Post-11
কখনো কাউকে নিঃস্বার্থভাবে ভালবেসে দেখেছ।
ভাবছ নিঃস্বার্থ ভালবাসা!!!
সেটা আবার কি?
জানি তোমার জানার কথা ওঃ নয়।
তুমি তো বোঝো শুধু ছলনা।
তোমার কাছে ভালবাসার মানেটা হল ইচ্ছে হল তাকে নিয়ে খেললাম,
কিছুদিন এঞ্জয় করলাম,কাজ শেষ হলে ছুরে ফেলে দিলাম।
তুমি কি করে নিঃস্বার্থ ভালবাসা বুঝবে।
কি করে বুঝবে যেই ছেলেটা রোজ রোজ তোমাকে চাইনিজ চওমিন খাওয়ার আবদার মেটাতে ব্যাস্ত ।
তোমার আবদার মেটাতে তাকে একমাসের হাত খরচ বাদ দিতে হয়েছে।
নতুন ফোন কিনে দেবার বায়না ধরলে।
ছেলেটা কিনে ওঃ দিল।
তুমি হয়ত আবেগে তাকে একটু জরিয়েই ধরবে।বা একটা চুমুই দিয়েছ।
কিন্ত কখনো জানতে চাওনি বা জানবে ওঃ না যে তোমাকে ফোন দিতে গিয়ে ছেলেটাকে এই মাশের কলেজ ফি টা মার দিতে হয়েছে।
তোমার কথা ভেবে ছেলেটা প্রতিনিয়ত ভাল থাকার মিথ্যে অভিনয়ে ব্যাস্ত যখন ।
তুমি তখন তাকে ছেরে হয়ত চলে যাবে অন্য কারো হাত ধরে।
একবার ওঃ ভেবে দেখেছ কি তখন ছেলেটার কি অবস্থা হবে।
সে কি তোমায় ছেরে দেবার জন্য ভাল বেসেছিল।
সে যেটা করেছিল সেটাই হল নিঃস্বার্থ ভালবাসা।
কারন সে প্রতিদানের জন্য টাকার জন্য খাবারের জন্য ।
নতুন নতুন বায়না ধরার জন্য ভালবাসেনি ।
শুধু ভালবাসার মানুস্টাকে সুখে রাখাটাইছিল তার কাজ।
আর তুমি কি করেছ?
পারবে কি উত্তরটা দিতে?
প্রস্নটা তোলা রইল?
.কল্পলোকের কল্পবাজ একজন ভাল লেখককে সহজেই ভাল মানুষ ভেবে নেয়াটা বোকামী। যেমন একজন ভাল ডাক্তার ভাল মানুষ নাও হতে পারে। বাংলাদেশে যত জন ডাক্তার আছে এরা সবাই যদি ভাল মানুষ হত, যদি প্রত্যেকটা ডাক্তার দিনে তিনটা করে রোগী বিনা পয়সায় দেখত তাহলে আর এদেশে কেউ বিনা চিকিৎসায় মারা যেতনা।
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
Popular Posts
-
সাইকো ডায়েরি https://ift.tt/3297LcL
No comments:
Post a Comment