদানের বাস্তব চিত্র।
দেখলাম ভালবাসা কি।কী অদ্ভূত একটা জীবন আমার!
হা হা হা!শুধু একটা কথাই বলব,ভালো থাকিস!
আমি আমার মত একলা চলতে চাই।
কেননা সম্পর্ককে আমি ভয় করি এখন ।
#rpst
আমার যে অনেক ইচ্ছে করে তোকে দেখতে,
আমার যে অনেক ইচ্ছে করে তোকে দেখতে,
এইতো;
এতটুকু;
অল্প একটু,
আসবি?
আমার পছন্দের কলাপাতা রঙের শাড়ি পড়ে,
আমাদের সেই চিরচেনা শালবন বিহারে।
আর হয়তো বসা হবে না বি.বি.এ ফ্যাকাল্টির সিঁড়িতে,
তোর কথাই আমার
হৃদয়ে আমার স্মৃতিতে;
আমার মনেও মননে,
আমার মস্তিষ্কের অলি গলির প্রতিটি নিউরনে।
পাগলি আমার!তুই তো জানিশও না এই নশ্বর পৃথিবীতে তোর চেয়ে সুন্দর করে কেউ হাসতে পারে না।
এইতো;
এতটুকু;
অল্প একটু,
আসবি?
আমার পছন্দের কলাপাতা রঙের শাড়ি পড়ে,
আমাদের সেই চিরচেনা শালবন বিহারে।
আর হয়তো বসা হবে না বি.বি.এ ফ্যাকাল্টির সিঁড়িতে,
তোর কথাই আমার
হৃদয়ে আমার স্মৃতিতে;
আমার মনেও মননে,
আমার মস্তিষ্কের অলি গলির প্রতিটি নিউরনে।
পাগলি আমার!তুই তো জানিশও না এই নশ্বর পৃথিবীতে তোর চেয়ে সুন্দর করে কেউ হাসতে পারে না।
তুই তোর মতো করে ভালোবাসিস,
তুই তোর মতো করে ভালোবাসিস,
অন্য কাউকে আজ;
আমি আমার থেকে মুক্তি দিলাম,
স্বপ্ন নিয়ে যাস।
অন্য আকাশে উড়ে দেখিস সুখটা কাকে বলে?
ক্লান্ত হলে ফিরে আসিস আমার চেনা ঘরে।
কখনো যদি চোখের পাতা ভিজিয়ে যাস জলে…
বুঝবি তখন পাঁজর ভাঙ্গার কষ্ট কাকে বলে?
Moral:কিছু মানুষ জীবনে হঠাত করে আসে আবার হঠাত করেই হারিয়েও যায়॥শুধু দিয়ে যায়,না ভুলতে পারা কিছু সময়,আর কিছু স্মৃতি॥
এই ধরনের মানুষ কেনইবা জীবনে আসে
আবার কেনইবা চলে যায় জীবন থেকে অনেক দূরে॥
কেন এরা দিয়ে যায় কখনো মিষ্টি বেদনা কখনো বা কিছু অনুশোচনা যা বয়ে বেড়াতে হয় সারাটি জীবন…
অন্য কাউকে আজ;
আমি আমার থেকে মুক্তি দিলাম,
স্বপ্ন নিয়ে যাস।
অন্য আকাশে উড়ে দেখিস সুখটা কাকে বলে?
ক্লান্ত হলে ফিরে আসিস আমার চেনা ঘরে।
কখনো যদি চোখের পাতা ভিজিয়ে যাস জলে…
বুঝবি তখন পাঁজর ভাঙ্গার কষ্ট কাকে বলে?
Moral:কিছু মানুষ জীবনে হঠাত করে আসে আবার হঠাত করেই হারিয়েও যায়॥শুধু দিয়ে যায়,না ভুলতে পারা কিছু সময়,আর কিছু স্মৃতি॥
এই ধরনের মানুষ কেনইবা জীবনে আসে
আবার কেনইবা চলে যায় জীবন থেকে অনেক দূরে॥
কেন এরা দিয়ে যায় কখনো মিষ্টি বেদনা কখনো বা কিছু অনুশোচনা যা বয়ে বেড়াতে হয় সারাটি জীবন…
মানুষ যেখান থেকে পালাতে চায়
মানুষ যেখান থেকে পালাতে চায়
এমন কি হয় যে বারবার ঘুরে ফিরে সেখানেই যায়।
খুনীরা নাকি খুনের জায়গায় আবার ফেরত যায়।
কাউকে যত বেশি যে ভুলতে চায়
দিন দিন তার প্রতি আগ্রহ আর ও বেড়ে জায়।
পরিস্থিতি পর্যবেক্ষনে নাকি এটাই মানুষের স্বাভাবিক ধর্ম?
শুধু কৌতুহল নাকি অন্যকিছু?অনেকটা টিভি দেখতে বসে দেখতে না চাওয়া অংশ গুলো আঙ্গুলের ফাঁক দিয়ে দেখা টাইপের মতো।
মন খারাপের জায়গায়গুলোতে ফিরে যাওয়ার কারণটা আসলে কি?
সেখানে কিসের আগ্রহ মানুষের?
অথবা মন হু হু করা,মন খারাপ করা সুরগুলোতে।
নাকি মন খারাপ করা জিনিস গুলোর দিকে আকর্ষন থাকাটা মানুষের স্বভাবজাত?কতগুলো বাঁশি কেমন হু হু করে সুর তোলে তবুও মানুষ ঘুরে ফিরে ঐগুলো কেন শুনতে থাকে?
মানুষের মন যে কতটা আজিব কিসিমের।
তা বুঝা বড় দায় ।
এমন কি হয় যে বারবার ঘুরে ফিরে সেখানেই যায়।
খুনীরা নাকি খুনের জায়গায় আবার ফেরত যায়।
কাউকে যত বেশি যে ভুলতে চায়
দিন দিন তার প্রতি আগ্রহ আর ও বেড়ে জায়।
পরিস্থিতি পর্যবেক্ষনে নাকি এটাই মানুষের স্বাভাবিক ধর্ম?
শুধু কৌতুহল নাকি অন্যকিছু?অনেকটা টিভি দেখতে বসে দেখতে না চাওয়া অংশ গুলো আঙ্গুলের ফাঁক দিয়ে দেখা টাইপের মতো।
মন খারাপের জায়গায়গুলোতে ফিরে যাওয়ার কারণটা আসলে কি?
সেখানে কিসের আগ্রহ মানুষের?
অথবা মন হু হু করা,মন খারাপ করা সুরগুলোতে।
নাকি মন খারাপ করা জিনিস গুলোর দিকে আকর্ষন থাকাটা মানুষের স্বভাবজাত?কতগুলো বাঁশি কেমন হু হু করে সুর তোলে তবুও মানুষ ঘুরে ফিরে ঐগুলো কেন শুনতে থাকে?
মানুষের মন যে কতটা আজিব কিসিমের।
তা বুঝা বড় দায় ।
আমি জীবনে যখন প্রথম ‘ক্রাশ খাই’,তখনও বাগধারাটার মানে জানতাম না।
আমি জীবনে যখন
প্রথম ‘ক্রাশ খাই’,তখনও বাগধারাটার মানে জানতাম না।
জানার কথাও না, কারণ বাগধারাটার মতই খাদ্যদ্রব্য হিসেবে ‘ক্রাশ’ বেশ আধুনিক।ক’দিন আগে রাস্তা দিয়ে হাঁটছিলাম,
একটা গান কানে এলো পথের ধার থেকে“এর বেশি ভালোবাসা যায় না,ও আমার প্রাণপাখি ময়না“।
প্রেমিক লোকের চিৎকার করা আর্তনাদ।এই প্রেমিক গায়ক আবার ভালোবাসার একটা স্কেল আবিষ্কার করেছেন,যার সর্বোচ্চ রেটিং এর ভালোবাসা তিনি বেসেও ফেলেছেন।সম্ভবত এইটা চেক করে দেখার পর তিনি আরো জোরে চিৎকার করছিলেন,এবং তার সমস্ত চিৎকার তার প্রাণপাখি ময়নার উদ্দেশ্যে হলেও ভুলক্রমে আমার সাথে আরও বহু পথচারীর কর্ণকুহর ফুটো করে দেয়ার উপক্রম করছিলো।
আমার মাথায় ঘুরপাক খাচ্ছিলো এই “ময়না” কি আসলেই শুনবে? ময়নারা কি এইসব গান শুনে গলে যায়,নাকি তব্দা খায়? ফলাফল যা-ই হোক,ময়নাপাখি, জান,জান্টু,মন, প্রাণ,বেবি,হানিটাইপের শব্দ দিয়েই প্রেম হয় এখন।
আম্মা-আব্বার নাম আবেগ আর ভালোবাসার কাছে রিনেম হয়ে ওই কয়টা নামেই রুপান্তরিত হয়।
আমার কাছে এখন জীবনটাকে মনে হয় এক দ্রুতগামী ট্রেন কিংবা বাসের মত।কেননা যতক্ষণই ছুটে চলছি ততক্ষণ পিছু ফিরে তাকাবার সময় নেই,সময় নেই অতীতকে কাছে টানবার,তাকে নিয়ে ভাববার, শুধুই ভুলে থাকা।
প্রথম প্রথম কাউকে মরতে দেখলে ব্যথা পেতাম।কেমন যেন দুর্বল হয়ে পড়তাম।কখনও চোখের কোণে একফোঁটা অশ্রুও হয়ত জন্ম নিত।
এখন অনেকটা সহজ হয়ে গেছি।
কী জানি,হয়ত অনুভূতিগুলো ভোঁতা হয়ে গেছে।কিছু মানুষ স্বপ্ন দেখে কিন্তু একটাও পূরণ হয় না।প্রত্যেকদিন দেখে প্রত্যেকদিন ভাঙে—তবুও স্বপ্ন দেখা ছাড়ে না।এই ভাঙ্গাগড়া নিয়েই তারা সারা জীবন কাটিয়ে দেয়।
আমি অনেকটা তাদের মত।আজ আবার অনেক দিন পর যখন পিছন ফিরে তাকালাম তখন দেখি,সব কিছু ভীষণ রকম পাল্টে গেছে।
অস্পষ্ট হতে থাকা মানুষগুলো,স্বপ্নগুলো, ইচ্ছেগুলো,বয়ে চলা এই সময়ের মধ্যে এতটাই পাল্টে গেছে যে,
সেই সব কিছুকে এখন শুধু হাতড়েই বেড়াচ্ছি,ছুঁতে আর পারছি না। বেশ যন্ত্রণা হচ্ছে, সামান্য স্পর্শ পাওয়ার জন্যেও খুব চেষ্টা করছি।
কিন্তু সেই সব অনুভূতি-স্মৃতি ধরা-ছোঁয়ার বাইরেই থেকে যাচ্ছে।কেন ফিরে পেতে চাইছি সেই মানুষকে যে আজ হারিয়ে গেছে,অথবা যার স্মৃতি?সেই চলে যাওয়া সময়কে কেন হাতের মুঠোয় আটকে রাখতে চাইছি?
কেন আমার সেই হারিয়ে যাওয়া মুহূর্তগুলোকে খুঁজে চলেছি একমনে?জানি না।আমি সত্যিই জানি না,
কেন আজ বারে বারে হারিয়ে যাওয়া সেই সবকিছুকে ফিরে পেতে চাইছি।সবাই বোধহয় ‘একা’ মুহূর্তে এই রকমটা ভাবে।কেন আজ নিয়ন আলোয় উদ্দেশ্যহীনভাবে হাঁটতে ইচ্ছে করছে না সেই প্রথম শহরবিলাসীর মতো?
কেন আজ বারে বারে মনে করিয়ে দেয় যে প্রত্যেকটা দিনই বড় একঘেয়ে। আর এই একঘেয়েমি থেকে আমি পালাতে পারব না।
কেন আজকে কোন যুক্তি মেনে নিতে ইচ্ছে করছে না।
কেন নিজেকে বোঝাতে পারছি না,আমি অতীতকে খুঁজছি কারণ ভবিষ্যতের ভাবনা থেকে এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছি। বেশিরভাগ মানুষের মত আমিও হয়ত চেনা জগৎ থেকে বেরোতে ভয় পাচ্ছি।
অচেনা, অদেখা, অপরিচিত ভবিষ্যতের আশঙ্কার ভাবনা থেকে দূরে থাকার জন্য অতীতকে খুঁজতে চেষ্টা করছি বারে বারে।
প্রথম ‘ক্রাশ খাই’,তখনও বাগধারাটার মানে জানতাম না।
জানার কথাও না, কারণ বাগধারাটার মতই খাদ্যদ্রব্য হিসেবে ‘ক্রাশ’ বেশ আধুনিক।ক’দিন আগে রাস্তা দিয়ে হাঁটছিলাম,
একটা গান কানে এলো পথের ধার থেকে“এর বেশি ভালোবাসা যায় না,ও আমার প্রাণপাখি ময়না“।
প্রেমিক লোকের চিৎকার করা আর্তনাদ।এই প্রেমিক গায়ক আবার ভালোবাসার একটা স্কেল আবিষ্কার করেছেন,যার সর্বোচ্চ রেটিং এর ভালোবাসা তিনি বেসেও ফেলেছেন।সম্ভবত এইটা চেক করে দেখার পর তিনি আরো জোরে চিৎকার করছিলেন,এবং তার সমস্ত চিৎকার তার প্রাণপাখি ময়নার উদ্দেশ্যে হলেও ভুলক্রমে আমার সাথে আরও বহু পথচারীর কর্ণকুহর ফুটো করে দেয়ার উপক্রম করছিলো।
আমার মাথায় ঘুরপাক খাচ্ছিলো এই “ময়না” কি আসলেই শুনবে? ময়নারা কি এইসব গান শুনে গলে যায়,নাকি তব্দা খায়? ফলাফল যা-ই হোক,ময়নাপাখি, জান,জান্টু,মন, প্রাণ,বেবি,হানিটাইপের শব্দ দিয়েই প্রেম হয় এখন।
আম্মা-আব্বার নাম আবেগ আর ভালোবাসার কাছে রিনেম হয়ে ওই কয়টা নামেই রুপান্তরিত হয়।
আমার কাছে এখন জীবনটাকে মনে হয় এক দ্রুতগামী ট্রেন কিংবা বাসের মত।কেননা যতক্ষণই ছুটে চলছি ততক্ষণ পিছু ফিরে তাকাবার সময় নেই,সময় নেই অতীতকে কাছে টানবার,তাকে নিয়ে ভাববার, শুধুই ভুলে থাকা।
প্রথম প্রথম কাউকে মরতে দেখলে ব্যথা পেতাম।কেমন যেন দুর্বল হয়ে পড়তাম।কখনও চোখের কোণে একফোঁটা অশ্রুও হয়ত জন্ম নিত।
এখন অনেকটা সহজ হয়ে গেছি।
কী জানি,হয়ত অনুভূতিগুলো ভোঁতা হয়ে গেছে।কিছু মানুষ স্বপ্ন দেখে কিন্তু একটাও পূরণ হয় না।প্রত্যেকদিন দেখে প্রত্যেকদিন ভাঙে—তবুও স্বপ্ন দেখা ছাড়ে না।এই ভাঙ্গাগড়া নিয়েই তারা সারা জীবন কাটিয়ে দেয়।
আমি অনেকটা তাদের মত।আজ আবার অনেক দিন পর যখন পিছন ফিরে তাকালাম তখন দেখি,সব কিছু ভীষণ রকম পাল্টে গেছে।
অস্পষ্ট হতে থাকা মানুষগুলো,স্বপ্নগুলো, ইচ্ছেগুলো,বয়ে চলা এই সময়ের মধ্যে এতটাই পাল্টে গেছে যে,
সেই সব কিছুকে এখন শুধু হাতড়েই বেড়াচ্ছি,ছুঁতে আর পারছি না। বেশ যন্ত্রণা হচ্ছে, সামান্য স্পর্শ পাওয়ার জন্যেও খুব চেষ্টা করছি।
কিন্তু সেই সব অনুভূতি-স্মৃতি ধরা-ছোঁয়ার বাইরেই থেকে যাচ্ছে।কেন ফিরে পেতে চাইছি সেই মানুষকে যে আজ হারিয়ে গেছে,অথবা যার স্মৃতি?সেই চলে যাওয়া সময়কে কেন হাতের মুঠোয় আটকে রাখতে চাইছি?
কেন আমার সেই হারিয়ে যাওয়া মুহূর্তগুলোকে খুঁজে চলেছি একমনে?জানি না।আমি সত্যিই জানি না,
কেন আজ বারে বারে হারিয়ে যাওয়া সেই সবকিছুকে ফিরে পেতে চাইছি।সবাই বোধহয় ‘একা’ মুহূর্তে এই রকমটা ভাবে।কেন আজ নিয়ন আলোয় উদ্দেশ্যহীনভাবে হাঁটতে ইচ্ছে করছে না সেই প্রথম শহরবিলাসীর মতো?
কেন আজ বারে বারে মনে করিয়ে দেয় যে প্রত্যেকটা দিনই বড় একঘেয়ে। আর এই একঘেয়েমি থেকে আমি পালাতে পারব না।
কেন আজকে কোন যুক্তি মেনে নিতে ইচ্ছে করছে না।
কেন নিজেকে বোঝাতে পারছি না,আমি অতীতকে খুঁজছি কারণ ভবিষ্যতের ভাবনা থেকে এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছি। বেশিরভাগ মানুষের মত আমিও হয়ত চেনা জগৎ থেকে বেরোতে ভয় পাচ্ছি।
অচেনা, অদেখা, অপরিচিত ভবিষ্যতের আশঙ্কার ভাবনা থেকে দূরে থাকার জন্য অতীতকে খুঁজতে চেষ্টা করছি বারে বারে।
প্রায় বেশ কিছুদিন ধরেই
প্রায় বেশ কিছুদিন ধরেই
আমার ঠোঁটের কোণে চিরচেনা সেই পরিচিত হাসি দেখা যায় না।
হাসি ব্যাপারটা কেমন জানি অপরিচিত এখন আমার কাছে।
ছোটবেলা থেকেই ছোট-ছোট জিনিসের মাঝে সুখ খুঁজে নেওয়া আমি এখন যেন অন্য জগতের বাসিন্দা।
হটাৎ চারপাশ থেকে হতাশার মেঘ এসে আমার স্বপ্নিল আকাশটাকে ঢেকে দিয়েছে।জীবন নিয়ে এর আগে কখনও এত চিন্তা করতাম না আমি।কিন্তু এখন মাঝে মাঝেই আমার মনে হয়,না পাওয়ার তালিকাটা দিন দিন বেড়েই চলেছে।কষ্টগুলো জয় করে বেঁচে থাকার সাহস কিংবা সামর্থ্য কোনটাই এখন আমার নেই।যে চোখজোড়া একসময় স্বপ্ন বুনতে ব্যাস্ত থাকত সেই চোখজোড়া এখন শুধু মুক্তি খুঁজে বেড়ায়।
পৃথিবীর সমস্ত কিছু থেকে মুক্তি।নিজের অনুভূতিগুলোকে গোলাপের কলি ভাবার সাহস আমি কোনোদিন করিনি আর করবো বলে মনেও হয় না।পথের ফুলই ভালো আমার জন্যে।
পরিনত হওয়ার পর যে ফুলকে ইচ্ছের বসে কিংবা নিজের কাজে ছিঁড়ে ফেলতে এতোটুকু দ্বিধা হবে না কারও।
পথের ফুল আর গোলাপের মাঝে এটাই অনেক বড় তফাৎ।গোলাপের কাঁটার আঘাতও সবাই সহ্য করে নেয় কিন্তু পথের ফুলের নিস্পাপ সৌন্দর্য কারও চোখে পড়ে না,কখনও না।কি ই বা আসে যায় এত ভেবে?নিজের স্বার্থটা উদ্ধার হলেই হল মানুষের।নিজের কথা জনে জনে বলে বেরালে কি দুঃখ কমে?হয়ত বা কমে।হয়তবা মনে হয় সব একদিন ঠিক হয়ে যাবে,
যদিও জানি তা কখনো হবার নয়।এত আজব কেন আমার মনটা?সব কিছুই বুঝি,জানি,দেখি,শিখি,তবুও মন কে বোঝাতে পারি না কেন?কোথায় পেলাম তোমার জন্য এত ভালবাসা?কিসের এতো টান?কিসের মায়া এত?হয়তো আজীবন আমার মনের কথা তোমার অজানাই থাকবে।আজ তুমি যার হাতটি ছেড়ে দিয়ে নিজেকে বদলে নিলে একটাবারও ভেবে দেখলে না কোন একদিন এই মানুষটিই শুধুমাত্র তোমার হাতটা ধরার জন্য তার নিজেকে বদলে নিয়েছিল।জানিনা আমি,সত্যি জানিনা।
এতোটা মন খারাপ ক্যানো হয়,যেটা আমি সহ্য করতে পারিনা!আকাশের যখন খুব মন খারাপ হয়- সারাদিন চুপচাপ কাঁদে,কখনও কখনও প্রচন্ড শব্দে কাঁদে।সেই কান্নায় ভিজে কি তোমার উঠোন?আজকাল আকাশও বোধ হয় কাঁদতে ভুলে গেছে,সারাক্ষণ মুখ কালো করে থাকে।মনে হয় এখনই ঝুপঝাপ বৃষ্টি ঝরবে আকাশের চোখ থেকে,ঝরেনা,ঝরেনা..
সেই কালোতে ঢেকে যায় আমার পৃথিবী..আমিও মুখ কালো করে বসে থাকি,আকাশ দেখি,কাঁদতে পারিনা,কাঁদতে পারিনা..আমার কান্নার যে মৃত্যু হয়েছে!আমার চোখের যেখানটায় কান্না করব,ঠিক সেখানটায় মরুভুমি জন্মেছে..মরুভুমির বালিগুলো হতাশার রোদে শুকিয়ে প্রচন্ড লাল হয়ে থাকে,বড্ড জ্বলে,বড্ড..
আমার খুব কষ্ট হয়..
সেই কষ্ট কেউ বোঝেনি কোনোদিন,বোঝার চেষ্টাও করেনা,বুঝবেওনা..আমি কষ্ট লুকাতে হাসি,হাসতে হাসতে নিজেকে মাতাল করে ফেলি,বুক-পেট সব ব্যাথা হয়ে যায় তবু..তবু কষ্ট লুকাতে পারিনা..জানো,আজকাল ঘুমও তার কর্ম ভুলে গেছে।
আমার ঘুমকে আপন করে পাবার প্রচেষ্টা দেখে,শিরায় শিরায় লোহিত কণিকারা আফসোসে ডুকরে ওঠে,কষ্টরা মুখ চেপে হাসে..আমি বোবা হয়ে রই..চিন্তা করি তোমার মত যদি ঘুমটাও আমাকে ছেড়ে চলে যায়,তবে কি হবে আমার।
আরও ভাবি,আমার মতো একটা মানুষ ঘুমের সাথে হারিয়ে গেলে কতটুকুই বা ক্ষতি হবে পৃথিবীর!কতটুকুই বা শূন্যতা তৈরি হবে!!কিছুই হবেনা..
সময় নাকি কারো জন্য অপেক্ষা করেনা,
আমার জন্যও করবেনা..
সময় বড্ড স্বার্থপর.. যেমন স্বার্থপর তুমি..।
আমার ঠোঁটের কোণে চিরচেনা সেই পরিচিত হাসি দেখা যায় না।
হাসি ব্যাপারটা কেমন জানি অপরিচিত এখন আমার কাছে।
ছোটবেলা থেকেই ছোট-ছোট জিনিসের মাঝে সুখ খুঁজে নেওয়া আমি এখন যেন অন্য জগতের বাসিন্দা।
হটাৎ চারপাশ থেকে হতাশার মেঘ এসে আমার স্বপ্নিল আকাশটাকে ঢেকে দিয়েছে।জীবন নিয়ে এর আগে কখনও এত চিন্তা করতাম না আমি।কিন্তু এখন মাঝে মাঝেই আমার মনে হয়,না পাওয়ার তালিকাটা দিন দিন বেড়েই চলেছে।কষ্টগুলো জয় করে বেঁচে থাকার সাহস কিংবা সামর্থ্য কোনটাই এখন আমার নেই।যে চোখজোড়া একসময় স্বপ্ন বুনতে ব্যাস্ত থাকত সেই চোখজোড়া এখন শুধু মুক্তি খুঁজে বেড়ায়।
পৃথিবীর সমস্ত কিছু থেকে মুক্তি।নিজের অনুভূতিগুলোকে গোলাপের কলি ভাবার সাহস আমি কোনোদিন করিনি আর করবো বলে মনেও হয় না।পথের ফুলই ভালো আমার জন্যে।
পরিনত হওয়ার পর যে ফুলকে ইচ্ছের বসে কিংবা নিজের কাজে ছিঁড়ে ফেলতে এতোটুকু দ্বিধা হবে না কারও।
পথের ফুল আর গোলাপের মাঝে এটাই অনেক বড় তফাৎ।গোলাপের কাঁটার আঘাতও সবাই সহ্য করে নেয় কিন্তু পথের ফুলের নিস্পাপ সৌন্দর্য কারও চোখে পড়ে না,কখনও না।কি ই বা আসে যায় এত ভেবে?নিজের স্বার্থটা উদ্ধার হলেই হল মানুষের।নিজের কথা জনে জনে বলে বেরালে কি দুঃখ কমে?হয়ত বা কমে।হয়তবা মনে হয় সব একদিন ঠিক হয়ে যাবে,
যদিও জানি তা কখনো হবার নয়।এত আজব কেন আমার মনটা?সব কিছুই বুঝি,জানি,দেখি,শিখি,তবুও মন কে বোঝাতে পারি না কেন?কোথায় পেলাম তোমার জন্য এত ভালবাসা?কিসের এতো টান?কিসের মায়া এত?হয়তো আজীবন আমার মনের কথা তোমার অজানাই থাকবে।আজ তুমি যার হাতটি ছেড়ে দিয়ে নিজেকে বদলে নিলে একটাবারও ভেবে দেখলে না কোন একদিন এই মানুষটিই শুধুমাত্র তোমার হাতটা ধরার জন্য তার নিজেকে বদলে নিয়েছিল।জানিনা আমি,সত্যি জানিনা।
এতোটা মন খারাপ ক্যানো হয়,যেটা আমি সহ্য করতে পারিনা!আকাশের যখন খুব মন খারাপ হয়- সারাদিন চুপচাপ কাঁদে,কখনও কখনও প্রচন্ড শব্দে কাঁদে।সেই কান্নায় ভিজে কি তোমার উঠোন?আজকাল আকাশও বোধ হয় কাঁদতে ভুলে গেছে,সারাক্ষণ মুখ কালো করে থাকে।মনে হয় এখনই ঝুপঝাপ বৃষ্টি ঝরবে আকাশের চোখ থেকে,ঝরেনা,ঝরেনা..
সেই কালোতে ঢেকে যায় আমার পৃথিবী..আমিও মুখ কালো করে বসে থাকি,আকাশ দেখি,কাঁদতে পারিনা,কাঁদতে পারিনা..আমার কান্নার যে মৃত্যু হয়েছে!আমার চোখের যেখানটায় কান্না করব,ঠিক সেখানটায় মরুভুমি জন্মেছে..মরুভুমির বালিগুলো হতাশার রোদে শুকিয়ে প্রচন্ড লাল হয়ে থাকে,বড্ড জ্বলে,বড্ড..
আমার খুব কষ্ট হয়..
সেই কষ্ট কেউ বোঝেনি কোনোদিন,বোঝার চেষ্টাও করেনা,বুঝবেওনা..আমি কষ্ট লুকাতে হাসি,হাসতে হাসতে নিজেকে মাতাল করে ফেলি,বুক-পেট সব ব্যাথা হয়ে যায় তবু..তবু কষ্ট লুকাতে পারিনা..জানো,আজকাল ঘুমও তার কর্ম ভুলে গেছে।
আমার ঘুমকে আপন করে পাবার প্রচেষ্টা দেখে,শিরায় শিরায় লোহিত কণিকারা আফসোসে ডুকরে ওঠে,কষ্টরা মুখ চেপে হাসে..আমি বোবা হয়ে রই..চিন্তা করি তোমার মত যদি ঘুমটাও আমাকে ছেড়ে চলে যায়,তবে কি হবে আমার।
আরও ভাবি,আমার মতো একটা মানুষ ঘুমের সাথে হারিয়ে গেলে কতটুকুই বা ক্ষতি হবে পৃথিবীর!কতটুকুই বা শূন্যতা তৈরি হবে!!কিছুই হবেনা..
সময় নাকি কারো জন্য অপেক্ষা করেনা,
আমার জন্যও করবেনা..
সময় বড্ড স্বার্থপর.. যেমন স্বার্থপর তুমি..।
তুমি জানো না,
তুমি জানো না,
তোমায় ভেবে শুরু করি;
আমার প্রতিটা দিন।
তুমি জানো না,
তোমায় না দেখে থাকা;
আমার কাছে কতটা যে কঠিন।
তুমি জানো না,
তোমার সেই নিশ্বাসের শব্দ;
আমার কানে বাজে।
তুমি জানো না,
তোমায় যে আমার দুটো চোখ;
সারাক্ষণই খুঁজে।
তুমি জানো না,
তোমার হাসির মায়ায়;
পড়েছি আমি প্রথম থেকেই।
তুমি জানো না,
তোমার দুটো চোখ দেখেছি;
আমার চোখে রেখেই।
তুমি জানো না,
তোমার হৃদস্পন্দন;
এখনও অনুভব করি।
তুমি জানো না,
তোমায় কত ভালোবাসি;
সেটাই ভেবে মরি।
তোমায় ভেবে শুরু করি;
আমার প্রতিটা দিন।
তুমি জানো না,
তোমায় না দেখে থাকা;
আমার কাছে কতটা যে কঠিন।
তুমি জানো না,
তোমার সেই নিশ্বাসের শব্দ;
আমার কানে বাজে।
তুমি জানো না,
তোমায় যে আমার দুটো চোখ;
সারাক্ষণই খুঁজে।
তুমি জানো না,
তোমার হাসির মায়ায়;
পড়েছি আমি প্রথম থেকেই।
তুমি জানো না,
তোমার দুটো চোখ দেখেছি;
আমার চোখে রেখেই।
তুমি জানো না,
তোমার হৃদস্পন্দন;
এখনও অনুভব করি।
তুমি জানো না,
তোমায় কত ভালোবাসি;
সেটাই ভেবে মরি।
আমার সজীবতা আজ নিষ্প্রাণ,
আমার সজীবতা আজ নিষ্প্রাণ,
বিষণ্ণতার পরিমাণ মেপে,
আমার মনের স্কেলটা আজ সন্দিহান…..
আমার মনটা আজ না পাওয়ার বেদনায় কুরে কুরে মরে…..
নিষ্প্রাণ অন্ধকারে,
কেনো আমি ভুলবো তোমায় মিছেমিছি?
ভালোবাসবো তোমায় আমি আগের চেয়েও বেশি!
বিষণ্ণতার পরিমাণ মেপে,
আমার মনের স্কেলটা আজ সন্দিহান…..
আমার মনটা আজ না পাওয়ার বেদনায় কুরে কুরে মরে…..
নিষ্প্রাণ অন্ধকারে,
কেনো আমি ভুলবো তোমায় মিছেমিছি?
ভালোবাসবো তোমায় আমি আগের চেয়েও বেশি!
তুমি ভুলে গেলে কি আর আমি ভুলে যাব?
তুমি ভুলে গেলে কি আর আমি ভুলে যাব?
আমি ভুলে গেলে কি আর তুমি ভুলে যাবে?
আমরা ভুলে গেলেই কি আর সবাই ভুলে যাবে?
সবাই ভুলে গেলেও কি আর সব মুছে যাবে?
জানিনা ।।!!
নাকি জানতে চাই না?
তা ও জানিনা !!
#kolpobazz
আমি ভুলে গেলে কি আর তুমি ভুলে যাবে?
আমরা ভুলে গেলেই কি আর সবাই ভুলে যাবে?
সবাই ভুলে গেলেও কি আর সব মুছে যাবে?
জানিনা ।।!!
নাকি জানতে চাই না?
তা ও জানিনা !!
#kolpobazz
একটু একটু করে আরো একটু দূরে…
একটু একটু করে আরো একটু দূরে…
তোমার কাছ থেকে যেতে চাই সরে;
মন তবু রয়ে যায় স্মৃতিরও ভীড়ে…
আমি নজর রাখি অন্য কোথাও যদি কিছু মনে পড়ে…..
তোমার কাছ থেকে যেতে চাই সরে;
মন তবু রয়ে যায় স্মৃতিরও ভীড়ে…
আমি নজর রাখি অন্য কোথাও যদি কিছু মনে পড়ে…..
কলম ছেরে দিয়েছি ১ বছর হল
"কলম ছেরে দিয়েছি ১ বছর হল ।
কারন ছিল কলম যোদ্ধাদের ফেবু থেকে বিদায় ।
কাছের মানুষগুলির অবহেলা ।
প্রিয় মানুষটার দূরে চলে যাওয়া ।
তখন বুঝতে পারিনি ভুল ছিলাম।
মানুষ আসবে যাবে।থেমে যাবে জীবন ।
কিন্ত কলমের কালি থামার নয় ।
ইনশাল্লাহ আজ থেকে শুরু করব আবার...। ঃ০
#স্মরণিকা
ফিরে আসব আবারও কোন এক শিশির ভেজা কুয়াশা ঘেরা স্নিগ্ধ সকালে ।
হয়ত তার হাত ধরে হাটা হবে না ।
তাতে কি!
বলা হবে না কি ঠাণ্ডা লাগছে ।
কোলে তুলে নিতে হবে নাকি।
আমি কিন্ত তোমার মত মুটিকে কোলে নিতে পারব না।
কথা শেষ না করতেই দারাও দেখাচ্ছি বলে তুমি আর আমার পিছনে ছুটবে না।
তাতে কি !!
হয়ত সারারত ধরে কবিতা লিখে লিখে সকালে তোমার ঘুম ভাঙ্গিয়ে বলা হবে না ।
এই দেখ তোমায় নিয়ে কবিতা লিখেছি কেমন হল বলত।
তাতে কি!!
তোমার কবরের সামনে গিয়ে মোনাজাত ধরে দুয়া ত করতে পারব।
বলতে তো পারব । হে আল্লাহ পাগ্লিটাকে জান্নাত দান করো ।
আমি পাই বা না পাই।
তাতে কি!!
আমি তোমার ছিলাম তোমার আছি ।
আজিবন তোমারই থাকব।
ডেডিকেটেড টু ......
Her.......................................................
#kolpobazz"
কারন ছিল কলম যোদ্ধাদের ফেবু থেকে বিদায় ।
কাছের মানুষগুলির অবহেলা ।
প্রিয় মানুষটার দূরে চলে যাওয়া ।
তখন বুঝতে পারিনি ভুল ছিলাম।
মানুষ আসবে যাবে।থেমে যাবে জীবন ।
কিন্ত কলমের কালি থামার নয় ।
ইনশাল্লাহ আজ থেকে শুরু করব আবার...। ঃ০
#স্মরণিকা
ফিরে আসব আবারও কোন এক শিশির ভেজা কুয়াশা ঘেরা স্নিগ্ধ সকালে ।
হয়ত তার হাত ধরে হাটা হবে না ।
তাতে কি!
বলা হবে না কি ঠাণ্ডা লাগছে ।
কোলে তুলে নিতে হবে নাকি।
আমি কিন্ত তোমার মত মুটিকে কোলে নিতে পারব না।
কথা শেষ না করতেই দারাও দেখাচ্ছি বলে তুমি আর আমার পিছনে ছুটবে না।
তাতে কি !!
হয়ত সারারত ধরে কবিতা লিখে লিখে সকালে তোমার ঘুম ভাঙ্গিয়ে বলা হবে না ।
এই দেখ তোমায় নিয়ে কবিতা লিখেছি কেমন হল বলত।
তাতে কি!!
তোমার কবরের সামনে গিয়ে মোনাজাত ধরে দুয়া ত করতে পারব।
বলতে তো পারব । হে আল্লাহ পাগ্লিটাকে জান্নাত দান করো ।
আমি পাই বা না পাই।
তাতে কি!!
আমি তোমার ছিলাম তোমার আছি ।
আজিবন তোমারই থাকব।
ডেডিকেটেড টু ......
Her.......................................................
#kolpobazz"
আমার এক বন্ধু ছিল
আমার এক বন্ধু ছিল যার একটা মেয়ের সাথে
সম্পর্ক ছিল প্রায় ৪ বছর্। এই ৪ বছরের মধ্যে ৩
বছরই ওরা একে অন্যকে গালাগালি করেছে।
সমস্যাটা ছিল আসলে চাহিদায়।
.
মেয়ে ছিল ইয়ো টাইপ। বলিউড ফ্রিক। তার কাছে
ভালোবাসা মানে সবার সামনে হাটু গেড়ে ছেলে
তাকে প্রপোজ করবে। ভ্যালেন্টাইন্সে বলিউডি
প্রেমিকদের মত পার্টি থ্রো করে বন্ধুদের
সামনে প্রেমিকাকে দামী রিং পড়িয়ে দেবে
.
অন্যদিকে বন্ধু ছিল মিডল ক্লাস ফ্যামিলির্। সংগ্রামে
সংগ্রামে দিন পার করত। তার কাছে ভালোবাসা ছিল
কলকাতার মুভির মত। যতই অবহেলা করা হোক
মেয়ে সতি সাধ্যি স্ত্রীর মত বলে যাবে
- ও যে আমার স্বর্গ tongue emoticon
.
তো দুইজনের এই চাহিদার বৈপরীত্য শেষ পর্যন্ত
কলকাতা ভার্সেস বলিউডি মুভি হয়ে দুজনের মুখ
থেকে
- তুই শালা আবাল
- যা বেটি তুই শালী চামার
হিসেবে বের হত
.
এখনকার সম্পর্কগুলোতে ব্রেক আপের হার
বেশী হওয়ার মূল কারণ হল এইটা। যে এখনকার
ভালোবাসার সম্পর্কে ফিল্মি ভাব বেশী
জীবনের সাথে বাস্তবতার সাথে সম্পর্ক কম
.
আমার আব্বা আম্মার রিলেশান থাকাকালীন একটা ঘটনা
বলি। আম্মা তখন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অনার্সের
ছাত্রী। ফাইনাল ইয়ার পরীক্ষা। এমন সময় আম্মা খুব
অসুস্থ হলো। এদিকে সামনে পরীক্ষা নোটস
নাই কিছু। হল ছেড়ে আম্মা নানাকে বাড়িতে নিয়ে
এসেছে। হলে থাকলে বন্ধুরা হেল্প করতে
পারত। আব্বার তখন মাস্টার্স ফাইনাল দিয়ে ফ্রি টাইম।
.
আব্বা করল কি? আম্মার হোস্টেলে গিয়ে
বন্ধুদের থেকে সব নোটস নিয়ে নিল। তারপর
সেগুলোকে নিজের হাতে গুছিয়ে নিজে আলাদা
আলাদা বিষয়ের জন্য আলাদা আলাদা খাতায় লিখে একদম
গুছিয়ে আম্মাকে দিল।
.
শুনতে অবাক লাগছে তাই না? ভালোবাসার সাথে
পড়াশুনার সম্পর্ক এইটা আবার কেমন কথা।
.
.
জি হা এইটাই কথা। ভালোবাসারে তোমরা জীবন
বল। কিন্তু ভালোবাসার সাথে জীবনের কোন
সম্পর্ক রাখোনা। ভালোবাসা যদি জীবন হয় তাহলে
জীবনের পড়াশুনা ,ক্যারিয়ার ,পারিবারিক সমস্যা
সবকিছুতেই ভালোবাসার মানুষকে সাপোর্ট করাটাই
আসল ভালোবাসা
.
শুধু সপ্তাহে চারবার রমনায় যাইয়া দুইজন মিলে বাদাম
চিবালেই ভালোবাসা হয় না
.
দুইজন মিলে ডি এস এল আরওয়ালা বন্ধুরে ধইরা
ফেসবুকে কাপল পিক দিলে লাইক হয়তো বাড়বে
ভালোবাসার স্থায়িত্বের তাতে কোনই উপকার
হবেনা
.
ভালোবাসা টা কে বিয়েতে রুপান্তর করার জন্য যদি
বাস্তবতার উপর ভিত্তি করে লং টাইম প্ল্যানিং না করা যায়
তাহলে ভ্যালেন্টাইন্সই আজীবন পালন করবেন
৭০ এ গিয়ে নাতী নাতনি নিয়ে দুজনের ম্যারেজ
ডে আর পালন করা হবে না
.
ভালোবাসা মানে এইটা না যে সারাদিন ফোনে কথা
বলতে হবে ,আলোচনা সারাদিন তুমি আমি চুম্মা
চাটিতে আটকায় রাখতে হবে। ফেসবুকে চ্যাটিং
হবে কাপল পিকে লোক বাহ বাহ দিবে।
.
ভালোবাসা মানে এইটাও অনেক কথা বলতে ইচ্ছা
করার পরেও পরেরদিন পরীক্ষা শুনে বলা
- যাও পড়তে বস
বেকারত্বের হতাশা কাটাতে প্রিয়জন কে বলা
- আগামী সপ্তাহ থেকে দুইজন মিলে চাকরির
খোজে নামব। চাকরি না হয়ে যাবে কই
অসুস্থ হলে নিজে হাত লাগান
- মেসে থাকছ তো কি হইছে ডাক্তারের কাছে
আমি নিয়ে যাব
.
কারণ সত্যিটা হচ্ছে ক্যারিয়ার বিল্ড আপ যদি না করতে
পারে তাহলে যতই রমনায় বাদাম চিবান আপনার বাবা ঠিকই
শুনায় দিব
- নিজেরেই তো চালাতে পারোনা আমার
মেয়েরে কি চালাইবা
অনার্স না করতে পারলে আপনার মা আপনার
প্রেমিকাকে শুনায় দিব
- অশিক্ষিত মেয়ের কাছে বিয়ে দেয়ার প্রশ্নই
আসেনা
জি এটাই বাস্তবতা। কাপল পিক ,ডেটিং আর
ভ্যালেন্টাইন্সে ভালোবাসা দেখান হয় ভালোবাসার
কোন ঠিকানা পাওয়া যায়না। একদিন বলিউডি প্রেমের
চাহিদা আকাশ ছোয়া হয়ে যায়,অতপর সো কলড উলি
আমার জান্টু শালা তুইত চামারে পরিবর্তিত হয়
.
ভালোবাসা নিয়ে ইল্যুশনে কম ভোগেন। কিভাবে
সেই ভালোবাসাটাকে একটা ভিত্তি দেয়া যায় তার
জন্য প্ল্যান করেন। উলি আমার জান্টু বাদ দিয়ে
মাঝে মাঝে একে অন্যের ক্যারিয়ার বিল্ড আপে
হাত বাড়িয়ে দেন।
.
ভালোবাসা মানে বিনোদন না। এত সিরিয়াস একটা বিষয়
কোনদিন বিনোদিন হতে পারেনা। তিন ঘন্টার মুভি না
ভালোবাসা। আজকাল ভালবাসা বলতে আমরা
এন্টারটেইনমেন্টই বুঝি। বিনোদন মানেই যার
শেষ আছে। আজকাল তাই অতি কল্পবিলাসী
ভালোবাসাগুলা তিন ঘন্টার বিনোদন শেষে তুই শালা
চামারে গিয়ে শেষ হয়
.
ভালোবাসাটার সাথে বিনোদন ,শো অফের
সম্পর্ক কমিয়ে জীবনের সম্পর্ক টাকে বাড়ান
,নাহলে সেই সিনেম্যাটিক ভালোবাসা ফুচকা
দোকানে যাইয়াই পথ হারায় ফেলব ,ভালো বাসা
পর্যন্ত কোনদিন যাইতে পারব না।
সম্পর্ক ছিল প্রায় ৪ বছর্। এই ৪ বছরের মধ্যে ৩
বছরই ওরা একে অন্যকে গালাগালি করেছে।
সমস্যাটা ছিল আসলে চাহিদায়।
.
মেয়ে ছিল ইয়ো টাইপ। বলিউড ফ্রিক। তার কাছে
ভালোবাসা মানে সবার সামনে হাটু গেড়ে ছেলে
তাকে প্রপোজ করবে। ভ্যালেন্টাইন্সে বলিউডি
প্রেমিকদের মত পার্টি থ্রো করে বন্ধুদের
সামনে প্রেমিকাকে দামী রিং পড়িয়ে দেবে
.
অন্যদিকে বন্ধু ছিল মিডল ক্লাস ফ্যামিলির্। সংগ্রামে
সংগ্রামে দিন পার করত। তার কাছে ভালোবাসা ছিল
কলকাতার মুভির মত। যতই অবহেলা করা হোক
মেয়ে সতি সাধ্যি স্ত্রীর মত বলে যাবে
- ও যে আমার স্বর্গ tongue emoticon
.
তো দুইজনের এই চাহিদার বৈপরীত্য শেষ পর্যন্ত
কলকাতা ভার্সেস বলিউডি মুভি হয়ে দুজনের মুখ
থেকে
- তুই শালা আবাল
- যা বেটি তুই শালী চামার
হিসেবে বের হত
.
এখনকার সম্পর্কগুলোতে ব্রেক আপের হার
বেশী হওয়ার মূল কারণ হল এইটা। যে এখনকার
ভালোবাসার সম্পর্কে ফিল্মি ভাব বেশী
জীবনের সাথে বাস্তবতার সাথে সম্পর্ক কম
.
আমার আব্বা আম্মার রিলেশান থাকাকালীন একটা ঘটনা
বলি। আম্মা তখন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অনার্সের
ছাত্রী। ফাইনাল ইয়ার পরীক্ষা। এমন সময় আম্মা খুব
অসুস্থ হলো। এদিকে সামনে পরীক্ষা নোটস
নাই কিছু। হল ছেড়ে আম্মা নানাকে বাড়িতে নিয়ে
এসেছে। হলে থাকলে বন্ধুরা হেল্প করতে
পারত। আব্বার তখন মাস্টার্স ফাইনাল দিয়ে ফ্রি টাইম।
.
আব্বা করল কি? আম্মার হোস্টেলে গিয়ে
বন্ধুদের থেকে সব নোটস নিয়ে নিল। তারপর
সেগুলোকে নিজের হাতে গুছিয়ে নিজে আলাদা
আলাদা বিষয়ের জন্য আলাদা আলাদা খাতায় লিখে একদম
গুছিয়ে আম্মাকে দিল।
.
শুনতে অবাক লাগছে তাই না? ভালোবাসার সাথে
পড়াশুনার সম্পর্ক এইটা আবার কেমন কথা।
.
.
জি হা এইটাই কথা। ভালোবাসারে তোমরা জীবন
বল। কিন্তু ভালোবাসার সাথে জীবনের কোন
সম্পর্ক রাখোনা। ভালোবাসা যদি জীবন হয় তাহলে
জীবনের পড়াশুনা ,ক্যারিয়ার ,পারিবারিক সমস্যা
সবকিছুতেই ভালোবাসার মানুষকে সাপোর্ট করাটাই
আসল ভালোবাসা
.
শুধু সপ্তাহে চারবার রমনায় যাইয়া দুইজন মিলে বাদাম
চিবালেই ভালোবাসা হয় না
.
দুইজন মিলে ডি এস এল আরওয়ালা বন্ধুরে ধইরা
ফেসবুকে কাপল পিক দিলে লাইক হয়তো বাড়বে
ভালোবাসার স্থায়িত্বের তাতে কোনই উপকার
হবেনা
.
ভালোবাসা টা কে বিয়েতে রুপান্তর করার জন্য যদি
বাস্তবতার উপর ভিত্তি করে লং টাইম প্ল্যানিং না করা যায়
তাহলে ভ্যালেন্টাইন্সই আজীবন পালন করবেন
৭০ এ গিয়ে নাতী নাতনি নিয়ে দুজনের ম্যারেজ
ডে আর পালন করা হবে না
.
ভালোবাসা মানে এইটা না যে সারাদিন ফোনে কথা
বলতে হবে ,আলোচনা সারাদিন তুমি আমি চুম্মা
চাটিতে আটকায় রাখতে হবে। ফেসবুকে চ্যাটিং
হবে কাপল পিকে লোক বাহ বাহ দিবে।
.
ভালোবাসা মানে এইটাও অনেক কথা বলতে ইচ্ছা
করার পরেও পরেরদিন পরীক্ষা শুনে বলা
- যাও পড়তে বস
বেকারত্বের হতাশা কাটাতে প্রিয়জন কে বলা
- আগামী সপ্তাহ থেকে দুইজন মিলে চাকরির
খোজে নামব। চাকরি না হয়ে যাবে কই
অসুস্থ হলে নিজে হাত লাগান
- মেসে থাকছ তো কি হইছে ডাক্তারের কাছে
আমি নিয়ে যাব
.
কারণ সত্যিটা হচ্ছে ক্যারিয়ার বিল্ড আপ যদি না করতে
পারে তাহলে যতই রমনায় বাদাম চিবান আপনার বাবা ঠিকই
শুনায় দিব
- নিজেরেই তো চালাতে পারোনা আমার
মেয়েরে কি চালাইবা
অনার্স না করতে পারলে আপনার মা আপনার
প্রেমিকাকে শুনায় দিব
- অশিক্ষিত মেয়ের কাছে বিয়ে দেয়ার প্রশ্নই
আসেনা
জি এটাই বাস্তবতা। কাপল পিক ,ডেটিং আর
ভ্যালেন্টাইন্সে ভালোবাসা দেখান হয় ভালোবাসার
কোন ঠিকানা পাওয়া যায়না। একদিন বলিউডি প্রেমের
চাহিদা আকাশ ছোয়া হয়ে যায়,অতপর সো কলড উলি
আমার জান্টু শালা তুইত চামারে পরিবর্তিত হয়
.
ভালোবাসা নিয়ে ইল্যুশনে কম ভোগেন। কিভাবে
সেই ভালোবাসাটাকে একটা ভিত্তি দেয়া যায় তার
জন্য প্ল্যান করেন। উলি আমার জান্টু বাদ দিয়ে
মাঝে মাঝে একে অন্যের ক্যারিয়ার বিল্ড আপে
হাত বাড়িয়ে দেন।
.
ভালোবাসা মানে বিনোদন না। এত সিরিয়াস একটা বিষয়
কোনদিন বিনোদিন হতে পারেনা। তিন ঘন্টার মুভি না
ভালোবাসা। আজকাল ভালবাসা বলতে আমরা
এন্টারটেইনমেন্টই বুঝি। বিনোদন মানেই যার
শেষ আছে। আজকাল তাই অতি কল্পবিলাসী
ভালোবাসাগুলা তিন ঘন্টার বিনোদন শেষে তুই শালা
চামারে গিয়ে শেষ হয়
.
ভালোবাসাটার সাথে বিনোদন ,শো অফের
সম্পর্ক কমিয়ে জীবনের সম্পর্ক টাকে বাড়ান
,নাহলে সেই সিনেম্যাটিক ভালোবাসা ফুচকা
দোকানে যাইয়াই পথ হারায় ফেলব ,ভালো বাসা
পর্যন্ত কোনদিন যাইতে পারব না।
কুত্তার বাচ্চা ফোন অফ ছিলো ক্যান
: কুত্তার বাচ্চা ফোন অফ ছিলো ক্যান?
: চার্জ শেষ হয়ে গিয়েছিলো, স্যরি
: চার্জ শেষ হই গেসে বলস নাই ক্যান?
: বলসিলাম তো, তুমি শুননাই
: কখন বলছস? বললে শুনব না কেন?
: চার্জ ছিলো না তাই ফোন দিতে পারিনাই, তাই ফোন না দিয়েই বলসিলাম । ফোন না দিয়ে বললে আমার ফোন থেকে কথা ওই পাশে যায় না, তোমার ফোন থেকে যায়?
: কুত্তার বাচ্চা তুই আমার জীবনটাকে খেলা পাইছস? পুতুল পাইছস আমাকে?
: তুমিই তো পুতুল বললে খুশি হও, এখন রাগ কর কেনো?
: কুত্তা তুই আমাকে আর জীবনেও ফোন দিবি না, ফোন রাখ
: আচ্ছা তাইলে রাখি, বকা দিলা এভাবে...
: ফোন রাখলে খোদার কসম খুন করব তরে
: খুন কইরো না, গতবারে খুন করসিলা পুরা মরে গেসিলাম
: ফোন রাখ তুই!
: খুন করে ফেলবা?
: (অস্পষ্ট আওয়াজে কুত্তার বাচ্চা বলতে বলতে আবার কান্না শুরু...)
এটা প্রায় ৪ বছর আগের এক সকালের কিছুক্ষণের গল্প, বাকি গল্পটা স্মৃতিতেই পড়ে আছে ।
কেমন আছ খেলার পুতুল?
নতুন কোনো কুত্তার বাচ্চা পাইসো?
- kolpo
: চার্জ শেষ হয়ে গিয়েছিলো, স্যরি
: চার্জ শেষ হই গেসে বলস নাই ক্যান?
: বলসিলাম তো, তুমি শুননাই
: কখন বলছস? বললে শুনব না কেন?
: চার্জ ছিলো না তাই ফোন দিতে পারিনাই, তাই ফোন না দিয়েই বলসিলাম । ফোন না দিয়ে বললে আমার ফোন থেকে কথা ওই পাশে যায় না, তোমার ফোন থেকে যায়?
: কুত্তার বাচ্চা তুই আমার জীবনটাকে খেলা পাইছস? পুতুল পাইছস আমাকে?
: তুমিই তো পুতুল বললে খুশি হও, এখন রাগ কর কেনো?
: কুত্তা তুই আমাকে আর জীবনেও ফোন দিবি না, ফোন রাখ
: আচ্ছা তাইলে রাখি, বকা দিলা এভাবে...
: ফোন রাখলে খোদার কসম খুন করব তরে
: খুন কইরো না, গতবারে খুন করসিলা পুরা মরে গেসিলাম
: ফোন রাখ তুই!
: খুন করে ফেলবা?
: (অস্পষ্ট আওয়াজে কুত্তার বাচ্চা বলতে বলতে আবার কান্না শুরু...)
এটা প্রায় ৪ বছর আগের এক সকালের কিছুক্ষণের গল্প, বাকি গল্পটা স্মৃতিতেই পড়ে আছে ।
কেমন আছ খেলার পুতুল?
নতুন কোনো কুত্তার বাচ্চা পাইসো?
- kolpo
সিগারেট দ্বারা ধর্ষিত প্রতিটি
সিগারেট দ্বারা ধর্ষিত প্রতিটি
কালো ঠোঁট
গুলোর-
পিছনে একটা মেয়ের মিথ্যা
ভালোবাসার গল্প জড়িত থাকে…..........😰
যা কখনোই তুমি জানবে না।
#kolpobazz
কালো ঠোঁট
গুলোর-
পিছনে একটা মেয়ের মিথ্যা
ভালোবাসার গল্প জড়িত থাকে…..........😰
যা কখনোই তুমি জানবে না।
#kolpobazz
সম্পর্ক গুলো ঠুনকো হয়ে যাচ্ছে
সম্পর্ক গুলো ঠুনকো হয়ে যাচ্ছে।শুধু
একটা কথায় সব শেষ হচ্ছে। "ব্রেকাপ"
বলা মাত্র নিমিষে সব ফিলিংস
মাটির তলে চলে যায়!! না....
.
মেয়েটি হয়তো নিজেকে বাইরে
থেকে খুব শক্ত প্রমাণ করার জন্য হাসতে
হাসতে বলে "আমিই ছাইড়া দিছি রে
দোস্ত, ব্যাকডেটেড পোলা,
ভাল্লাগেনা রে আর....!! " বলতে বলতে
মুখটা অন্যদিকে ঘুরিয়ে প্রান ভরে
নিঃশ্বাস নিয়ে চোখের পানিটা
দাবিয়ে দেয়,আবার হাসে....
.
.
ছেলেটাও কম না।পাড়ার চায়ের
দোকানে আড্ডার ঝড় তোলে।যে
ছেলে আগে আড্ডার মাঝেও
চ্যাটিং ছাড়া থাকত না,সে ফোন
ভুলে বাসায় ফেলে এসেছে বলে
অজুহাত দেয়। আবার হয়তো খুব আবেগে
সিগারেট তুলে নেয়।বন্ধুরা অবাক
চোখে তাকায়, তখন কৈফিয়ত দেয়ার
মত করে বলে "আরে স্মার্ট হতে
হবেনা! তোদের মত হবার চেষ্টা
করছি..."
.
.
আড্ডা শেষ হয়, রাতে ল্যাপটপের
স্ক্রিনে একটা ছবি তার পুরোনো
স্মৃতি গুলোকে আবার নতুন করে দেয়,খুব
করে চায় একটা বার প্রিয় মানুষ টার
গলা শুনতে..!! কিন্তু ফোন যায় না,
বাধা অন্যকিছু না, "ইগো প্রব্লেম "...
.
মেয়েটি চায় হয়তো ছেলেটি তার
রাগ ভাঙাবে,আর ছেলেটি ভাবে
মেয়েটি হয়তো আরো বেশি
শোনাবে.. কেন কথা শুনবে অন্যের! কষ্ট
দুজনই পায়।একজন অভিমানের,আর একজন
নিজের ভুলের..... কিন্তু কেউ স্বীকার
করে না...
.
একসময় অভিমানের ওপর ময়লা জমতে
জমতে এক সময় পাহার সমান হয়ে যায়...
হঠাৎ চলতে চলতে পথে দুজনের দেখা
হলে অজান্তে মুখ থেকে বেরিয়ে
আসে "আমি কি আপনাকে চিনি?!"
#kolpobazz
একটা কথায় সব শেষ হচ্ছে। "ব্রেকাপ"
বলা মাত্র নিমিষে সব ফিলিংস
মাটির তলে চলে যায়!! না....
.
মেয়েটি হয়তো নিজেকে বাইরে
থেকে খুব শক্ত প্রমাণ করার জন্য হাসতে
হাসতে বলে "আমিই ছাইড়া দিছি রে
দোস্ত, ব্যাকডেটেড পোলা,
ভাল্লাগেনা রে আর....!! " বলতে বলতে
মুখটা অন্যদিকে ঘুরিয়ে প্রান ভরে
নিঃশ্বাস নিয়ে চোখের পানিটা
দাবিয়ে দেয়,আবার হাসে....
.
.
ছেলেটাও কম না।পাড়ার চায়ের
দোকানে আড্ডার ঝড় তোলে।যে
ছেলে আগে আড্ডার মাঝেও
চ্যাটিং ছাড়া থাকত না,সে ফোন
ভুলে বাসায় ফেলে এসেছে বলে
অজুহাত দেয়। আবার হয়তো খুব আবেগে
সিগারেট তুলে নেয়।বন্ধুরা অবাক
চোখে তাকায়, তখন কৈফিয়ত দেয়ার
মত করে বলে "আরে স্মার্ট হতে
হবেনা! তোদের মত হবার চেষ্টা
করছি..."
.
.
আড্ডা শেষ হয়, রাতে ল্যাপটপের
স্ক্রিনে একটা ছবি তার পুরোনো
স্মৃতি গুলোকে আবার নতুন করে দেয়,খুব
করে চায় একটা বার প্রিয় মানুষ টার
গলা শুনতে..!! কিন্তু ফোন যায় না,
বাধা অন্যকিছু না, "ইগো প্রব্লেম "...
.
মেয়েটি চায় হয়তো ছেলেটি তার
রাগ ভাঙাবে,আর ছেলেটি ভাবে
মেয়েটি হয়তো আরো বেশি
শোনাবে.. কেন কথা শুনবে অন্যের! কষ্ট
দুজনই পায়।একজন অভিমানের,আর একজন
নিজের ভুলের..... কিন্তু কেউ স্বীকার
করে না...
.
একসময় অভিমানের ওপর ময়লা জমতে
জমতে এক সময় পাহার সমান হয়ে যায়...
হঠাৎ চলতে চলতে পথে দুজনের দেখা
হলে অজান্তে মুখ থেকে বেরিয়ে
আসে "আমি কি আপনাকে চিনি?!"
#kolpobazz
বালিকা
বালিকা
নীল শাড়ি পড়েছ ভাল কথা ।
হাসলে কেন?
অমন করে চোখের পানে ।
আফিম মাখা তোমার দৃষ্টি রাখলে কেন?
কালো চুলের মায়ায় আমায়
হঠাত করেই বাধলে কেন?
পাগল আমি এখন যদি
বলি তোমার হাতটি ধরে
ভালবাসি ...
কি করবে তুমি ?
পালাবে নাকি ? বলবে আমায় ভালবাসব?
#kolpobazz
নীল শাড়ি পড়েছ ভাল কথা ।
হাসলে কেন?
অমন করে চোখের পানে ।
আফিম মাখা তোমার দৃষ্টি রাখলে কেন?
কালো চুলের মায়ায় আমায়
হঠাত করেই বাধলে কেন?
পাগল আমি এখন যদি
বলি তোমার হাতটি ধরে
ভালবাসি ...
কি করবে তুমি ?
পালাবে নাকি ? বলবে আমায় ভালবাসব?
#kolpobazz
অতঃপর
অতঃপর
তথাকথিত একটা কথার কাছে হেরে গেল মেয়েটার
দশ বছরের ভালবাসা।
দেখ মা রাজি হয়ে যা
কি নেই ছেলেটার দেখতে ভাল বাড়ি আছে গাড়ি আছে আর
**আমরা তো তোর ভালোর জন্যই করছি**
#kolpobazz
তথাকথিত একটা কথার কাছে হেরে গেল মেয়েটার
দশ বছরের ভালবাসা।
দেখ মা রাজি হয়ে যা
কি নেই ছেলেটার দেখতে ভাল বাড়ি আছে গাড়ি আছে আর
**আমরা তো তোর ভালোর জন্যই করছি**
#kolpobazz
বালিকা ...
post- 18
Hey young generation.... এর
বালিকা ...
নোংরা জামা দেখে ছেলেটাকে খ্যাত বলে গালি দেবার আগে একটু ভেবে দেখ।
তার নিজের জন্য জামা কেনার টাকা দিয়ে হয়ত সে বস্ত্রহিন কোন ছেলেকে জামা কিনে দিয়েছে একটু হাসিমুখ দেখবে বলে।
অন্যের মুখে হাসি এনে দেওয়া তোমাদের মত পুতুল মানবীদের দিয়ে কখনো হবেনা । কারন তোমাদের সেই মন নেই ।
তোমারা এক ঘন্টা বারে কাটিয়ে বার বয়কে হাজার টাকা বকশিস দিতে পারো ।
কিন্ত রাস্তায় আম্মাজান দশটা টাকা দিন কিছু খাই নাই বলা ছেলেটাকে দশ টাকা দিতে বাধে তোমাদের ।
লাথি মেরে ছোটলোক বলে তারিয়ে দেওয়াটাকে আর্ট মনে কর।
আরে প্রকৃত খ্যাত তো তুমি।
খ্যত তোমার ঘুনে ধরা বিবেক।
#kolpobazz
Hey young generation.... এর
বালিকা ...
নোংরা জামা দেখে ছেলেটাকে খ্যাত বলে গালি দেবার আগে একটু ভেবে দেখ।
তার নিজের জন্য জামা কেনার টাকা দিয়ে হয়ত সে বস্ত্রহিন কোন ছেলেকে জামা কিনে দিয়েছে একটু হাসিমুখ দেখবে বলে।
অন্যের মুখে হাসি এনে দেওয়া তোমাদের মত পুতুল মানবীদের দিয়ে কখনো হবেনা । কারন তোমাদের সেই মন নেই ।
তোমারা এক ঘন্টা বারে কাটিয়ে বার বয়কে হাজার টাকা বকশিস দিতে পারো ।
কিন্ত রাস্তায় আম্মাজান দশটা টাকা দিন কিছু খাই নাই বলা ছেলেটাকে দশ টাকা দিতে বাধে তোমাদের ।
লাথি মেরে ছোটলোক বলে তারিয়ে দেওয়াটাকে আর্ট মনে কর।
আরে প্রকৃত খ্যাত তো তুমি।
খ্যত তোমার ঘুনে ধরা বিবেক।
#kolpobazz
আমি তোমাকে ভালোবাসি’-
post-17
‘আমি তোমাকে ভালোবাসি’-
এ তিনটি শব্দে কেউ আপনার প্রতি ভালোবাসা প্রকাশ করলেও তা কি সত্যিকার ভালোবাসা ?
অনেকেই অভিযোগ করেন, ‘এ পৃথিবীতে কেউ আমাকে ভালোবাসে না’। সত্যিকার অর্থেই সে আপনাকে ভালোবাসে কি না, তা নিয়ে চিন্তিত ?
তাহলে এ লেখায় দেওয়া সাতটি পয়েন্ট মিলিয়ে নিন। বুঝে নিন, সে আপনাকে সত্যিকার অর্থে ভালোবাসে কি না।
১. অসুস্থ হলে আপনার খবর রাখে আপনার প্রতি তার ভালোবাসা আছে, এ বিষয়টি বোঝার অন্যতম উপায় হলো আপনি অসুস্থ হলে সে আপনার খবর নেবে। এ সময় আপনার যে কোনো প্রয়োজনে তাকে ডাকলে কাছে পাবেন। আপনার দুঃসময়ে তার এগিয়ে আসা দেখেই বুঝে নেবেন, সে আপনাকে ভালোবাসে।
২. আপনাকে রক্ষা করে যে আপনাকে ভালোবাসে সে সব সময় আপনাকে নানা প্রতিকূল পরিস্থিতি থেকে রক্ষা করবে। আপনাকে নিয়ে কেউ হাসাহাসি করলে সে তাতে অংশ নেবে না, বরং তাদের বিরুদ্ধেই থাকবে। এমনকি আপনি তার কাছ থেকে সাহায্য না চাইলেও সে আপনার সাহায্যে এগিয়ে আসবে।
৩. আপনার পরিবারকে সম্মান করে আপনার পরিবার আপনার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। আর আপনাকে যে ভালোবাসে সে আপনার পরিবারকেও সম্মান করবে। আপনার বাবা-মা কিংবা ভাই-বোনকে সে সম্মান করবে। তাদের সঙ্গে যদি কথা বলতে হয় তাহলে সে অতি সম্মানের সঙ্গে তা করবে।
৪. আপনাকে উৎসাহ দেয় আপনাকে যে ভালোবাসে সে আপনার নানা অর্জন দেখে খুশি হবে এবং আরও অর্জনে আপনাকে উৎসাহিত করবে। আপনি তাকে পেছনে ফেলে এগিয়ে যাচ্ছেন, এ জন্য সে মোটেও দুঃখ পাবে না। তার বদলে সে আপনার অর্জনে সহায়তা দিতে এগিয়ে আসবে এবং সে জন্য গর্ববোধ করবে।
৫. ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা করে আপনার সঙ্গে জড়িয়ে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা করতে কেউ কি এগিয়ে এসেছে? যদি এগিয়ে আসে তাহলে বুঝে নিন, সে আপনার প্রতি দুর্বল, আপনাকে ভালোবাসে এবং আপনার সঙ্গে জীবন অতিবাহিত করতে চায়।
৬. আপনার মতামতের মূল্য দেয় যে আপনাকে ভালোবাসে সে আপনার মতামতেরও মূল্য দেয়। আপনার কথা সে সময় নিয়ে শুনবে এবং সিদ্ধান্ত নিতে সহায়তা করবে। যদি কেউ আপনার মতামতকে মূল্য না দেয় তাহলে এর বিপরীত অবস্থা হবে। কিন্তু আপনাকে যদি ভালোবাসে তাহলে সে আপনাকে একজন বুদ্ধিমান বলেই মনে করবে। ৭. মনে রাখে যে আপনাকে ভালোবাসে সে আপনার জন্মদিনসহ নানা তারিখের কথা খেয়াল রাখবে। এ ছাড়া অন্য নানা উপলক্ষেও সে আপনাকে অভিনন্দন জানাতে ভুলবে না। (ইত্যাদি)
repost
#kolpobazz
‘আমি তোমাকে ভালোবাসি’-
এ তিনটি শব্দে কেউ আপনার প্রতি ভালোবাসা প্রকাশ করলেও তা কি সত্যিকার ভালোবাসা ?
অনেকেই অভিযোগ করেন, ‘এ পৃথিবীতে কেউ আমাকে ভালোবাসে না’। সত্যিকার অর্থেই সে আপনাকে ভালোবাসে কি না, তা নিয়ে চিন্তিত ?
তাহলে এ লেখায় দেওয়া সাতটি পয়েন্ট মিলিয়ে নিন। বুঝে নিন, সে আপনাকে সত্যিকার অর্থে ভালোবাসে কি না।
১. অসুস্থ হলে আপনার খবর রাখে আপনার প্রতি তার ভালোবাসা আছে, এ বিষয়টি বোঝার অন্যতম উপায় হলো আপনি অসুস্থ হলে সে আপনার খবর নেবে। এ সময় আপনার যে কোনো প্রয়োজনে তাকে ডাকলে কাছে পাবেন। আপনার দুঃসময়ে তার এগিয়ে আসা দেখেই বুঝে নেবেন, সে আপনাকে ভালোবাসে।
২. আপনাকে রক্ষা করে যে আপনাকে ভালোবাসে সে সব সময় আপনাকে নানা প্রতিকূল পরিস্থিতি থেকে রক্ষা করবে। আপনাকে নিয়ে কেউ হাসাহাসি করলে সে তাতে অংশ নেবে না, বরং তাদের বিরুদ্ধেই থাকবে। এমনকি আপনি তার কাছ থেকে সাহায্য না চাইলেও সে আপনার সাহায্যে এগিয়ে আসবে।
৩. আপনার পরিবারকে সম্মান করে আপনার পরিবার আপনার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। আর আপনাকে যে ভালোবাসে সে আপনার পরিবারকেও সম্মান করবে। আপনার বাবা-মা কিংবা ভাই-বোনকে সে সম্মান করবে। তাদের সঙ্গে যদি কথা বলতে হয় তাহলে সে অতি সম্মানের সঙ্গে তা করবে।
৪. আপনাকে উৎসাহ দেয় আপনাকে যে ভালোবাসে সে আপনার নানা অর্জন দেখে খুশি হবে এবং আরও অর্জনে আপনাকে উৎসাহিত করবে। আপনি তাকে পেছনে ফেলে এগিয়ে যাচ্ছেন, এ জন্য সে মোটেও দুঃখ পাবে না। তার বদলে সে আপনার অর্জনে সহায়তা দিতে এগিয়ে আসবে এবং সে জন্য গর্ববোধ করবে।
৫. ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা করে আপনার সঙ্গে জড়িয়ে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা করতে কেউ কি এগিয়ে এসেছে? যদি এগিয়ে আসে তাহলে বুঝে নিন, সে আপনার প্রতি দুর্বল, আপনাকে ভালোবাসে এবং আপনার সঙ্গে জীবন অতিবাহিত করতে চায়।
৬. আপনার মতামতের মূল্য দেয় যে আপনাকে ভালোবাসে সে আপনার মতামতেরও মূল্য দেয়। আপনার কথা সে সময় নিয়ে শুনবে এবং সিদ্ধান্ত নিতে সহায়তা করবে। যদি কেউ আপনার মতামতকে মূল্য না দেয় তাহলে এর বিপরীত অবস্থা হবে। কিন্তু আপনাকে যদি ভালোবাসে তাহলে সে আপনাকে একজন বুদ্ধিমান বলেই মনে করবে। ৭. মনে রাখে যে আপনাকে ভালোবাসে সে আপনার জন্মদিনসহ নানা তারিখের কথা খেয়াল রাখবে। এ ছাড়া অন্য নানা উপলক্ষেও সে আপনাকে অভিনন্দন জানাতে ভুলবে না। (ইত্যাদি)
repost
#kolpobazz
Subscribe to:
Posts (Atom)
Popular Posts
-
Kolpobazz https://ift.tt/2ld6xMf